Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin)
#40

৪০



লঞ্চের বিশাল ইঞ্জিনটার একটা গভীর, গম্ভীর 'ভুমমমম...' শব্দ তিন তলার এই ভিআইপি সুইটের দরজার ফ্রেমে এসেও আছড়ে পড়ছিল। কাঠের দরজায় কান পাতলে সেই স্পন্দন টের পাওয়া যায়। কিন্তু আমার নিজের বুকের ভেতর যে ইঞ্জিনটা তখন এক হাজার গুণ বেশি গতিতে স্টার্ট নিয়েছিল, তার আওয়াজের সামনে বাইরের ওই মেটালিক দানবের শব্দকে একদম তুচ্ছ মনে হচ্ছিল। আমার হৃৎপিণ্ডটা বুকের পাঁজর চিরে যেন বাইরে বেরিয়ে আসতে চাইছিল।


আমি সুইটের দরজার পিতলের হাতলটায় হাত রেখেছিলাম। একটা দ্বিধা, একটা বুনো উত্তেজনা আর চরম প্রত্যাশা নিয়ে আমি জাস্ট দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু আমাকে আর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলো না। ভেতর থেকে দরজাটা খুব নিঃশব্দে, কিন্তু চটজলদি ফাঁক হয়ে গেল। আর তার পরের মুহূর্তে যা ঘটল, তার জন্য আমার কোনো মানসিক প্রস্তুতি ছিল না। দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা আনিকা নাওহারের চোখে তখন কোনো দ্বিধা নেই, কোনো ভদ্রতার সামাজিক মুখরোচক আবরণ নেই। সেখানে জ্বলছে এক বিশুদ্ধ, আদিম এবং সর্বগ্রাসী আগ্নেয়গিরি।

উনি আমাকে কোনো কথা বলার বিন্দুমাত্র সুযোগ দিলেন না। আমি মুখ খুলে কিছু একটা বলতে গিয়েছিলাম, হয়তো বলতে চেয়েছিলাম— 'আনিকা, বাইরে লোকজন আছে...' অথবা 'তুমি ফ্রেশ হয়েছ?'। কিন্তু আমার সেই উটকো বাক্যগুলো আমার গলার ভেতরেই আটকে রইল।

উনার ডান হাতটা সাপের মতো দ্রুত গতিতে বেরিয়ে এল। উনার ফর্সা, মসৃণ আঙুলগুলো আমার টি-শার্টের নিচের অংশ পেরিয়ে সোজা গিয়ে চেপে ধরল আমার গ্যাবার্ডিন প্যান্ট পরা কোমরের বেল্টের ওপর। উনার হাতের মুঠিটা একটা লোহার ইকেবানা চিমটার মতো শক্ত হয়ে গেল। এবং এক প্রবল, হ্যাঁচকা টানে উনি আমাকে সুইটের ভেতর টেনে ঢুকিয়ে নিলেন।

আমার শরীরের ভারসাম্য হারাল। আমি ভেতরে আছড়ে পড়ার আগেই উনি উনার অন্য হাত দিয়ে কাঠের ভারী দরজাটা সজোরে বন্ধ করে দিলেন।

ক্লিক!

সেই যান্ত্রিক লক হওয়ার শব্দটা এই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বিলাসবহুল সুইটের নিস্তব্ধতায় একটা চূড়ান্ত সিলমোহরের মতো বাজল। বাইরে বুড়িগঙ্গার কালো পানি, নদীর ওপর থেকে ভেসে আসা পচা ডিজেলের গন্ধ, টার্মিনালের কুলিদের চিৎকার, হকারের হাঁকডাক আর লঞ্চের বিশাল সাইরেন— সবকিছু ওই একটা 'ক্লিক' শব্দে চিরকালের জন্য এই ঘর থেকে নির্বাসিত হয়ে গেল। এখন এই চার দেয়ালের ভেতর, নরম চাদর বিছানো ডাবল বেডের সামনে শুধু আমরা দুজন মানুষ। দুই ভিন্ন মেরুর, ভিন্ন বয়সের, ভিন্ন সামাজিক অবস্থানের দুজন মানুষ, যাদেরকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছে এক অমোঘ, নিষিদ্ধ কামনার সুতো।

আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই, আনিকা উনার পুরো শরীরের সমস্ত ওজন, উনার সমস্ত তৃষ্ণা নিয়ে আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন।

"আনিকা..." আমি শুধু এইটুকু উচ্চারণ করতে পেরেছিলাম।

কিন্তু উনার গরম, নরম এবং আক্ষরিক অর্থেই ক্ষুধার্ত ঠোঁট দুটো আমার মুখের ওপর এমনভাবে চেপে বসল যে আমার কণ্ঠস্বর উনার মুখের ভেতরের উষ্ণতায় চিরতরে হারিয়ে গেল। উনার এই আক্রমণে কোনো প্রিলিমিনারি রোমান্স ছিল না, কোনো মেকি ন্যাকামি ছিল না। এটা ছিল একটা বন্য পশুর আরেকটা পশুকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা। উনি উনার ভেজা, মিষ্টি এবং গরম জিভটা সরাসরি আমার মুখের ভেতর চালান করে দিলেন।

চুমু জিনিসটা বড়ই অদ্ভুত। সমতলে বা সাধারণ জীবনে মানুষ যখন কাউকে চুমু খায়, তখন সেটার পেছনে থাকে একটা হালকা ভালোলাগা বা সামাজিক মায়া। কিন্তু যখন স্থান-কালের সমস্ত সীমানা পেরিয়ে, সমাজ আর আইনের চোখে অপরাধী হয়ে দুজন মানুষ কোনো এক বন্ধ ঘরে মুখোমুখি দাঁড়ায়, তখন চুমু হয়ে যায় একে অপরের আত্মাকে শুষে নেওয়ার, একে অপরের অস্তিত্বকে নিজের ভেতরে হরণ করার এক আদিম প্রক্রিয়া।

আনিকার চুমুটা ছিল ঠিক সেরকমই। গভীর, ভেজা, এবং অসহ্য সুন্দর এক চুমু। উনার মুখের ভেতরের সেই মিষ্টি, নোনতা স্বাদ আর উনার লালার উষ্ণতা আমাকে মুহূর্তের মধ্যে এক অবশ করা ঘোরের মধ্যে ঠেলে দিল। আমি আমার দুই হাত বাড়িয়ে উনার কোমরটা শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। আমার আঙুলগুলো উনার সালোয়ার কামিজের সুতির কাপড়ের ওপর দিয়ে উনার ফর্সা, মেদহীন কোমরের খাঁজে গিয়ে দেবে গেল। উনার শরীরটা আমার শরীরের সাথে একেবারে সেঁটে গেল। উনার পরনে সেই কালো রঙের সালোয়ার কামিজ। কামিজের ফেব্রিকটা আমার সুতির সাদা টি-শার্টের ওপর দিয়ে ঘষা খাচ্ছিল, আর সেই ঘর্ষণে আমাদের চামড়ার নিচে এক চরম রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল।

সুইটের ভেতরের পরিবেশটা সেকেন্ডের মধ্যে বদলে যেতে লাগল। এসির বাইশ ডিগ্রিতে থাকা ঠান্ডা বাতাসটাকে সম্পূর্ণ পরাজিত করে আমাদের দুটি নগ্নপ্রায় শরীরের উত্তাপ রাজত্ব কায়েম করল। আনিকার চুলে ঢাকা মাথার সেই সুবাস, উনার গলার কাছে লেগে থাকা শ্যানেল পারফিউমের আভিজাত্যময় ঘ্রাণ, আর সব কিছুর ওপরে উনার শরীর থেকে ছড়ানো সেই স্বাভাবিক, উত্তপ্ত নারীত্বের গন্ধ— সব মিলিয়ে আমার অনুবাদক মস্তিষ্ক পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ল। আমার মনে হলো, পৃথিবীটা হয়তো এখন উল্টো ঘুরতে শুরু করেছে।

আমরা দরজার সাথে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়েই চুমু খেয়ে যাচ্ছিলাম। উনার হাত দুটো আমার ঘাড় পেরিয়ে মাথার পেছনে চলে গেল। উনার পরিপাটি করে সাজানো ম্যানিকিউর করা আঙুলগুলো আমার মাথার চুলগুলো শক্ত করে খামচে ধরল। উনি আমাকে আরও কাছে, উনার আরও গভীরে টেনে নিতে চাইছিলেন।

আমি উনার পিঠে, উনার মেরুদণ্ডের খাঁজ ধরে হাত বুলাচ্ছিলাম। উনার কালো কামিজের পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়েই আমি উনার অন্তর্বাসের হুক আর স্ট্র্যাপটা স্পষ্ট অনুভব করতে পারছিলাম। উনার সেই ভরাট, উদ্ধত স্তনযুগল আমার বুকের সাথে এতটাই শক্তভাবে চেপে ছিল যে, আমার মনে হচ্ছিল উনার বুক আর আমার বুক এক হয়ে গেছে। উনার হূৎপিণ্ডের দ্রুত ওঠানামা আমি আমার নিজের পাঁজরের ভেতর টের পাচ্ছিলাম।

আমাদের দুজনেরই শ্বাস-প্রশ্বাস এখন এক অনিয়মিত, বুনো ছন্দে বইছে। প্রতিটি নিশ্বাসের সাথে সাথে বুক ফুলে উঠছে, আবার নেমে যাচ্ছে। অন্ধকার সুইটের দেওয়ালে তখন শুধুই এক ভেজা, চোষার শব্দ প্রতিধ্বনি হয়ে বাজছিল।

আনিকা উনার ঠোঁটটা একটু সরালেন, কিন্তু পুরোপুরি সরালেন না। উনার ফর্সা গাল দুটো তখন কামনার তাপে ঈষৎ লাল হয়ে উঠেছে। উনি উনার দাঁত দিয়ে আমার নিচের ঠোঁটটা খুব আলতো করে, অথচ একটা তীক্ষ্ণ ব্যথার অনুভূতি দিয়ে কামড়ে ধরলেন।

"উমমম..." আমার মুখ দিয়ে একটা চাপা শব্দ বের হলো।

"চুপ..." আনিকা উনার চোখের মণি দুটো আমার চোখের একদম কাছাকাছি এনে ফিসফিস করে বললেন। উনার নিশ্বাসের গরম হাওয়া আমার ঠোঁটে আছড়ে পড়ছিল। "আজ কোনো কথা বলবে না রাশেদ। আজ শুধুই খেলা।"

কথাটা বলেই উনি আবার উনার জিভটা আমার মুখের ভেতর পুরে দিলেন। আমি উনার জিভটাকে আমার ঠোঁট দিয়ে চুষতে লাগলাম। উনার শরীরটা আমার বাহুডোরে একটা কলার পাতার মতো থরথর করে কাঁপছিল। আমার শরীরও কাঁপছিল এক অজানা, প্রলয়ঙ্করী উত্তেজনায়।

ধীরে ধীরে আনিকার হাত আমার মাথার চুল থেকে নেমে এল আমার টি-শার্টের নিচের বর্ডারের ওপর। উনার আঙুলগুলো খুব অস্থিরভাবে আমার টি-শার্টের কাপড়টা ধরে ওপরের দিকে টানতে লাগল।

"এটা খোলো..." উনি চুমুর ফাঁকেই একটা হাঁপানো, ভেজা গলায় নির্দেশ দিলেন। "আমার তোমার এই কাপড়ের বাধা সহ্য হচ্ছে না।"

আমি উনাকে সাহায্য করলাম। উনি দুই হাতে আমার টি-শার্টটা টেনে এক ঝটকায় আমার মাথার ওপর দিয়ে খুলে ফেললেন। শার্টটা ফ্লোরে একটা অর্থহীন কাপড়ের টুকরোর মতো খসে পড়ল।

আমার খালি বুকটা সুইটের আবছা আলোয় উন্মুক্ত হয়ে গেল। আনিকা এক সেকেন্ডের জন্য থামলেন। উনার ফর্সা হাতটা আমার খালি বুকের ওপর রাখলেন। উনার হাতের তালুটা আগুনের মতো গরম। উনার আঙুলগুলো আমার বুকের লোমগুলোর ভেতর দিয়ে স্লাইড করে নিচে নামতে লাগল। আমার পেটের পেশি ছুঁয়ে উনার হাত সোজা নেমে গেল আমার গ্যাবার্ডিন প্যান্টের বেল্টের কাছে।

আমি আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারলাম না। আমার ভেতরের সেই আদিম, ক্ষুধাতুর পুরুষটা এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। আমি আমার দুই হাত বাড়িয়ে উনার কালো কামিজের নিচের ঝুলটা ধরলাম।

"হাত দুটো তোলো আনিকা," আমি উনার চোখে চোখ রেখে, খুব নিচু আর গভীর গলায় বললাম।

আনিকা বাধ্য মেয়ের মতো উনার দুই হাত ওপরের দিকে তুললেন। আমি উনার কালো কামিজটা এক টানে উনার মাথার ওপর দিয়ে টেনে বের করে আনলাম। কামিজ সুইটের ফ্লোরে একপাশে ছুড়ে ফেলে দিলাম। সুইটের ল্যাম্পশেডের মায়াবী, হলুদ আলোয় উনার শরীরের ওপরের অংশটা উন্মোচিত হলো।

নিচে শুধুই একটা কালো লেসের অন্তর্বাস। উনার সেই ছত্রিশ বছর বয়সী, কিন্তু নিখুঁতভাবে সযত্নে রাখা ফর্সা শরীরটা আমার চোখের সামনে ভেসে উঠল। উনার স্তন দুটো এতই ভারী এবং গোলাকার যে, লেসের কাপ থেকে তা যেন বাইরে বেরিয়ে আসার জন্য আকুল হয়ে ছিল। উনার সমতল পেট, উনার কলারবোনের ডিপ খাঁজ আর উনার ফর্সা বাহু দুটো দেখে আমার মনে হলো, আমি পৃথিবীর সেরা কোনো ভাস্কর্যের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।

আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো উনার সেই রাজকীয় রূপের দিকে এক সেকেন্ড তাকিয়ে রইলাম। "কী দেখছ?" আনিকা উনার ফর্সা কাঁধটা সামান্য ঝাঁকিয়ে, একটা বুনো হাসি দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন।

"দেখছি, একটা মানুষকে ঈশ্বর কতটা নিখুঁত করে বানাতে পারেন," আমি ফিসফিস করে বললাম।

তারপর আমি আর অপেক্ষা করলাম না। আমি উনার ফর্সা, মসৃণ কাঁধের ওপর আমার ঠোঁট রাখলাম। একটা দীর্ঘ, আর্দ্র চুম্বন। তারপর উনার কলারবোন বরাবর আমার জিভ বুলিয়ে আমি আস্তে আস্তে নিচে নামলাম। লেসের সেই কালো অন্তর্বাসের ওপর দিয়েই আমি উনার স্তনবৃন্তে মুখ রাখলাম। কাপড়ের সেই খসখসে ফেব্রিকের ওপর দিয়েই আমি সেটাকে চুষতে লাগলাম। আমার জিভের উষ্ণ স্পর্শে উনার স্তনবৃন্তগুলো মুহূর্তের মধ্যে একটা ছোট পাথরের মতো শক্ত হয়ে উঠল।

"আহহহ... রাশেদ... ইসসস..." আনিকা আমার মাথাটা উনার দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে উনার বুকের সাথে আরও শক্ত করে মিশিয়ে নিলেন। উনার নখগুলো আমার খালি পিঠের চামড়ায় গিয়ে বসে গেল।

আমি আমার হাত দুটো উনার পিঠের দিকে নিয়ে গেলাম। খুব নিপুণ হাতে আমি অন্তর্বাসের মেটালিক হুকটা খুলে দিলাম। লেসের ওই শেষ আবরণটাও খসে ফ্লোরে পড়ে গেল। উনার স্তন দুটো পুরোপুরি মুক্ত হয়ে আমার মুখের সামনে এসে দাঁড়াল। ফর্সা, নিটোল, এবং পুরোপুরি প্রস্ফুটিত দুটি ফুল যেন। উনার স্তনবৃন্ত দুটো হালকা গোলাপি আর উত্তেজনায় টানটান।

আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। আমি একটা বোঁটা আমার মুখের ভেতর পুরে নিয়ে বন্যভাবে চুষতে শুরু করলাম। আমার জিভ দিয়ে সেটাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছিলাম, আর অন্য হাত দিয়ে উনার অন্য স্তনটা খুব আদরে, অথচ একটা চরম অধিকারবোধের সাথে দলে দিচ্ছিলাম।

আনিকা উনার মাথাটা পেছনে হেলিয়ে দিলেন। উনার বুকটা এক অসম্ভব ছন্দে ওপর-নিচে উঠানামা করতে লাগল। উনার গলা দিয়ে একটা বুক-চেরা, গভীর আর্তনাদ বেরিয়ে এল— "আহ... রাশেদ... আমাকে শেষ করে দাও তুমি..."

উনার হাত দুটো এবার থেমে রইল না। উনি উনার হাত নিচে নামিয়ে এনে আমার গ্যাবার্ডিন প্যান্টের বেল্টের বাকলে হাত দিলেন। খুব দ্রুত উনি বেল্টটা আনলক করলেন, তারপর জিপারটা টেনে নিচে নামিয়ে দিলেন।

প্যান্টের বোতাম খোলার সাথে সাথেই আমার প্যান্টটা আলগা হয়ে আমার হাঁটু পর্যন্ত নেমে গেল। আমার আন্ডারওয়্যারের ভেতরে আমার পুরুষাঙ্গটি ইতিমধ্যেই চরম উত্তেজনায় পাথরের মতো কঠিন হয়ে, আক্ষরিক অর্থেই এক দণ্ডায়মান কুতুব মিনারের মতো ফুঁসছিল। উনার হাত যখন কাপড়ের ওপর দিয়ে সেটাকে স্পর্শ করল, আমার মুখ দিয়ে একটা অস্ফুট গোঙানি বেরিয়ে এল।

আনিকা উনার নরম, উত্তপ্ত হাতের তালু দিয়ে আমার সেই দণ্ডায়মান অংশটাকে কাপড়ের ওপর দিয়েই চেপে ধরলেন। উনার আঙুলগুলো দিয়ে উনি খুব ধীরে ধীরে, একটা পাগল-করা, নিপুণ ছন্দে ওপর-নিচে নড়াচড়া করতে লাগলেন।

আমি উনার স্তন থেকে মুখ সরিয়ে উনার মুখের দিকে তাকালাম। উনার চশমাটা টেবিলের ওপর রাখা, তাই উনার খালি চোখ দুটো এখন পুরোপুরি উন্মুক্ত। উনার চোখ দুটো কামনার আবেশে অর্ধেক বন্ধ। ঠোঁট দুটো সামান্য ফাঁকা হয়ে আছে, উনার গাল দুটো লাল, আর কপালে সুক্ষ্ম ঘামের বিন্দু জমতে শুরু করেছে। উনার এই ঘুম ভাঙা, কামনায় উন্মত্ত রূপটা দেখে আমার ভেতরের পশুটা পুরোপুরি জেগে উঠল।

আমি উনার সাদা সালোয়ারের রাবার-ব্যান্ডটা দুই হাতে ধরলাম। "এটাও খোলো," আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম।

আনিকা কোনো কথা বললেন না। উনি উনার পা দুটো একটু ওপরে তুললেন, আর আমি এক টানে সালোয়ারটা নিচে নামিয়ে দিলাম। সালোয়ারটা ফ্লোরে জমে থাকা টি-শার্ট আর কামিজের স্তূপের ওপর গিয়ে পড়ল। নিচে শুধুই উনার একটা কালো রঙের প্যান্টি।

আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। আমি উনার সামনে ফ্লোরে হাঁটু গেড়ে বসলাম। উনার সমতল, ফর্সা পেটে আমার মুখ রাখলাম। উনার নাভির চারপাশে আমার জিভ দিয়ে একটা বৃত্ত এঁকে দিলাম। নাভির সেই গভীর খাদের ভেতর আমার জিভের উষ্ণ স্পর্শ পেতেই আনিকা এক তীব্র শিহরণে কেঁপে উঠলেন। উনার পা দুটো থরথর করে কাঁপতে শুরু করল।

তারপর আমি আরও নিচে নামলাম। প্যান্টির ওই পাতলা সুতির কাপড়ের ওপর দিয়েই আমি উনার সেই অতি গোপন, রহস্যময় এবং ভিজে থাকা নারীত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে আমার ঠোঁট আর মুখ চেপে ধরলাম। গরম! এবং ভীষণ ভেজা!

উনার শরীরের কামনার রসে কাপড়টা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ সিক্ত হয়ে উঠেছিল। আমি আমার জিভ দিয়ে সেই কাপড়ের ওপর দিয়েই উনার সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশে একটা জোরালো চাপ দিলাম।

"উফফফ... রাশেদ... না..." আনিকা উনার দুই হাত দিয়ে আমার চুলগুলো সজোরে টেনে ধরলেন। উনার শরীরটা যেন নিচ থেকে ওপরের দিকে ছিটকে উঠতে চাইল। "উঠো... বিছানায় চলো... আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছি না..."

উনার গলার স্বরটা ভাঙা, ভেজা এবং চরম আকুলতায় ভরা। আমি উঠে দাঁড়ালাম।

আনিকা আমার একটা হাত উনার শক্ত মুঠোয় ধরে টেনে নিয়ে গেলেন ওই বিশাল, ধবধবে সাদা চাদর বিছানো ডাবল বেডটার দিকে। আমি বিছানার ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লাম। আনিকা উনার হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে আমার পাশে বসলেন। উনার হাত দুটো আমার আন্ডারওয়্যারের বর্ডারে গেল। উনি খুব ধীর গতিতে সেটাকে আমার শরীর থেকে টেনে বের করে এনে বিছানার নিচে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন।

আমার পুরুষাঙ্গটি এখন কোনো আড়াল ছাড়া, সম্পূর্ণ স্বাধীন হয়ে ওপরের দিকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রইল। উনার ঘরের ল্যাম্পশেডের আলোয় সেটার রগগুলো উত্তেজনায় ফুলে উঠেছে দেখা যাচ্ছিল। আনিকা উনার দুই হাত বাড়িয়ে আমার সেই দণ্ডায়মান অংশটাকে ধরলেন। উনার হাতের তালুর রেশমি কোমলতা আর উনার গায়ের উত্তাপ আমার পুরো শরীরে এক অদ্ভুত বিজলীর জন্ম দিল। আমি চোখ বন্ধ করে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেললাম। 

তারপর... আনিকা উনার মুখটা নিচু করলেন। উনার গরম, ভিজে থাকা ঠোঁট জোড়া আমার লিঙ্গের একদম অগ্রভাগে এসে আলতো করে ছুঁয়ে গেল। উনি খুব ধীর গতিতে, অত্যন্ত পরম আদরে সেটাকে উনার মুখের ভেতর নিতে শুরু করলেন।

এক ইঞ্চি... দুই ইঞ্চি... গলার কাছ পর্যন্ত। আমার ভেতরের সমস্ত অস্তিত্ব যেন এক সেকেন্ডের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল। আমি দুই হাত দিয়ে বিছানার সাদা চাদরটা খামচে ধরলাম।

তারপর উনি আস্তে আস্তে ওপরের দিকে উঠলেন। উনার জিভের ডগা দিয়ে নিচের অংশটা খুব মায়াবী একটা ছন্দে চাটলেন। আবার ভেতরে নিলেন। সুইটের ভেতর এখন অন্য কোনো শব্দ নেই। না কোনো পানির আওয়াজ, না কোনো বাইরের কোলাহল। শুধু উনার মুখের সেই ভেজা, চোষার শব্দটা— চপ... চপ...— এই নিস্তব্ধ ঘরের ভেতর এক আদিম, চরম অশ্লীল এবং পরম ঐশ্বরিক সংগীতের মতো বাজতে লাগল। উনার মুখের লালা আমার লিঙ্গের গায়ে গড়িয়ে পড়ছিল।

আমি মাথা সামান্য তুলে উনার দিকে তাকালাম। উনার চোখ দুটো বন্ধ, কপালে হালকা ভাঁজ। উনি উনার পুরো মনোযোগ, উনার উর্বরা অস্তিত্ব দিয়ে আমাকে সেবা করছেন। উনার এক হাত আমার অণ্ডকোষের ওপর খুব আলতো করে বুলে যাচ্ছিল, আর অন্য হাত দিয়ে উনি আমার গোড়ার দিকটা ধরে ওপরে-নিচে নাড়াচ্ছিলেন।

আমি উনার খোলা চুলে আমার হাত রাখলাম। কোনো চাপ দিলাম না, জাস্ট একটা স্পর্শ। আনিকা যেন আমার সেই ইশারাটা বুঝতে পারলেন। উনি আরও গভীরে নিলেন। উনার গলার কাছে গিয়ে ঠেকতেই উনি একটু খুকখুক করে কাশলেন, কিন্তু উনি থামলেন না। উনি উনার কাজ চালিয়ে গেলেন। উনার জিভের ডগা দিয়ে উনি আমার অগ্ৰভাগের সেই চরম সংবেদনশীল ছিদ্রটায় বারবার খোঁচা দিচ্ছিলেন।

আমার মনে হচ্ছিল, আমার শরীরের সমস্ত রক্ত, সমস্ত শক্তি এক জায়গায় এসে জমা হয়েছে। আমি আমার কোমরটা একটু ওপরের দিকে তুললাম। আনিকা উনার একটা হাত বাড়িয়ে আমার উরু চেপে ধরলেন।

"আস্তে সোনা..." উনি মুখটা এক সেকেন্ডের জন্য সরিয়ে, ঠোঁট দুটো লালায় ভেজা অবস্থাতেই ফিসফিস করে বললেন। উনার চোখে এক বন্য মায়া। তারপর উনি আবার সেটাকে উনার মুখের ভেতরের স্বর্গে পুরে নিলেন।

পাঁচ মিনিট... ছয় মিনিট... এভাবে চলল। আমার পুরো শরীরটা যেন একটা ধনুকের ছিলার মতো টানটান হয়ে গেছে। আমি বুঝতে পারলাম, আমার সহ্যসীমার শেষ প্রান্তে আমি এসে দাঁড়িয়েছি। আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড... তারপরই আমার ভেতরের সমস্ত তরল লাভা ছিটকে বেরিয়ে আসবে।

কিন্তু আনিকা তো সাধারণ কোনো নারী নন। উনি একজন পাকা, অভিজ্ঞ এবং চরম দূরদর্শী খেলোয়াড়। উনি খুব ভালো করেই জানেন কখন থামতে হয়। উনি উনার মুখ থেকে আমার লিঙ্গটা বের করে আনলেন। বের করার মুহূর্তে জিভ দিয়ে শেষবারের মতো খুব মায়াবী একটা লেহন করলেন।

তারপর উনি হাঁটু গেড়ে বিছানার ওপর উঠে এলেন। উনি আমার ওপর এসে বসলেন। উনার দুই পা আমার কোমরের দুই পাশে ছড়িয়ে পড়ল। উনার নগ্ন, ভেজা যোনিপথটা আমার শক্ত লিঙ্গের ওপর দিয়ে হালকা ঘষা খেল। কী সাংঘাতিক উত্তপ্ত আর কী ভীষণ পিচ্ছিল!

উনি উনার বাঁ হাত দিয়ে উনার কালো প্যান্টিটা এক টানে শরীর থেকে খসিয়ে একপাশে ছুড়ে মারলেন। এবার কোনো কাপড়ের আড়াল নেই।

আনিকা উনার ডান হাত দিয়ে আমার শক্ত লিঙ্গটা ধরলেন। তারপর উনার নিজের শরীরের সেই উন্মুক্ত, পিচ্ছিল এবং কামনার রসে টইটম্বুর যোনিমুখের ওপর সেটিকে নিখুঁতভাবে স্থাপন করলেন। উনার চোখ দুটো আমার চোখের দিকে স্থির। উনার ঠোঁটে এক রহস্যময়, বিজয়ী হাসি।

উনি খুব ধীরে, অত্যন্ত ধীরে উনার শরীরের পুরো ভর ছেড়ে দিয়ে নিচে বসতে শুরু করলেন। আমার লিঙ্গের চকচকে অগ্রভাগটা উনার শরীরের ভেতরের সেই উষ্ণ, আঁটসাঁট স্বর্গে প্রবেশ করল।

আনিকা উনার মাথাটা পেছনের দিকে হেলিয়ে দিয়ে, বুকটা ওপরে তুলে একটা দীর্ঘ, কাঁপাকাঁপা শ্বাস ফেললেন—
"আহ্..."

উনি আরও একটু নিচে নামলেন। অর্ধেক ঢুকল। উনার ভেতরটা অসহ্য রকমের টানটান, গরম এবং পিচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন কোনো ফুটন্ত তরলের ভেতর প্রবেশ করছি। উনি উনার শরীরের সমস্ত ভর ছেড়ে দিয়ে পুরোটা ঢুকিয়ে দিলেন। আমাদের শরীর সম্পূর্ণ জোড়া লেগে গেল। উনি এক মুহূর্তের জন্য একদম স্থির হয়ে রইলেন। শুধু উনার বুকটা দ্রুত ওঠানামা করছে। আমার লিঙ্গ উনার শরীরের গভীরে স্পন্দিত হচ্ছে। তারপর... উনি নড়তে শুরু করলেন।

শুরু হলো আমাদের সেই মহাজাগতিক, ছন্দময় যাত্রা। এই নদীর বুকে ভাসমান লঞ্চে, বাইরের পৃথিবীর কোলাহল থেকে বিচ্ছিন্ন এক স্বর্গে।

উনি উনার কোমরটা একটু ওপরে তুললেন। আমার লিঙ্গ প্রায় বেরিয়ে এল। তারপর উনি সজোরে নিচে বসলেন।
শব্দ হলো— চাপ্! উনার শরীরের ভারে বিছানার স্প্রিংটা একটু ডেবে গেল। উনার স্তন দুটো এই ধাক্কায় একটা বুনো ঝাঁকুনি খেল। উনি দাঁত চেপে ধরে একটা অস্ফুট শব্দ করলেন, "উম্ম..."।

এবার আরও একটু জোরে। ওপরে উঠে আবার বসলেন। এইবার আমার লিঙ্গ পুরোটা উনার জরায়ুমুখ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকল। উনার যোনির ভেতরের পেশিগুলো আমাকে আষ্টেপৃষ্টে চেপে ধরল। আমি আমার দুই হাত দিয়ে উনার কোমরটা ধরলাম। আমার আঙুলগুলো উনার ফর্সা, নরম মাংসে একটু দেবে গেল।

উনি এবার শুধু ওপরে-নিচে নয়, সামনে-পেছনে নড়তে শুরু করলেন। আমার লিঙ্গ উনার ভেতরে একটা অদ্ভুত ঘর্ষণ তৈরি করল। উনার ক্লিটোরিস বা ভগাঙ্কুরটা সরাসরি আমার তলপেটের সাথে মিলল। উনি মাথা পেছনে ফেললেন। উনার চুলগুলো পিঠে ছড়িয়ে পড়ল। "রাশেদ... আরও... উফফ..."

জোরে। এবার আমি নিচ থেকে একটু পুশ করলাম। বিছানার ফ্রেমটা কেঁপে উঠল। উনার যোনি থেকে কামনার রসে সিক্ত হওয়ার কারণে একটা স্পষ্ট, ভেজা শব্দ আসছে। চাপ্-চাপ্। আমার অণ্ডকোষ উনার শরীরের সাথে ধাক্কা খাচ্ছে। আমি উনার স্তন দুটো আমার দুই হাতে নিয়ে মলতে লাগলাম। স্তনবৃন্ত দুটো আঙুলের ফাঁকে চেপে ধরতেই উনি একটা বন্য গোঙানি দিয়ে উঠলেন।

উনি উনার দুই হাত আমার বুকের ওপর ভর রেখে আরও দ্রুত নড়তে লাগলেন। উনার পেটের পেশীগুলো টানটান হয়ে আছে। ঘামের ফোঁটা উনার কপাল দিয়ে, উনার গলা বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে। আমারও বুক ঘেমে গেছে। উনার ভেতরটা এখন আরও বেশি ভেজা হয়ে উঠেছে। আমার লিঙ্গ খুব সহজেই, কোনো বাধা ছাড়াই ঢুকছে আর বেরোচ্ছে।

উনি একটু সামনের দিকে হেলে পড়লেন। উনার মুখটা আমার মুখের একদম কাছে এল। উনি আমার ঠোঁটে একটা গভীর চুমু দিলেন। উনার লালা মেশানো জিভটা আমার মুখের ভেতর ঢুকিয়ে দিলেন। এই চুমুর মধ্যেই উনার কোমর সমানে নড়ছে। প্রতিবার বসার সময় উনার যোনি আমার লিঙ্গকে একটা স্পঞ্জের মতো চেপে ধরছে। আমি উনার পেছনের দিকটা, উনার সেই সুডৌল, বিশাল নিতম্বদুটো হাতে নিয়ে জোরে চেপে ধরলাম। উনি আমার বুকে ভর দিয়ে আরও গভীরে বসলেন।

এবার উনি ছন্দ বদলালেন। খুব ধীর গতিতে ওপরে উঠে, তারপর হঠাৎ করে সজোরে বসছেন। প্রতিবারই আমার লিঙ্গের অগ্রভাগ উনার একদম শেষ প্রান্তে গিয়ে তীব্র আঘাত করছে। উনি প্রতিবারই একটা করে ছোট আর্তনাদ করছেন। "আহ... আহ... রাশেদ... আহ..."

আমি আর শুধু দর্শক হয়ে থাকতে পারলাম না। আমি উনার কোমরটা আরও শক্ত করে ধরে, নিজেও নিচ থেকে প্রবল বেগে ঠোকা দিতে শুরু করলাম। উনি একটু অবাক হয়ে চোখ খুললেন। তারপর হাসলেন— একটা চরম তৃপ্ত, বন্য হাসি। "হ্যাঁ... এভাবে... এভাবেই..." আমরা দুজনেই এখন মিলিত ছন্দে নড়ছি। লঞ্চের ইঞ্জিনের ভাইব্রেশন আর আমাদের শরীরের ভাইব্রেশন যেন এক হয়ে গেছে। ভিআইপি কেবিনের বিছানার কাঠের ফ্রেমটা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করে আমাদের এই আদিম উল্লাসের জানান দিচ্ছে।

উনার যোনি এখন আরও শক্ত হয়ে উঠেছে। ভেতরের পেশিগুলো ক্রমাগত সংকুচিত হচ্ছে। আমি বুঝতে পারছি উনি উনার চরম মুহূর্তের খুব কাছাকাছি। কিন্তু উনি থামলেন না। উনি আরও জোরে, আরও বন্যভাবে ওঠানামা করতে লাগলেন। উনার নখগুলো আমার বুকে ফুটছে। ব্যথা আর সুখের এমন একটা ককটেল, যা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল।

উনি সোজা হয়ে বসলেন। দুই হাত উনার পেছনে নিয়ে গিয়ে আমার উরুর ওপর ভর দিলেন। এই পজিশনে উনার শরীরের ওজনটা আরও গভীরে চাপ দিচ্ছিল। প্রতিটি ঠোকায় উনার স্তন দুটো ওপরে-নিচে লাফাচ্ছে। ঘামে চকচক করছে উনার পুরো শরীর। আমি আমার ডান হাতটা নিচে নিয়ে গিয়ে উনার ক্লিটোরিসে আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগলাম। উনি একটা গগনবিদারী চিৎকার করে উঠলেন। "আহ্ গোড... রাশেদ... আমি মরে যাচ্ছি..."

উনার শরীরটা হঠাৎ করে একটা প্রচণ্ড ঝাঁকুনি খেয়ে কেঁপে উঠল। যোনিপথটা ছন্দময়ভাবে সংকুচিত হতে শুরু করল। উনার ভেতরের পেশিগুলো আমাকে এমনভাবে চেপে ধরল যেন আমাকে চুষে শেষ করে দেবে। আমি আর কোনোভাবেই নিজেকে আটকাতে পারলাম না। আমি নিচ থেকে আমার জীবনের সবটুকু শক্তি দিয়ে জোরে জোরে ঠোকা দিচ্ছিলাম। উনার ভেতরের সেই গরম, স্পন্দনশীল মাংস আমার লিঙ্গকে যেন দোহন করে নিচ্ছিল।
Reply


Messages In This Thread
দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:51 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:52 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:52 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:53 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:54 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:54 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:55 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-21-2026, 05:55 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:26 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:27 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:28 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:55 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:56 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:57 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:58 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Erotic Lovers - 09-24-2026, 04:58 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 08:58 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 08:59 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:00 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:01 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:02 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:03 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:06 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:07 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:08 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:08 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:09 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:10 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:12 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:13 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:14 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:16 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:17 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:17 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:18 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:20 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:22 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:23 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:25 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:25 AM
RE: দরজার ওপাশে কার নিঃশ্বাস( By:Orbachin) - by Bad Boy - 09-27-2026, 09:26 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)