Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007)
#17

পর্ব -১৬



ইন্দ্রাণী এবার ওর হাতের তালুটা দিয়ে ওর ঠোঁটের ওপর বোলালো আলতো করে। তারপর ইন্দ্রাণী ওর ঠোঁটের ওপর থেকে আমার সদ্য ত্যাগ করা ঘন নোংরা বীর্যগুলো মুছে নিয়ে আমায় বললো, “ছিঃ সমুদ্র, খুব নোংরা তুমি। তোমার এই নোংরা দুর্গন্ধযুক্ত বীর্যগুলো আমাকে খাইয়েই ছাড়লে বলো। ইশ.. আমার মুখটা পুরো বাজে গন্ধে ভরিয়ে দিলে একেবারে।”

ইন্দ্রাণীর কথা বলার ভঙ্গিতে খুব হাসি পেলো আমার। আমি এবার ইন্দ্রাণীর সামনেই দাঁত কেলিয়ে হেসে বললাম, “কি করবো বলো সুন্দরী!! তুমি এতটাই সেক্সি যে নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না কোনোভাবে। তবে যাই বলো না কেন, তোমার মুখে বীর্যপাত করে খুব সুখী হয়েছি আমি। এতো সুখ আমার বউ গোটা জীবনে দিতে পারেনি আমাকে।”

আমার কথা শুনে ইন্দ্রাণীও ফিক করে হেসে ফেললো এবার। উফফফ.. ইন্দ্রাণীর হাসি দেখে আমারও উত্তেজনা হলো ভীষণ। কিন্তু কিছু করার নেই, একটু পরেই আমার বউ বাড়ি ফিরবে। তাই চাইলেও ইন্দ্রাণীর সাথে কিছু করার সুযোগ নেই আমার। সে যাই হোক, ইন্দ্রাণীকে যখন একবার পটিয়ে ফেলতে পেরেছি আমি তখন এর মধ্যেই কোনো না কোনো একদিন ঠিক প্ল্যান করা যাবে ওকে চোদার।

এর মধ্যেই বাথরুমে চলে গেছে ইন্দ্রাণী। ইন্দ্রাণী বাথরুম থেকে একেবারে ভালো করে ফ্রেশ হয়ে বের হলো এবার। তারপর আমি আর ইন্দ্রাণী মিলে আমাদের শোয়ার ঘরটা ভালো করে পরিষ্কার করতে লাগলাম যাতে আমার বৌ শ্রীপর্ণা অফিস থেকে এসে বুঝতে না পারে ওর অবর্তমানে কি কি লীলা করেছি আমরা। প্রথমেই বিছানার চাদরটাকে পাল্টে নতুন একটা চাদর পাতলাম আমরা। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঘর থেকে আমার বীর্যের কড়া চোদানো গন্ধটা যাচ্ছিলো না কিছুতেই। ইন্দ্রাণী এবার আমাকে বুদ্ধি দিলো ঘরের মধ্যে কোনো পারফিউম ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। ওর কথা শুনে আমি তখনই গোটা ঘরের মধ্যে রুম ফ্রেশনার ছড়িয়ে দিলাম। সেটার কড়া গন্ধে আমার চোদানো বীর্যের নোংরা গন্ধটা একেবারে চাপা পড়ে গেল।

এরমধ্যেই নিজেকে একেবারে ঠিকঠাক করে নিয়েছিল ইন্দ্রাণী। তারপর আটটা বাজার আগেই ইন্দ্রাণী বললো, “আমি এবার তাহলে আসি সমুদ্র, এই অবস্থায় বৌদি আমাকে দেখলে কিছু একটা সন্দেহ করতে পারে। তুমি বরং এদিকটা সামলে নিও।”

আমি এবার ইন্দ্রাণীকে বিদায় জানিয়ে বললাম, “আজ তোমাকে অল্পের উপর ছেড়ে দিলাম ইন্দ্রাণী, তবে পরের দিন কিন্তু আমি তোমার কোনো কথা শুনবো না। সেদিন কিন্তু আমার পুরোপুরি আদর চাই।”

ইন্দ্রাণী আমার কথা শুনে খিলখিল করে হেসে বললো, “ঠিক আছে, সে দেখা যাবে।” তারপর আমার দিকে একটা সেক্সি হাসি দিয়ে বেরিয়ে গেল বাইরে।

ঠিক রাত সাড়ে আটটার সময় বাড়ি ফিরলো আমার বউ শ্রীপর্ণা। তার আগেই আমি পাশের বাড়ি থেকে বুবাইকে নিয়ে এসেছিলাম। যেহেতু আজকে বুবাই নতুন একটা খেলনা পেয়েছে, তাই সেটা নিয়েই ও একেবারে মশগুল ছিল। মা বাড়ি আসার সাথে সাথে মাকে ওই নতুন খেলনাটা দেখানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে গিয়েছিল বুবাই। ফলে অন্য কোনো দিকে শ্রীপর্ণার কোনো নজরই পড়লো না। আমিও হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম।

এই দিকটা আমি সামলে নিলেও ইন্দ্রাণীর জন্য কিন্তু এটা সামলানো মোটেই সহজ ছিল না। কারণ হাজার হোক, আজ জীবনের প্রথম কোনো পুরুষের স্পর্শ পেয়েছে ও। ভেতরে ভেতরে ইন্দ্রাণী উত্তেজিত তো ছিলই, কিন্তু তার সাথে সাথে ওর ভেতরে একটা ভয়ংকর অপরাধবোধ কাজ করছিল। ইশ.. একে তো আজ ইন্দ্রাণী ভীষণ ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ছিল আমার সঙ্গে, তার ওপর ওকে দিয়ে আমি আমার ধোনটাকেও চুষিয়ে নিয়েছিলাম। সেই দৃশ্যটার কথা মনে করতেও ভিতরে ভিতরে ভীষণ ঘেন্না পাচ্ছিলো ইন্দ্রাণী। তাই রাতে বিছানায় শুলেও মনের ভার হালকা না করে ইন্দ্রাণীর ঘুম আসছিল না কিছুতেই।

এই অবস্থায় কি করবে কিছু বুঝতে না পেরে ইন্দ্রাণীর হঠাৎ মনে পড়লো ওর বন্ধু তানিশার কথা। আসলে ভেতরে ভেতরে ভীষণ উত্তেজিত ছিল ইন্দ্রাণী। কিন্তু বিষয়টা এতটাই স্পর্শকাতর যে সেগুলো ইন্দ্রাণী ওর বাবা-মায়ের সাথে আলোচনা করে হালকা হতে পারছিল না। সেদিক দিয়ে তানিশা ওর জন্য বেস্ট অপশন। তানিশা হলো ইন্দ্রাণীর বেস্ট ফ্রেন্ড। তবে ওর মত ইনোসেন্ট মোটেই নয়। যৌনতার দিক দিয়ে তানিশা একেবারে পাকা খেলোয়াড়। এর আগে বহু ছেলের সাথে রিলেশন করেছে তানিশা। অবশ্য বয়স বাড়ার সাথে সাথে জিনিসটা শুধুমাত্র রিলেশনে আবদ্ধ থাকেনি, প্রেম করার সাথে সাথে তানিশা বহু ছেলের সাথে চোদাচুদিও করে ফেলেছিল। তাই সেইসব ব্যাপারে তানিশা একেবারে এক্সপার্ট।

এই মুহূর্তে অবশ্য তানিশা রোহন নামের একটা ছেলের সাথে নতুন রিলেশনে আছে। অবশ্য সেটাও বেশ কিছুদিন হয়ে গেছে। আর এরমধ্যেই রোহন অনেকবার চুদে ফেলেছে তানিশাকে। তানিশা মাঝে মাঝেই ইন্দ্রাণীকে ওদের চোদাচুদির গল্প বলতো।

তাই এই মুহূর্তে যখন ইন্দ্রাণী আমার প্রেমের জালে ফেঁসেই গেছে, তাই ও বাধ্য হয়ে তানিশাকেই মেসেজ করলো প্রথমে। ইন্দ্রাণী ওকে টেক্সট করে বললো, “ঘুমিয়ে পড়েছিস?”

ফোনের ওপার থেকে তানিশা রিপ্লাই দিলো, “না রে, এখন রোহনের সাথে গল্প করছি। তুই জেগে কেন এতো রাতে?”

ইন্দ্রাণী একটু ইতস্তত করে বললো, “তোকে আমি কিছু কথা শেয়ার করতে চাই, তুই প্লিজ একটু ফোন করবি আমাকে?”

ইন্দ্রাণীর কথা শুনে তানিশা কিছু বুঝতে পারলো না প্রথমে। কিন্তু তবুও ইন্দ্রাণী যেহেতু ওর বেস্ট ফ্রেন্ড, তাই দু মিনিটের মধ্যেই ও ফোন করলো ইন্দ্রাণীকে। ফোনের ওপাশ থেকে তানিশা বললো, “বল কি বলছিলি?”

তানিশার গলার আওয়াজটা শুনে ইন্দ্রাণী যেন ভীষণ ভরসা পেল। ইন্দ্রাণী এবার লজ্জা জড়ানো গলায় বললো, “তোকে একটা কথা বলা হয়নি রে তানিশা, আমি এখন একটা রিলেশনে রয়েছি।”

ইন্দ্রাণীর কথা শুনে তানিশা একেবারে অবাক হয়ে গেল। তানিশা কোনদিনও কল্পনাও করেনি ইন্দ্রাণীর মতো একটা এতো ভদ্র মেয়ে নিজে থেকে রিলেশনে যেতে পারে কখনো। যদিও তানিশা মনে মনে চাইতো যে ইন্দ্রাণীর মতো একটা ভদ্র মেয়েও যেন কারোর সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়। তানিশা চাইতো যাতে ইন্দ্রাণী ওর যৌবনের সুখ নিতে পারে ভালো করে। সেই জন্য তানিশা নিজেও চেষ্টা করেছে বহুবার। ইন্দ্রাণীকে তো শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেই, তার সাথে সাথে নিজেও বহু ছেলের সাথে আগ বাড়িয়ে কথা বলেছে ওর রিলেশনের জন্য। কিন্তু যতই হোক না কেন, ইন্দ্রাণীকে তাদের সবার পছন্দ হলেও ইন্দ্রাণী তাদের পাত্তাও দেয়নি কোনোদিন।

তাই ইন্দ্রাণীর কথা শুনে ও অবাক হয়ে বললো, “বলিস কিরে! কবে হলো এসব? আমাকে জানাস নি কেন?”

ইন্দ্রাণী এবার এক এক করে পুরো ঘটনাটাই বললো তানিশাকে। কিভাবে ইন্দ্রাণীর আমার সাথে পরিচয় হয়েছে, তারপর আমি ওকে কি কি গিফট করেছি, কত রকম ভাবে সাহায্য করেছি, আমি যে ওর বাবার অপারেশনেও অনেক হেল্প করেছি, এমনকি আমি যে বিবাহিত এবং যৌনতায় অসুখী সেটাও ইন্দ্রাণী লুকালো না তানিশার কাছে। 

সত্যি বলতে গেলে ইন্দ্রাণীর কাছে এই ঘটনা শুনে তানিশা মনে মনে ভীষণ খুশিই হয়েছিল। কিন্তু ইন্দ্রাণীর তখন ভীষণ ছোট মনে হচ্ছে নিজেকে। ইন্দ্রাণী বারবার ভাবছিল ও মনে হয় কোনো ভুল করে ফেলেছিল ওর জীবনে। তানিশা এরপর ধীরে ধীরে শান্ত করতে লাগলো ইন্দ্রাণীকে। নানাভাবে ইন্দ্রাণীকে বোঝাতে লাগলো যে এই রিলেশনটা ওর জন্য কত দরকারি। তানিশা ইন্দ্রাণীকে বুঝিয়ে বলেছিল, “দেখ ইন্দ্রাণী, প্রত্যেকটা মেয়েই কোনো না কোনো সময় একজন পুরুষ সঙ্গীকে বেছে নেয়। তুইও একজনকে নিয়েছিস, এটায় দোষের কিছু নেই। আজকালকার দিনে কারোর সঙ্গে রিলেশন হওয়ার জন্য তার বয়স, গোত্র কিংবা অন্য কিছু ম্যাটার করে না। মনের মিল হওয়াটাই আসল। হ্যাঁ, হয়তো লোকটা বিবাহিত, একটা ছেলেও রয়েছে। কিন্তু এটা ভেবে দেখ তুই যার সাথে রিলেশনে আছিস সে কত বড়লোক! তোর পরিবারের আর্থিক সমস্যা সে একাই সামলে নিতে পারে। তাছাড়া তোকেও কত ভাবে সে হেল্প করছে দেখ।”
Reply


Messages In This Thread
ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:48 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:49 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:49 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:50 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:51 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:51 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:52 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:52 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:53 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:53 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:54 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:55 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:56 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:56 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:57 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:57 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:58 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:59 AM
RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - by Erotic Lovers - 10-15-2026, 08:59 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)