10-20-2026, 09:09 AM
২. ছারপোকা ঘরে
মা আমাকে অনেক বোঝাতে চেয়েছেন, বললেন:
মা: ছি বাবা, তুই বড় হয়ে গেছিস। মার দুধ কি আর খাওয়া যায়? আর তুই ঝাল বেশি খাস, তুই মার দুধ খাইলে রাজুর তো ঝাল লাগবো। তহন কি হইব... চিন্তা কর।
আমি: আইচ্ছা আমি পানি দিয়া কুলি কইরা অহি, তাইলে আর লাগবো না রাজুর ঝাল।
মা আবার হাসতে লাগলো। এরকম নানা বাহানায় আর আমার কান্না কাটিতে মা পেরেশান হয়ে এক পর্যায় আমারে প্রায় বাধ্য হয়েই বুকের দুধ দেয়। আমি মারে জড়াইয়া ধইরা দুধ খাই। অনেক দিন খাইসি। আমি যখন মার ওলান এর বোঁটায় মুখ লাগাইয়া চোষণ দিতাম, মাঝে মইধ্যে মায় দেখতাম কোকাইয়া উঠতো উঃ আঃ আসতে চোষ, আর বইলাই আমারে তার বুকের মইধ্যে ভইরা নিতো। দেখতাম মায় আমার দুই পা তার শাড়ির মধ্যে নিয়া পেচাইয়া নিয়া আমার মাথায় চুমু দিয়ে দিয়ে আমার মাথা তার দুধের ভিতরে আরো ঢুকিয়ে বলতো "আমার সোনা বাপ, খা মন ভইরা খা" । এখন বুঝি মা তখন ভোঁদার রস খোসাইতো আমারে জাপটাইয়া।
যাক, আজকে দেখি মায় আমারে পাশ দিয়ে অন্য পাশে রুমাকে দুধ দিচ্ছে। আমি প্রায় কয়েক বার ম্যাগি লাগাইছি ইংলিশ রোডের এক হোটেলে। বংসালের সেই হোটেল টার সেই দুই দিন ছিল আমার এক স্মরণীয় দিন। আমি এখনও দ্বিতীয় মেয়েটারে ভাইবা হাত মারি। সে কি এক মাল ছিল। মেয়েটার নাম ছিল আশা। তার দুই দুধ ছিল বিশাল। কোমর ছিল অনেক চিকন, একটু শ্যামলা বরণ গায়ের রং আর পড়া ছিল সাদা রঙের সালোয়ার আর কামিজ। আমি যেন পাগল হয়ে যাই। ৩০০ টাকা দিয়া এক শর্ট মারি। আর কি বলি, সেই যে আরাম আর মজা পাইছি, আমি ভোঁদার জন্যে পাগল হয়ে থাকি। ভোঁদার ভেতরে ধণ ভরে, আর দুই হাতে দুধ খাঁমচে ধরে কোমর দিয়ে কোপানোর মজাই আলাদা। আচ্ছা ঠিক সেই মুহূর্তে দুধ চুষে চুষে ভোঁদার ভেতরে ধণ ঢুকানোর কি রকম মজা হতে পারে? সাথে সাথে লাল ডিম লাইটের আলোয় মার পাশ ফিরে রুমা রে দুধ দেয়ার দিতে তাকিয়েই মায়ের চেপ্টা কোমর এর পাহাড় দেখে আমার ধণ লুঙ্গির ভেতর ফট করে তাতিয়ে উঠলো। দেখি রাজু মোবাইল মাথা পাশে রেখেই মুখ হালকা হা করে গভীর ঘুমে। আমি আমার কোমর আর ফোলা পাস দেখে হঠাৎ ভাবলাম, ইস মা তার ওই বড় বড় দুধ রুমার খাওয়াচ্ছে, আরে আমি যদি একবার খেতে পারতাম আর মার দুই দুধ একবার টিপতে পারতাম........ একসময় মনে হলো ...ছি.. ছি.. আমি আমার মায়ের নিয়া কি ভাবতাছি? আবার ভাবলাম, সেই ছোট বেলায় মায় তো আমারে দুধ চোসাইয়া ভোঁদার পানি খোসাইত, তাইলে আমি ভাবলে ক্ষতি কি??
আমি লুঙ্গির ভিতরে হাত দিয়া আসতে আসতে হাত মারতে লাগলাম। খুব আস্তে আস্তে, যাতে মায় না বোঝে। মনে কু বুদ্ধি। মার সাথে কথা কমু আর হাত মারমু। উত্তেজনায় আমি বেঁহুশ। একবার আসতে করে মারে ডাক দিলাম। মা দেখি বলে উঠলো
মা: কিরে তুই ঘুমাস নাই?
আমি: না মা ... ঘুম আহেনা।
মা: কেন রে? সারা দিন এতো দৌড়ঝাঁপ কইরা এহনও ঘুম আসেনা কেন? মনে হয় বিছানা বদলাইসে তো তাই।
আমি: (আস্তে আস্তে হাত মারতে মারতে) মা রুমা এহনও দুধ খায়?
মা: হো... কেন?
আমি: না এমনি... আইচ্ছা মা আপনের মনে আসে রাজু যখন দুধ খাইতো, তখন আমিও খাইতাম।
মা: ছি বাপ, ওই সব সরমের কথা। তুই এখন বড়, অনেক বড়, কলেজে যাইস। এহন মার লগে এই সব কথা কওয়া সরম।
আমি মার এই সরম কথা শুইনা একেবারে উত্তেজনায় পাগল হইয়া গেলাম। কি উত্তেজক... মার সাথে তার দুধ খাওয়া কথা বলতে বলতে হাত মারা। আমি আর পারলাম না, ধণ লুঙ্গির উপর দিয়া ধইরা খেঁচতে লাগলাম। দুই চোখ বন্ধ করে আহ্ আহ্ করে মাল বের করে দিলাম। আমি যেন আর এই পৃথিবীতে নাই। দুই চোখ বুজে মাথার চারপাশে তারা ঘুরা ঘুরি করছে অনুভব হলো। হঠাৎ গায়ে একটা হালকা ধাক্কা পেলাম, আর একটা আস্তে করে আওয়াজ...
"রানা... রানা.... ওই কি করিস... তুই এইসব... রানা"
আমি চোখ খুললাম। আমার ধণ লুঙ্গির উপর দিয়া ধরা। মাল বাইর হইয়া লুঙ্গির অনেকটাই ভিজা। হঠাৎ মনে হলো আমি কি করছি.... ভাবতেই হাতে ধণ ধরেই উঠে বসলাম। মা দেখি আমার দিকে তাকিয়ে। আমি লজ্জায় ধণ আর লুঙ্গি ছেড়ে দিলাম। সাথে সাথে আমার দুই রানে একাকার হয়ে গেলো মালে। মা কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে বলে উঠলো...
মা: ছি ... ছি... তুই এই সব কি কর্তাসোস.... এই হইলো শহরে পড়ার নমুনা। হয় রে সব মাটি আমার, তোর বাপের কষ্ট সব শেষ। আমি ভয়ে লজ্জায় মাথা নিচু করে রাখলাম। মা দেখি কান্না শুরু করেছে। আমি আর সাত পাঁচ না ভেবে এক অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনুশোচনা নিয়ে কাত হয়ে শুয়ে পড়লাম। আমি শুতেই দেখি মা আমার প্রায় কানের কাছে মুখ এনে বলছে...
মা: ওই রানা... শয়তান... যা যা কল পাড়ে যা, গোসল করে আয় আর এই লুঙ্গি ভিজাইয়া রাখ। আমি চুপ করে থাকলাম। মা দেখি আবার বলছে... কিরে ওই কি বলি... যা... না পাক শরীর নিয়া খাটে থাকতে নাই। যা কইতাসি...
আমি আর কিছু না বলে, সোজা উঠে কলপাড়ে গিয়া লুঙ্গিটা একপাশে খুইলা রাইখা একেবারে নেংট হইয়া গেলাম। আগেই বলেছি আমাদের চাপকল আর সাথে বাথরুম সব বাসার ভেতরই, তাই বাইরে থেকে কেউ দেখার টেনশন নাই। আমি কল চেপে চেপে বালতি তে পানি ভরবো এই ভাবছি, আর ভাবছি কি হলো এটা?? মা তেমন একটা বকাবকি করলো না কেন?? এটা তো মার একটা প্রায় নাটক ছিল!! হ্যাঁ ঠিক তাই, কিন্তু কারণ টা কি?? ভাবছি আর চাপকলে এক চাপ দিতেই বুঝলাম কামসারছে, কলে হওয়া ধরছে, এখন কলের মুখে পানি দিয়ে চাপতে হবে... তবেই পানি আসবে। আশেপাশে দেখলাম, কোথাও পানি আছে কিনা। না নাই। হঠাৎ মার গলা শুনলাম পিছে।
মা: কলে হওয়া ধরছে, খারা পানি অন্তাছি। হায় হায়... কিরে তোর কি লাজ সরম সব গেছে ঢাকায় থাইকা? দামড়া বেড়া নেন্টো হইয়া আসে। আমি আমার ধণ দুই হাত দিয়া ঢেকে বললাম...
আমি: লুঙ্গি তো নষ্ট এর ভিজা তাই খুইলা রাখছি। আর আপনি আসবেন টা কি আমি জানি?
মা: না তুই টা জানবি না... কি সব আকাম কুকাম শিক্ষা আইসে ঢাকা থেইকা.... হায়রে....
বলেই মা ঘরের ভিতরে চলে গেলো। আমি দুই হাতে ধণ ঢেকে ঠাঁই দাঁড়িয়ে। একটু পরে মা আসলো হাতে এক পাতিল পানি। মা বললো...
মা: এই চাপকলের ওয়াসার বদলাইতে হইব। আইজ ২দিন থেইক্কা এইরকম করতাসে। সকাল বেলা মিয়া ভাইরে কইয়া বশির মিস্তিরিতে ডাকতে হইব।
দেখি মায় এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে। আবার বলল...
মা: ওই তুই কলের মুখটা হাত দিয়া বন্ধ কর, আমি গোড়া দিয়া পানি ঢালী। আমি তবুও ধনের উপর থেকে হাত সরালাম না। আমি মার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম। মা বুঝলো আমি কি বলতে চাইছি। মা বলে উঠলো...
মা: (একটু ফিক করে হাসি দিয়ে) হইসে আর সরম পাইতে হইব না। মার কাছে পোলা সব সময় ছোড ই থাকে। আমি ও একটু হেসে আমার দুই হাত ধণ থেকে সরিয়ে কলের মুখে ভালো করে দুই হাত দিয়ে বন্ধ করলাম, না কলের গোড়ায় আস্তে আস্তে পানি ঢালতে লাগলো। আমি একটু নুয়ে পড়ে কলের মুখে হাত চেপে আছি, তাই আমার ধণ একেবারে বিচী সহ নীচে ঝুলে আছে। আমার ধণ আমার মতে অনেক বড়। আমি আমার আরও দুই বন্ধুর ধণ হাতে নিয়া দেকসি। ওদের ধণ আমার প্রায় অর্ধেক। আর ওই আশা মেয়েটারে করার সময় ও বোলসে তোমার ধণ অনেক বড়, আমার ভোঁদার ফাইটা যাইতাছিলো। যাক বর্তমানে ফিরি....
আমি মনে প্রাণে কলের মুখে চাইপা আছি। হঠাৎ আমি মার মুখের দিকে তাকালাম। দেখি মা আমার ধনের দিকে তাকিয়ে হা করে আছে। দুজনের চোখাচুখি হতেই দুজনেই চোখ সরিয়ে নিলাম। মা একটু মিস্কি হাসি দিয়া বললো...
মা: তরে তো তাড়াতাড়ি বিয়া দিতে হইব। আমি কিছু না বলে চুপ করে রইলাম। মা পাতিলের সব পানি কলের গোড়ায় ঢেলে দিয়ে, এবার আস্তে আসতে কলের হাতলে চাপ দিতে লাগলো। দেখলাম কলের মুখে দিয়া পানি পড়তাছে। মা এবার বললো নে বালতি টা পাত আর তুই মগ দিয়া গায়ে পানি দে। আমি বললাম....
আমি: মা আপনে যান, আমি এবার পারমু।
মা: আইচ্ছা, তাড়াতাড়ি শরীরে পানি ঢাইলা আয়, বেশি পানি দিস না। আবার জ্বর ঠান্ডা লাগবো। বলেই মা চলে যেতে লাগলো। আমি আস্তে করে বললাম...
আমি: মা গামছা টা দিয়েন। মা দেখি কিছু না বলেই চলে গেলো। বুঝলাম মা আমাকে অনেকটাই তাচ্ছিল্য করেছে। যাক কি আর করা, হাত মারি যেই মজা পাইসি, তাতে এইসব ডাল ভাত। আমি একমনে গায়ে ঠান্ডা চালকলের পানি ঢেলে যাচ্ছি আর শরীর ঘষছি। জ্যৈষ্ঠের শুরু, এর গরমে বেশ আরাম হচ্ছে। হঠাৎ দেখি মায়ের গলা....
মা: কিরে এখনও পানি ঢালিশ?
আমি: না মা গায়ে অনেক ময়লা, তাই ঘষছি।
মা: থাক এই রাইত কইরা আর ঘোষা ঘোষি করতে হইবোনা। কাইল দুপুরে আমি তরে গা ডইলা গোসল করাইয়া দিমু। এইবার খেমা দে। নে গামছা নে, তাড়াতাড়ি আইসা সুইয়া পড়। বলেই দেখি মা আমার ধনের দিকে একবার আড় চোখে তাকিয়ে ঘরের মধ্যে চলে গেলো। আমি সারা গা মুছে গামছা পড়ে ঘরের মধ্যে আসলাম। আমার ব্যাগ থেকে একটা লুঙ্গি আর সান্ডু গেঞ্জি নিয়ে পড়লাম। বালিশ এ মাথা কি লাগাবো... হঠাৎ মার বলে উঠলো...
মা: সুন কাল থেইক্কা তুই তোর ঘরেই থাকিস। এইখানে চাপাচাপি হয়। আমি মনের মধ্যে একটা আঘাত পেলাম। মানে না আমাকে তার সাথে এক বিছানায় শুতে চায়না, এই তো.... ওরে আমার সতী নারী.... আমি আমার এক মরণাস্রো প্রয়োগ করলাম। আমি বেশ জানি আমার মা কতটা সতী মহিলা। আমি মা কে বললাম...
আমি: মা... মিলন মামা কি ছুটিতে আসছে দেশে??
আমার মায়ের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। মা একেবারে ভীষণ খেয়ে আমার দিকে ফিরে বললো....
মা: মিলন... নাতো আমি জানি না... কেন তোর কাছে ফোন দিস নাকি?
আমি: না মা, এমনই। ৮/৯ বছর আগে উনি প্রায় আসতো, এখন সৌদি চলে গেছে, দেশে আসলে এখানে আসে নাকি তাই জিজ্ঞাস করলাম আরকি।
মা: না... ওর খবর জানি না। যোগাযোগ নাই।
আমার মা এর চাচাতো ভাই আমার মিলন মামা। আমার মার থেকে প্রায় ৬/৭ বছরের ছোট। অনেক দিন আগের কথা:
মিলন মামা তখন আমাদের কাছের খুলনা শহরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স পড়ত। হলেই থাকত। প্রায় আমাদের বাসায় এসে দুপুরে ভাত খেয়ে যেতো। আব্বা উনাকে খুব স্নেহ করত। মাস্টার্স এর স্টুডেন্ট আর আব্বা উন্ডার মেট্রিক, আর আমার আম্মা ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার পড়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। তাই শিক্ষিত সালাকে আমার আব্বা একপ্রকার ভালোই বাসতো।
দুর্ভাগ্য কাকে বলে... রাজনীতিতে জড়িয়ে মামলায় গ্রেপ্তার হন মিলন মামা। আর তাই উনার আব্বা জামিনে বের করে সৌদি পাঠিয়ে দেন। তবে এখানে আমার মারণাস্ত্র একটু ভিন্ন।
একদিন আমার কলেজে হাফ ছুটি দেয় এক স্যারের মারাত্মক এক্সিডেন্ট হওয়াতে। তাই দুপুর ২টা এর বদলে বাসায় প্রায় সকল ১০ টায় আসি। আমার সব চাচা আর জেঠারা আমাদের সও মিলে। আব্বা তখন মংলায় মাছের ব্যবসা করে। মেঝ আর বড় জেঠি গেছে আমার বড় দিদির জামাই বাড়ি ছোট চাচা কে নিয়ে। আর ছোট চাচি তখন প্রায় ৭/৮ মাসের প্রেগন্যান্ট, শরীর খুব খারাপ থাকে, তাই তার ঘরেই সুয়ে থাকে। আমি একটা নারিকেলের পাতা দিয়ে হাত ঘড়ি বানাতে বানাতে ব্যস্ত। কাঁধে কলেজের ব্যাগ নিয়ে প্রত্যেকদিন বাড়ি এসে আমাদের ঘরের মূল দরজায় দাঁড়িয়ে আমার পাছা দিয়ে ধাক্কা দেই, আর তাতে দরজা আস্তে করে খুলে যায়। একবার চিল্লাইতে চিল্লাইতে ঘরে ঢুকি আর আমার ছোট ভাই ঘুম থেকে উঠে কান্না করে, সেই কি কান্না। আব্বা অনেক মারসে আমারে ওই দিন রেণ্ডীর ডাল দিয়ে। সারা জীবন মনে থাকবো। তাই আমি আর বাসায় আসলে আওয়াজ করিনা।
তো পাছা দিয়ে দরজা ধাক্কা দেই, দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। আমি চিল্লাইতে ও পারিনা। দেখি জানালা দিয়া, রাজু ঘুমায়। রুমে মা নাই। তাইলে দরজা বন্ধ কেন। ওঃ... মানে মা গোসল করে। আমি আর কি করি, দুয়ারের সামনে সিঁড়িতে বসে হাত ঘড়ির বাকিটা শেষ করছি। হঠাৎ মনে হলো আরে আমি তো আজকে মিঠুর বসা থেকে চাচা চৌধুরী আর সাবুর নতুন কমিক টা আনতে যাওয়ার কথা। হায় হায়... কি করলাম? সিদ্ধান্ত নিলাম এখনই যেতে হবে। আম্মা তো জানে না আইজ ইকলেজ আগে আগে ছুটি। যাক মনে আর আনন্দ ধরে না। তবে এই ব্যাগ.... ভাবলাম পাশে আমার ঘরের জানালার একটা সিক বাঁকা। পাল্লা ও ঠিক মতো আটকায় না। ওটার পাশেই আমার পড়ার টেবিল। টেবিলে ব্যাগ টা রেখেই যাই। ভেবেই... আমি আস্তে আস্তে আমার রুমের পাশে এসে দেখি জানালা বন্ধ। আশ্চর্য... এই জানালা আবার বন্ধ কেন? ওঃ মা তো গোসল করে, তাই বিড়াল যাতে না আসে তাই। আমি আমার কায়দা মত ডান পাশের পাল্লা হালকা নিচ থেকে উপরে ধাক্কা দিতেই ফক করে জানালার ডান পাল্লাটা খুলে গেল। দেখি আমার খাটে মার উপরে মিলন মামা সোয়া, আর মার শাড়ি কোমর পর্যন্ত উঠানো। মিলন মামা শুধু সেন্ডো গেঞ্জি গায়ে। মা আর মিলন মামার পুরো পাছা দেখা যায়। মামা দেখি মার দুই পা এর গোড়ালি তার দুই হাতে ধরে মার দুই পা দু দিকে ফাঁক করে রেখে তার কোমর মার পাছায় নিয়ে দোলাচ্ছে। তখন বুঝি নি, কি হচ্ছে। আমি ঠিক এই পজিশনে প্রত্যেক মেয়েকে একবার করি, সত্যি এই পজিশনে অনেক মজা। যাক তারা তখন দৌড়ে উঠে যায়। আর মা আর মামা আমাকে বোঝায় যে মায়ের পায়ে অনেক ব্যথা তাই মামা মায়ের পায়ে মালিশ করছিল। নানা বাহানায় তারা আমাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে নেয়। আমার অল্প বয়স, আর সাদা মনে কাদা নাই, আমিও তাদের বুঝ বুঝলাম। তবে মজার ব্যাপার হলো সন্ধ্যার সময় আমি আবিষ্কার করি আমার খাটের নীচে একটা সাদা বেলুনে ভরা সাদা সাদা আঠালো জিনিস। আব্বা সেই রাতে অনেক রাতে বাড়ি ফেরে। আমি জিনিসটা মাকে দেখাতেই, মা হায়রে এই তেল ই তো দিচ্ছিল তর মামা বললো মা। আমি মার হাতে দিয়ে দিলাম জিনিস টা। এই সব কিছু বুঝলাম আমি ঢাকায় গিয়ে।
যাক আবার বর্তমানে ফিরি:
আমি অনেকটা শক্তি আর সাহস নিয়ে মাকে বললাম -
আমি: না মনে, এখন আপনের পায়ে ব্যথা হলে কে তেল মালিশ করে?
মা নিশ্চুপ, একটু শব্দ নাই । আমি আবার বলতে শুরু করি...
আমি: হায়রে... আমারে দিয়া কণ্ডম ধরাইয়া, বলে কিনা মালিশের তেল।
মা দেখলাম এবার আমার দিকে ঘুরে শুলো, আর আস্তে আস্তে বললো:
মা: তুই কি বলতে চাস খোলসা করে বলদেখি?
আমি: খোলসা করে বলার কিছু নাই। আমি কি বলি তার আপনি সব জানেন।
মা: (অনেক্ষণ চুপ থেকে) বাবা জোয়ান কালে মানুষে অনেক ভুল করে, আর তুই এইসব মনে রাকসিস আজও? দেখ... তুই আজ কি করলি... আমি কি তোর কিসু বোলসি..?
আমি: না বলেন নাই, আর বলতে রাখেন ও নাই। আর জোয়ান বয়স... ঠিকই আজ আমি জোয়ান, আমার টা না হয় বুঝলাম, কিন্তু আপনে কেমনে পারলেন ২ ছেলের মা তখন আপনে, আর আব্বাও তখন বাড়ি থাকতো.... আপনে কেমনে পারলেন?
মার মুখে কোন জবাব নাই। আমি উঠে বসলাম। বললাম...
আমি: কাল থেকে কেন... আমি আজ থেকেই আমার ঘরে গিয়া সুইতেছি।

