গল্প: ছুপা রুস্তম (০১)

বৌদি ওগো কোথায় গেলে?

তোমায় আমি চাইওই সেক্সি শরীর উফফফ জলদি করো ভাই  :D[

বিজয় বাবু ব্যাস্ত পড়ায় তাই দিচ্ছিনা ডাকআরেক বৌদি রহস্য ভেদে করবে চিচিং ফাঁক

গল্প ও ছবি – বাবান

baban

পর্ব – ১



এই শুনছো? এই ইয়েটা খুলে দাওনা একটু।


জামাটা খুলে সবে বিছানায় রেখেছিলাম। দীপান্বিতার ডাক শুনে এগিয়ে গেলাম ওর কাছে। লকেটটা খুলতে পারছেনা ও। চুলের সাথে কিছুটা জড়িয়ে গেছে। আমি গিয়ে সাবধানে চুল গুলো সরিয়ে খুলে দিলাম সেটি। তারপরে তাকালাম ড্রেসিং টেবিলের আয়নায়। সেখানে প্রতিফলিত হচ্ছে সবুজ শাড়ি পরিহিতা এক অপ্সরার রূপ। লকেটটা টেবিলে রেখে আয়নার দিকে তাকাতেই সেও বোধহয় পেছনে দাঁড়ানো মানুষটার নজর বুঝতে পেরেছে। তাই ভুরু কুঁচকে মুচকি হেসে ইশারায় জিজ্ঞেস করলো কি ব্যাপার? ঐভাবে কি দেখা হচ্ছে শুনি?

আমি ধরা পড়ে গেছি। তবে তাতে লজ্জা নেই। আমিতো আর অন্যের বৌ দেখছিনা। তাই আয়নায় চোখ রেখেই ওর পিঠে হাত রাখলাম। উফফফফফ এমনিতেই এমন একটা ফিগার, তারওপর আবার এমন স্লিভলেস ব্ল্যাক ব্লাউস। না জানে আজ কত গুলো পুরুষের নজর পড়েছে আমার এই বৌটার ওপর। না জানে তারা আমার বৌটাকে ভেবে আজ রাতে কি না কি করবে। ভাবতেই এবার আমার ইয়েটা ঝামেলা শুরু করলো। সেটাকে যথাস্থানে অর্থাৎ দুই ঢিপির মাঝের সরু রাস্তায় আলতো করে ঠেকিয়ে দীপান্বিতার কাঁধে ঠোঁট স্পর্শ করালাম। চুল গুলো এপাশ থেকে ওপাশে সরিয়ে ঘাড়ের কাছে গিয়ে মুখ ডুবিয়ে দিলাম। চোখ দুটো বুজে এলো আমার বেবির। কিন্তু তাও কোনোরকমে নিজেকে সামলে বললো – ছাড়ো, ও আছে ওখানে। চলে আসবে যখন তখন।

– আজ কিন্তু তোমায় ভয়ানক সেক্সি লাগছিলো এই শাড়িটায়। কোনের থেকে বেশি এট্রাক্টিভ তো তোমায় লাগছিলো।

– বাবা! তাই বুঝি? মানে তেল মারতেই হবে না?

– সত্যি বলছি বিশ্বাস করো। উফফফফ ওই ড্রেস তার ওপর ওই পার্ল সেট উফফফফ….. এই! আজ কিন্তু খেয়ে ফেলবো তোমায় আমি! কোনো না শুনবনা বলে রাখলাম।

আমার ওপর দিপু না জানে কত রাগ করে, ঝগড়া করে, বকে। মাথা নামিয়ে শুনে নেবো সব। কিন্তু এই একটা বেলায় সে কিচ্ছু বলেনা। বলতে পারেনা। বলতে দিই না। তখন আমার সময়। আমার মুহুর্ত। আমার নারী সে। তাকে নিয়ে যা ইচ্ছে করবো আমি। আমাকে আটকানোর ক্ষমতা নেই ওর। বিয়ের পরপরই ও বুঝে গেছিলো কোন প্রাণীর সাথে বাবা মা বিয়ে দিয়েছে মেয়ের। নানা! আমি মোটেও বৌ পেটানো অত্যাচারী স্বামী নই। বরং উল্টোটাই আমার ভাগ্যে জোটে। কিন্তু ওইযে বললাম ওই একটা ব্যাপারে আমাকে বাঁধা দেবার ক্ষমতা বা সাহস ওর মতো রাগী মেয়েরও নেই। বাঘিনী তখন ভিজে বেড়াল হয়ে যায়। হতে বাধ্য হয়। কি করবো বলুন? আমি যে ওই একটা সময় একেবারে পাল্টে যাই। একেবারে মিস্টার হাইড এর মতন। এই যেমন এখন আমার ভেতরের সেই দানবটা বেরিয়ে আসতে চাইছে। প্যান্টের চেনটা খুলে দিলেই সেই রাক্ষস বেরিয়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়বে আমার আদরের দিপুর ওপর। তখন ওর সেই কষ্ট আমি দেখতে পারিনা, কিন্তু ওই রাক্ষস তাড়িয়ে তাড়িয়ে ভোগ করে মেয়েটার চিল্লানি।

– মা মা…. প্যান্টটা খুলতে পারছিনা। খুলে দাও।

ভাগ্গিস রনিটা নিজের মায়ের কাছে এসে পড়লো, নইলে আর যেন আমি আটকে রাখতে পারতাম না নিজেকে। কিছু একটা করে বসতাম এখনি। ছেলের গলার আওয়াজ পেতেই ওর থেকে আলাদা হয়ে আবার নিজের কাজে মন দিলাম। ওদিকে দিপু তখন ছেলের জামা প্যান্ট খুলে দিতে লাগলো আর হালকা বকতে লাগলো এই বলে যে তুমি বড়ো হচ্ছ না, এখনো পারোনা এইসব। আমি ওখান থেকে সরে বাথরুম ঢুকে গেলাম। তবে ভেতরের সেই রাক্ষস জানিয়ে দিলো আমায় – এখন বৌকে বাঁচিয়ে দিলো তোর ছেলে। রাতে কে বাঁচাবে?

বারান্দায় বসে টানছি। মা ছেলে গেছে একতলায় দাদু ঠাম্মার সাথে বসে টিভি দেখতে দেখতে গল্প করতে। আমি আর যাইনি। বাইরের অন্ধকার আকাশ দেখতে দেখতে ভাবলাম সত্যিই এই কালো আকাশের মতো মানুষের ভেতরেও কেমন যেন কালো অন্ধকার জমা থাকে। যেটার সাক্ষী সে নিজে একমাত্র। সে এক রহস্য, সে এক অতীত। ঠিক যেমন আমার অন্ধকার অতীত। নানানানা মোটেও কোনো দুঃখ কষ্টের কথা বলে সেন্টু করার অভিপ্রায় নেই আমার আপনাদেরকে। আমার জীবন আর পাঁচটা ছেলের মতোই ছিল। কলেজ, কলেজ,বন্ধুদের সাথে আড্ডা, খেলা,পরীক্ষার পড়া, বাবা মায়ের বকুনি আবার আদর এইসবই আরকি। কিন্তু এটা ছিল মহান মানব জীবনের একটা দিক। যেটার মধ্যে দিয়ে সকল মানুষকেই যেতে হয়। কিন্তু এই যাত্রার মাঝেই হয়তো আরও একটা এমন অধ্যায় কিংবা রাস্তার খোঁজ মেলে যা বড্ডো গোলমেলে।

আপনারা বুদ্ধিমান পাঠক। বুঝতেই পারছেন কিসের কথা বলছি। কিন্তু সত্যিই কি বুঝতে পারছেন? মনে হয় না। হয়তো যার সাথে ঘটে একমাত্র সেই বোঝে যে কি ঘটছে সেই বিশেষ মুহূর্তে। এই যেমন ধরুন কাউকে কুকুরে কামড়ালে তার বন্ধু কি বুঝবে যে কত কষ্ট হচ্ছে বন্ধুটার। কিন্তু মুখে বলবে – আহারে! খুব ব্যাথা না? বুঝতে পারছি রে…ইশ আহাগো! শুনেই ইচ্ছে হবে এক্ষুনি ওই কুত্তাটা কে খুঁজে বার করে আমার প্রানপ্রিয় বন্ধুটিকেও দংশন সুখের উপলব্ধি করাই। তবেই না পরিষ্কার ভাবে বুঝিবে সে। তাই বোঝার থেকে ভালো হলো আন্দাজ করা। তাই বলি আন্দাজা করতে পারেন কি বলতে চাইছি। মানুষ জীবনে মানুষ হয়ে ওঠার ঠিক পূর্বের সময়টুকুর কথা। যখন মনে বড়ো বড়ো স্বপ্ন থাকে কিন্তু কেনার জন্য হাত পাততে হয় নিজের মাতা পিতার সামনে। এতে যদিও লজ্জার কিছু দেখিনা। সন্তান বাবা মায়ের কাছে আবদার করবে নাতো কি প্রতিবেশীর কাছে করবে? হাজার জ্ঞান উপলব্ধি সুখের স্বাদ নিতে নিতে সেই সময় যখন আমরা মনে করি আমাদের মতো বিজ্ঞ আর কেউ নেই । কত কি জানি আমরা যা আমাদের বাবা মাও জানেনা। কিন্তু ভুলে যাই তারা আমাদের পেটে জন্মায় নি, আমরা তাদের পেটে জন্মেছি। হুহুবাবা ওসব সময় তারাও পেরিয়ে এসেছে গুরু।

ওই দেখুন! আসল কথা ভুলে ফিলোসফি ক্লাস খুলে বসে পড়েছি। যাইহোক সব বই আবার তুলে রেখে আবার আরাম করে সুখ টান দিলুম আর মোবাইলটা  হাতে নিয়ে আজকের  অনুষ্ঠানে তোলা সবার ছবি গুলো দেখতে লাগলাম। অতনুকে বেশ ভালো লাগছে বর সাজে। কিন্তু ছেলেটার হাইট বেশি বাড়লোনা। বাবার মতোই রয়ে গেলো। সেই তুলনায় পাশের জন বেশ ভালোই লম্বা। একেবারে স্বামীর সমান সমান কিংবা একটু বেশিই হয়তো। নতুন বৌয়ের পাশে আমার ছেলের মা। উফফফফ মাইরি বলছি নব বধূর থেকে বেশি সেক্সি লাগছে ওকে। এমনি এমনি কি আর একবার ছবি দেখেই তোতা পাখির মতো মাথা নেড়ে হ্যা বলে এই বিয়েতে রাজি হয়ে ছিলাম?  ছোট ভাই পুরো ডন বৈঠক দিতে শুরু করেছিল ওর ছবি দেখে। তারপরে তো যখন হাতের কাছে পেলুম….. পুরো হাতের সুখ করেছি। সেও বুঝে গেছিলো কার সাথে বিয়ে হয়েছে তার। যাইহোক সেসব এখন অতীত হয়ে গেছে। অতনুর পাশে আমি। আমার কাঁধের কাছে ওর মাথা শেষ। কেমন যেন বেখাপ্পা লাগছে তাই দৃশ্যটা। আমি মোটেও এসব লম্বা,নাটা, রোগা, মোটা নিয়ে মাথা ঘামাইনি কোনোদিন। কিন্তু আজ কেন জানি অতনুর সাথে নিজেকে তুলনা করে জয়লাভের আনন্দ উপভোগ করছি। কেন জানি অজান্তেই আমার একটা হাত কখন জানি আমার সেই বিশেষ অঙ্গের কাছে পৌঁছে গেছে। বার বার কানের সামনে ভেসে উঠছে একজন মানুষের বলা একটা কথা – ছুপা রুস্তম একেবারে।

চলবে ……….

পর্ব – ১

এই শুনছো? এই ইয়েটা খুলে দাওনা একটু।

জামাটা খুলে সবে বিছানায় রেখেছিলাম। দীপান্বিতার ডাক শুনে এগিয়ে গেলাম ওর কাছে। লকেটটা খুলতে পারছেনা ও। চুলের সাথে কিছুটা জড়িয়ে গেছে। আমি গিয়ে সাবধানে চুল গুলো সরিয়ে খুলে দিলাম সেটি। তারপরে তাকালাম ড্রেসিং টেবিলের আয়নায়। সেখানে প্রতিফলিত হচ্ছে সবুজ শাড়ি পরিহিতা এক অপ্সরার রূপ। লকেটটা টেবিলে রেখে আয়নার দিকে তাকাতেই সেও বোধহয় পেছনে দাঁড়ানো মানুষটার নজর বুঝতে পেরেছে। তাই ভুরু কুঁচকে মুচকি হেসে ইশারায় জিজ্ঞেস করলো কি ব্যাপার? ঐভাবে কি দেখা হচ্ছে শুনি?

আমি ধরা পড়ে গেছি। তবে তাতে লজ্জা নেই। আমিতো আর অন্যের বৌ দেখছিনা। তাই আয়নায় চোখ রেখেই ওর পিঠে হাত রাখলাম। উফফফফফ এমনিতেই এমন একটা ফিগার, তারওপর আবার এমন স্লিভলেস ব্ল্যাক ব্লাউস। না জানে আজ কত গুলো পুরুষের নজর পড়েছে আমার এই বৌটার ওপর। না জানে তারা আমার বৌটাকে ভেবে আজ রাতে কি না কি করবে। ভাবতেই এবার আমার ইয়েটা ঝামেলা শুরু করলো। সেটাকে যথাস্থানে অর্থাৎ দুই ঢিপির মাঝের সরু রাস্তায় আলতো করে ঠেকিয়ে দীপান্বিতার কাঁধে ঠোঁট স্পর্শ করালাম। চুল গুলো এপাশ থেকে ওপাশে সরিয়ে ঘাড়ের কাছে গিয়ে মুখ ডুবিয়ে দিলাম। চোখ দুটো বুজে এলো আমার বেবির। কিন্তু তাও কোনোরকমে নিজেকে সামলে বললো – ছাড়ো, ও আছে ওখানে। চলে আসবে যখন তখন।

– আজ কিন্তু তোমায় ভয়ানক সেক্সি লাগছিলো এই শাড়িটায়। কোনের থেকে বেশি এট্রাক্টিভ তো তোমায় লাগছিলো।

– বাবা! তাই বুঝি? মানে তেল মারতেই হবে না?

– সত্যি বলছি বিশ্বাস করো। উফফফফ ওই ড্রেস তার ওপর ওই পার্ল সেট উফফফফ….. এই! আজ কিন্তু খেয়ে ফেলবো তোমায় আমি! কোনো না শুনবনা বলে রাখলাম।

আমার ওপর দিপু না জানে কত রাগ করে, ঝগড়া করে, বকে। মাথা নামিয়ে শুনে নেবো সব। কিন্তু এই একটা বেলায় সে কিচ্ছু বলেনা। বলতে পারেনা। বলতে দিই না। তখন আমার সময়। আমার মুহুর্ত। আমার নারী সে। তাকে নিয়ে যা ইচ্ছে করবো আমি। আমাকে আটকানোর ক্ষমতা নেই ওর। বিয়ের পরপরই ও বুঝে গেছিলো কোন প্রাণীর সাথে বাবা মা বিয়ে দিয়েছে মেয়ের। নানা! আমি মোটেও বৌ পেটানো অত্যাচারী স্বামী নই। বরং উল্টোটাই আমার ভাগ্যে জোটে। কিন্তু ওইযে বললাম ওই একটা ব্যাপারে আমাকে বাঁধা দেবার ক্ষমতা বা সাহস ওর মতো রাগী মেয়েরও নেই। বাঘিনী তখন ভিজে বেড়াল হয়ে যায়। হতে বাধ্য হয়। কি করবো বলুন? আমি যে ওই একটা সময় একেবারে পাল্টে যাই। একেবারে মিস্টার হাইড এর মতন। এই যেমন এখন আমার ভেতরের সেই দানবটা বেরিয়ে আসতে চাইছে। প্যান্টের চেনটা খুলে দিলেই সেই রাক্ষস বেরিয়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়বে আমার আদরের দিপুর ওপর। তখন ওর সেই কষ্ট আমি দেখতে পারিনা, কিন্তু ওই রাক্ষস তাড়িয়ে তাড়িয়ে ভোগ করে মেয়েটার চিল্লানি।

– মা মা…. প্যান্টটা খুলতে পারছিনা। খুলে দাও।

ভাগ্গিস রনিটা নিজের মায়ের কাছে এসে পড়লো, নইলে আর যেন আমি আটকে রাখতে পারতাম না নিজেকে। কিছু একটা করে বসতাম এখনি। ছেলের গলার আওয়াজ পেতেই ওর থেকে আলাদা হয়ে আবার নিজের কাজে মন দিলাম। ওদিকে দিপু তখন ছেলের জামা প্যান্ট খুলে দিতে লাগলো আর হালকা বকতে লাগলো এই বলে যে তুমি বড়ো হচ্ছ না, এখনো পারোনা এইসব। আমি ওখান থেকে সরে বাথরুম ঢুকে গেলাম। তবে ভেতরের সেই রাক্ষস জানিয়ে দিলো আমায় – এখন বৌকে বাঁচিয়ে দিলো তোর ছেলে। রাতে কে বাঁচাবে?

বারান্দায় বসে টানছি। মা ছেলে গেছে একতলায় দাদু ঠাম্মার সাথে বসে টিভি দেখতে দেখতে গল্প করতে। আমি আর যাইনি। বাইরের অন্ধকার আকাশ দেখতে দেখতে ভাবলাম সত্যিই এই কালো আকাশের মতো মানুষের ভেতরেও কেমন যেন কালো অন্ধকার জমা থাকে। যেটার সাক্ষী সে নিজে একমাত্র। সে এক রহস্য, সে এক অতীত। ঠিক যেমন আমার অন্ধকার অতীত। নানানানা মোটেও কোনো দুঃখ কষ্টের কথা বলে সেন্টু করার অভিপ্রায় নেই আমার আপনাদেরকে। আমার জীবন আর পাঁচটা ছেলের মতোই ছিল। কলেজ, কলেজ,বন্ধুদের সাথে আড্ডা, খেলা,পরীক্ষার পড়া, বাবা মায়ের বকুনি আবার আদর এইসবই আরকি। কিন্তু এটা ছিল মহান মানব জীবনের একটা দিক। যেটার মধ্যে দিয়ে সকল মানুষকেই যেতে হয়। কিন্তু এই যাত্রার মাঝেই হয়তো আরও একটা এমন অধ্যায় কিংবা রাস্তার খোঁজ মেলে যা বড্ডো গোলমেলে।

আপনারা বুদ্ধিমান পাঠক। বুঝতেই পারছেন কিসের কথা বলছি। কিন্তু সত্যিই কি বুঝতে পারছেন? মনে হয় না। হয়তো যার সাথে ঘটে একমাত্র সেই বোঝে যে কি ঘটছে সেই বিশেষ মুহূর্তে। এই যেমন ধরুন কাউকে কুকুরে কামড়ালে তার বন্ধু কি বুঝবে যে কত কষ্ট হচ্ছে বন্ধুটার। কিন্তু মুখে বলবে – আহারে! খুব ব্যাথা না? বুঝতে পারছি রে…ইশ আহাগো! শুনেই ইচ্ছে হবে এক্ষুনি ওই কুত্তাটা কে খুঁজে বার করে আমার প্রানপ্রিয় বন্ধুটিকেও দংশন সুখের উপলব্ধি করাই। তবেই না পরিষ্কার ভাবে বুঝিবে সে। তাই বোঝার থেকে ভালো হলো আন্দাজ করা। তাই বলি আন্দাজা করতে পারেন কি বলতে চাইছি। মানুষ জীবনে মানুষ হয়ে ওঠার ঠিক পূর্বের সময়টুকুর কথা। যখন মনে বড়ো বড়ো স্বপ্ন থাকে কিন্তু কেনার জন্য হাত পাততে হয় নিজের মাতা পিতার সামনে। এতে যদিও লজ্জার কিছু দেখিনা। সন্তান বাবা মায়ের কাছে আবদার করবে নাতো কি প্রতিবেশীর কাছে করবে? হাজার জ্ঞান উপলব্ধি সুখের স্বাদ নিতে নিতে সেই সময় যখন আমরা মনে করি আমাদের মতো বিজ্ঞ আর কেউ নেই । কত কি জানি আমরা যা আমাদের বাবা মাও জানেনা। কিন্তু ভুলে যাই তারা আমাদের পেটে জন্মায় নি, আমরা তাদের পেটে জন্মেছি। হুহুবাবা ওসব সময় তারাও পেরিয়ে এসেছে গুরু।

ওই দেখুন! আসল কথা ভুলে ফিলোসফি ক্লাস খুলে বসে পড়েছি। যাইহোক সব বই আবার তুলে রেখে আবার আরাম করে সুখ টান দিলুম আর মোবাইলটা  হাতে নিয়ে আজকের  অনুষ্ঠানে তোলা সবার ছবি গুলো দেখতে লাগলাম। অতনুকে বেশ ভালো লাগছে বর সাজে। কিন্তু ছেলেটার হাইট বেশি বাড়লোনা। বাবার মতোই রয়ে গেলো। সেই তুলনায় পাশের জন বেশ ভালোই লম্বা। একেবারে স্বামীর সমান সমান কিংবা একটু বেশিই হয়তো। নতুন বৌয়ের পাশে আমার ছেলের মা। উফফফফ মাইরি বলছি নব বধূর থেকে বেশি সেক্সি লাগছে ওকে। এমনি এমনি কি আর একবার ছবি দেখেই তোতা পাখির মতো মাথা নেড়ে হ্যা বলে এই বিয়েতে রাজি হয়ে ছিলাম?  ছোট ভাই পুরো ডন বৈঠক দিতে শুরু করেছিল ওর ছবি দেখে। তারপরে তো যখন হাতের কাছে পেলুম….. পুরো হাতের সুখ করেছি। সেও বুঝে গেছিলো কার সাথে বিয়ে হয়েছে তার। যাইহোক সেসব এখন অতীত হয়ে গেছে। অতনুর পাশে আমি। আমার কাঁধের কাছে ওর মাথা শেষ। কেমন যেন বেখাপ্পা লাগছে তাই দৃশ্যটা। আমি মোটেও এসব লম্বা,নাটা, রোগা, মোটা নিয়ে মাথা ঘামাইনি কোনোদিন। কিন্তু আজ কেন জানি অতনুর সাথে নিজেকে তুলনা করে জয়লাভের আনন্দ উপভোগ করছি। কেন জানি অজান্তেই আমার একটা হাত কখন জানি আমার সেই বিশেষ অঙ্গের কাছে পৌঁছে গেছে। বার বার কানের সামনে ভেসে উঠছে একজন মানুষের বলা একটা কথা – ছুপা রুস্তম একেবারে।

5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments