লেখিকা:তাবাসসুম তাজ্বওয়ারী
পর্ব:০৫
আযলান কেবিনময় পায়চারী করছে। মাথার ভেতর সব এলোমেলো লাগছে তার। কোনোমতে কাজে মনোযোগ দিতে পারছে না। তার মাথার ভেতরের শিরাগুলো যেন ছিঁড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এদিকে তুহি সবেমাত্র হসপিটালে এসে ল্যাবের দিকে যাচ্ছিল তখনই আযলানের পিএ এসে তুহিকে জানালো আযলান তাকে কেবিনে যেতে বলেছে। তুহি কিছুটা অবাক হলো। আযলান হঠাৎ তাকে জরুরি তলব করছে কেন? তবুও সে গেল। ল্যাবের দিকে না গিয়ে পথ পাল্টে হাঁটা দিল আযলানের কেবিনের দিকে। আযলানের কেবিনের সামনে গিয়ে সে নক করলো। মনের ভেতর কেমন যেন ভয় হচ্ছে তার। কীসের ভয় বুঝতে পারছে না।
– কাম ইন।
গম্ভীর কণ্ঠে তুহি একটা ঢোক গিলে ভেতরে গেলো। তুহি কিছুটা ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করল,
– স্যার ডেকেছিলেন আমায়? এনি প্রবলেম?
– না। বসো, একটা কথা আছে।
তুহি এসে সামনের চেয়ারে বসলো। আযলান প্রথমেই সরাসরি প্রশ্ন করলো,
– আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করছি সরাসরি উত্তর দিবেন। বাইরে আপনার সাথে একজন ছেলে দেখলাম সেটা কে?
আযলানের এমন সরাসরি প্রশ্নে সে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে গেল। হঠাৎ এমন প্রশ্ন কেন করছে!!
– কোন ছেলে স্যার? আমি আপনার কথা ঠিক বুঝতে পারছি না।
– আসার সময় আপনার সঙ্গে একজন ছেলেকে দেখলাম খুন সম্ভবত আবরার নাম? এম আই রাইট?
তুহি অবাক কণ্ঠে বললো,
– আপনি আবরারকে চিনেন?
– ইয়েস! ইনি আপনার কে হয়?
তুহি এবার হেসে বললো,
– আরে আবরার! আপনি ওর কথা বলছেন! আবরার আমার হাসব্যান্ড!
আযলান বিস্ফো’রিত চোখে তাকাল যেন সে তুহির কথা বিশ্বাস করতে পারছে না। আর আযলানের এমন ব্যবহারে তুহি বুঝতে পারছে না আযলান এসব কেন জিজ্ঞেস করছে! আযলানের যেন দুনিয়া ঘুরছে সে দুয়ে দুয়ে চার মিলানোর চেষ্টায় আছে। নিজেকে সামলে নিয়ে নিজের রূপে ফিরে বললো,
– আপনাদের বিয়ে হয়েছে কত বছর?
– সত্যি বলতে স্যার আবরার আর আমার সম্পর্ক পাঁচ বছর আর বিয়ের দুই বছর।
– পাঁচ বছর?
– জ্বি।
আযলান হিসাব মেলানোর চেষ্টায় চুপ থাকলো খানিকক্ষণ। মুহূর্তেই তার চোখের সামনে ভেসে উঠলো, সেই চোরের মতো চেয়ে থাকা রহস্যময় নীল চোখ দুটো। সব গড়বড় লাগছে! এই মেয়ে আর… কিন্তু এতটা পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব!! আযলান হুট করে শান্ত কণ্ঠে প্রশ্ন করে বসলো,
– সেদিন আপনি যার রিপোর্ট নিয়ে এসেছিলেন আদনান? সে সত্যিই আপনার বোনের ছেলে? ওর মা আপনার বোন হয়?
– মিথ্যে কেন হতে যাবে?
– আপনার বোনের পুরো নাম কি? জানা যাবে?
তুহি যেন এরই অপেক্ষা করছিল। সে তাচ্ছিল্যের সাথে জিজ্ঞেস করলো,
– স্যার আপনি ওর আর আবরারের কথা কেন জানতে চাইছেন?
আযলান একইরকমভাবেই জবাব দিল,
– দরকার আছে তাই জানতে চাইছি।
তুহির কঠোর গলার অকপট উত্তর।
– নূরজাহান নওমি।
মুহূর্তেই স্তব্দ হলো আযলান। একে একে সব হিসেব মিলে গেল। দুনিয়া কিছুক্ষণের জন্য ঘুরে উঠলো তার। একটা চেনা ব্যথায় তার বুকের বাম পাশটায় এক তীব্র মোচড় দিয়ে উঠল। তবে সে নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করে তার দুলতে থাকা দুনিয়াটাকে এক প্রকার জোর করেই স্থির করল। বড় বড় শ্বাস নিয়ে বললো,
– নওমি? নওমিকে আপনি কোথায় পেলেন? নওমির তো কোনো বোন ছিলো না! আপনি কিভাবে ওর বোন হতে পারেন?
তুহি বাঁকা হাসলো।
– আপনি নওমিকে কিভাবে চিনেন স্যার? ওর অফিসিয়াল নাম তো নূরজাহান!
– চিনি কোনভাবে। আপনি আমাকে ওনার ঠিকানাটা দিন।
– ওর ঠিকানা কেন আপনাকে দিবো?
আযলান একটু হেসে বললো,
– কার সাথে কোথায় কেমন সংসার করছে দেখতে হবে না?
এতক্ষণ নিজেকে আটকে রাখলেও এবার তুহির রাগের মাত্রা ছাড়ালো। লোকটা সরাসরি নওমির দিকে আঙুল তুলছে! নওমিকে নিয়ে করা এমন ইঙ্গিতপূর্ণ বাঁকা মন্তব্য তুহির ভেতরের দা’হ আগ্নে’য়গিরির মতো জ্বালিয়ে দিল। এতদিন ধরে চেপে রাখলেও আজ আর পারলো না। সে টেবিলে এক হাত চাপড়ে আযলানের দিকে কঠোর চোখে তাকিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে বললো,
– সংসার? কার সাথে কেমন সংসার করছে সেটা দেখার আপনি কে ডক্টর আযলান আজওয়াদ? কোন সাহসে আপনি আমার সামনে নওমির নামে বাজে কথা বলছেন? আপনার মতো কাপুরুষের মুখে এটা মানায় না!
আযলান অবাক কণ্ঠে বললো,
– মানে? কি বলতে চাইছেন আপনি?
– নিজের স্ত্রীকে তিনবছর আগে সংসার ছাড়তে বাধ্য করেছিলেন! ভুলে গেলেন এত সহজে? নিজের কাপুরুষতার কথা মনে নেই? ভুলে গেলেন? নিজের স্ত্রীকে পৈশা’চিক লা’ঞ্ছনা করতেও দ্বিধা করেনি!
একটু থেমে আযলানের বিস্ফো’রিত দৃষ্টি উপেক্ষা করে তুহি আবার বলল,
– আপনি জানতে চেয়েছিলেন না ও আমার বোন কীভাবে হয়? আমি আমি ওর র’ক্তের কেউ নই! ওর সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক! আপনি আর ওর নিজের র’ক্তের মানুষগুলো সমাজের ভয়ে যেদিন ওকে মাঝরাতে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল, আমি ওকে ম’রতে দিইনি। ওই ন’রক থেকে পালিয়ে আসার পর আমি ওকে নিজের বুকে টেনে নিয়েছিলাম। আর আপনি এখন ঠিকানা চাইতে এসেছেন?
আযলান যেন কথা বলতে ভুলে গিয়েছে! তুহির কণ্ঠস্বর আরো বেশি কঠিন হলো এবার। চোখে চোখ রেখে বললো,
– একটা কথা কান খুলে শুনে রাখুন ডক্টর আযলান, ও আজ যেখানে আছে, যেভাবে আছে, নিজের সন্তানকে নিয়ে খুব ভালো আছে। অনেক কষ্ট সহ্য করে তিলতিল করে নিজের জীবনটা সাজিয়েছে নওমি! ওর ওই শান্ত জীবনে আপনার মতো একটা বি’ষাক্ত মানুষের ছায়াও আমি আর পড়তে দেব না। ঠিকানা তো দূর, ওর ত্রিসীমানায় যাওয়ার অধিকারও আপনার নেই! আপনি যদি কোনোদিন ওনার সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে আমার চেয়ে খারাপ আর কেউ হবে না!
আযলানকে আর কিছু বলার সুযোগই দিলো না তুহি। হনহনিয়ে কেবিনের বাইরে চলে গেল। এদিকে আযলান যেন ধাক্কা সামলে উঠতে পারছে না এখনো!! কি বলে গেল মেয়েটা? নওমিকে আমি সংসার ছাড়তে বাধ্য করেছি! নওমি কার সাথে আছে? কেন চলে এসেছে সে? আমার অত্যাচারে? কিন্তু নওমি তো… নওমি তো নিজে অন্য কারো হাত ধরে চলে গিয়েছিল! অন্তত তিন বছর আগে তার সামনে সাজানো প্রতিটা প্রমাণ, প্রতিটা বেনামী চিঠি আর চারপাশের মানুষের চারপাশের পরিস্থিতির যে জাল তা তো সেই কুৎসিত সত্যেরই সাক্ষ্য দিচ্ছিল! নিজের মাথার চুল খামচে ধরলো সে।
একেকটা স্মৃতি তার মস্তিষ্কে হানা দিচ্ছে। কিছুতেই সামলে উঠতে পারছে না। নিজেকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে নাকি নওমিকে?
এতদিন যা ভেবে এসেছে তার পরিস্থিতি অনুযায়ী সে ঠিক আর আজ তুহির মুখে সে যা শুনল, তা যেন ওই মুদ্রার একেবারে বিপরীত পিঠ! নওমির সামনে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম, আর আযলানের সামনে অন্যরকম। দুটি সত্যের মাঝখানে এক বিশাল, অন্ধকার খাদ।
হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে উঠল আদনানের মায়াবী মুখটা। আধো আধো বুলিয়ে “বা…বাআ” বলার মুহুর্তটা। নওমি যদি কারো সাথে না ই যায় তাহলে আদনান?
“নিজের সন্তানকে নিয়ে খুব ভালো আছে”
তুহির এই কথাটা আযলানের কানের পর্দায় কা’মানের গো’লার মতো আছড়ে পড়লো। আদনান… আদনান তার মানে তার নিজের সন্তান!! কিন্তু নওমির এত পরিবর্তন! এই নওমি আগের নওমি নয়! নাহয় এক দেখায় সে চিনতে পারলো না?
আযলান মাথা ঠান্ডা করার চেষ্টা করে উঠে দাঁড়াল। এখন এভাবে ভেঙে পড়লে চলবে না। তাকে সত্যিটা জানতে হবে। সবটা জানা দরকার! কি ঘটেছে আসলে? যা তুহি বলে গেল? নাকি যা সে ফেস করেছে? স্বচক্ষে দেখেছে? সে হুট করে জাদুকরের মতো নওমির ঠিকানা পেয়ে যাবে না, তুহিও তাকে কিচ্ছু বলবে না। নওমি যে তার থেকে পালিয়ে বেড়াতে চাইছে এটা সে ভালো করে বুঝতে পারছে। তাই তাকে ঠান্ডা মাথায়, প্রফেশনাল সূত্র ধরে এগোতে হবে।
আযলান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে কেবিনের সোফাটায় হেলান দিয়ে বসল। সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করলো,
– মাঝের সত্যটা আসলে কি?
________________
নওমি বিছানার একপাশে বসে নাক টানছে। সামনে নির্বিকারভাবে ঝালমুড়ি খাচ্ছে তুহি। উপরে নির্বিকার হলেও ভেতরে ভেতরে ফেটে পড়ছে সে। নওমিও আগ বাড়িয়ে কিছু বলছে না কারণ বললে সে নিজেই তুহির গরম আবহাওয়ার শিকার হবে। আর ছোট্ট আদনান একবার মায়ের দিকে একবার তুহির দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকাচ্ছে। একটু পর তুহি বিরক্ত মুখে ধমকের সুরে বললো,
– অ্যাই থাম! ফ্যাচফ্যাচ করে কাঁদা বন্ধ কর।
নওমি কিছু না বললেও আদনান চটে গেল। তার মাকে বকা দেয়! সে চোখ গরম করার ভঙ্গি করে বললো,
– টুয়ি ব…..পপ!
তুহির ওপর আদনানের এই পিচ্চি বয়সের তেজ দেখে নওমি চোখের জল টপ করে মুছে হুট করেই হেসে ফেলল। তুহি হাতে থাকা ঝালমুড়ির ঠোঙাটা পাশের টেবিলে রেখে আদনানের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল,
– ওরে আমার আদুউউউ রে! মাকে একটু ধমক দিয়েছি বলে খালামণিকে বকা দিচ্ছিস? তোর মা তো খারাপের খারাপ বকা না দিয়ে কি করবো?আয়, এদিকে আয় দুষ্ট!
আদনান কিন্তু সহজে গলল না। সে নওমির গায়ের সাথে আরও লেপ্টে গিয়ে মুখটা ঘুরিয়ে নিল যেন সে রেগে গেছে। তুহি একটু হাসলো ওর কাণ্ডে। তারপর সরাসরি তুহির দিকে তাকালো। ওর চাহনি দেখে নওমি চোখ নামিয়ে নিলো। তুহি রাগ আর অভিমানে উঠে দাঁড়ালো। আদনানের দিকে তাকিয়ে বললো,
– আসি হ্যাঁ? আমাকে মনে পড়লে তোর মাকে বলিস আমায় কল দিতে।
নওমি তড়িঘড়ি করে ওর হাত টেনে ধরে বললো,
– চলে যাচ্ছো কেন?
– থেকে কি করবো? যার সুখে-দুখে তিনটা বছর ছায়ার মতো পাশে থাকলাম, সে-ই যখন আমাকে বিশ্বাস করতে পারল না, পর ভেবে এত বড় সত্যিটা লুকিয়ে গেল, সেখানে থাকার আর কী অধিকার আছে আমার?
– কি বলছো তুহি আপু? আমি তোমাকে বিশ্বাস করি না?
– এত বড় কথা লুকালি কেন তাহলে?
নওমি চুপ হয়ে আছে। একটু পর মিনমিন করে বললো,
– তুমি কিভাবে জেনেছো যে ওই আদনানের বাবা?
তুহি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
– আমি হাসপাতালে জয়েন করার পর থেকেই তো ওনাকে চিনতাম কিন্তু তুই আমাকে জানাস নি। আদনান যখন কয়েকমাস আগে খুব বেশি অসুস্থ হয়েছিল, তোর মনে আছে? আমি ওর চিকিৎসার জন্য সব টেস্ট আর রিপোর্টের ফাইলগুলো এক জায়গায় গোছাচ্ছিলাম, সেদিন তুই ছিলি না বলে আমাকে নিতে বলেছিলি। সেদিন আমার হাতে ওর বার্থ সার্টিফিকেটটা চলে আসে। যেটা তুই তোর আলমারির কাপড়ের ভাঁজে খুব গোপনে লুকিয়ে রেখেছিলি। আমি কৌতূহলবশত সেটা খুলেছিলাম নওমি। আর সেখানে বাবার নামের জায়গায় স্পষ্ট লেখা ছিল আযলান আজওয়াদ আহিল। আমি সিওর ছিলাম না এই আযলান ডক্টর আযলান কি না! তাই তোকে জিজ্ঞেস করেছিলাম ওর বাবার পেশা! তুইও উত্তরে বলেছিলি ডক্টর তারপর সিওর হলাম।
নওমি অবাক হলো। এতগুলো দিন ধরে তুহি সবটা জেনেও চুপচাপ ওকে বুঝতে দেয়নি কিছুই! তুহি এবার নিচু স্বরে অত্যন্ত অভিমানী কণ্ঠে বলল,
– তোর মনে আছে নওমি? আমি কতবার এসে তোকে ডক্টর আযলানের প্রশংসা করেছি? বলেছি আমাদের হসপিটালের চাইল্ড স্পেশালিস্ট ডাক্তারটা কত ভালো, কত রাশভারী, কত ট্যালেন্টেড! তুই দিনের পর দিন আমার মুখে ওনার ইচ্ছেমতো প্রশংসা শুনলি, ওনার গুণগান শুনলি, অথচ একটা বারও তোর মুখটা খুললি না? একটা বারও বললি না ‘তুহি আপু, তুমি যার প্রশংসা করছো, সে-ই আমার জীবনটা ছারখার করে দিয়েছে!’ কেন বলিসনি নওমি? আমি কি তোর এতটাই পর ছিলাম?
তুহির এই তীব্র আক্ষেপ আর অভিমানী কথাগুলো তীরের মতো নওমির বুকে গিয়ে বিঁধল। সে ফুপিয়ে উঠে বললো,
– আমি তোমাকে পর ভাবি না আপু। তুমি আমার জন্য যা করেছো অন্য কোনো মানুষ করে নি এমন! কিন্তু ওই নামটা আমার জীবনের একটা অভিশাপ! আমি প্রথমে ভাবতে পারিনি আহিল আর তোর হসপিটালের ডক্টর আযলান একই মানুষ হবে। আমি যখন কদিন আগে আদনানকে নিয়ে গিয়ে প্রথম জানতে পারলাম ও এই হসপিটালের ডাক্তার আমি তখন খুব চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম বলবো কিন্তু পারিনি।
তুহির রাগ গলে গেল অনেক আগেই। সে ওকে সান্ত্বনা দিয়ে বললো,
– হয়েছে আর কাঁদতে হবে না। বুঝেছি আমি। আজ ইচ্ছে মতো রাগ দেখিয়ে এসেছি। আমার কাছে তোর ঠিকানা চাইছে! আবার আবরারকে নিয়ে জেরা করছে! তোর সম্পর্কে এসব শুনে মাথা ঠিক ছিলো না আমার!
চলবে………
(ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। রিচেক করা হয়নি সারাদিন ব্যস্ত ছিলাম এখন আবার এমার্জেন্সি বাইরে যেতে হচ্ছে তাই আজ এইটুকুই দিলাম)