লেখিকা:নুর নাহার শ্রাবণী
পার্ট : ০৬
***** কিরে এইভাবে হাসতাছত কেনো মনে হয় বড় ভাইয়ের আগে কাম সারাই পেলবি,,, আরিয়ান তাসনুবার রুম থেকে বের হয়ে দেখলো অয়ন উপরে উঠতেছে,,,
– কিযে বলোনা ভাইয়া আমি তোমার আগে কেমনে কি
– হয়েছে থাক ভাইয়া সব বুঝি
– আমার মনে হয় ভাবি ঠিক করা আছে হুম ভাবিকে পছন্দ হইছে আমার তাসনুবার ও পছন্দ হবে, এইবলে আরিয়ান এক দোড়ে নিজের রুমে অয়ন আর কি বলবে সেও নিজের রুমের দিকে চলে গেল,,
“””” অয়ন ফ্রেশ হয়ে হাতে কপি নিয়ে ফেসবুক দেখতেছে কাজের চাপে ফোন কম দরা হয় হঠাৎ একটা আইডি সামনে এলো শ্রাবণী জান্নাত তার সাথে সাইমার এড আছে ওইদিন শ্রাবনীকে মাহি ডাকার সময় অয়ন শুনতে পেয়েছে তার নাম,,,
তবুও অয়ন সাইমাকে ডেকে দেখিয়ে ছিল এইটা কি শ্রাবণীর আইডি শিউর হওয়ার জন্য সাইমা ও বলে দিলো এইটা শ্রাবণীর আইডি যে,,,
****নতুন একটা দিনের শুরু তারা দুই বান্ধবী সাথে সাইমা মারিয়া ও আছে তারা একটা রেস্টুরেন্টে এ বসে ভাবতেছে কি ওয়াডার দেওয়া যায় তারা তিনজন এ শ্রাবণীকে গিপ্ট দিছে কে কি দিছে সেটা এখনো দেখা হইনাই,, তারা খাওয়া দাওয়া শেষ করে সাইমা আর মারিয়া একটা গাড়িতে উঠে বাসার দিকে রওনা দিলো
সাইমা মারিয়া চলে গেছে
শ্রাবণী আর মাহি গাড়িতে উঠার সময় অয়ন এসে শ্রাবণীর সামনে দাড়ালো,,,
,,,,কিহ মিস ডেইজি,,
আমার থেকে গিপ্ট নিবেন না?
শ্রাবণী মাহি দুজনে হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে আছে অয়ন চৌধুরী শ্রাবণীর জন্য গিপ্ট নিয়ে আসছে এইটা কি বিশ্বাস যোগ্য?
শ্রাবণীর সাথে কি হচ্ছে সে নিজেও বুঝতে পারছে না
– আমি আপনার থেকে কেন গিপ্ট নিবো?
– কারন আমি গিপ্ট দিতেছি তাই নিবে
– আমি আপনাকে ভালোভাবে চিনিনা আর আপনি অনেক সম্মানিত ব্যক্তি আমি আপনার থেকে কেন গিপ্ট নিবো আর আপনি এবা আমাকে কেন গিপ্ট দিতাছেন?
– বেশি বকবেন এই নাও এইটা তোমার জন্য,,
অয়ন শ্রাবণীর হাতে গিপ্ট বক্স দরিয়ে দিয়ে নিজের গাড়ির দিকে যেতে নিলেই হটাৎ আক্রমণ এ হকচকিয়ে উঠলো অয়ন,,
সামনে গাড়ির মধ্যে আরিয়ান বসে আছে মাহিও একটু দুরে গিয়ে দাড়িয়ে ছিলো,,, এতক্ষণ আরিয়ান মাহিকে দেখছিল,, হঠাৎ চিৎকার চেচামেচিতে মাহি আরিয়ান অয়নদের দিকে আসছিলো একটা ছেলে আরিয়ানের দিকে আসতে গেলে অয়ন আরিয়ানকে হাত জোর করে বললো
“”” ভাই তুই এদের কে নিয়ে ঠিকটাক বাড়িতে পোচে দিশ তোর দোহাই লাগে,,,
জনগন দিকবেদিক ছুটতেছে নিজেদের প্রাণ বাচানোর তাগিদে,,,
আরিয়ান মাহিকে নিয়ে গাড়িতে উঠলো,, শ্রাবনী মানুষের মধ্যে আটকে অয়ন এর পায়ের সামনে বসে পড়লো একটা ছেলে শ্রাবণীর হিজাব এর উপর দিয়ে চুল মুটো করে ধরে শ্রাবণীকে টেনে উঠালো শ্রাবণী কিছু বলতে না পেরে কান্না করতেছে আর আহাজারি করতেছে তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য,,
অয়ন চৌধুরী তাহলে এই সাধারন তুচ্ছ একটা মেয়ে তোর দুর্বলতা এইবলে ছেলে গুলো অট্টহাসিতে মেতে উঠলো,,,,
– এ জানোয়ার এর বাচ্চা ওকে ছেড়ে দে তোদের শত্রুতা আমার সাথে আমার সাথে বুঝাপড়া কর, হিংস্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে অয়ন ছেলে গুলোর দিকে,,
শ্রাবণীর হিজাব টেনে দরায় মুখ থেকে নেকাপ সরে গেছে অয়ন এই প্রথম তার ডেইজির মুখ দেখলো যখন বুজতে পারলো তার পদ্মার খেয়ানত হয়েছে তার জন্য একটানে ছেলেটার হাত থেকে শ্রাবণীকে টান দিয়ে নিজের বুকের সাথে চেপটে দরে আছে যেন আর কেউ তার মুখ না দেখতে পায়,,,,
**** এই সব আমিন খানের কাজ সে ভালো করেই বুজতে পারছে তার এত বড় সর্বনাস অয়ন চৌধুরী ছাড়া কেউ করে নি এই কারনে অয়নকে পাহারায় পাহারায় রাখছিল সুজোগ এর অপেক্ষায় ছিলো,, এখন তো অনেক বড় সুজোগ পাইছে,,
,,, মাহি পুরো রাস্তা গাড়িতে কান্না করছিলো শ্রাবণীর কাছে যাওয়ার জন্য মাহির কান্না দেখে আরিয়ান এর বুকে চিনচিন ব্যাথা অনুভব হলো,, আরিয়ান মাহির থেকে নাম্বার নিয়ে নিচে সে ফোন করে মাহিকে সব জানাবে,,
আরিয়ান গাড়িতে বসেয় পুলিশ বর্ডিগার্ড দেরকে বলেদিচে অয়ন এর কাছে পোছাতে,,
আরিয়ান নিজেও অয়ন এর কাছে পোছে গেলো,,,
অয়ন একা হাতে সব সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে এইদিকে দুজনেই রক্তাক্ত হয়েগেছে অয়ন এর মাথা হাত গাড় থেকে রক্ত পরছে সাদা শার্টটা লাল হয়ে গেছে শ্রাবণীর হিজাবও লাল হয়ে গেছে হঠাৎ অয়নের হাত থেকে শ্রাবণী দপাশ করে মাটিতে পড়ে গেলো শ্রাবনী এতক্ষণ নিজেকে শক্ত রেখেছিলো এখন জ্ঞান হারিয়ে নিচে পড়েগেছে,,,
এতক্ষণে ছেলে গুলোকে পুলিশ ধরে পেলছে সুধু দুইটাকে বাদে অয়ন বলে ছিলো এদেরকে সে নিজের হাতে শাস্তি দিবে,,
অয়ন শ্রাবণী কে তুলে নিজের বুকের সাথে আবার চেপে দরে আছে তার অবস্থা ও খারপ অয়ন জ্ঞান হারানোর আগে আরিয়ানকে বলে দিছে সে যেন শ্রাবণীকে কোলে নেয়,, আরিয়ান ও কান্না করতেছে তার শক্ত পক্ত ভাইকে এই অবস্থায় দেখে,,
তাদের কে হসপিটাল এ নেওয়া হয়েছে,,
শ্রাবণীর বাড়িতে এখনো খবর দেওয়া হইনি টেনশন করবে বলে মাহি কল করে বলেচে তাদের বাসায় মাহির মা রেহানা বেগম ও চিন্তা করতেচে মাহিরতো কান্না থামছেনা,,,
মাহিন চৌধুরী মাহিম চৌধুরী হসপিটালে পোচে গেছে বাড়িতে কাউকে জানানো হইনি নাজমা চৌধুরী জানলে অসুস্থ হয়ে পড়বে,,,,
“””””” 🌿 চলবে,,,, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏