Golpo:Nur E Mohabbat(02)


লেখিকা:তাবাসসুম তাজ্বওয়ারী

পর্ব:০২

 


হাসপাতাল থেকে বের হয়ে নওমি হাঁটছে। আযলানের তীক্ষ্ণ বাক্যগুলো তার কানে বাজছে। চোখ ফেটে জল আসতে চাইল, কিন্তু নওমি জোর করে তা চেপে রাখল। এখন ভেঙে পড়লে চলবে না। এতো কিছু সহ্য করে যদি এখন ভেঙ্গে পড়ে তাহলে তো হবে না!

– মা… ফুন আচ্চে

ছেলের কথায় ধ্যান ভাঙল নওমির। কি বলেছে বুঝতে পেরে ব্যাগের দিকে তাকালো। ভাইব্রেট হচ্ছে। এতক্ষণ বুঝতেই পারেনি। ফোন বের করতেই পরিচিত এক নম্বর। সে রিসিভ করে কানে দিতেই ওপাশ থেকে ভেসে এলো এক পরিচিত মেয়ের কণ্ঠস্বর।

– অ্যাই মেয়ে? তুই নাকি ডাক্তারের কাছে গিয়েছিস? কি হয়েছে আদনানের? আমায় কিছু জানাস নি কেন?

নওমি হেসে বললো,

– তেমন কিছু না তুহি আপু। ওর তো ঠান্ডা জ্বর লেগেই থাকে জানো তো তুমি?

– আমাকে জানালি না তাই বলে? তোকে কতবার বলেছি, আদনানের কোনো সমস্যা হলে সবার আগে আমাকে বলবি! তুই আমাকে ওর মা মা ভাবলেও আমি ওকে আমার ছেলের মতোই দেখি!

ওপাশ থেকে তুহির একটু অভিমানী স্বর শুনে হাসলো নওমি।

– আপু সকাল থেকে একটু বেশি লাগছে তাই হুট করে এলাম বলে জানানো হয়নি। আর এসব কি কথা? তুমি কোথায়? হাসপাতালে এসেছো?

– হ্যাঁ এসেই তো খবর পেলাম তুই আসার। তুই গেটের কাছেই দাঁড়া আমি আসছি।

ফোনটা রেখে নওমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। এই শহরে তুহিই একমাত্র মানুষ, যে তার অতীতের সবটুকু জানে। চার মাসের সেই অভিশপ্ত সংসার ছেড়ে আসার পর যখন নওমির বাবার বাড়ির সবাই ‘চরিত্রহীন’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিল, তখন এই তুহিই তাকে শক্ত হতে সাহায্য করেছিলো। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তুহি হনহন করে হেঁটে মেইন গেটের সামনে চলে এলো। তুহি এই হাসপাতালের ল্যাবেই টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করে। সে ওদের দেখে দ্রুত এসে দাঁড়াল। আদনানকে নিজের কোলে নিয়ে বললো,

– জ্বর কি বেশি?

নওমি হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ল শুধু। নওমির অস্বাভাবিক শান্ত আচরণ ওর চোখে পড়লেও কিছু বললো না। আদনানের গলা কপালে হাত ছুঁয়ে বললো,

– গা তো প্রচন্ড গরম! আমাকে তো জানাস নি! কখন থেকে এমন জ্বর? একা একা কিভাবে সামলেছিস?

– তোমাকে বলেছিলাম যে সেদিন থেকে এসেছে। ভেবেছিলাম কমে যাবে তাই তোমায় আর জানায় নি।

তুহি একবার কোণা চোখে তাকিয়ে বললো,

– কোন ডক্টর দেখালি? কি ওষুধ দিয়েছে?

– কোনো ওষুধ দেয় নি। কিছু ব্লা’ড টেস্ট আর একটা এক্স-রে দিয়েছেন। বললেন রিপোর্ট ছাড়া কড়া ডোজের কোনো ঔষধ দেওয়া যাবে না। আগামীকাল বিকেলে রিপোর্ট নিয়ে যেতে বলেছেন।

– দেখি প্রেসক্রিপশনটা?

নওমি কাঁপা হাতে ব্যাগ থেকে প্রেসক্রিপশনটা বের করে তুহির দিকে বাড়িয়ে দিল। তুহি যখন প্রেসক্রিপশনের ওপরের নামটা দেখল ‘ডক্টর আযলান আজওয়াদ’। তুহি হেসে বললো,

– আরে তুই তো ডক্টর আযলানকে দেখিয়েছিস! উনি পিডিয়াট্রিক্সে এই হসপিটালের বেস্ট ডক্টর। ভালো হয়েছে ওনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়েছিলি।

নওমি একটা ঢোক গিললো। তুহি ওর ব্যাপারে সবটা জানলেও কখনোই আযলানের ব্যাপারে কিছুই জানায়নি। সে জানাতে চায়নি। সে ভুলে যেতে চেয়েছিলো এই লোকের সাথে তার কোনো সম্পর্ক ছিলো! তুহি জানে না এই সেই লোক যাকে তুহি নিজেও প্রচন্ড ঘৃণা করে কিন্তু অজান্তেই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ! ওর ভাবনার মধ্যেই তুহি বলল,

– শোন, টেস্টগুলো তো আমাদের ল্যাব থেকেই করাতে হবে। তুই কোনো চিন্তা করিস না, আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বিকেলের মধ্যে সব টেস্ট করিয়ে দিচ্ছি। আর রিপোর্টের কপিটাও আমিই কালেক্ট করে নেব। তোকে কাল আর কষ্ট করে বাচ্চার এই জ্বরের মধ্যে হসপিটালে আসতে হবে না। আমিই ওনার চেম্বারে রিপোর্ট দেখিয়ে ঔষুধ লিখে নিয়ে তোর বাসায় চলে যাবো।

তুহির এই আন্তরিক প্রস্তাব শুনে নওমি হাসলো। এই মেয়েটা ওর রক্তের কেউ না হলেও খুব বেশি আপন। এই দুনিয়ায় বোধহয় তুহি ছাড়া কেউ ওকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসে নি! সে হেসে বলল,

– তোমার আসা লাগবে না আপু। তুমি আমাকে রিপোর্ট কালেক্ট করে দিয়ো আমি নিয়ে নেবো।

– কোনো দরকার নেই এই অসুস্থ বাচ্চাটাকে নিয়ে টানাটানি করার। আর তোর স্কুল আছে না? আজ ছুটি নিয়েছিস নিশ্চয়ই?

– হু।

– আমিই এনে দেবো। তোর বাসায় যেতে না বললে সরাসরি না করবি যাবো না! গেট থেকে দিয়ে আসব। তাও না হলে যা তোর স্কুলে দিয়ে আসবনে।

তুহির এমন কথায় আবার হাসলো নওমি। এই মেয়েটা ওর চেয়ে বয়সে বড় হলেও মনটা বাচ্চাদের মতো! কথায় কথায় অভিমান আর আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয় “আমি রাগ করেছি”। সে এগিয়ে এসে তুহির গা ঘেঁসে দাড়িয়ে বললো,

– কি বলছো এসব তুহি আপু? তোমাকে আমার বাসায় আসতে বারণ করব? আমি?

– তাহলে এমন করিস কেন কথায় কথায়? নিশ্চয় আমি তোর বাসায় যায় তোর ছেলেকে আদর করি এটা তোর পছন্দ নয়?

নওমি ছলছল চক্ষু নিয়ে বললো,

– যার কেউ নেই তাকে বোধহয় সবাই এমন করে তাই না আপু?

তুহি চমকে নওমির তাকিয়ে হেসে ফেললো। এক হাতে ওকে ঝাঁকিয়ে বলল,

– এই মেয়ে! কাঁদছিস কেন? আমি মজা করছিলাম! তুই জানিস না আমি কেমন?

– তুমি তো জানো তুমি ছাড়া আমার আর কেউ নেই। তাহলে এসব বলো কেন?

– কে বলেছে কেউ নেই? এই যে আদনান আছে! আর কি লাগবে তোর?

নওমি আদনানের দিকে তাকিয়ে স্নান হাসলো। সত্যিই তো, এই বাচ্চাটাই তো তার কলিজা! ওই তো এখন তার বেঁচে থাকার একমাত্র জ্বালানি! তুহি আদনানকে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বললো,

– চল, আগে টেস্টগুলো করাই। ল্যাবের বয়দের বলে আমি নিজেই স্যাম্পল কালেকশন আর এক্স-রে-র ব্যবস্থা ঝটপট করে দিচ্ছি।

এর মধ্যে ওদের আবার হাসপাতালে ঢুকতে দেখে আদনান তুহির কাঁধ থেকে মাথা তুলে বললো,

– টুয়িই!

আদনান তুহি বলতে পারে না তার উচ্চারণ হয়ে যায় “টুয়িই”। তুহি ওর ডাক শুনে ওর গালে টুপ করে চুমু খেয়ে বললো,

– বল বাপ! তোর টুয়ি শুনছে।

আদনান হাসপাতালের দিকে তাকিয়ে বললো,

– বা…বাআ!

তুহি নাক মুখ কুঁচকে বলে উঠলো,

– কি সারাক্ষণ বাবা বাবা করিস হ্যাঁ? তোর মা তোকে আর কিছু শেখাতে পারলো না? এই বাপ ডাকটাই শেখালো! আর তুইও হয়েছিস বাবার পরাণ একদম! বলি সেই বাপ কি তোকে চিনে?

বলে নওমির দিকে তাকালো। নওমি চুপসে যাওয়া মুখ নিয়ে মাথা নিচু করে নিল। তুহি আগে বহুবার বারণ করেছে এই বাবা ডাকটা না শিখাতে। নওমি মানলে তো? নওমির স্বামীর উপর তুহির ভীষণ রাগ! সুযোগ পেলে হাতছাড়া করবে না সে। তুহি ওদের নিয়ে ল্যাবের দিকে চলে গেলো।
ল্যাব এ গিয়ে বসতেই নওমির অবচেতন মন ডক্টর আযলান আজওয়াদকে নিয়ে ভাবতে বাধ্য হয়। মানুষটা একটুও বদলায়নি! আগের মতোই উদ্ধত, আগের মতোই সন্দিহান। তিন বছর আগে বিয়ের দুই মাসের মাথায় আযলানের এই রূপ দেখেছিল যেটার কারণে আজ নওমি আর তার ছেলের জীবন এমন দুর্বিষহ!
এর মধ্যে টেস্টের জন্য আদনানের ছোট্ট হাতটা থেকে যখন সিরিঞ্জ দিয়ে র’ক্ত নেওয়া হচ্ছিল, বাচ্চাটা ব্য’থায় ককিয়ে উঠে নওমির গলা জড়িয়ে ধরল। নওমি চোখ বন্ধ করে ফেলল। বাচ্চার পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে সে ওকে শান্ত করার চেষ্টা চালালো।
– ব্যতা

বলে ঠোঁট উল্টে কেঁদে ফেললো আদনান। নওমি ওকে কোনরকম শান্ত করলো।

– এইতো বাবা শেষ! আর ব্যথা নেই।

টেস্ট স্যাম্পল নেওয়া শেষে তুহি আদনানকে একটা ললিপপ ধরিয়ে দিয়ে বললো,

– যা বাসায় ফিরে যা। রিপোর্টের জন্য তোকে কাল আর এই অসুস্থ বাচ্চাটাকে নিয়ে হসপিটালে এসে রোদে পুড়তে হবে না। আমি কাল বিকেলে ল্যাব থেকে নিজেই রিপোর্টগুলো প্রিন্ট করে ওপরে আযলান স্যারকে দেখিয়ে একবারে ঔষুধ লিখে নিয়ে তোর বাসায় চলে যাবো।

– আচ্ছা।

নওমির ভয় হচ্ছে তুহি যে সহজ সরল মেয়ে! আহিল যদি ওদের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করে ও না গড়গড় করে সব বলে দেয়। আহিলও কম চতুর না! নওমি আমতা আমতা করে বললো,

– আপু শুনো?

– বল?

– ডক্টর যদি আদনানের বাবার ব্যাপারে কিছু জানতে চাই তুমি কিন্তু কিছু বলবে না।

তুহি ভ্রু কুঁচকে বললো,

– আযলান স্যার কেন ওর বাবার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবে?

– আসলে আপু হয়েছে কি, ওনি বাবার নাম জিজ্ঞেস করছিল আমি নেই বলেছি এই নিয়ে ওনি বোধহয় সন্দিহান…

– আরে বোকা! ডাক্তাররা জাস্ট ফর্মালিটির জন্য ফ্যামিলি হিস্ট্রি জানতে চায়। ওনার তো আর খেয়েদেয়ে কাজ নেই যে এক পেশেন্টের বাচ্চার বাবার খোঁজে গোয়েন্দাগিরি করবেন!

তুহি ওকে আশ্বস্ত করে বাসায় পাঠালো।

.

ডক্টর আযলান আজওয়াদ একজন অত্যন্ত ব্যস্ত চাইল্ড স্পেশালিস্ট। চেম্বার শেষ হতেই তাকে আবার ইনডোর রাউন্ডে যেতে হলো। মাত্র ফিরে আসতেই আযলানের এসিট্যান্ট শুভ এসে ওকে একটা সিরিয়াল স্লিপের কপি এনে দিলো কিন্তু ততক্ষণে আগের সেই ঘটনা তার প্রাত্যহিক পেশাগত ব্যস্ততার নিচে চাপা পড়ে গেল। স্লিপটা দিতেই সে উদাসীন গলায় বললো,

– রেখে দাও ওখানে। আর পেশেন্ট আছে আজ?

– না স্যার, আজকের মতো পেশেন্ট দেখা শেষ।

শুভর কথা শুনে আযলান আর স্লিপটার দিকে তাকাল না। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চেয়ারের ব্যাকরেস্টে মাথা ঠেকিয়ে চোখ দুটো বন্ধ করল। প্রতিদিন শত শত বাচ্চার কান্না, মা-বাবাদের উদ্বেগ আর প্রেসক্রিপশনের ভিড়ে তার নিজের জীবনের চ্যাপ্টারগুলো ধুলোবালি জমে এক কোণায় পড়ে থাকে। হঠাৎ ফোন বেজে উঠলো।
স্ক্রিনে ‘মা’ লেখাটা ভেসে উঠতেই আযলান রিসিভ করে কানে দিল।

– হ্যাঁ মা, বলো।

– আহিল, তোর চেম্বার শেষ হয়েছে বাবা? আজ কি বাড়ি ফিরবি নাকি আজ রাতেও হাসপাতালে স্টে করবি?

মায়ের গলার আকুলতা শুনে আযলানের ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসির রেখা ফুটে উঠল। সে নরম গলায় বলল,

– না মা, আজ আর নাইট ডিউটি নেই। আমি আধা ঘণ্টার মধ্যে বের হচ্ছি। তুমি খেয়ে নাও, আমি এসে একবারে খাবো।

ফোনটা রেখে আযলান উঠে দাঁড়াল। অ্যাপ্রনটা খুলে হাতে ঝুলিয়ে নিজের গাড়ি চাবিটা হাতে নিল। করিডোর দিয়ে হেঁটে লিফটের দিকে যাওয়ার সময় দুপাশে নার্স আর ডিউটি ডাক্তাররা তাকে দেখে মাথা ঝুঁকিয়ে সালাম দিল, আযলানও হালকা মাথা নাড়িয়ে তার প্রত্যুত্তর দিল। এটাই তার প্রাত্যহিক চেনা জীবন। হাসপাতালের এই চেনা গন্ধ, চেনা ব্যস্ততা আর নিয়মের বেড়াজালে সে নিজেকে এমনভাবে বন্দি করে নিয়েছে যে, কোনো কিছুই যেন সহজে তাকে স্পর্শ করতে পারে না। সবাই তো ভাবে ডক্টর হতে গিয়ে বোধহয় ক’সাই হয়ে গিয়েছে!
সে নিজের গাড়ির ড্রাইভিং সিটে এসে বসল, চারপাশটা হুট করেই বড্ড নিঝুম হয়ে গেল। গাড়ির এসি চালু করে সে ক্লান্তিতে স্টিয়ারিং হুইলে মাথা রাখল। সারাদিনের খাটুনিতে শরীরটা ভীষণ ম্যাজম্যাজ করছে। আর ঠিক তখনই, নিজের অজান্তেই তার অবচেতন মনে ভেসে উঠল এক জোড়া নীল চোখ! যে চোখ দুটো তীব্র অভিমানে, অপমানে আর একরাশ আর্তিতে তার দিকে তাকিয়ে ছিল। আযলানের কপালটা কুঁচকে গেল। সে সোজা হয়ে বসে মাথাটা দুদিকে ঝাঁকাল। নিজের এই অদ্ভুত অস্থিরতায় সে নিজেই বেশ বিরক্ত বোধ করল।
কপালে হাত ঘষে বিড়বিড় করলো,

– কী হচ্ছে এসব আমার? ওই চাহনিটা আজ এত চেনা লাগল কেন? ঠিক এইরকম তীব্র আর চেনা এক জোড়া চোখ… না! কিসের মিল!

বলতে বলতেই আযলানের চোখের কোণ দুটো রাগে আর তীব্র ক্ষোভে লাল হয়ে উঠল। একটা ক্ষ’ত, যা সে কঠোর পরিশ্রমে আর ব্যস্ততায় চেপে রেখেছিল, তা যেন আজ এক মুহূর্তের জন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইল। সে স্টিয়ারিং হুইলে সজোরে একটা চাপড় মেরে নিজেকেই ধমকে উঠল,

– কার কথা ভাবছি আমি? মাথাটা কি পুরো খারাপ হয়ে গেল নাকি আমার? ওই বেইমান, ক্যারেক্টারলেস মেয়েটার কথা আমি এখনো ভাববো? যে অন্য কারোর হাত ধরে আমার সংসার এক রাতে লাথি মেরে ভেঙে চলে গেল! কোনোদিন না। আমি তার কথা ভাববো না

সে জোরে জোরে কয়েকটা শ্বাস নিল। ড্যাশবোর্ড থেকে বোতল নিয়ে ঢকঢক করে পানি খেয়ে নিলো। সে একজন ডাক্তার, পেশাগত জীবনে এমন কত বিচিত্র পেশেন্ট আসে! সে কেন এতো চিন্তা করবে? আযলান জোর করে মন থেকে সেই নীল চোখের চাহনিটা ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করে গাড়ি স্টার্ট দিল।

 

চলবে…

(ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো)

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x