অনু গল্প: প্রেমের সাতকাহন

লেখিকা: অনিমা কোতয়াল

ভালোবাসা দিবসে একেকজনের প্রেমে ভরপুর, কাপল পিক, স্টেটাস, লুতুপুতু মার্কা পোস্ট দেখে নিউসফিড স্ক্রোল করার ইচ্ছেটাই চলে গেল। আমি পিওর সিঙ্গেল মানুষ এসব দেখতে কার ভালোলাগে? এগুলো দেখলেই কেমন প্রেম প্রেম পায়। তই কিছুক্ষণ পড়াশোনা করে, ফোনটা নিয়ে সোফায় গা এলিয়ে চুপচাপ গান শুনছি। ফাঁকা বাড়িতে এটাই শান্তি। সারাক্ষণ বসে বসে যা খুশি করতে পারি। আমার কাজিনগুলোর কথা আর কী বলব? শান্ত, সাম্য আর অর্ণব ভাই বাদে সবাই হয় বিবাহিত নয় এঙ্গেজড। ঐ তিনজনও কতটা সিঙ্গেল সেটা নিয়েও আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আর এসবের মধ্যে আমি একটা অতি অসহায় মেয়ে। সোহেল ভাই আর সজীব ভাই আজকে নিশ্চয়ই বউদের নিয়ে ঘুরতে গেছে। এদের দুজনের মধ্যে কাউকে জ্বালিয়ে দেখি। সারাদিন তো একসাথেই থাকে আজকে এত বিশেষভাবে পালনের কী হল? এসব ভাবতে ভাবতে প্রথমে সোহেল ভাই, পরে সজীব ভাইকে কল দিলাম কিন্তু দুজনের ফোন বন্ধ। বাহ রে বা, এটা কোন কথা? মিলি আপু তার ছেলেকে নিয়ে ব্যস্ত তাই ওনার এসবের চান্স নেই আপাতত। মলি আপুকে একটা কল করা যাক। মলি আপুকে ফোন করে বুঝলাম সেও বরকে নিয়েই ঘুরছে। দূর! রইল হিয়া আপি। আমি লম্বা শ্বাস নিয়ে আপিকে কল লাগালাম। কিছুক্ষণ রিং হওয়ার পর ওপাশ থেকে একটা পুরুষ কন্ঠ ভেসে এল। বুঝতে বাকি রইল না এটা রায়হান ভাই। আমি লম্বা শ্বাস ফেলে বললাম,

” চলে গেছ আপির কাছে?”

” কী বলো শালিকা। আজকের দিনে তোমার আপির কাছে না আসলে আমার বিয়ে ক্যান্সেল হয়ে যাবে।”

” তা কী দিলে আমার আপিকে?”

” সিকরেট! তোর জন্যেও কিছু আছে ঢাকা আয় দিয়ে দেব।”

” সো সুইট অফ ইউ। তোমার মত একটা জিজু থাকলে বয়ফ্রেন্ড কী কাজে লাগে?”

রায়হান ভাইয়া হেসে দিলেন। কিছুক্ষণ হেসে বলল,

” ফাজিল মাইয়া আমার সাথেও ফ্লার্ট করস? আদ্রিয়ান জানলে ঠ্যাং খোঁড়া করে দেবে।”

আমি বিরক্তি নিয়ে বললাম,

” হুরর। তোমরা ওনাকে কিছু বলতে পারোনা। আমার সব বিষয়ে ওনার চার হাত লম্বা নাক নিয়ে ঢুকে পরে।”

” তোর বিষয়ে নাক গলায় তুই বলবি আমরা কেন বলব? আচ্ছা এখন রাখি। ম্যাডাম ডাকছে।”

” হ্যাঁ যাও যাও। আজকে তোমাদেরই দুনিয়া। আমরা সিঙ্গেলরা তো মঙ্গলগ্রহ থিক্কা পিকনিকে আইছি।”

রায়হান ভাইয়া হাসতে হাসতেই ফোন কেটে দিলো। আমি মুখ ফুলিয়ে পাশে রাখা মোজোর বোতলটা নিয়ে চুমুক দিতে লাগলম। দূর! সবার এত প্রেম ভালোবাসা দেখে আমার চরম হিংসে হচ্ছে। ইশ! অন্তত আজকের দিনটার জন্যে যদি মিঙ্গেল হয়ে যেতাম। যদি সত্যিই এমন বিশেষ একজন থাকতো আমার জীবনে। হঠাৎ করেই আমার মন জিজ্ঞেস করে উঠল, ‘সত্যিই কী বিশেষ কেউ নেই?’ হ্যাঁ নেই তো। আমি সম্পূর্ণ সিঙ্গেল। হাতের বেসলেটের দিকে চোখ যেতেই মন আবারও জিজ্ঞেস করল, ‘ তাহলে এটা কী?’ এটাতো একটা উপহার, এরচেয়ে বেশি কিছু না। কিন্তু আমার অবাধ্য মন আবারও প্রশ্ন করল, ‘ গল্পে তার নামটাই কেন দাও?’ নামটা ভালো লাগে তাই দেই, এর অন্যকোন মানে নেই। মন আমার কাছে আর পাল্টা কোন প্রশ্ন করল না। প্রতিবারের মত এবারও আমার যুক্তি দিয়ে মনকে হারিয়ে দিলাম। চোখ বন্ধ করে গান শুনছি। হঠাৎ করেই ”কুছ কুছ হোতা হ্যা” গানটা বেজে উঠতেই চমকে উঠলাম আমি। সোহেল ভাইয়ার বিয়ের দিনটার কথা মনে পরে গেল। তখন আমি ওনার সাথে এতটাও ফ্রি ছিলাম না। লম্বা দুইমাসের ছুটিতে এসছিলেন সে-বার উনি। বড় হওয়ার পর ঐবারই আমি তাকে প্রথম দেখেছিলাম। সোহেল ভাইয়ার হলুদের অনুষ্ঠানের পর আমরা সবাই কাঠবাগানে গেলাম ওখানে আগুন জ্বালিয়ে চারপাশে বসে খিচুড়ি খেতে খেতে বিভিন্ন মজা করছি। আদ্রিয়ান ভাই আমার অপজিটে বসেছেন পুরো। তো এবার ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলার পালা এল। আদ্রিয়ান ভাইর দিকে বোতল যাওয়ায় ট্রুথ পরল। আপি হেসে জিজ্ঞেস করল,

” প্রেমে পরেছ এখনও?”

” এইতো কিছুদিন আগেই পরলাম। তবে এখনও জানাই নি।”

সবাই ‘ওও’ বলে চেঁচিয়ে উঠল। দু-একজন একপলক আমার দিকে তাকাল। অদ্ভুত আমার দিকে তাকাল কেন? তবে আমি অবাক হলাম এই ছেলে কারো প্রেমে পরতে পারে? এভাবে কিছুক্ষণ পর আবার পরল। সজীব ভাই জিজ্ঞাসা ডেয়ার দিল,

” যার প্রেমে পরেছ তাকে ডেডিকেট করে কয়েকটা লাইন গাও।”

সবাই একই কথা বলছে। আমিও একপ্রকার হা করে তাকিয়ে ছিলাম ওনার দিকে। আমার ওই কিশোরি মন এটাই বলছিল যে, “উনি আর প্রেম কেমন কী?” তখনই উনি গেয়ে উঠলেন,

 “না জানে কেয়সা এহসাস হ্যাঁ

  বুজতি নেহি হ্যাঁ, ইয়ে পিয়াস হ্যাঁ

  কেয়া নেশা ইস পেয়ার কা

  মুঝপে সানাম, ছানে লাগা

  কোয়ি না জানে, কিউ চেয়ান খোতা হ্যাঁ

  কেয়া কারু হায়ে কুছ কুছ হোতা হ্যাঁ…”

সবাই হাত তালি দিলো। আমি অবাক হয়ে দেখছি ওনাকে। শুনেছে খুব বেশি ভালো গান করে কিন্তু এতটা ভালো সেটা বুঝিনি। উনিও আমার দিকেই দেখছিলেন। অর্ণব ভাইয়ের খোঁচায় চোখ সরিয়ে ফেললেন। আমি চোখ সরিয়ি নিলাম। এরপর আরো কিছুক্ষণ মজা করে সবাই ঘুমোতে যাওয়ার জন্যে তৈরী হল। আদ্রিয়ান ওনার বাইকে করেই চলে যাবেন ওনাদের বাড়ি। আমার মামার বাড়ি থেকে আমাদের বাড়ি পায়ে হেটে পাঁচ মিনিটের পথ ছিল। রাতে তাই আমি আমাদের বাড়িতেই ঘুমিয়েছি। রাত করে শোয়াতে সকালে উঠতে দেরী হয়ে গেছে। খাল পার থেকে কলসিতে পানি এনে ভাইয়াকে আবার গোসল করাতে হবে। তাই কোনরকম ফ্রেশ হয়ে হলুদ চেকের একটা শাড়ি পরে চুলগুলো খোলা রেখেই একপাশে রেখে বেড়িয়ে গেলাম। কোনরকম কোন সাজ ছাড়াই। একটু আগে ঘুম থেকে ওঠায় চোখ মুখে সেই ভাব এখনও আছে। আমি তাড়াহুড়ো করে চলে গেলাম মামু বাড়িতে গিয়ে দেখি আপুরা ভাইয়ারা সব রেডি হয়ে গেছে। পাশে তাকিয়ে দেখি আমার সব মামাতো ভাইরা আর ইফাজ ভাই দাঁড়িয়ে আছে, সবগুলোই জিন্স আর চিকন হাতার সাদা গেঞ্জি পরে আছে। আমি হেসে কিছু কিছু বলতে যাবো তার আগেই চোখ গেল আদ্রিয়ান ভাইর দিকে। এই খবিশটা এত সকাল সকাল এখানে কী করছে? আদ্রিয়ান ভাইও একই পোশাক পড়া। উনি বুকের বা পাশে হাত রেখে জোরে জোরে দুটো শ্বাস নিয়ে বলল,

” ভাইয়া তোমার এই বোন একদিন আমাকে হার্ট অ‍্যাটাক করিয়ে মারবে।”

ভাইয়ারা মিটমিটিয়ে হাসছে। আমি কেন জানিনা ভীষণ লজ্জা পেলাম। আমি তাড়াতাড়ি এগোতে গিয়ে শাড়ির সাথে পা আটকে পরে যেতে নিলেই আদ্রিয়ান ভাই আমার হাত ধরে বলল,

” আস্তে হাট বলদ। বিয়ে বাড়িকে শোকবাড়ি বানাবি নাকি?”

আমি হাত ছাড়িয়ে মুখ ভেংচি দিয়ে চলে গেলাম। পেছন থেকে আমার ভাইদের অট্টহাসি স্পষ্ট। আমি আপিদের কাছে যেতেই আপি বলল,

” কীরে তুই সাজিস নি কেন?”

” লেট হয়ে গেছিল আপি। একেবারে বরযাত্রি যাওয়ার সময় সাজব। এবার চল, বেলা হয়ে যাবে তো।”

ঘাটে যাওয়ার সময় আমাকে সবার আগে রাখল কারণ আমি সবার ছোট। আমার সবে সাড়ে পনেরো বছর। যেখানে সবারই বিশের ওপর। কাঠবাগান দিয়েই ঘাটে যেতে হয়। পানি তুলে উঠে আসার সময় দেখলাম আদ্রিয়ান ভাই নারকেল গাছের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন আর আমাকেই দেখছেন। আজব! আমায় এভাবে দেখার কী হল? আমি মুখ ভেংচি দিয়ে এগিয়ে গেলাম বাড়ির দিকে। আমাদের কাঠবাগানের পাশে যেই বিশাল উঠোন আছে সেখানেই সোহেল ভাইয়ার গোসল করানো হল। এবার শুরু হল হলুদ মাখামাখি। আমি কৌশল করে আগেই সরে এলাম। আমার এসব মাখামাখি সহ্য হয়না। কাঠবাগানের ফুরফুরে হাওয়া উপভোগ করতে করতেই হাটছিলাম আমি। হঠাৎ কেউ আমার হাত ধরে টান মেরে গাছের সাথে লাগিয়ে ফেলল। চমকে উঠলাম আমি। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছি সামনের ব্যাক্তির দিকে। ইনি আর কেউ নন স্বয়ং মিস্টার আদ্রিয়ান। ওনার মুখে একটা দুষ্টু বাঁকা হাসি। আমি শুকনো একটা ঢোক গিলে বললাম,

” ভ-ভাইয়া আপনি এখানে?”

আদ্রিয়ান ভাইয়া একহাত আমার মাথার ওপর দিয়ে গাছের ওপর রেখে বললেন,

” এখানে একা একা কী করছিস? প্রেমিক আসবে না কি দেখা করতে?”

আমি মুখ ফুলিয়ে চোখ নামিয়ে রেখে বললাম,

” আমার কোন প্রেমিক নেই।”

” তাই না? কিন্তু এভাবে একাএকা কখন ঘোরে জানিস? যখন মনে প্রেম আসে। প্রেম প্রেম পায় তখন।”

আমি চোখ ছোট ছোট করে তাকালাম ওনার দিকে। এটা কোন কথা হল? আমি বিরক্তি হয়ে বললাম,

” নিজের দোষ আমার ঘাড়ে চাপাবেন না। প্রেমে তো আপনি পরেছেন। কালকেই বললেন।”

 উনি মুচকি হেসে ওনার পেছনে লুকিয়ে রাখা হাতটা সামনে এনে আলতো করে প্রথমে আমার ডান গালে পরে বা গালে হলুদ লাগিয়ে দিলেন। আমি চোখ বড় করে তাকিয়ে আছি ওনার দিকে। উনি আমার দিকে ঝুকে আমার হলুদ মাখা গালের সাথে নিজের গাল ঘষে নিলেন। তার ফলে ওনার মুখেও হলুদ লেগে গেল। ওনার হালকা খোঁচা দাঁড়িতে একটু ব্যাথাও পেলাম। উনি আমার মুখে ফুঁ দিতেই আমি চোখ বন্ধ করে মুখ ঘুরিয়ে নিলাম। অদ্ভুত শিহরণ খেলে গেল সারা শরীরে। কিছুক্ষণ পর আস্তে আস্তে চোখ খুলে তাকালাম ওনার দিকে উনি লাল রঙের একটা গোলাপ আমার কানের পিঠে গুজে দিয়ে শক্ত কন্ঠে বললেন,

” এবার পার্ফেক্ট লাগছে। দুপুরে গোসলে যাওয়ার আগে চেঞ্জ করবি না হলুদও মুছবি না। মনে থাকবে?”

আমি তাড়াতাড়ি হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়ালাম। কারণ তখন আমি নিতান্তই সাদামাটা, শান্ত, ভদ্র একটা মেয়ে। আদ্রিয়ান মুচকি হেসে পকেট থেকে একটা বেসলেট বেড় করলেন। আমার হাত সামনে নিয়ে পরাতে পরাতে বললেন,

” আজকে যেটা পরে বরযাত্রী যাবি তার সাথে খুব মানাবে। আর হ্যাঁ এটা খুললে মার একটাও মাটিতে পরবে না।”

বলে প্রথমে আমার কপালে এরপর হাতে বেসলেটের ওপর দিয়ে একটা চুমু দিয়ে চলে গেলেন। আমি পুরো স্টাচু হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। এতক্ষণ সব হজম করে নিলেও শেষের কাজটা হজম করতে অনেকটা সময় লেগে গেল। আমার তো কেঁদে দেওয়ার মত অবস্থা হয়েছে। কী হল আমার সাথে? আমায় চুমু দিল? একে তো ভাল ভেবেছিলাম। কিন্তু ইউকে তে থেকে এসব শিখে এসছে? বাজে লোক একটা? কত শখ ছিল আমাকে প্রথম কিস আমার বর করবে কিন্তু এই খবিশ টা সব শেষ করে দিল। এবার আমার মুখ আমি সবাইকে কীকরে দেখাব? দৃর! কাউকেতো বলতেও পারবনা এই ছেলে কতটা খারাপ।

সেদিনের কথা মনে পরতেই হেসে দিলাম আমি। কতটা বোকা ছিলাম আমি, বুঝতেই পারিনি সে কেন এমন করেছিল। দুইঘন্টা যাবত মন খারাপ করে বসে ছিলাম আমি। বেসলেট টায় হাত বুলিয়ে নিলাম একবার। এখন আমি খুলে রাখলেও উনি জানবেন না। কিন্তু কেন জানিনা খুলতে ইচ্ছে করেনা। একদম করেনা। হঠাৎ টুং করে মেসেজ বেজে উঠল। তাকিয়ে দেখি ওনারই মেসেজ। ওপেন করে দেখলাম। বাংলা অক্ষরে লেখা আছে,

” এইযে মায়াবিনী? মনে পরে সেই মধুর প্রভাতের কথা। কুয়াশা আচ্ছন্ন সেই বাগানের মিষ্টতা? তোমার সেই ভীত চেহারা আর আমার মুখের দুষ্টু হাসি? মনে পরে সেই মুহূর্ত? যখন তোমার শরীরে আমার প্রথম স্পর্শ এঁকেছিলাম আমি? তোমার সেই কেঁপে ওঠা? জানো তেমন উদ্দেশ্য ছিলনা আমার কিন্তু হঠাৎ কী হল জানিনা, নিজেকে আটকে রাখতে পারিনি। আরো কিছুক্ষণ থাকলে হয়ত বেশিকিছু করে ফেলতাম তাই চলে এসছিলাম। জানো আজ আবার সেই বাগান, সেই সকাল, সেই তোমাকে আরেকবার পাওয়ার ইচ্ছা জাগছে। কিন্ত এত দূরে থেকে চাইলেই তা সম্ভব নয়। যেদিন থেকে এক শ্যামাঙ্গী মায়াবিনীর মায়ায় জড়িয়েছি আমার কাছে পত্যেকটা দিনই ভালোবাসার তাই শুভেচ্ছা জানাব না। কিন্তু আমার ভেতরে যে এক অদ্ভুত দহন হচ্ছে। সেই দহনে আমি একা জ্বলব কেন? তোমাকেও জ্বালাতে এই ক্ষুদেবার্তা পাঠালাম। এক যাত্রায় পৃথক ফল কেন হবে?এবার তুমিও জ্বল, বেশি করে জ্বল। জ্বলেপুরে শেষ হয়ে যাও। তবেই না বুক ঠুকে বলতে পারব যে তুমি আমার মায়াবিনী, শুধুই আমার।”

আমি স্হির হয়ে কিছুক্ষণ বসে রইলাম। এভাবে ও বলতে হয়? উনি কী বোঝেন না ওনার এসব কথায় আমি মরে যাই? কেন এভাবে মারেন আমায়? তখন খেয়াল করলাম আমার কানে লাগানো ইয়ারফোন থেকে ফিমেল কন্ঠে ভেসে আসছে

” কেয়া রং লায়ি মেরি দুয়া

ইয়ে ইস্ক জানে কেসে হুয়া

বে চেইনিয়ো মে চেয়ান

না জানে কিউ আনে লাগা

তানহায়ি মে দিল ইয়াদে সানঝোতা হ্যাঁ

কেয়া কারু হায়ে কুছ কুছ হোতা হ্যাঁ।”

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x