লেখিকা:নুর নাহার শ্রাবণী
পার্ট : ০৩
★★★সাইমাকে দেখে রুপা চৌধুরী জড়িয়ে দরলেন অনেক দিন পরে ভাইয়ের মেয়েকে দেখে,
-কেমন আছো ফুপি,,
-আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি তুমি কেমন আছো তোমার আম্মু কেমন আছে,,,
– আলহামদুলিল্লাহ সবাই ভালো আছে,,ফুপি তুমি এত অস্থির হইয়োনা
-তাসনুবা কই তুই,,,
উপর থেকে ওয়াজ এলো
– জি আম্মু আসতেছি
– দেখেজা কে এসেছে
,,তাসনুবা নিছে নামতেই দেখলো সাইমাকে,,, আপু বলে জড়িয়ে দরলো,,
– কতদিন পরে আসলে তুমি এখন কিন্তু যেতে দিবোনা,,
– আচ্ছা আমি থাকবো অনেকদিন
– সত্যি আপু
এইবলে তাসনুবা সাইমাকে নিয়ে নিজের রুমে গেল সাইমা যতবার আসে সে তাসনুবার সাথে থাকে,,,,,
**** আচ্ছা বন্ধবী সবাইতো পর্শুদিন শাড়ি পড়ে আসবে, আমরা কি পরে আসবো?
শ্রাবণী বলে উঠলো,
-তাতে আমাদের কি আমরা বোরকা পরে উপরে এপরন নিয়ে নেব হয়ে যাবে,,
– আচ্ছা বান্ধবী আল্লাহ হাফেজ কালকে দেখা হবে,,,
দুই বান্ধবী দুজনকে বিদায় দিয়ে যে যার বাসার দিকে রওনা দিল,,,,
**অয়ন চুপচাপ গাড়ি চালাচ্ছে,,
তার পাশে বসে আছে ফাইজা,, ফাইজা তার বাবার সাথে অয়নের অফিসে গিয়েছে তার বাবা বলছে ফাইজাকে অয়নদের বাড়িতে নিয়ে যেতে অয়ন ও কিছু বলতে পারলো না কি বলবে মুরুব্বি মানুষ দুজনি চুপ হয়ে আছে ফাইজা ভালো করে জানে উল্টা পল্টা কথা বললে অয়ন তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিবে,,, তার পরেও ফাইজা বলে উঠলো,,,
-অয়ন ভাই,,,
অয়ন ছোট করে উওর দিলো
– বলো
– রাগ করবে নাতো
– সোজা কথা বলো কি বলবে
– চলো আমরা আজকে ডিনারে যাই,, সামনেতো রেস্টুরেন্টে,,,,
অয়ন যাওয়ার জন্য হ্যা বলে দিছে,,
কেন জানি আজকে সে মেজাজ দেখালো না ,, ফাইজা অনেক খুশি তার মন ছাইতেছে একটা ডিজে সং বাজিয়ে ডান্স করতে,,
অয়ন সামনে একটা রেস্টুরেন্টে এর সামনে এসে গাড়ি থামালো,,,
একটা টেবিলে দুজন মুখোমুখি ভাবে বসে আছে,, ওয়েটার এসে মেনু কার্ড দিয়ে গেছে,, অয়ন এত কিছু না ভেবে চিকেন ফলাও ওয়াডার দিছে ফাইজা কি করবে তাকেও এখন এইটা খেতে হবে তার এতো পছন্দ না চিকেন ফলাও,, তবুও খাবে,, ,,,,,
দুজনে খাওয়া শেষ করে উঠতে যাবে একটা লোক এসে অয়নের সামনে দাড়িয়ে বলতে লাগলো,,
– কি মিস্টার অয়ন চৌধুরী ওয়াইপ নিয়ে আসছে নাকি গালফ্রেন্ড? জানামতে আপনি এখনো আনম্যারেড,, তো এত বড় বিজনেসম্যান গালফ্রেন্ড নিয়ে পুষ্টিনষ্টি করে?
অয়নের মেজাজ একদম বিগড়ে গেছে হাত দুটো মুষ্টিবদ্ধ করে অগ্নি চোখে তাকিয়ে আছে সামনে থাকা লোকটির দিকে,, বয়সে তার থেকেও বড় এই কারনে এখনো ভদ্রতা শহিদ দাড়িয়ে আছে,, কনো মতে যদি তার সম বয়সি বা তার ছোট হতো এতক্ষণে এখানে রক্তের বন্যা বয়ে যেত,,,
অয়ন দাতে দাত চেপে বলল
-শুনুন মিস্টার আমিন ভাববেন না কিছু বলিনি অয়ন চৌধুরী বলেনা করে দেখায়,
ঠান্ডা মাথায় হুমকি দিয়েছে যেটা আমিন এর কাছে অনেক বড় সে জানতো অয়ন এর সাথে টক্কর নিয়ে জিতবে না তবুও হিংসের কারনে বলে পেলছে অয়ন ২৭ বছর বয়সি যুবক হয়েও এত অল্প সময়ে তার সুনামের খ্যাতি দেশ বিদেশ ছড়িয়ে গেছে কিন্তু তিনি এত বছর কষ্ট করে এখনো সে পর্যায়ে পোছাতে পারেনি,,,
অয়ন ফুল ইস্পৃডে গাড়ি চালিয়ে বাসায় আসলো,, ফাইজা কিছু বললোনা ভয়ে,,,
অয়নের এ অবস্থা দেখে নাজমা চৌধুরী এসে জিজ্ঞেস করতে লাগলো কি হয়েছে,,,
– কিছু হইনি,, এবলে দূত পায়ে হেটে নিজের রুমে চলে গেল অয়ন
নাজমা চৌধুরী ফাইজার দিকে তাকিয়ে বলতেছে কিছু কি হয়েছে,,
ফাইজা সব খুলে বলল,, নাজমা চৌধুরীতো মাথায় হাত দিয়ে চিন্তা করতেছে এখন অয়নের মেজাজ কি করে ঠিক করবে,,,,
**শ্রাবণীতো আজকে অনেক খুশি তার আব্বু আর কয়েকদিন পরে দেশে আসবে,,,
শ্রাবণীর বাবা (ফারুক) উনি দেশের বাহিরে থাকে আসবে আর কইদিন পর,, তাদের বাড়িরর সবাই আজকে অনেক খুশি তার আব্বু ফোন এ বলতে লাগলো কার কি লাগবে তার ভাই বোনরা একেক জনে একেক টার কথা বলতেছে শ্রাবণী কে জিজ্ঞেস করছে তার জন্য কি আনতে সে বললো আব্বু তুমি আসলেই হবে,,, শ্রাবণীরা তিন বোন এক ভাই লামিয়া লাবনী, ভাই মোর্শেদ,,,
*** অয়ন তুমি ফ্রী থাকলে পর্শু দিন কলেজে যেতে,, ইনভাইট আসছে কলেজ থেকে নবর্বষ অনুষ্ঠানে আমাদের কে ইনভাইট করা হয়েছে,,
– আমি যেতে পারবোনা আমাকে যশোর যেতে হবে তুমি আরিয়ান কে নিয়ে চলেযেও
– ওকে বাবা
চলবে……
ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏