লেখিকা:রোহানিকা
পর্ব:০১
সিলেটের এক শান্ত হাতা নাফিসা। পুরানো মাত্র বাইশ। শান্ত স্বভাবের মেয়েটা বুঝতে শুরু করতে পারে।
রাত হলেই সে অদ্ভুত সব স্বপ্ন দেখত।
দেখাত, কেউ তার দেওয়া নম্বর আছে।
কখনো করত, কেউ তার চুলে হাত বুলিয়ে দেয়।
আর কখনো ঘুমের মধ্যে মনে হয়, কেউ তাকে শক্ত করে ধরেছে।
ঘুম পর বুক ধড়ফড় করত।
কিন্ত আশেপাশে পাওয়া যেত না।
প্রথমে সে বিষয়টা বলেন।
করণ সে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না—এটা কি দুঃস্বপ্ন, অন্য কিছু।
এক রাতে ঘুমের ঘোরে সে দেখে তার ঘরের জানালা।
বাই কুয়াশার মধ্যে একটা কালো ছায়া আছে।
ছায়াটা চিৎ বলা—
“আমি অনেক আগে ভালোবাসি…”
নাফিসাকার করতে যেতে পারল না।
তার সার্ভার কেউ চেপে ধরেছিল।
এর পরে
নাফিসা মানুষের সাথে মিশে চাই না।
আগে মেয়েটা স্প্যানিশ হাসত, এখন সে ঘর বন্ধ করে একা বসে থাকতে।
তার মা প্রায়ই বলতে—
– “তোর কী হয়েছে মা?”
কিতা নাফিসা উত্তর দিত না।
হাঠাৎ সে রেগে যেত।
কখনো আয়নার পরবর্তী সময়ে নিজের সাথে কথা বলুন।
এক দিন তার ছোট ভাইবোন, নাফিসা শব্দের ঘরের দিকে আমাদের হাসছে।
— “আপু কার সাথে কথা বলছো?”
নাফিসা চমকে উঠল।
তার পর কোথাই বলা—
– “তুই ওকে দেখতে পাছস না?”
ছোট ভাইয়ের শরীর স্বাভাবিক হয়ে গেল।
কিছু দিন
পর নাফিসার জন্য প্রস্তাব আসে।
ছেলেটা ভালো ছিল। নাম রায়হান।
সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল।
কিন্তু যেদিন আংটি পরানোর কথা, রাতই ভয়ঙ্কর ঘটল।
নাফিসা স্বপ্নে দেখল, এক কালো ছায়া তার সামনে।
তার দৃষ্টি আগুনের মতো জ্বলছে।
সে রাগানিত শব্দে বলা—
“তুমি আমার
চেষ্টা শুধু চেষ্টা না…”
পরদিন কোরো নাফিসার শরীরে নীলচে দাগ দেখা গেল।
যারা কেউ শক্ত করে ধরেছিল।
বিয়ের কথাবার্তা মনে করেই যায়।
রায়হানের পরিবার অদ্ভুত কারণে আর যোগাযোগ করে।
একটা দিন
নাফিসার দাদি পুরোনো একটা মনে হল।
এক বছর আগে এক মহিলার হিংসা নাফিসার ক্ষতি করতে চেয়েছিল।
দাদি সন্দেহ বলতে-
এটা কোনো আশঙ্কা জাদুর প্রভাব।
ঘের পুরোনো কাঠের আলমারি খুঁজতে গিয়ে তারা কাপড়ে মোড়ানো একটা তাবিজ পেল।
তাবিজ খুলতে শুরু হতেই বের করা—
অদ্ভুত কিছু চিহ্ন
শুকনো রক্তের দাগ
আরফিসার ছোটবেলার চুল
হঠাৎ ঘরের বাতি নিভে গেল।
তারপর ভেসে এলো ফিসফিস শব্দ—
“ওকে ছেড়ে দাও না… “
চলবে………