গল্প: শখের পদ্মফুল (০৪)

লেখনীতে:লুনা আক্তার নূর
পর্ব:৪

 

আজ ৫ বছর পর ইভান পা রাখলো তার চিরচেনা সেই মামার বাড়িতে। কতশত স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই বাড়িতে তার। শেষ বার এসেছিল ৫ বছর আগে। তখন মিসেস শারমিন, ইভানের বিয়ে দেন নি। মামার বাড়ি থেকে ঘুরে গিয়েই মিসেস শারমিন তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসান।

বাড়ি ভর্তি মানুষ। সবাই খুব ব্যস্ত। আর ব্যস্ত হবে নাই বা কেনো, বিয়েবাড়ি বলে কথা। যে যার মতো কাজ করছে। ইভান এখনো গেটের বাইরেই দাঁড়িয়ে আছে। সে ভেতরে প্রবেশ করার ঠিক সাহস করে উঠতে পারছে না। কারণ তার মম ও হয়তো আশেপাশেই আছে।

তাকে দেখে যে মিসেস শারমিন ঠিক কি রিয়েক্ট করবেন সেটাই ইভান ভাবছে। তখনই ইভানের মামাতো ভাই মানে নওমির বড় ভাই আরিয়ান, ইভান কে এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তার কাছে যায় আর তাকে জ’ড়ি’য়ে ধরে।

আরিয়ান:- আরে ভাই কি অবস্থা তোর। কত বছর পর দেখা হ্যাঁ। কত শুকিয়ে গিয়েছিস। আর চেহারার এ কি অবস্থা। দেখ আমি তোকে ভেতরে না আসতে বলে কথা বলে যাচ্ছি। আই ভেতরে আয়।

ইভান মলিন হেসে উত্তর দেই,

ইভান:- এইতো আছি। তোরা সবাই কেমন আছিস!!

আরিয়ান:- আমরাও ভালো আছি। চল ভেতরে চল। ভেতরে গিয়ে কথা হবে। আমি তো ভেবেছিলাম যে তুই নওমির বিয়েতে ও আসবি না।

বলেই আরিয়ান, ইভান কে ভেতরে নিয়ে আসে।

আরিয়ান:- কই গো তোমরা সবাই দেখো কে এসেছে।

আরিয়ানের কথাই সবাই হলরুমে এসে জড়ো হয়। মিসেস শারমিন ও আসেন। ইভান, মিসেস শারমিনকে দেখে খুব ইমোশনাল হয়ে যায়। ৫ বছর আগে মাথা গরম করে মাকে অনেক কথা শুনিয়ে দিয়েছে সে। এর জন্য সে এই ৫ বছরের প্রতিটা মুহূর্তই অনুতপ্তের আ’গু’নে পুড়েছে।

কিন্তু আজকে সে ৫ বছর আগে নিজের করা ভুল গুলো কে শুধরে নেবে। সে ক্ষমা চাইবে তার মায়ের কাছে। ক্ষমা চাইবে আইরার কাছে। আইরার সাথে তো কম অন্যায় করেনি সে। সব কিছু সে ঠিক করে নেবে এবার। মায়েরা তো বেশিদিন সন্তানের ওপর রে’গে থাকতে পারেন না।

ইভান মনে মনে এই সব কথাই ভাবছিল। ভাবনার জগত থেকে বের হয়ে ইভান, মিসেস শারমিনের কাছে আসতে নেয় তবে মিসেস শারমিন মুখ ফিরিয়ে চলে যান। এতে ইভানের খুব খা’রা’প লাগে।

আরিয়ান, ইভানের কাছে গিয়ে বলে,

আরিয়ান:- ফুপি তোর ওপর এখনো রে’গে আছে। সেইদিন এইভাবে তোর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া টা একদমই ঠিক হয়নি ইভান। একটি বার তো মেয়েটার কথা ভাবতে পারতি। যাই হোক এতটা পথ জার্নি করে এসেছিস যা রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে।

আরিয়ানের কথা শুনে ইভান নিজের লাগেজ নিয়ে নিজের রুমের দিকে যাই। মামার বাড়িতে তার একটা বরাদ্দ কৃত রুম আছে। যখনই মামার বাড়ি আসে তখনই সেই রুমেই সে থাকে। রুমের দিকে যেতে যেতে হঠাৎ করেই ইভানের পা থেমে যায়।

তার মম ড্যাডের রুম থেকে একটা মিষ্টি গলা ভেসে আসছে। একটা মেয়ে নিজের কণ্ঠের মাধ্যমে নিজের দুঃখ গুলোকে ফুটিয়ে তুলছে। ইভান মেয়েটার গলা শুনে ঐখানেই থেমে যায়।

আইরা:- “আমার অজানায় হলো কি,
তোমাকে তা কখনো বুঝতে দেবো না।
দৃষ্টির পানে আকাশে চেয়ে,
তোমাকে আমি খুঁজব না।
আকাশের পানে চেয়ে চেয়ে,
ভালোবাসি তা বলবো না।
তুমিও কি আমার মতো করে,
একটু ভালবাসবে না।
তুমিও কি আমার মতো করে,
একটু কাছে ডাকবে না।”

আইরা হাতে সেই পদ্মফুল টা নিয়ে গানটা গেয়ে উঠে। কাঁধে কারো স্পর্শ পেয়ে ইভান পিছনে মুড়ে তাকাই।

জারা:- আরে ইভান এখানে কি করছ!!

ইভান:- আমি এইতো নিজের রুমে যাচ্ছিলাম।

রুমের বাইরে কারো আওয়াজ পেয়ে হঠাৎ করেই আইরার বুক কেঁপে ওঠে। এই কন্ঠস্বর তো তার পরিচিত। ৫ বছর আগে জীর্ণ শীর্ণ শরীরে লাল টুকটুকে বেনারসি মুড়িয়ে যেই মানুষটার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুন ছিলো এ তো তারই কন্ঠস্বর।

আইরা আর কিছু ভাবতে পারছে না। তার হাত ভীষণ রকমে কাঁপছে। গলা দিয়ে যেনো কোনো কথাই বের হচ্ছে না। তবুও আইরা নিজেকে সামলিয়ে ওড়না দিয়ে মাথাটা ঢেকে নেই।

যাতে করে তাকে কেউ দেখতে না পারে। হঠাৎ করেই আইরার, সকালে নওমির খালা আর মামীর বলা কথা গুলো মনে পড়ে যায়। তারা তো বলেছিলেন ইভান হয়তো কানাডাতে নিজের সংসার গুছিয়ে নিয়েছে। আইরার ভাবনায় ছেদ পড়ে ইভানের কথাই।

ইভান:- আচ্ছা ভাবী বলছিলাম যে ঐ মেয়েটা কে। আর মম ড্যাডের রুমে কি করছে।

জারা হলো আরিয়ানের স্ত্রী।

জারা:- ও তো…..

জারা আর কিছুই বলতে নেবে তার আগেই মিসেস শারমিন তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন,

__:- জারা যা মা তোর শাশুড়ি ডাকছেন, নিচে যা।

জারা:- ঠিক আছে ফুপি।

বলেই জারা সেখান থেকে চলে যায়। মিসেস শারমিন ঘা’ড় ঘুরিয়ে দেখে যে আইরা উল্টো দিক করে বসে আছে। ইভান, আইরার মুখটা দেখতে পাই নি। তাই মিসেস শারমিন, ইভানের হাত ধরে ওর রুমে নিয়ে যান। যেটা মিসেস শারমিনের পাশের রুম।

তিনি আজকে ইভানের কাছে সব কিছুর কৈফিয়ত চাইবেন। কেনো আবার ইভান  ফিরে এসেছে। সে তো একে বারে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল তাহলে কেনো আবার এসেছে। এইসব কথা তিনি একান্তই ইভানের থেকে জানতে চান। কারণ আইরা যদি এইসব কথা শুনে তো অনেক ক’ষ্ট পাবে।

__:- তো কেনো এসেছ আবার দেশে। তুমি না বলেছিলে যে আর কোনোদিনও দেশে ফিরবে না। তাহলে কেনো এলে। ও বুঝেছি ডি’ভো’র্স দিতে এসেছ। ওকে কোনো প্রব্লেম নেই। এবার তবে ডি’ভো’র্স দিয়ে আমার মেয়েটাকে এই অসুস্থ সম্পর্ক থেকে মুক্তি দাও।

ইভান:- মেয়ে মানে!!! (ভ্রু কুঁচকে)

__:- মেয়ে মানে আইরা। ওকে এবার ডি’ভো’র্স দিয়েই দাও। আর কতদিন ও এই সম্পর্কটা বয়ে বেড়াবে। ওর ও তো একটা ভবিষ্যত আছে নাকি।

ইভান:- আমি….

__:- হ্যাঁ হ্যাঁ জানি ডি’ভো’র্স দিয়েই তুমি চলে যাবে। নিশ্চই ঐখানে নুতুন সংসার পাতবে, ভালোই তো। তাহলে এখন নিশ্চই সুখেই আছো নাকি। হুহ আমিও বা কি আবোল তাবোল বলছি। সুখেই তো থাকবে। নিজের পছন্দে বিয়ে যে করবে। যায় হোক নওমির বিয়ের ঝামেলা টা মিটলেই ঢাকা ব্যাক করব। ঐখানে গিয়ে না হয় ডি’ভো’র্স টা দিও।

বলেই মিসেস শারমিন রুম থেকে বের হয়ে যান। ইভান যে কিছু বলবে তার ও কোনো সুযোগ পাই না। ইভান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফ্রেশ হতে চলে যায়।

মিসেস শারমিন, ইভানের রুম থেকে বের হয়ে আইরার কাছে যান। আইরার কাছে যেতেই তিনি দেখেন যে আইরা কান্না করছে। মিসেস শারমিন, আইরার পাশে বসে নিজের দিকে ঘুরিয়ে বলেন,

__:- কি হয়েছে আইরা, কান্না করছিস কেনো।

আইরা:- উনি এসেছেন তাই না!!!

আইরার কথা শুনে মিসেস শারমিন কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলেন,

__:- তুই যাকে ভাবছিস সে না। ও কেনো আসবে।

আইরা:- আমি ওনার গলা শুনেছি।

__:- ভুল শুনেছিস। ইভান না ওটা। এখন কান্না বন্ধ কর। সন্ধ্যায় মেহেন্দির অনুষ্ঠান না।

মিসেস শারমিন অনেক বুঝিয়ে আইরা কে শান্ত করেন।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

আজকে আকাশে বেশ বড় একটা চাঁদ উঠছে। সবাই এখন ছাদেই আছে কারণ নওমির মেহেন্দির অনুষ্ঠান এখানেই হবে।

আইরা আজকে একটা মেরুন কালারের লং জামা পরেছে। সাথে আছে হালকা গোল্ডেন ও জলপাই রঙের ওড়না। যাতে পাথরের কাজ করা। সাথে ম্যাচিং কুন্দানের নেকলেস আর ইয়ারিং। লম্বা লম্বা চুল গুলো ছাড়া।

সে চুল গুলো খোলা রাখতে চাইছিলো না তবে নওমি আর জারার জোরাজুরিতে চুল গুলো খোলাই রেখেছে সে। আইরা কে চুল খোলা রাখলে বেশ মানাই। মিসেস শারমিন আইরার চুলের যত্ন করে এত বড় বড় করেছেন। যেই দেখে সেই প্রশংসা করে আইরার চুলের।

জারা, আইরা কে সাজিয়েছে। এমনিতে আইরা কে না সাজলে ও খুব সুন্দর লাগে, তবুও বাড়িতে অনুষ্ঠান একটু না সাজলে কি হয়। তাই আইরা হালকা পাতলা সেজেছে।

জারা, আইরার হাত ধরে তাকে ছাদে নিয়ে এসেছে। যেহেতু মেহেন্ডির অনুষ্ঠান তাই ছাদে সব ছোট রাই আছে। বড়রা সবাই নিচে আছে।

মিসেস শারমিন তো আইরা কে যেতে দিতে চাইছিল না কারণ আইরা এখনো জানে না যে ইভান ও এসেছে। আইরা যা একটু সন্দেহ করেছিল মিসেস শারমিন তাকে বুঝিয়ে সেই সন্দেহ টুকুও দুর করে দিয়েছে।

তাছাড়াও মিসেস শারমিন ই সবাই কে বারণ করেছিল যেনো আইরা জানতে না পারে যে ইভান এসেছে আর এটাও বলেছেন যে ইভান কে ও যেনো আইরার ব্যাপারে কিছুই না জানানো হয়।

নওমি আর জারা অনেক বলার পর মিসেস শারমিন, আইরা কে যেতে দিতে রাজি হন। তবে জারা কে তিনি বলেন সে যেনো আইরা কে সবসময় চোখে চোখে রাখে। যেহেতু আইরা চোখে দেখতে পাই না, সেহেতু ওর কোনো বিপদ আপদ ও হতে পারে।

জারা, মিসেস শারমিন কে আশ্বাস দিয়ে বলে,

জারা:- তুমি একদম চিন্তা করো না ফুপি আমি আইরার খেয়াল ভালো করেই রাখবো।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

আইরা ছাদের এক কোণে মাথায় কাপড় দিয়ে চুপ করে বসে আছে। বাড়িটা বেশ বড়। এই বাড়িটা ইভানের নানা ইমতিয়াজ খানের আমলের। তিনি সেই সময়ের নাম করা জমিদার ছিলেন।

তারা তিন ভাই। ইমতিয়াজ খান হলেন বড়। মেজো ভাই শওকত খান আর ছোট ভাই তৌফিক খান। তিন ভাইই এক বাড়িতেই থাকতো। তাই বাড়িতে ঘরের কোনো অভাব নেই। যাবতীয় যা যা অনুষ্ঠান হয় সব এই বাড়িতেই হয়।

আইরা যেখানে বসে আছে সেই জায়গাই মানুষ জন তেমন নেই বললেই চলে। জারা একটা কাজে নিচে গিয়েছে। তাই আইরা আপাতত একাই আছে এখানে।

হঠাৎ করেই আইরার পাশে একজন ধপ করে বসে পড়ে। আইরা ভেবেছে যে হয়তো জারা এসেছে। তাই আইরা বলে,

আইরা:- তোমার কাজ শেষ আপু!!!

ওপর পাশ থেকে কোনো উত্তর আসে না। তাই আইরা আবার জিজ্ঞাসা করে। কিন্তু এবার ও কোনো জবাব সে পাই না। তাই আইরা চুপ হয়ে যায়।

কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর হঠাৎ করেই আইরার পাশে থাকা ব্যাক্তিটি আইরার হাতটা ধরে। হঠাৎ হাত ধরায় আইরা বেশ অবাক হয়ে যায়। আইরা বলে,

আইরা:- কি হয়েছে আপু!!!

অপর পাশের ব্যাক্তিটি কোনো উত্তর না দিয়ে আইরার হাতটা আরো খা’রা’প ভাবে স্পর্শ করে। আইরা এবার বুঝতে পারে যে এটা জারার হাত না তাই সে নিজের হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করে আর বলে,

আইরা:- কে আপনি হাত কেনো ধরেছেন। ছাড়ুন বলছি ছাড়ুন।

কিন্তু লোকটি আইরার হাত ছাড়ে না।

আইরা:- কি হলো কথা কি কানে যাচ্ছে না। হাতটা ছাড়ুন। এবার কিন্তু আমি চি’ৎ’কা’র করব।

__:- করো সুন্দরী যত পারো তত চেঁচাও কিন্তু এখানে কেউ তোমার চি’ৎ’কা’র শুনতে পারবে না। কারণ এখানে শুধু তুমি আর আমি ছাড়া কেউ নেই, আর যে জোরে গান বাজছে তাতে তোমার আওয়াজ কেউ শুনতে পাবে না।

আইরার এবার খুব ভয় হতে শুরু করে। তার হাত পা কাঁপছে। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে। সে যে চি’ৎ’কা’র করবে সেটাও সে পারছে না। তার ওপর সে তো চোখেও দেখতে পাই না। এখন যদি এই লোক তার সাথে উল্টো পাল্টা কিছু করে বসে তবে তার জীবন যে শেষ হয়ে যাবে।

আইরা:- না না আমি এইসব কেনো ভাবছি। যে ভাবেই হোক এই লোকের হাত থেকে পালাতে হবে। কিন্তু এই লোক তো আমার হাত ধরে আছে। পালাবো কিভাবে। আর আমার স্টিক টা ও তো পাচ্ছি না। (মনে মনে)

আইরা অন্য হাত দিয়ে হাতড়িয়ে হাতড়িয়ে নিজের স্টিক টা খুঁজতে থাকে যেটার সাহায্যে সে নিজে নিজে চলে ফেরা করে। তবে সেই স্টিক টা ও সে পাচ্ছে না।

আইরা:- আমি শেষ বারের মতো বলছি আমাকে ছেড়ে দিন না হলে কিন্তু ভালো হবে না।

আইরা হাত ছড়ানোর জন্য মোচড়ামুচড়ি করছে। কিন্তু ছাড়াতে পারছেন না।

__:- বললাম তো তোমার যা করার তাই করো।

আইরা:- বাঁচাও কে কোথায় আছো প্লিজ আমাকে বাঁচাও, প্লিজ। (কাঁদতে কাঁদতে)

__:- কেউ তোমাকে বাঁচাতে আসবে না সুন্দরী, কেউ না।

বলেই লোকটা হাসতে শুরু করে। হাসার জন্য লোকটির হাতটা একটু আলগা হয়ে যায়। এই সুযোগে আইরা উঠে পড়ে আর দৌড়াতে থাকে। হঠাৎ করেই কিছু একটার সাথে পা বেধে আইরা পড়ে যায়। সে পা ধরে সেখানেই পড়ে থাকে। ভয়ে তার শরীরে উঠার মতো শক্তি টুকু নেই।

__:- কি হলো সুন্দরী পড়ে গেলে। ওকে দাড়াও আমি তুলে দিচ্ছি তোমাকে।

বলেই লোকটি আইরার দিকে বাজে ভাবে তাকায়। কারণ পড়ে যাওয়ার ফলে আইরার শরীর থেকে তার ওড়নাটা কিছুটা সরে গিয়েছে। লোকটা ধীরে ধীরে আইরার দিকে হাত বাড়ায় তবে আইরার শরীরে হাত স্পর্শ হওয়ার আগেই কেউ তার হাত ধরে ফেলে।

চলবে……..

{ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আর কেমন হলো আজকের পর্ব জানাতে ভুলবেন না😊😊}

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x