গল্প: তুমি এলে তাই (০১)

লেখিকা: নুর নাহার শ্রাবণী

পার্ট:০১

***** সরি সরি ও একটু বেশি দুষ্ট, এই মিনি এই আমার কাছে আসো, একটা বিড়াল এসে শ্রাবণীর পায়ের সাথে লেজ নাড়াচাড়া করতেছে, বিড়াল টার মালিক এসে শ্রাবনীর কাছে ক্ষমা চেয়ে বিড়াল টা নিয়ে যেতেই, শ্রাবণী ডাক দিলো এইযে শুনুন,,

জি কিছু বলবেন? নাহ মানে মিনি অনেক কিউট,, ওর যত্ন নিবেন,, আচ্ছা মাজে মাজে ওকে এখানে নিয়ে আসিয়েন,,,, ওকে আমি সময় পেলে নিয়ে আসবো,,,

ওকে,, রিফাত এই বলে মিনিকে নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিল,,, শ্রাবণী আর মাহি কলেজ শেষ করে,, একটা গাছের নিছে দাড়িয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলো,,

বান্ধবী ছেলেটাকে ছিনিস? শ্রাবণী ছোট করে উওর দিল হুম, কে বল,,, রিফাত,,,কিহ বলিস এ রিফাত ভাই,, হুম,, সত্যি বান্ধবী তোর পচ্ছন্দ অনেক সুন্দর,,

দেখতে হবেনা আমি কার বান্ধবী, মাহি সুন্দর একটা হাসি দিয়ে বলল হুম,, আমরা এবার বাসাই যাই, আচ্ছা বান্ধবী, এবলে দুইবান্দবী নিজেদের বাড়ির দিকে রওনা দিল। তাদের বাড়ি এক সাথে নয় অনেকটা দূরে, তাই আলাদা যেতে হচ্ছে শ্রাবণী একটু হেটে একটা রিক্সা নিল,,রিক্সা জ্যাম এ আটকা পরছে, কি হলো মামা এত জ্যাম কেন? জানিনা মা আমি দেখতাছি তুমি বসো, ওকে মামা
তোমারে হেটে হেটে যাইতে হবে সামনে দেখি চেয়ারম্যান এর পোলার গাড়ি আটকে রাখছে কিছু সন্ত্রাসবাদি,,,

শ্রাবণী বিরক্ত নিয়ে বলল দূর এখন এই জ্যাম এর মধ্যে হেটে জামু কেমনে,,শ্রাবণী রিক্সার ভাড়া মিটিয়ে একটু যেতেই দেখলো এখানে মারামারি চলতেছে হঠাৎ গাড়ির ভিতর থেকে একটা সুঠাম দেহি লোক বেরিয়ে বেদমপিটানি পিটাচ্ছে ছেলে গুলোকে,, শ্রাবণী জ্যামএর মধ্য থেকে বের হতেও পারছেনা,, কেউ পুলিশকে ভয়ে ফোন ও করছেনা,, এতক্ষণে সে বুঝেগেছে এটাই মাহিন চৌধুরীর ছেলে অয়ন চৌধুরী,,

একটা ছেলে ইট নিয়ে অয়নের দিকে মারলো ইট গিয়ে পড়লো অয়নের গাড়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে রক্ত বের হতে লাগলো আসেপাশের মানুষ এতক্ষনে যে জার কাজে চলে গেচে সাক্ষি দেবার ভায়ে শ্রাবীর চোখ একহনো অয়নের গাড়ের দিকে,

অয়ন একা এতগুলো ছেলের সাথে আর পরছেনা শ্রাবণী কি বুঝলো কে জানে রাস্তার পাশথেকে কয়েকটা ইটের টুকরো নিয়ে ছেলে গুলোর দিকে ছুরে মারতেছে,, আচমকা ইটে টুকরো এসে পড়ার কারনে ছেলে গুলোর দৃষ্টি গেলো শ্রাবীর দিকে এতক্ষণে অয়ন ও খেয়াল করলো একটা মেয়ে তাকে বাছানোর জন্য নিজের কথা না ভেবে এত বড় কাজ করে বসলো একটা ছেলে নোংরা গারি দিয়ে শ্রাবণীর দিকে তেড়ে আসতে গেলে অয়ন দাবা মেরে ছেলেটার শার্ট খমাছে দরে মাজার মধ্যে লাথি বসিয়েদিলো এতক্ষণে পুলিশ এসে গেছে, ছেলে গুলোকে এক এক করে দরে গাড়ির মধ্যে নিয়ে গেল,, আপনি ঠিক আছেন মিষ্টার চৌধুরী,,,

এতক্ষণে আপনাদের আসার সময় হলো আর হ্যা এখান থেকে একটা ছেলে ছাড় পাবে আমিও দেখবো আপনি কি ভাবে পুলিশের পোশাক পরে থাকেন,, ওকে স্যার,, এ বলে পুলিশ রা ছেলে গুলোকে নিয়ে গেলো,, এই মেয়ে ঠিক আছো? হুম, তোমাকে কে বলছে পাকনামি করতে শ্রাবনীর দৃষ্টি নিচের দিকে,, না মানে পুরোটা শেষ করার আগে, অয়ন শ্রাবণীকে একটা রিক্সায় উঠিয়ে দিয়ে নিজের গাড়ির দিকে চলে গেল,,,

পিছন থেকে একটা কন্ঠ শুনাগেল,, এই মেয়ে সাবধানে যাবে,,শ্রাবণী বাড়িতে এসে যোহরের নামাজ আদায় করে, মাহিকে কল করে সব বলতেছে,, মাহি ফোনের ওপাশ থেকে বলে উঠলো তোর কি দরকার ছিলো এসবে জড়ানোর,, কেউ এগিয়ে আসলো না,, তাই আমি ইট নিয়ে ছেলে গুলোর দিকে ছুরে মারলাম,, আর এরকম পাকনামি করতে জাস না বলেদিলাম,,, ওকে জানু,, বান্ধবী পরে কথা বলবো আম্মু ডাকতেছে,, ওকে বাই, এবলে শ্রাবণী ফোন রেখে দিলো,, শ্রাবণী বাহির থেকে জামা কপড় গুলে নিয়ে আয়, (পুষ্প বেগম) আচ্ছা আম্মু,, শ্রাবণী খোলা আকাশের নিচে দাড়িয়ে মেঘের ছুটাছুটি দেখতেছে,, আজকের দিন অনেক মেঘলা মনে হয় এখনি মেঘের চোখের বাদ বঙ্গে বৃষ্টি পড়বে,,, শ্রাবণী জামা কাপড় নিয়ে ঘরে ছলে আসলো,,,***

ভাইয়া আমি চলে আসলাম,,, কখন আসলি তুই মাএ আসলাম,,, পরিক্ষা কেমন হইছে, আলহামদুলিল্লাহ ভালো হয়েছে,, ওকে দেখা যাবে রেজাল্ট দিলে পরিক্ষা ভালো হইছে নাকি খারাপ,,, আরিয়ান চৌধুরী অয়নের চাচাতো ভাই মাহিম চৌধুরীর ছেলে আরিয়ানের একটা ছোট বোন আছে তাসনুবা চৌধুরী,, আরিয়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পরিক্ষা দিছে, হঠাৎ দরজায় করাগাত শুনে দুইভাইয়ের দৃষ্টি গেল দরজায়,, কিরে তোরা খাবি না নাকি কখন থেকে ডাকতেছি,, অয়ন উওর দিল আম্মু আসতেছি,, অয়ন এর আম্মু নাজমা চৌধুরী,, আরিয়ানের আম্মু রূপা চৌধুরী,, ওকে পরে কথা হবে ফ্রেশ হয়ে নে,, আচ্ছা ভাইয়া,,,
অয়ন নিছে নামতেই চমকে গেলো,,

 চলবে,,

ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments