গল্প: দ্বিতীয় সূচনা (০৭)

লেখনীতে :আফসানা শোভা
পর্ব:০৭

[কার্টেসি ব্যতিত কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ⛔]

 

শীতকালের আরামদায়ক ঘুম ছেড়ে কাজের খালা রিমলি যায় দরজাটা খুলতে। প্রতিদিন মধ্যরাতে কাঁচা ঘুম ভেঙে দরজা খুলতে হয় বলে মহিলা বেজায় বিরক্ত। মনে মনে গজগজ করতে করতে এগোন দরজাটা খুলতে। উপর থেকে জোবায়দা বেগম রাশভারী আওয়াজে ডাকেন,

— রিমলি।

রিমলি পিছন ফিরে দেখে জোবায়দা বেগম নামছেন।

— জি আম্মা।

— তুমি যাও ঘুমাও। দরজা আমি খুলছি৷

রিমলি মাথা নাড়িয়ে চলে গেল৷ জোবায়দা বেগম গায়ে শালটা আরেকটু জড়িয়ে নিয়ে বাড়ির সদর দরজাটা খুলে দেন। বাইরে মদ খেয়ে মাতাল ঐক্যকে কোনমতে ধরে রেখেছে ড্রাইভার, আর তার পিএ রবিন। ঐক্য টালমাটাল পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। জোবায়দা বেগম শান্ত দৃষ্টিতে নিজের মাতাল ছেলের দিকে তাকিয়ে বলেন,

— ওকে নিজের রুমে নিয়ে যাও রবিন।

রবিন সায় জানিয়ে ঐক্যকে ধরে ঘরে নিয়ে যায়। নিজের রুমের কিং সাইজের বিছানায় ঐক্যকে শুইয়ে পায়ের জুতো খুলে দেয় রবিন। জোবায়দা বেগম ছেলেকে পরখ করে গম্ভীর গলায় বলে উঠেন,

— সারারাত মদ খেয়ে পড়ে থাকলে ব্যবসা সামলায় কখন?

রবিন হঠাৎ কেমন করে বলে উঠে,

— ম্যাম কিছু একটা করুন। স্যার দিনদিন নিজেকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে আর কতদিন?

জোবায়দা বেগমের চোখজোড়া ছলছল করে উঠে। ধরা গলায় বলেন,

— আমার আর কি করার আছে বলোতো বাবা। গত তিন বছর ধরেতো আর কম বোঝালাম না। ছেলেটাকে নিজের মেয়ের দোহাইও দিলাম। যে নিজেকে নিজেই ধ্বংসের জন্য নামে তাকে কি বোঝানো সম্ভব? আমার আর কি করার আছে বলতে পারো?

বলতে বলতে ঝরঝর করে কেঁদে দেন জোবায়দা বেগম। জোবায়দা বেগমের আহাজারীতে রবিনের নিজেরও চোখে পানি জমে। ঐক্যর পিএ হিসেবে আজ রবিন ছয়বছর যাবত আছে। ওয়াসিম চৌধুরীর মৃত্যুর পর মাত্র তেইশ বছর বয়সের যুবক ঐক্যকে বাবার রেখে যাওয়া ব্যবসার হাল ধরতে হয়। প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ঐক্য সেই গুরুদায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা এবং কৌশলে সামলিয়ে নিয়েছিল। ডুবে যেতে দেয়নি তার বাবার রক্ত পানি করা ঐশ্বর্য। কিন্তু তিনবছর আগে সেই ঝড়ে সব লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ধূলিসাৎ হয়ে যায় ঐক্য নামক সেই দৃঢ় শক্তি যা এতদিন দুহাতে নিজের পরিবার, ব্যবসা সব আগলে রেখেছিল। সেই অকস্মাৎ ধাক্কাটা শক্ত মনের অধিকারী ঐক্য সামলিয়ে উঠতে পারেনি৷ ফলস্বরূপ নিজেই নিজেকে ধ্বংসের খেলায় মেতেছে।

— ম্যাম।

জোবায়দা বেগম চোখের পানি মুছে বলেন,

— হ্যাঁ বলো রবিন

— আমার মনে হয় স্যারকে আবার বিয়ে করানো উচিত। একজন মানুষের মায়ায় ফের একবার পড়ে গেলে স্যার দেখবেন ঠিকই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যাবেন।

জোবায়দা বেগমকে ভাবুক দেখা গেল। রবিন ফের বলে উঠে,

— একটা নারী যদি একজন পুরুষকে ধ্বংস করতে পারে। তাহলে একজন নারীই পারে সেই পুরুষকে সঠিক পথে আনতে পারে।

জোবায়দা বেগম থমকালেন কিছুটা৷ তিনি নিজেও ঐক্যর বিয়ের ব্যপারে কয়েকদিন ধরে ভাবছেন। ওনার বয়স হচ্ছে৷ মানুষের মৃত্যুর ভরসা নেই। অন্তত একমাত্র ছেলেকে এই অবস্থায় রেখে তিনি শান্তিতেও মরতে পারবেন না।

— আর ম্যাম যার জন্য আজ স্যারের এই অবস্থা। সেতো দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাহলে স্যার কেন ওই মেয়ের জন্য ধুঁকে ধুঁকে মরবেন।

রবিনের কথায় জোবায়দা বেগম মনে মনে এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন। কাল সকালেই তিনি ঐক্যর সাথে এই ব্যাপারে কথা বলবেন। এবার ঐক্যর কোন না তিনি শুনবেন না। অনেক হয়েছে নিজের খেয়াল খুশি মতো চলা। এবার এসপার উসপার করেই তবে তিনি দম নিবেন।

★★

— সোনিয়া তুমি রাখো মাংসটা আমি রান্না করি।

রান্নাঘরে ঢুকে ইরা হাসিমুখে বললো। ইরার ছোট জা দীপ্তর বৌ সোনিয়া নিজের হাত কাজ থামালো না৷ থমথমে গলায় বললো,

— না দরকার নেই ভাবি। আপনার নাকি সব কিছুতেই গন্ধ লাগে। পরে আবার মা আমাকেই ঝাড়বেন।

সোনিয়ার স্পষ্ট কথাটা ইরার পছন্দ হলো না৷ কেমন যেন ওকে খুঁচিয়ে বলেছে কথাটা সোনিয়া৷ ইরা এই বাসায় আসার প্রথম দিন থেকে খেয়াল করছে সোনিয়া ওকে বিশেষ পছন্দ করছেনা। ইরা আগ বাড়িয়ে কিছু বললেও কোনমতে হ্যাঁ না তে উত্তর দেয়।  ও বুঝতে পারছে ইরার এই বাড়িতে আসা কেউই তেমন পছন্দ করেনি। সোনিয়া ওকে দেখলেই সামনে থেকে চলে যায়। এই যে ইরা প্রেগন্যান্ট, মেয়েটা ইরার শরীর কেমন আছে এটাও জিজ্ঞেস করেনা কখনো। এসব মনে পড়ে ইরার মনটা ছোট হয়ে গেল। ধ্রুবর সাথে বিয়ে করার পর থেকেই ওর মনটা ছোট হয়ে থাকে। ওর মনে হয় সবাই কেমন যেন ওকে ঘৃণ্য চোখে দেখে। এই সব কিছু হয়েছে ওই শয়তানিটার জন্য। ওর জন্য ও একবার নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারালো। আর এখন হারালো নিজের আত্মসম্মান। আচ্ছা ওর সন্তানকেও কি সবাই ঘৃণার চোখে দেখবে?

— কি হলো ভাবি আপনি এখানে দাঁড়িয়ে আছেন কেন যান ধ্রুব ভাইয়ার ঘরে গিয়ে শুয়ে থাকুন।

কথাটাতে যেন ইরার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে পড়লো। ও ছ্যাৎ করে উঠে বলে,

— ধ্রুবর ঘর মানে কি সোনিয়া ? ওর ঘরটাকি আমার ঘর নয়। আর তুমি এভাবে কথা বলছো কেন আমার সাথে?

সোনিয়া পাতিলে চলমান খুন্তিটা রাখলো। ইরার দিকে তাকিয়ে ভীষণ শান্ত গলায় বললো,

— কি বলুন তো ভাবি। ধ্রুবর ভাইয়ার ঘরটা না আমি আসার পর থেকেই চেইঞ্জ হচ্ছে। তো ভাবলাম একবার একেকজনের ঘর বলার থেকে এখন থেকে নাহয় ধ্রুব ভাইয়ার ঘরই বলি। কয়েকদিন বাদে যদি আবার আরেকজ….

— শ্যাট আপ সোনিয়া। নিজের সীমানায় থাক। ভুলে যেওনা আমি তোমার বড়জা। সম্পর্কে এবং বয়সে আমি তোমার বড়। এটা মাথায় রেখে আমার সাথে কথা বলবে।

সোনিয়া ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসলো। ইরার চোখে চোখ রেখে বললো,

— আপনি হয়তো বয়সে এবং সম্পর্কে অনেক বড় হতে পারেন। কিন্তু আপনার মন-মানসিকতা না খুবই নিচু। নাহলে কেউ একটা সোনার সংসার ভেঙ্গে খায়।

— সোনিয়া!

— চিৎকার করবেন না একদম। আমি কি ভুল কিছু বলেছি? একটা মেয়ের থেকে স্বামী ছিনিয়ে মেয়েদের সমাজ কি বলে তাতো জানেনই।

ইরা রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে কিছু বলতে নিবে এমন সময় কেউ দরজায় দাঁড়িয়ে গম্ভীর গলায় বলে উঠে,

— কি হচ্ছে এখানে?

ধ্রুবর ডাকে দু’জনেই ফিরে তাকায়। ইরা ধ্রুবকে দেখে নাঁকিস্বরে কেঁদে উঠে,

— ধ্রুব দেখোনা তোমার ছোট ভাইয়ের বউ এসব আমাকে কি বলছে।

ধ্রুব গমগমে আওয়াজে জিজ্ঞেস করলো,

— কি হলো সোনিয়া ? তুমি কি বলেছ ইরাকে?

সোনিয়া ধ্রুবকে দেখেও দমে গেলনা। আবৃতির সাথে ও মাত্র একবছরের মতো ছিল। এই একবছরে মেয়েটা ওকে নিজের বড় বোনের মতো আগলে রেখেছিল। ওতো সংসারের কোন কাজ, কিছুই পারতোনা। আবৃতি হাতেধরে ওকে সব শিখিয়ে পড়িয়ে নিয়েছিল। এমন অনেক দিন গিয়েছে কাজ করতে গিয়ে তোহা কোন কিছু নষ্ট করলে আবৃতি নিজে সেই দোষ নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিত। আর সেই বোনতূল্য মেয়েটার সাথে এতবড় অন্যায় ও মেনে নিতে পারছেনা। ইরাকে যতবার ভারী পেটটা নিয়ে সারা বাড়িময় ঘুরতে দেখে ততবার আবৃতি আর আরশানের মুখটা ভেসে ওঠে ওর শরীরটা চিড়বিড় করে উঠে।

— কি বলেছি সেটা নিজের স্ত্রীকেই জিজ্ঞেস করুন ভাইয়া।

এই বলে সোনিয়া চুলাটা বন্ধ করে গটগট পায়ে রান্নাঘর থেকে চলে গেল। আজ ওর শাশুড়ী বাড়ি নেই। তাই মনের সব ক্ষোভ ও প্রকাশ করতে পেরেছে। জানে এসব কথা ওর শাশুড়ীর কানে ঠিকই পৌঁছে যাবে। কিন্তু সোনিয়া সত্যি বলতে কাউকে ভয় পায়না৷ আবৃতি হয়তো নরম বলে এরা পার পেয়ে গিয়েছে। কিন্তু ও আবৃতির মতো এতটা মহান নয় যে সব অন্যায় মুখ বুঁজে সহ্য করে নেবে।

সোনিয়া যেতেই ইরা চিৎকার করে বলে উঠে,

— দেখলে ধ্রুব দেখলে তোমার ভাইয়ের বৌয়ের ব্যবহার?

— ঘরে চলো ইরা৷ এখানে দাঁড়িয়ে সিনক্রিয়েট করার কোন মানে হয়না৷

— বাহ ধ্রুব বাহ৷ এখন আমি সিনক্রিয়েট করছি? তুমি জানো এই মেয়েটা আমাকে কি বলেছে? বলেছে আমি নাকি ঘর ভাঙানি মেয়ে।

ধ্রুব এপর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে যায়। এই কয়েকদিনের মানসিক টানাপোড়েন, হতাশা, গ্লানিবোধ, আরশানের সাথে বিচ্ছেদ সব মিলিয়ে ও একপ্রকার ট্রমায় চলে গিয়েছে৷ দুনিয়ার সব কিছু ওর কাছে অসহ্য লাগছে। অসহ্য লাগছে ওর ভালোবাসার বৌ ইরাকেও। হঠাৎ ধ্রুব মুখ ফসকে বলে ফেলে,

— তো ভুল কি বলেছে?

ইরা বজ্রাহতের ন্যায় ধ্রুবর মুখটার দিকে চেয়ে থাকে। কোনমতে ঠোঁট নেড়ে স্তব্দ স্বরে আওড়ায়,

— আমি ঘর ভাঙানি মেয়ে? তুমি এমন বলছো ধ্রুব? সব দোষ এখন আমার একার না?

বলতে বলতে ইরার চোখ বেয়ে টপটপ করে পানি পড়ে। ধ্রুবর হুঁশ ফেরে৷ মুখ ফসকে ও কি বলে ফেলেছে মনে হতেই ইরাকে আগলে ধরতে নেয়। কিন্তু ইরা সেই সুযোগ না দিয়ে ধ্রুবকে ধাক্কিয়ে ঘরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দেয়।

— ইরা প্লিজ দরজাটা খোল। দেখ আমি তেমনটা বলতে চাইনি৷ শোন আমার কথা।

কিন্তু ভেতর থেকে ইরার কোন সাড়াশব্দ নেই। ধ্রুবর হঠাৎ ভয় ভয় লাগতে শুরু করে। মেয়েটা আবার না নিজের সাথে কিছু করে বসে। সোনিয়া  এদের অবস্থা দেখে নিজের রুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মনে মনে হাসে। একটা পরিপূর্ণ পরিবার নষ্ট করে নিজের পরিবার গড়তে থাকা মেয়েটার শেষ পরিণতি ও দেখবে, খুব আরামসে দেখবে।

— কি হয়েছে আরশান? এখনো ঘুম আসছেনা কেন তোমার বাবা?

আরশান অস্ফুটস্বরে জিজ্ঞেস করে,

— পাপার সাথে কখন দেখা করব মাম্মাম?

আবৃতি থমথমে গলায় বললো,

— পাপা কাজে আছে। সারা সন্ধ্যা থেকে এক প্রশ্ন করছো কেন? ঘুমাও।

মায়ের বকুনি খেয়ে আরশান অন্যপাশে ফিরে গেল। ওর বাচ্চা মস্তিষ্কে কিছুতো একটা গোলমেলে আছে সেটা ধরতে পেরেছে। কিন্তু সেটা কি তার বাচ্চা মস্তিষ্কে ঢুকছেনা।

_
_

সকালে সূর্যের তীব্র আলোক রশ্মিতে ঘুমে বিঘ্ন ঘটে বিছানায় এলোমেলো শুয়ে থাকা ঐক্যর। জানালা দিয়ে আসা তীর্যক রশ্মিতে ওর কপাল কুঁচকে গেল। বিরক্তিতে বিরবির করে উঠে সে,

— উফ! জানালাটা কেউ একটু বন্ধ করো। আলো আসছে ভীষণ।

— আর কতক্ষণ ঘুমোবে। সকাল সাতটা বাজতে চললো। নামাজ তো ত্যাগ দিয়েই ফেলেছো।

জোবায়দা বেগমের গমগমে আওয়াজে ঐক্য চোখ ঢলে উঠে বসে। ঘড়ি দেখে কপাল কুঁচকে বলে,

— ওয়াফা এখনো উঠেনি। ওর তো ক্যারাতে ক্লাসের সময় হয়ে গিয়েছে।

— না এখনো উঠেনি।

ঐক্য বিরক্তিকর গলায় বললো,

— উঠেনি কেন এখোনো? ওর গভর্নেস এখনো আসেনি?

জোবায়দা বেগম রাশভারী আওয়াজে বললেন,

— তা মেয়েটাকে কি একটু নিজ থেকে তুমি উঠিয়ে তৈরী করে দিতে পারোনা? টাকার দিয়ে নিজের মেয়ের দায়িত্ব অন্য একজনের ঘাড়ে বর্তালেই বুঝি দায়িত্ব শেষ?

ঐক্য কিছু না বলে চুপ করে থাকলো। আসলে তার কিছুই বলার নেই। জীবনের এমন এক পর্যায়ে সে আছে, যেখানে কোন লক্ষ্য, উদ্দেশ্য কিছুই নেই। জোবায়দা বেগম শক্ত গলায় বলে উঠেন,

— আর কতদিন এসব চলবে ঐক্য?

— জানিনা।

— এভাবে নিজেকে ধ্বংস করে কি পাচ্ছো তুমি বলো?

ঐক্য উদাস চোখে জানালার বাহিরে কি যেন দেখছিল। জোবায়দা বেগমের প্রশ্ন শুনে ও হাসলো। নিস্প্রভ গলায় বললো,

— নিজেকে তিলে তিলে ধ্বংসের মধ্যেও একটা আলাদা সুখ আছে মা। এই ধ্বংস আমার অশান্ত হৃদয়কে শান্ত করে।

— কিন্তু তোমার সাথে সাথে যে তোমার আপনজনরাও কষ্ট পাচ্ছে ঐক্য। তাদের কি দোষ?বলো?

ঐক্য কিছু না বলে উঠে দাঁড়িয়ে ওয়াশরুমের দিকে এগোলো। হঠাৎ জোবায়দা বেগম বলে উঠেন,

— আমি তোমার বিয়ের কথা ভাবছি ঐক্য।

ঐক্যর চলন্ত পা যুগল থেমে যায়। হতবাক চোখ সে পিছন ফিরে মায়ের দিকে তাকায়।

চলমান……..

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments