এখন থেকে এইখানে বাকি পর্ব গুলো পোস্ট করা হবে,
আর যাদের আগের পর্ব গুলো পড়া হয় নি তাদের জন্য নিচে লিংক দেওয়া হয়েছে।
গল্প :link
এখন থেকে এইখানে বাকি পর্ব গুলো পোস্ট করা হবে,
আর যাদের আগের পর্ব গুলো পড়া হয় নি তাদের জন্য নিচে লিংক দেওয়া হয়েছে।
গল্প :link
""""" শ্রাবণী বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে নামাজে দাড়ালো নামাজ শেষ করে মুনাজাত দরলো মুনাজাতে একটা কথা এমন ছিলো,,,
""" আল্লাহ আমি জানি তুমি উত্তম পরিকল্পনা কারী তবুও বলতে ছাই ওই মানুষটাকে কি আমার করে দেওয়া যাইনা,,, তখনি অয়ন এর কথাটা মনে পড়লো,,, """ শেষ ঠাই অসভ্য লোকটার বুকে,,,,
কিন্তু আমিতো অসভ্য লোকটাকে ছাইনা,,, দির্ঘ মুনাজাত শেষ করে উঠে একটু ঘুমাতে গেলো
অয়ন বাড়িতে এসে সোজা মায়ের রুমের দিকে চলে গেলো
- আসবো আম্মু?
- আস অনুমতি নেওয়া লাগবেনা বলছি না
- যাইহোক,,,
এইবলে অয়ন খাটের উপর সুয়ে মাথা তার মায়ের কোলে দিয়ে চোখ বুঝলো,,,
- কি হয়েছে তোর বাবা তুইতো এই রকম আচরন করিসনা,,
- কিছু হইনি, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি আম্মু
- হুম বল,,
- আচ্ছা মানুষের সুন্দর্য কোথায় থাকে রুপে নাকি মনে?
- অবশ্যই মনে থাকে,,
- সত্যিতো
- হুম,
- পরে আপছোস করোনা এই কথাটার কারনে,,, অয়ন তার মায়ের কোল থেকে উঠে নিজের রুমের দিকে হাটা দরলো,,,,
হেই কোথায় যাও?
- কেনো বাসায় যাই তাছাড়া কোথায় যাবো
- চলে যাবে?
- নাহ যাবোনা আপনার কোলে উঠে বসে থাকবো বিরক্ত নিয়ে বললো সাইমা আকাশকে,,,
- কোলে উঠলেও সমুস্যা নায় তুমি এতটাও ওজন নয় আমি নিতে পারবো তুমি রাজি কি না সেটা বলো?
- এ কেমন লোক রে বাবা কি কথা বললাম আর কোথায় নি যাই দূর আপনার সাথে কথা বলাটাই ভুল
- ওকে আমি ভুল সুদরে দিবো ,,
-সাইমা আর কয়েক দিন থাক না মা তুই চলেগেলে বাড়িটা পাকা পাকা লাগবে,,
- ফুফি আমি আসবোতো আবার আম্মু অসুস্থ নইতো থেকে যেতাম,,,
তাসনুবা এসে সাইমাকে জড়িয়ে দরলো কাদো কাদো কন্ঠে বললো,,
- আপু মামানি সুস্থ হলেই তুমি চলে আসবে,,
- ঠিক আছে বনু
সাইমা সবার সবার থেকে বিদায় নিয়ে নিলো
- আকাশ বাবা আরিয়ানতো ওর একটা কাজে বাইরে গেছে অয়ন ও মাএ অফিস থেকে আসছে তুমি যদি ওকে একটু পোঁছে দিতে রুপা চৌধুরী কথা শেষ করার আগে আকাশ কথা টেনে নিয়ে গেলো,,
- আরে কাকি কনো চিন্তা করোনা ও ঠিক মত বাসায় পোঁছে যাবে,,
- হুম সাবধানে যাইও
সাইমাতো ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে আকাশের দিকে
- আমাকে এখন এই পাগলটার সাথে যেতে হবে? আল্লাহ আমার মাথা ঠিক রাখিও পিশপিশিয়ে বললো কথাটা কেউ না শুনলেও আকাশ ঠিকি শুনছে সাইমার পাশে দাড়ানো সে,,, আকাশ মুচকি মুচকি হাসতেছে ,,, সাইমা সবাইকে বিদায় দিয়ে আকাশের সাথে বেরিয়ে পড়লো,,
শ্রাবনীকে এই প্রথম রিফাত মেসেজ করছে ফেসবুকে,,,,
- শ্রাবণী আপনি ঠিক আছেন?
- হুম আমি ঠিক আছি আপনি কেমন আছেন?
- আলহামদুলিল্লাহ
- আপনাকে কি অয়ন চৌধুরী ডির্স্টাব করে?
- যানিনা কিন্তু কি আজব আজব কথা বলে,,,, আর বুঝিনা দুনিয়াতে এত সুন্দর সুন্দর র্স্মাট মেয়ে থাকতে আমাকে ডির্স্টাব করতেছে কেন এত বড় বিজনেসম্যান হয়ে?
- আপনি কয়দিন কলেজ এ যাবেন না ক্লাসে কারো থেকে পড়া নিয়ে নিবেন
- আচ্ছা দেখি কি করা যাই
- হুম,, আচ্ছা আমি ভার্সিটিতে যাবো সাবধানে থাকবেন,,,
** আরিয়ান অফিসের কাজে যশোর গিয়েছে হঠাৎ তার মিটিং এর মাজে কল আসলো,,, অনেকক্ষন দরে রিং হচ্ছে সে দরছেনা এখন একটু সাইডে গিয়ে ফোন রিসিব করে ফোনের ও পাশের মানুষটার কথা শুনে তার চোখ দুটো রক্তিম হয়ে উঠেছে,,, সে অয়ন কে কল করে বলতেছে একটু দেখার জন্য সে এখনি নোয়াখালী ব্যাক করতেছে,,,,
পার্ট: ১৩
★★★অয়ন এতক্ষণে সেখানে পোঁছে গেছে আরিয়ানের দেওয়া এড্রেস এ,,,,
,,গ্রামের কয়েকটা লোক মিলে মাহিকে জোর করতেছে বিয়ের খাতায় সাইন করতে সে সাইন না করার কারনে একজ মহিলা মাহির চুল দরে বৃচরি বাসায় গালি দিতেছে ,,,,
সবাই অয়নকে দেখে হতভম্ব দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে অয়ন চৌধুরী এইখানে?
এতক্ষণে মাহি অয়ন এর সামনে গিয়ে কান্না করতেছে
- ভাইয়া আমি কিছু করিনি এই লোক গুলো আমাকে জোর করে ধরে এনার সাথে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে আমাকে বাচান এইখান থেকে,,,
- আপনাদের সাহস কি করে হয় একটা মেয়েকে ঝোর করে বিয়ে দেওয়ার হুনকার দিয়ে বললো অয়ন কথাটা,,,,
একটা লোক সাহস করে বললো,,, রাস্তাঘাটে নষ্টামি করবে আর বিয়ে করতে পারবেনা এইটা আপনাদের নিয়ম,,,,
অয়ন কিন চিৎ ভ্রু কুচকে মাহির দিকে তাকালো,,,
- ভয় পাবেনা ভাইয়া আছি কি হয়েছে সেটা বলো,,,,
- আমি টিউশনি শেষ কোরে বাসায় পিরছিলাম তখনি রিমন ভাইয়া এসে আমার হাত ধরে বলতেছে উনি নাকি আমাকে ভালোবাসে আমি আমি করবো বুঝতে পারছিনা উনি রাস্তার মধ্যে আমার পা ধরে বসে পড়ে তখনি কয়েক জন লোক এসে আমাকে দরে নিয়ে আসছে এই খানে,,,,
- ওকে আর ভয় পাবেনা তোমার কিছু হবেনা,,, অয়ন ধিরপায়ে গিয়ে রিমন এর সামসে দাড়ালো
- কিরে রাস্তা ঘাটে মেয়েদেরকে ডিস্টার্ব করস কেন? এই তোদের শিক্ষা? জানোয়ার
- আমি সব মেয়েদের ডির্স্টাব করিনা আমি সুন্দরীকে ভালোবাসি ওই কারনে আমি ওকে বলছিলাম আর আপনার কি তাতে আমার জানামতে ওতো আপনার কেউ নয়,,,,
- এতক্ষণে আরিয়ান পোঁছে গেছে ইমারজেন্সিতে,,,
আরিয়ান সেই খানে ডুকতেই দেখলো মাহি এক কোনে দাড়িয়ে ফুফাচ্ছে মূলত অয়ন ইচ্ছে করেই দাড়িয়ে ছিলো কিছু করলোনা রিমন কে আরিয়ান নিজের হাতে শাস্তি দিবে এই কারনে,,,
আরিয়ান এসেই মাহিকে জড়িয়ে ধরলো সবাইতো হতবাক হয়ে দাড়িয়ে আছে কি হলো এইটা,,, চৌধুরী বাড়ি ছেলে দুইটা সাধারন মেয়ের জন্য এইখানে?
মাহি যখন বুঝতে পারলো আরিয়ান তাকে জড়িয়ে আছে তার সারা অঙ্গে সিহরন বয়ে গেলো এই প্রথম কনো ছেলে তাকে ঝড়িয়ে ধরছে,,,
- ঠিক আছো তুমি? আর ভয় পাবেনা আমি এসে গেছি কেউ কিছু করতে পারবেনা,,
- প্লিজ আপনি আমাকে ছাড়ুন অয়ন ভাই এইখানে গ্রামের লোকেরা এইখানে,,,,
- ওকে ছেড়েদিলাম পরে ছাড়তে বললেও ছাড়বোনা,,,
অয়ন গ্রামের লোকদের কে আরো আগে দমকে পাঠিয়ে দিছে, রিমন এইসব দেখে তার বুকে চিনচিন করতেছে
- তাহলেকি সুন্দরী আমার হবেনা তার দিকে যে অন্য কারো নজর আছে তাও আবার আরিয়ান চৌধুরীর? এইসব ভাবনার মধ্যেই আরিয়ান এসে এক লাথি বসালো রিমনের হাতে তার মুখ এমন ভাবে দরছে যেন মুখ চিড়ে দাত বেরিয়ে আসবে,,, সে থামছেনা একের পর এক লাথী থাপ্পড় মেরেয় যাচ্ছে মাহি এইসব দেখে আরিয়ানের পিছন দিয়ে শার্ট খামছে দরলো,,
- আর মারবেন মরে যাবেতো আমি চাইনা আপনি খুনি হন আমার জন্য,,,
আরিয়ান রিমন এর দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো এইবার বেছে গেলি তোকে মারতে পারিনি সুধু ওর জন্য আবার এইটা ভাবিস না যে ছেড়ে দিলাম,,,,
রিমন এর শরিলে কয়েক যাইগা থেকে রক্ত পড়ছে,,, আরিয়ান আসার সময় তার এসিস্ট্যান্ট তুরাদ কে নিয়ে এসেছিলো,,,
- তুরাদ ,,,
- জি জি স্যার,,
- একে আমার চোখের সামনে থেকে নিয়ে যাও,,
- ওকে স্যার,,, অয়ন মুচকি মুচকি হাসতেছে আরিয়ান এর দিকে তাকিয়ে আরিয়ান ও বুঝতে পারছে অয়ন কেন হাসতেছে,,,
হঠাৎ দেখতে পেলো শ্রাবণী এসে মাহিকে জড়িয়ে দরছে আরিয়ান আসার সময় শ্রাবণীকে খবর দিয়েছে,,,
- জানু ঠিক আছিস তোর কিছু হইনিতো কিরে চুপ আছোত কানো বলনা কি হয়েছে,,,, শ্রাবণীর কথা শুনে মাহি পাল পাল করে কেদে দিছে,,,
- কিরে কাদছিস কেন,,, শ্রাবণী আরিয়ানের সামনে গিয়ে বলতে লাগলো
- ভাইয়া কি হয়েছে বলোনা ও কাদছে কেন
- কিছুই হইনি একটু ভয় পেয়েছে,,,
অয়ন তাকিয়ে আছে শ্রাবণীর দিকে,,,, আরিয়ান হিসহিসিয়ে বললো বেডি মানুষ এত বোকা কেন? সামান্য কিছুতে কেদে দেয় দূর,,,,
তখনি সেখানে কয়েক জন লোক আসলো তার মধ্যে একজন উকিল নাকি হুজুর বুঝা যাচ্ছেনা,,, আকাশ ও আসলো,,,
* আরিয়ান একটা চুক্তি পএ মাহির সামনে দরলো,,,
- এইখানে সাইন করো
- কে কে নো?
- তুমি আর টিউশনি করবেনা কথা দাও আর তোমার যা কিছু প্রয়োজন সব আমার দায়িত্ব,,,
- নাহ আমি এইখানে সাইন করতে পারবোনা প্লিজ আমি ছাইনা কেউ বিনা কারনে আমার দায়িত্ব নেক,,,
- আচ্ছা তাহলে রাস্তায় ধরে মানুষ বিয়ে দিয়ে দিবে যার তার সাথে সেটাতে রাজি? আরিয়ান একটু দমকের সুরে বললো
- নাহ,,,আমাকে কি সাইন করতেই হবে? মুখে বললে হবেনা যে আমি আর টিউশনি করবোনা?
- নাহ হবেনা তুমি যদি পরে পল্টি নাও তোমাকে সাইন করতে হবে
- আচ্ছা আমি সাইন করছি,
- ওকে সাইন করো, আর সাক্ষী হিসেবে থাকবে উনি শ্রাবণীর দিকে ইশারা করে বললো শ্রাবণী যেহেতু তার বড় ভাই এর দিক দিয়ে ভাবি হয় সে কারনে আরিয়ান নাম দরলোনা অয়ন সামনে খারাপ দেখা যাবে,,,
শ্রাবণীও রাজি হয়ে গেলো সাইন করার জন্য ছেলের পক্ষ থেকে অয়ন আর আকাশ সাইন করেছে,,,
অয়ন এর ইচ্ছা করতেছে আরিয়ানকে একদাপ পিটাতে কিন্তু সেটা এখানে সম্ভব না,,,
সব কাজ শেষ করে মাহি শ্রাবণী নিজেদের বাড়ির দিকে রওনা দিল,,,
অয়ন এইখানে শ্রাবণীর সাথে একটা কথাও বললোনা নিরভ চোখে শুধু চেয়ে গেলো,,,, শ্রাবণীও তেমন তাকায়নি অয়ন এর দিকে,,,,,
'""আরিয়ান এর এতক্ষণ ভয় করেনি বাড়ির সামনে আসতেই ভয়ে পুরো শরির গেমে গেছে সে যে এত বড় একটা কাজ করে আসছে সেটা অয়ন আকাশ ছাড়া কেউ যানেনা,,,,
শ্রাবণী বাসায় আসার সময় রিফাত এর সাথে দেখা হেয়ে ছিলো সে বললো অয়ন চৌধুরী তাকে থ্রেট দিয়েছিল যেনো তার সাথে দেখা বা কনো রকম যোগাযোগ না থাকে শ্রাবণী এইসব ভাবতে ভাবতে বাসায় চলে আসলো তাদের বাসার সবাই অনেক খুশি কালকে শ্রাবণীর আব্বু দেশে আসবে,,,,,
নতুন একটা দিনের শুরু আজকে তারা চার ভাই বোন অনেক খুশি তারা তাদের বাবাকে কতদিন পরে দেখবে,,,,
শ্রাবণী লামিয়া আর তার ছোট মামা আসছে তার বাবা নিতে,,
হঠাৎ শ্রাবণীর হাতে শক্ত একটা টান অনুভব হলো
"""" 🌿 চলবে,,,,, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন
পার্ট : ১৪
★★★ শ্রাবণী চিৎকার ও করতে পারছেনা একহাতে মুখ ধরে আছে ,,,
তখনি দেখলো সে একটা লোকের বাহুর মধ্যে বন্ধি সে ছুটার জন্য প্রানপন চেষ্টা করতেছে কিন্তু পারছে একটা সুঠাম দেহি পুরুষ এর সাথে না পারাটাই কথা,,,
- স্টপ ডেইজি চিৎকার করবে জায়গায় থাকবেনা,, কথাটা কর্নগহ্বর পর্যন্ত পোঁছাতেই শ্রাবণীর সারা শরিরে শিতল তরঙ্গ বয়ে গেলো,,,,
অয়ন মুখ থেকে হাত সরিয়ে নিলো কিন্তু শ্রাবণীর পুরো শরির তার বাহুতে আবদ্ধ,,,
- অসভ্য লোক কেন এসেছেন এইখানে? চেচিয়ে বললো কথাটা
- তুমি এলে তাই কথাটা অয়ন দির গলায় বললো,,,
- ছাড়ুন আমাকে কেন দরেছেন আমাকে? আমাকে স্পর্শ করার রাইট আপনাকে কে দিয়েছে? ওইদিন রিফাত ভাই আমার হাত দরছে বলে আপনি কি করেছেন,,,, এখন আপনি দরছেন এইটা কিছুনা? কেমন অসভ্যতামি এইটা? একটা রাস্তার মেয়েকে এইভাবে অধিকার দেখিয়ে দরার?
"""" শ্রাবণীর এক একটা কথা অয়ন এর মস্তিষ্কে বিশ পরনের মতো লাগছে,,,
- কে বলেছে রাস্তার মেয়ে? অয়ন আবার শ্রাবণীর হাত ধরে পেললো
- তুমি রাস্তার মেয়ে নও আমার হৃদয় কি রাস্তা মনে হয় তোমার ? আর আমার হৃদয় যদি রাস্তা হয় তাহলে তুমি সেই রাস্তার প্রথীক যে রাস্তায় তোমার আগমন ছাড়া অন্য কোনো নারীর আগমন নিষেধ,,,
এইদিকে লামিয়া আর তার ছোট মামা তাকে খুঝতেছে ৮ টা বাঝে তার বাবার আসার সময় হয়েগেছে তার মামা দিদার আর লামিয়া এসে দেখে শ্রাবনী দাড়িয়ে আছে চোখের জল মুছতেছে তার মামা কিছু বলেনি ভাবছিলো অনেক দিন পরে বাবার সাথে দেখা হবে আবেগপ্রবণ হয়ে কান্না করতেছে,, অয়ন নিজের কাজে চলেগেছে সে এসেছিল বিদেশি একটা ক্লাইন্ট কে নিতে এয়ারপোর্ট ,
এসেই তার চোখ আটকে গেলো কালো বোরকা পরিহিত তার রমনিতে,,,
*** দূর থেকে শ্রাবণী তার বাবাকে দেখে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে দরলো সাথে লামিয়া ও,,, তিন জনএই কান্না করতেছে,,,,ফারুক সাহেব মেয়েদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে
- এইতো আব্বু ছলে আসছিতো আর কান্না করোনা
- তুমি ঠিক আছোতো আব্বু?
- হ্যা মা একদম ঠিক আছি,,, চলো এখন আমাদেরকে বাসার দিকে রওনা দিতে হবে,,, দীদার সব ঠিকটাক করে লাগেজ গুলো নিয়ে গাড়িতে তুলতেছে,,, তারা সবাই গাড়িতে উঠে পড়লো,,
শ্রাবণী গাড়িতে উঠে বসতেই দেখলো একটু দূরে একটা লোক এমন ভাবে বিদেশি লোকটার সাথে কথা বলতেছে মনে হচ্ছে কতদিনের পরিচয় অনেক সুদর্শন পুরুষ কিন্তু এত সুদর্শন হওয়া সত্ত্বেও কেন তার মত শ্যামলা মেয়ের জন্য এমন করতেছে,,, তার ভাবনার চেদ গটিয়ে লামিয়া বলে উঠলো দেখ আপু কি সুন্দর একটা ছেলে লামিয়া অয়ন এর দিকে তাকিয়ে বললো,,,
- যাহ এত পছন্দ হলে গিয়ে বিয়ে করে পেল,,,
- নাহ আমার বয়সের সাথে মানাবেনা, তোর সাথে পারপেক্ট মানাবে,,, শ্রাবণীর চোখ রাঙ্গানো দেখে লামিয়া চুপশে গেলো,,, শ্রাবণী মেসেজে মাহির সাথে কথা বলতেছে গাড়ির মধ্যে,,, যে যার মত ব্যাস্ত,,,,
* আরিয়ান আর আকাশ এসেছে সাইমাদের বাসায় আরিয়ানের আম্মু কি কি দিয়েছে ওই কারনে বলছে যাই দি আসতে সঙ্গে আকাশ ও ছিলো,,,,,,
কে এসেছে দেখার জন্য সাইমা বের হলো এসেই দেখতে পেলো আরিয়ান আর আকাশ,,,, আকাশকে দেখেই সাইমার বিরক্তি বোদ হলো কি লোক সব সময় ঝালাতন করে মনে হয় সাইমাকে ঝালানোই তার কাজ,,, সাইমা নিজের রুমের দিকে যেতে নিলেই আরিয়ান ডাক দিলো,,,
- কিরে বনু কই যাস আমাদের দেখে মনে হয় ভালো লাগেনাই
- না ভাইয়া তেমন কিছুনা আমি ফ্রেন্ড একটার সাথে কথা বলতেছি সে লাইনে আছে, চট করে আকাশ বলে উঠলো ছেলে ফ্রেন্ড নাকি মেয়ে ফ্রেন্ড
- দেখবেন আসেন দেখেন মেয়ে না ছেলে,,, এই বলে সাইমা হনহনিয়ে নিজের রুমে চলে গেল,,,
***** অয়ন এর বিয়ের তারিখ ঠিক করে পেলছে,, ফ্রেবুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ,,,, সবাই যে যার মতো করে আনন্দ করতেছে চৌধুরী বাড়ির বড় ছেলের বিয়ে বলে কথা,,,,
"""" 🌿 চলবে,,,,,ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏
পার্ট : ১৫
★★★আর কিছুদিন পর অয়ন এর বিয়ে কিন্তু তার কনো মাথা ব্যাথা নেই,, যে যার যার মতো করে আনন্দ করতেছে, আরিয়ান কি বলবে বুঝতে পারছে না অয়ন এতো শান্ত কিভাবে আছে?
আরিয়ান নিজের সব ঝামেলা অয়নের বিয়ের পর ঠিক করবে কিন্তু অয়ন এর বিয়ে সব ঝামেলা বাদিয়ে রেখেছে আরিয়ান মনে মনে আওড়ালো,, দেখা ঝাক সামনে কি হয় ভাইয়ার মনে কি চলতেছে,,,
** শ্রাবণীদের বাসায় সবাই অনেক আনন্দ করছে তার আব্বু এসেছে দুইদিন হয়ে গেলো এদুই দিন শ্রাবণী কলেজে আসেনি অয়ন রিফাত কারো সাথেই দেখা হইনি তার,, সেইদিন এর পর থেকে রিমনকে কলেজে দেখা যাইনি দুই বান্ধবী গল্প করতেছে মনের আনন্দে শ্রাবণী বলতেছে মাহি সব শুনতেছে,,,
রিফাতকে আরিয়ান এর সাথে কথা বলতে দেখে শ্রাবনীর পা থমকে গেছে মাহিও খেয়াল করলো,,, রিফাত শ্রাবণীর সাথে কনো কথা না বলেই চলে গেল রিফাত এর এমন আচরনে শ্রাবণীর বুকের ভিতর তীব্র ব্যাথা অনুভব হলো
- কি হয়েছে এনার এমন করলো কেনো,,,
আরিয়ান এসে মাহির সামনে দড়ালো মাহি চার পিট এগারো আর আরিয়ান পাঁচ পিট নয় এই কারনে মাহি আরিয়ানের বুকের নিচ পর্যন্ত আরিয়ানকে দেখে মাহি মাথা উচু করে দেখলো আরিয়ানকে তেমন ভাবে কখনো দেখা হইনি তার যতবার দেখা হয়েছে ততবার ঝগড়া বাদিয়েছে তাই তেমন খেয়াল হইনি
- এত খুশি কেন মিস?
মাহি কথা বাড়ালোনা ওইদিন যদি অয়ন আর এইলোকটা না আসতো কি হতো তার সাথে,,,
- জি আমার বান্ধবী খুশি তাই আমিও খুশি,,
- ওহ আচ্ছা তো বান্ধবী কি কারনে খুশি
- ওর আব্বু আসছে তাই,,,
আরিয়ান জানতো তবুও জিজ্ঞেস করছে,, মাহি এই প্রথম আরিয়ানের সাথে একটু সুন্দর করে কথা বলছে,,,
আরিয়ান খেয়াল করলো মাহির হিজাবের একটা পিন খোলা তাই এক কোনা উন্মুক্ত আরিয়ান নিজের হাত বাড়িয়ে হিজাবের কোনাটা তুলে ঠিক করে দিচ্ছে মাহি যখন বুঝতে পারল আরিয়ান কি করছে মাহি লজ্জাই দুকদম পিছিয়ে ঠিক করে নিলো আরিয়ান ঠোঁট কামড়ে হাসি দিলো এত লজ্জা বাহবা,,,
মাহি কি বলবে কিছু বুঝতে না পেরে আরিয়ানের পেটের উপর দাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে শ্রাবণীর হাত ধরে দূত পায়ে হাটা দরলো সামনের দিকে আরিয়ান হাসতেছে আর বলতেছে যাও যত দূর যেতে পারো রাস্তা যেখানে শেষ হবে সেখানেই আমার দেখা পাবে,,, আরিয়ান এর কথা শুনতে পেয়ে মাহি পিছন গুরে একবার তাকিয়ে আবার হাটা দরলো,,
মাহি মনে মনে বলতে লাগলো এদের সব কটাকে পাবনা নি জাইতে হবে দুই ভাইয়ের মাথাই সমুস্যা আছে,,,
** রিফাত বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে নিছে গিয়ে তার বাবার সামনা সামনি বসলো
,,,, তোমাকে কিছু বলতে চাই বাবা""""
রিফাত এর বাবার নাম( নূর মোহাম্মদ) জি বলো কি বলবে
- শুনবেতো?
- আরে বলোনা শুনবোনা কেন,,,
- তুমি নিশ্চয়ই ফারুক চাচা আর ওনার বড় মেয়েকে ছিনো?
- চিনবোনা কেন,, কেন কিছু হয়েছে?
- হুম হয়েছে আমি ওনার বড় মেয়েকে তোমার বউমা বানাতে চাই,,
কথাটা কানে যেতেই নূর মোহাম্মদ বসা থেকে উঠে দাড়ালো,,
- কি বলছো কি তুমি ওরা আমাদের সাথে যাই?
- কেনো যাইনা বলোতো? সব কিছুতো ঠিক এ আছে
- না কিচ্ছু ঠিক নেই, তুমি বিয়ে করবে তো ঠিক আছে তোমার জন্য আমি মেয়ে দেখবো আমাদের লেভেলের মেয়ে,,,
- কেন মেয়ে দেখবে মেয়েতো আমার পছন্দ করাই আছে,,, আমি তোমাকে একটা কথা বলে দিতেছি আমি ওনাকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করবোনা,,,
- তোমার পছন্দ,, আমি মেয়ে পছন্দ করবো তোমার জন্য
- যদি তুমি মেয়ে পছন্দ করো তাহলে তুমি বিয়ে করে আসো আমি করতে পারবো না
রিফাত এর মা সব কিছু দেখতে পেলো যে ছেলে মা বাবার সামনে চোখ তুলে তাকাতো না সে ছেলে বাবার মুখে মুখে তর্ক করতেছে,,, রিফাত তার সব ভাই বোনের ছোট তারা তিন বোন দুই ভাই বড় ভাই ইতালি থাকে বিয়ে করেছে পাচ বছর কিন্তু আল্লাহ কনো সন্তান দেননি,,,
রিফাত সবার আদরের তার বড় বনের বিয়ের পরে সে দুনিয়াতে আসছে লোকে অনেকে অনেক কথা বলছে কিন্তু তার মা বাবা গায়ে নেইনি,,,,
- সাধারন মেয়ে কি করে আমার ছেলের বউ হতে পারে?
রিফাত চিৎকার করে বলে উঠলো
- উনি যদি সাধারন মেয়ে হয় তাহলে কেনো অয়ন চৌধুরীর মতো একজন সুদর্শন পুরুষ কেন পাগল এর মতো আচরন করে,, অয়ন চৌধুরীতো আমাদের থেকে আমার থেকে কত উওম সাধারন মেয়ে হয়েছেতো কি হয়েছে উনাকে ভালোতোবাসি বাবা,,,, আমাকেতো সব কিছু দিয়েছো ওনাকে দিলে কি হয়েছে,,,, তোমরাতো আমার কষ্ট বুঝো তাহলে এই কষ্টটা কেন বুঝতে পারছোনা,,, রিফাত এর চোখ থেকে দুপোটা অশ্রু গড়িয়ে পড়লো,, তার মা দেখে দোড়ে এসে ছেলে জড়িয়ে দরলো ওনার কত আদরের সন্তান যে ছেলে চোখ থেকে কখনো পানি পড়তে দেইনি এখন কত পানি পড়ছে,,, আম্মু অয়ন চৌধুরী ওনাকে নিয়ে যাবে তুমিতো যানো কতটা ক্ষমতা শালি সে ওনাকে নিয়ে গেলে কি হবে আমার,,, আর দিবেনা আমাকে,,, উনি কিভাবে থাকবে আমাকে ছাড়া আমার থেকে ওনার কষ্ট হবে বেশি,, , যানো আম্মু উনি না আমাকে অনেক ভালোবাসে আমি এতদিন বুঝিনি এখন বুঝতে পারছি আমিও যে ওনাকে ভালোবাসি,,,, রিফাত তার মার থেকে তাকে ছাড়িয়ে নিজের রুমের দিকে চলে গেলো,,,
***** অয়ন রিফাত দের বাসার সামনে দাড়িয়ে আছে রিফাত এর আব্বুর জন্য সে এইভাবে কারো কাছে যাইনা কিন্তু নুর মোহাম্মদ যে কাজটা করেছে সেটা ঠিক করেনি তাই অয়ন নিজেই এসেছে তার কাছে অয়ন এর এসিস্ট্যান্ট তুরাদ কে পাঠালো নুর মোহাম্মদ কে ডেকে আনার জন্য,,,,,
""" 🌿 চলবে,,,, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏