গল্প : তুমি এলে তাই...
 
Notifications
Clear all

গল্প : তুমি এলে তাই (Writer:Nur Nahar Sraboni(

Page 2 / 2

Posts: 11
Topic starter
(@nur)
Joined: 5 months ago
পার্ট : ১৬ 
 
 
 
 
★★★ তুরাদ গিয়ে নুর মোহাম্মদ কে ডেকে আনলো,,, নুর মোহাম্মদ অয়ন কে দেখেই হাত বাড়ালাো  কুশল বিনিময়ের জন্য কিন্তু অয়ন হাত বাড়ালোনা উনিও হাত সরিয়ে নিলো 
- জি মিস্টার চৌধুরী আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন? 
অয়ন এত কথা না বলে সোজা কথায় আসলো,, 
- জি চাচা বাবার বয়সি বলে এখনো সম্মান করতেছি,, 
আপনি কেন করলেন এমন? 
- জি কোনটা গুরিয়ে না বলে সোজা কথা বলেন 
- আপননি মিস্টার ফারুক আর ওনার মেয়েকে কি বলেছেন আপনার এত বড় সাহস কি করে হয় ওনাদের এভাবে অপমান করার? 
মূলত রিফাত এর এই রকম আচরণ এর পর নুর মোহাম্মদ শ্রাবণীদের বাসায় গিয়ে যা নয় তাই বলেছে,, বলেছে রিফাত যদি আর একবার শ্রাবণীর কথা বলে তাহলে দেখে নিবে কি করে তারা এলাকায় থাকে ওনার এহেন কথায় শ্রাবণীর বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছে অয়ন যেহেতু শ্রাবনীর পিছনে অনেক লোক লাগিয়ে ছিলো তার খেয়াল রাখার সেখান থেকে সে এইকথাটা জানতে পেরেছে,,,  
- ফাস্ট এন্ড লাস্ট ওয়ার্নিং দিয়ে গেলাম বাবার বয়সি বলে ছেড়ে দিবোনা আর ছেলেকে সামলাবেন নয়তো পরে পস্তাবেন,,,  
অয়ন এবলে গাড়ি নিয়ে ছুটলো শ্রাবণীদের বাসার উদ্দেশ্য,,, 
*তার সাদা কালারএর গাড়িটা এসে থামলো শ্রাবণীদের বাড়ির সামনে সে গাড়ির কাচ নামাতেই দেখলো হলুদ গোল জামা পরিহিত মাথায় গোমটা দেওয়া চুল কিছু ওরনার নিচ দিয়ে বেরিয়ে আছে  শ্যামবর্নের চেহারা কি মায়াবি লগছে,,, অয়ন মনে মনে আওড়ালো " একদম আমার বউ বউ লাগতেছে ডেইজিকে,,,,, 
 উঠান থেকে জামা কাপড় নিতে এসেছে শ্রাবনী,, আচমকা গাড়ির হন এর শব্দ শুনে পিচন গুরে দেখলো সেই চেনা গাড়ি সেই চেনা চোখ অয়ন এর বাম পাশের চোখের ভিতর এরকটা তিল আছে যেটা আকর্ষিত অয়ন চোখ মেলে তাকালে তিলটা জল জল করে শ্রাবণীর বুকের ভিতর দুপ দুপ করে উঠলো সে জামা কাপড় যে গুলো হাতে নিলো সে গুলো নিয়ে এক দোড়ে  ঘরের ভিতর শ্রাবণীর অনেক ভয় করে অয়ন কে দেখলে কেন এত ভয় সে নিজেও যানেনা,, 
অয়ন এসে তাদের দড়জার সামনে দাড়ালো ফারুক সাহেব অয়নকে দেখে বেরিয়ে আসলো ঘরের ভিতর থেকে,, 
- আরে অয়ন  চৌধুরী যে হঠাৎ আমার বাড়ি কখনো তো আসেন নি আরো আপনার দেখা পাওয়ার জন্য আমাদের ছুটতে হয়,, ঘরের ভিতর আসেন,,, 
- আরে এত অস্থির হবেন না আমি ঠিক আছি,, 
- তো  কিছু কি বলবেন হঠাৎ আমার বাড়িতে  কিছু বুঝতে পারিনি,,  
- একটা জিনিস চাইবো দিতে পারবেন?  ভেবে চিন্তে বলবেন কিন্তু 
- আরে বলুন কি করতে পারি আপনার জন্য, আমর কাছে আপনার কি চাওয়া আছে, আমার মত মানুষ এর কাছে আপনার কিছু চাওয়া থাকতে পারে বিশ্বাস হচ্ছে না কথাটা  কেমন না?  
অয়ন কথা না গুরিয়ে সোজা  কাথায়  আসলো  
- আপনার বড় মেয়েকে চাওয়ার আছে আর হ্যা আপনি না দিলেও আপনার মেয়েকে নিয়ে যাব চৌধুরি বাড়ির বড় বউ করে অয়ন চৌধুরীর গিন্নি বানিয়ে,,, আপনি চাইলেও আটকাতে পারবেন না বুঝতে পারলেন শশুর  আব্বা,, 
শ্রাবণীর বাবা তেমন বড়লোক পছন্দ করেন না তিনি সব সময় চান সাধারন একটা ঘরে মেয়েদের কে বিয়ে দিবেন,,, সে ক্ষেএে অয়ন এর কথাটা ওনার পছন্দ হইনি,, লামিয়া অয়নকে দেখে শ্রাবনীর কাছে গিয়ে বলতে লাগলো 
- আপু ওই হ্যান্ডসাম টা আমাদের বাড়িতে  দেখেযা 
- আমার দেখার সখ নাই আর একবার বলবি থাপ্পড় মেরে মুখ পাঠিয়ে দিব 
- যাহ বাহবা আমি কি এমন বললাম দূর মোডটাই নষ্ট করে দিলি, এবলে লামিয়া আবার উকি দিয়ে  দেখতে গেছে অয়নকে,,
শ্রাবণীর বাবা কি করবে এত বড় বিজনেসম্যান চেয়ারম্যান এর ছেলে কি করে পিরিয়ে দিবেন বুঝতে পারছে না,,,, আবার গ্রামের লোকেরা কানা কোষা করবে,,
- বুঝতেই তো পারছো বাবা গ্রামের লোকেরা কেমন আমার মেয়ের নামে বদনাম উঠাতে তাদের সময় লাগবেনা 
- আপনি এত কথা না বলে সোজা কথা বলেন কে কি বললো আমার দেখার বিষয় না আপনি মেয়ে দিবেন কিনা সেটা বলেন? এখনো আপনার অনমতির অপেক্ষা করছি বলে ভাববেন না আপনার মেয়েকে রেখে যাব,,, অয়ন চট করে ফারুক সাহেবের হাতটা ধরে পেললো 
আমি কখনো কারো কাছে হাতজোর করে কিছু চাইনি এই প্রথম আপনার কাছে কিচু  চাইছি 
- আপনি যানেন আপনার এত সম্মান কেন সব আপনার মেয়ের জন্য আপনি সঠিক শিক্ষা দিয়েছেন আপনার মেয়েকে আপনি একজন আদর্শ বাবা,,, 
- ফারুক সাহেব কি করবে বুঝতে পারছে না এমন করে কেউ তার শ্যামকন্যা আদরের মেয়েকে চাইচে কি করে তিনি পিরিয়ে দিবেন,,,, 
- কথা দাও বাপ কনো আমার মেয়েরে কষ্ট দিবানা সমাজে সুন্দর সৃকৃতি দিবা ওনার চোখ থেকে এক পোটা অশ্রু অয়ন এর হাতে পড়লো,,,,, সত্যি বাবারা সব সহ্য করতে পারলেও সন্তানদের কষ্ট সহ্য করতে পারেনা তাই ফারুক সাহেবের ক্ষেএেও তাই,,, 
অয়ন এর মুখে প্রশান্তির হাসি এই হাসি দেখে বুঝা যাই সে কতটা খুশি হেয়েছে ফারুক সাহেব এর কথা শুনে,, ফারুক সাহেব মেয়েকে ডাক দিলেন 
- " বড় আম্মু এই দিকে আসেন 
- জি আব্বু আসতেছি,, 
শ্রাবণী যখন দেখলো অয়ন আর তুরাদ চেয়ার এ বসে আছে সে ওড়না দিয়ে মুখ ডেকে নিলো মাথা নিচু করে বলতে লাগলো,,, 
- জি আব্বু কিছু লাগবে?  
- নাহ কিছু লাগবেনা, কিন্তু একজনের আপনারে লাগবো,, কথাটা শুনে শ্রাবণী বুকে দুপ দুপ আরো বেড়ে গেলো হাত পা ঠান্ডা হয়ে এলো হইতো সে কিছুটা আন্দাজ করতে পারলো কি বলবে তার বাবা,,, 
ফারুক সাহেব কিছু বলার আগেই শ্রাবণী বলে উঠলো 
- আব্বু কিছু লাগবেনা যেহেতু আমি আসি,,, এবলে সে একসেকেন্ড ও দাড়ালোনা সে অন্য একটা রুমে গিয়ে হাপাতে লাগলো সে গামতেছে ঠান্ডার মধ্যে ও 
অয়ন কিছুটা বুঝতে পারলো শ্রাবণী কেন এমন করলো,,, ফারুক সাহেব ও বুঝলো মেয়ের এহেন আচরন,,,,,,  
- আচ্ছা আমরা তাহলে আসি,,,, অনয় এবলে চলে গেলো,,,, জালকা পাতলা নাস্তা দিয়েছিলো সেখান থেকে একটা পিঠা অয়ন মুখে দিয়ে ছিলো সে ফারুক সাহেব কে জিজ্ঞেস করছিলো কে এই পিঠা তৈরি করেছে উনি বললেন শ্রাবণী তৈরি করেছে,, 
**মাহির  চাচাতো বোন হিমু এসে একটা পার্সেল এনে মাহিকে দিয়ে বললো একটা ভাইয়া দিছে মাহি না নিতে চাইলে হিমু ঘরে রেখে চলে যাই,,,,,, 
🌿 চলবে,,,,, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏
Loading spinner

Reply
Posts: 11
Topic starter
(@nur)
Joined: 5 months ago

পার্ট : ১৭ 

 

★★★ মাহি   সে ফার্সেলটা  খুলতে লাগলো ফার্সেল খুলেই সে দেখতে পেলো একটা নিল কালার এর  শাড়ি চুড়ি  একটা বেলি ফুলের  গাজরা সঙ্গে,,,  একটা চিঠি ও আছে সে চিরকুট টা খুলে পড়তে লাগলো,,, 

""" আজকে আসর নামাজের পর এগুলে পড়ে সুন্দর করে সেজে তোমাদের পুকুর পাড় অপেক্ষা করবে আমি আসবো মাহি জান একটু অপেক্ষা করো,,,,  

মাহি ঠিকি বুঝতে পারছে এইসব কার কাজ,,,, মাহির এখন কেন যেন আরিয়ানকে বিরক্ত লাগেনা মন বরে একটু দেখতে চাই,,, 

মাহিও আসর নামাজ পড়ে রেডি হয়ে পুকুর পাড়ে দাড়িয়ে আছে হাঠাৎ পিছন থেকে একটা পুরুষালি  কন্ঠ বেসে এলো,,,, মাই সিঙ্গার,,, 
মাহি পিছন গুরে দেখলো আরিয়ান একটু দূরে দাড়িয়ে আছে হাতদুটো বুকে আড়াআরি ভাবে রেখে,, আরিয়ান নিল কালার এর পাঞ্জাবি সাদা পায়জামা পড়া,, মাহি আরিয়ানকে দেখে বুকের দুপ দুপ আরো বেড়ে গেছে আরিয়ানতো এখনো চোখ এ সরাতে পারছেনা তার রানির থেকে,, 
মাহির চুল গুলো চেড়ে দেওয়া হাটু বরাবর  সিল্কি চুল গুলো এলোমেলো উড়ছে  ,,,,,, 
আরিয়ান দির পায়ে হেটে মাহির সামনে দাড়ালো তার এলো মেলো চুলগুলো ঠিক করে দিচ্ছে,,, 
- এত সুন্দর কেন লাগছে মাহিজান আমি যে এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি,, আরিয়ান  বুকের বাম পাশে হাত দিয়ে বললো,,,,  
মাহি অন্য রকম দৃষ্টিতে আরিয়ান এর দিকে তাকিয়ে আছে,,, 
- এভাবে তাকিওনা মরে যাবতো,,, 
 মাহির চোখ গুলোও ডাগর ডাগর সব মিলিয়ে এক অপরুপ সুন্দরর্যের অধিকারিনী সে,,, 
- এভাবে বলবেন না সাহেব আমার থেকেও আপনি বেশি সুন্দর,,, 
- মাহিজান তোমার সুন্দরর্যের কাছে আমি কিছুইনা,,,
হঠাৎ করেই আরইয়ান মাহিকে জড়িয়ে দরলো মাহি একদম প্রস্তুত ছিলোনা এটার জন্য, চার পাশে নরবতা  দুজনের গন নিশ্বাস বাতাসের সাথে  মিশে যাচ্ছে মাহি  কাপতেছ  কাপা কাপা হাতে আরিয়ান এর পিঠের শার্ট খামছে ধরে আছে,,, 
- কিছু অনুভব করতে পারছো মাহিজান?  
- হুম আপনাকে,,  সারা জিবন এভাবে রেখে দিয়েন আপনার বুকের মধ্যখানে,,,  
দুজন দুষ্টু মিষ্টি কিছু সময় কাটালো এতক্ষণে মাগরিবের আজান পরে গেছে,,,  

** এই আমার থেকে কমপক্ষে দশ হাত দূরত্ব বজায় রেখে চলবে একদম গায়ে পড়বেনা অয়ন কথাটা  ফাইজার উদ্দেশ্য বলল,,, 
 অয়ন নিচে নেমে  ডিনারে  যাওয়ার সময় ফাইজা এটা ওটা বলছিলো অয়ন কিছু বলেনি কিন্তু মেয়েটা একদম গায়েপড়া,,, 
একে একে সবাই খেতে আসলো আরিয়ান এসেই দপাশ করে অয়ন এর  ডানপাশে বসে পড়লো ফাইজা এসে বাম পাশে বসে পড়লো অয়ন যখন বুঝতে পারল তার পাশে ফাইজা বসেছে সে উঠতে গেলেই তার দাদু তাকে আবার বসিয়ে দেয় বেছারা কোন মহা বিপদে পেশে গেলো আরিয়ান মুখ চেপে হাসতেছে অয়ন রাগি লুকে আরিয়ান এর দিকে তাকিয়ে আছে,,,
অয়ন মনে মনে আওড়ালো সালা বড় ভাইকে রেখে কাম সারাই এখন আবার প্রেম করা হচ্ছে আপনার প্রেম ছুটাবো আমি,,,,, 
 এই বলে সে খাওয়াই মনে যোগ দিলে একটু পর পর ফাইজা তার দিকে তাকাচ্ছে,,, 
- এই এভাবে তাকাচ্ছো কেন এভাবে তাকিয়ে থাকলে খাবো কিভাবে একটুতো লজ্জা করো পুরুষ মানুষ আমি,,, আলিয়া চৌধুরী বলে উঠলো 
-  কি হয়েছে হবু জামাইয়ের দিকে তাকানো যাই সমুস্যা নাই,,, আরিয়ান এর মুখে পানি ছিলো আলিয়া চৌধুরীর কথা শুনে মুখ থেকে পানি বেরিয়ে অয়ন এর গায়ে পড়লো,,,  অয়ন রাগ চরম পর্যায় চলে গেছে  আরিয়ান দোড়ে পালাতে যাবে তখনি অয়ন পিছন থেকে শার্ট খামছে ধরে পুরো একজগ পানি আরিয়ান এর মাথার উপর ঢেলে দিলো,,,, 
 বাড়ির সবাই হাসতেছে তাদের কান্ড দেখে অয়ন এর মেজাজ একদম বিগড়ে গেছে সে হনহনিয়ে উপরে চলে গেলো,,,  আরিয়ান কি করবে কান্নাও করতে পারবেনা লাজ্জা পাবে অনেক ঠান্ডা লাগতেছে তার  এই ঠান্ডার মধ্যে একজগ পানি কি মুখের কথা,,, 
একদিন পুকুরের পানিতে ডুবাই আরেকদিন একজগ পানি দিয়ে গোসল করায় আরিয়ান বিড়বিড় করে বললো কথা গুলো,,,,,

* দেখতে আরো তিনদিন কেটে গেলো এই তিনদিন শ্রাবণীর সাথে রিফাত এর দেখা হয়েছিলো কিন্তু সে কনো কথা বলেনি,,, 
 রিফাত অনেক চেষ্টা করেছে কথা বলার জন্য কিন্তু শ্রাবণী কথা বলেনি  আজকেও তার বেতিকরম নই রিফাত পিছন থেকে ডাকছে তাকে,,,,
- প্লিজ একটু শুনুন না, দাড়ান একটা কথা বলার সুজোগ দিন আপনার কি কষ্ট হচ্ছে না একটুও,,,
শ্রাবণী গুরে দাড়ালো তার চোখে পানি জল জল করতেছে,,,,,
বান্ধুবির জন্য মাহির ও অনেক খারাপ লাগতেছে,,,, 
- কি বলতে চান আপনি? আবার আপনার বাবার থেকে অপমানিত করতে চান? শ্রাবণীর গলায় কথা গুলো আটকে আসছে,,, 
- আমারা বাবার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি,,,  আপনিতো আমাকে ভালোবাসেন তাইনা 
- ভালোবাসি দেখেতো কিছু বলতে পারছিনা,,,,  
- আমি আর আপনি দূরে কথাও চলে যায় যেখানে কেউ আমাদের ডির্স্টাব করতে পারবেনা,,,,,  যাবেন আপনি? 
- কি বলছেন কি শিক্ষিত হয়ে মূর্খের মত কথা বলছেন কেনো?  আমার অনুভূতির আগে আমার বাবার সম্মান সেটা আপনি খুব ভালো করে যানেন,,,  
- ওকে ঠিক আছে,,, আমি আমার বাবাকে মানিয়ে আপনার কাছে আবার আসবো ততদিন অপেক্ষা করবেন আমার জন্য এখনতো মন পেয়েছি পরে পুরো মানুষটা আমার করে নিবো,,, 
- আপনি আপনার বাবাকে বুঝাতে বুঝাতে যদি সময় শেষ হয়ে যাই কি করবেন তখন? 
- এমন করে কেন বলছেন,,  আমি আপনাকে হারাতে ছাইনা আপনার মত করে কেউ আমাকে ভালোবাসবেনা,,, 
আরো কিছু কথা বলে, দুজনে কলেজ চলে গেলো  শ্রাবণী মাহি,,, রিফাত কি করবে সে নিজেও বুঝতে পারছেনা,,,  
এতক্ষন মাহির বুকে পড়ে শ্রাবণী কান্না করছিলো মাহিও কান্না করছে নিজের জানুর কান্না দেখে সে নিজের কান্না আটকাতে পারেনি,,,  
 
**** কিরে সালা মার খেয়েও আক্কল হলোনা ৫০ বছর বয়স হয়েও শরিরে এত তেজ বাহবা,,, 
নিজের জিবন নিয়ে একটুও চিন্তা হয়না শেষ মেষ নিজের  ছেলের বয়সি ছেলের হাতে মারা খাওয়ার সখ জাগছে,,,, 

🌿চলবে,,,ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আপনারা,,,,

Loading spinner

Reply
Posts: 11
Topic starter
(@nur)
Joined: 5 months ago

পার্ট: ১৮ 

 

★★★আমিন খান একটা চেয়্যার এর উপর বসে আছে  অয়ন তার মুখোমুখি হয়ে দাড়িয়ে আছে,,,, মূলত আমিন খান অয়ন দের স্বর্নের উপর গোপনে তদারকি করছে,,, অয়নদের বাপ দাদা সবাই জুয়েলার্সের বিজনেস করে আসছে তাদের অফিসের নাম হচ্ছে চৌধুরী জুয়েলার্স,,,আগে শুধু দেশে সিমাবদ্ধ  ছিলো অয়ন বিজনেস এ জইন কারার পর  এখন দেশ বিদেশ তাদে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে ,,,,  

- কি মামা কনো নকল মাল পেলে তদারকি করে,, ভালোই ছিলে আমার সাথে কাজ করাই মানুষ বলেনা সুখে তাকলে ভুতে কিলাই তোমার অবস্থা ও সেম,,,, ? 

আমিন খান আগে অয়ন এর সাথেই কাজ করছিলো কিন্তু সহ্য করতে পারনি অয়ন এর এত বড় সফলতা,,,  
- এখন এইখানেই বন্দি থাকো মামা সামনে মার্কেটে বড় একটা ডেজাইন লন্ঝ হবে আর তুমি বসে বসে দেখবে একবারি পেয়েছো ট্রপি যখন আমি চিলাম না ,,,, এই বলে অয়ন পেক্টোরি থেকে বেরিয়ে গেলো এখন আবার অফিস এ যেতে হবে,,,,

* শ্রাবনী বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে নামাজ পড়ে বাসার সবার সাথে একটু মজা করছিলো তখনি ফারুক সাহেব মেয়েকে ডাক দিলো,,, 
- বড় মা এইদিকে আসেন 
- জি আব্বু,, শ্রাবনী গিয়ে বাবার পাশে দাড়ালেন,,, 
- অয়ন চৌধুরী কি বললেন আপনি সুনছেন না?  
- কি বলছে আব্বু? 
- উনি আপনাকে ওনার ঘরের বউ করতে চাই,,,
কথাটা কর্ন গহব্বরে পৌঁছাতেই শ্রাবণীর হৃদপিণ্ড থমকে গিলো 
- কি বলছো আব্বু?  তুমিতো জানো আমি অন্য কাউকে চাই আর আমার অয়ন চৌধুরীকে পছন্দ না 
- কি বলছো মা আপনি শুনেন নাই নুর মোহাম্মদ আমাদের বাড়িতে এসে থ্রেট দিয়েগেছে,, তার পরেও আপনি কি ভাবে ভাবছেন আপনাকে আমি ওই ছোটলোক টার বাড়িতে  দিবো,, মা আপনি ওই ছেলেটাকে ভুলে যান,,,, এতটুকু বলে ফারুক সাহেব থামলেন 
- আব্বু রিফাত ভাই না বলছে উনি সব ঠিক করে দিবে আমি কি করে থাকবো ওানাকে  ছাড়া?  শ্রাবণীর চোখ থেকে অনবরত পানি গড়িয়ে পড়ছে নিচে,,,,  
- আমি যানি আপনার কষ্ট হচ্ছে,, অয়ন চৌধুরীর সাথে থাকলে সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে ভুলে যাবেন রিফাত কে আমি বলছি আম্মা 
- এত সহজ সব কিছু আব্বু?  শ্রাবণী আর কথা বাড়ালোনা নিজেদের রুমে চলে গেলো,,,, 

* অয়ন কিছু কাগজ ঠিক করতেছে, একটা নিবন্ধন কার্ডে   লেখা আহনাফ অয়ন চৌধুরী আরেকটাতে লেখা নুর নাহার শ্রাবণী,,,  এমন কিছু কাগজ একটা ফাইলে ডুকাচ্ছে ,,,,  
- তুরাদ,,,,,,  
- জি স্যার কিছু লাগবে? 
- চলো আমার সাথে,,, অয়ন আরিয়ান আকাশকে ও কল করলো আসার জন্য  

***** কি হয়েছে রিফাত ভাই আমার? তানজিম রিফাত এর উদ্দেশ্য বলল 
- কই কিছু না 
- জানিস ভাই ফাইজা না আমার সাথে চিট করছে ও বলেছিলো ও আমাকে অনেক ভালোবাসে এখন অয়ন চৌধুরীকে বিয়ে করছে,,,,  
- কি বলিস সত্যি? 
- তুই এত খুশি হলি কেন?  আমার ভালোবাসার মানুষ হরিয়ে গেছে দেখি তুই এত খুশি?
- ফাইজা মেয়েটা না তোকে কখনো ভালোবাসেনি যদি বাসতো এইভাবে চিট করতোনা,,,  আর বললিনা অয়ন চৌধুরীর সাথে বিয়ে অয়ন চৌধুরী কি রাজি 
- জানিনা,,,  আমাকে উনি ফোন করে বলেছে 
- কি বলিস তাহলে শ্রাবণী উনি আমার থাকবে অয়ন চৌধুরী আর নিয়ে যেতে পারবেনা,,, 
মসজিদে এশার আজান পরছে রিফাত লাপ মেরে উঠে মসজিদে যাওয়ার জন্য বের হলো তানজিমকে নিয়ে,,,,  

 চলবে,,,, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,,,

Loading spinner

Reply
Posts: 11
Topic starter
(@nur)
Joined: 5 months ago
পার্ট : ১৯ 
 
 
★★★ শ্রাবণী একটা রুমে বসে  কান্না করতেছে তার আশে পাশে কেউ নেই ,,,  সবাই সামনের রুমে বসে কথা বলতেছে 
- ইয়া আল্লাহ কেন এমনটা হয়েছে  উনি শুনলে কষ্ট পাবেতো, আমি সহ্য করতে পারছি না এই কষ্ট, কিভাবে থাকবো ওনাকে ছাড়া আমার পাশে ওনাকে ছাড়া আমি কাউকে কল্পনাও করতে পারিনা সেখানে ওনার জায়গা কেমনে অন্য কাউকে দিবো,,,  এমনটা হতে পারেনা  আল্লাহ,,,,
 শ্রাবণীর বুক পাটা আর্তনাদ কি কেউ শুনতে পারছে?  না কেউ শুনতে পাচ্ছেনা কারন এই চিৎকার এর কনো আওয়াজ হয়না উপরের ক্ষত সবাই দেখলেও বুকের ভিতরের ক্ষত কেউ দেখতে পাইনা একমাএ আল্লাহ ছাড়া,, চোখ দুটো পুলে অসম্ভব লাল হয়ে আছে চুল গুলো এলোমেলো হয়ে আছে ওড়না অর্ধেক গায়ে আর অর্ধেক নিছে,,,  পুস্প বেগম মেয়ের কাছে আসতেই দেখলো এলোমেলো মেয়েকে এমন অবস্থা দেখে উনি নিজেকে সামলাতে পারেন নাই দোড়ে মেয়ের কাছে গিয়ে জড়িয়ে দরলেন,,,  
- কেন এমন করছিসরে সবতো তোর ভালোর জন্য করছে দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে,,, শ্রাবনীর মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছে না গলায় আটকে আসছে অনেক কষ্টে বললো 
- কিচ্ছু ঠিক হচ্ছেনা,,,, আম্মু,,, 
- হুম
- আমাকে না মেরে পেলো আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে বুকের ভিতর অনেক,,,
- এমন ভাবে বলিস নারে অয়ন চৌধুরী তোকে সত্যি ভালোবাসেরে 
- কে বলছে ভালোবাসতে আমিতো বাসিনা,,,

অয়ন আকাশ আরিয়ান তুরাদ সাথে দুজন হুজুর কে নিয়ে শ্রাবনীদের বাসায় আসলো তখন যে  কাগজ গুলো ফাইলে রাখছিলো এইগুলো বিয়ের কাগজ ছিলো হঠাৎ অয়নের মাথায় কি আসলো কে যানে,,, 

 সব কিছু রেডি আছে শ্রাবণী কাবিন নামায় সিগনেচার করতে গিয়ে বারবার কলম পড়ে যাওয়াই আর হাত অসাবাভিক ভাবে কাপছিলো  সে জন্য তার টিপ সই নিয়ে নিছে,, 
অয়ন হঠাৎ কেন এমন করলো ফারুক সাহেব ও বুঝতে পারেন নাই ,,,  শ্রাবনী কনো ভাবে রাজি হচ্ছিলো না দেখে জোর করে সই নিয়ে নিছে,,,  সমাজের সামনে বাবার সম্মান বাচানোর জন্য বেশি রিয়াক্ট করে নাই শ্রাবণী,, 
সত্যি মেয়েরা বাবার সম্মান এর জন্য নিজের জিবন দিতেও পারে,,,  একটা ছেলে চাইলে  জোর করে তার   সখের নারীকে নিজের করে নিতে পারে কিন্তু একটা মেয়ে চাইলোও নিজের সখের পুরুষটাকে নিজের করে নিতে পারেনা,,, নারীর বেলায় সমাজ অনেক নিষ্ঠুর,,,
 শ্রাবণী মাথা খাটের সাথে রেখে নিচে বসে আছে,,,  সব শেষে কাজিকে বিদায় দিয়ে তারা সবাই বসে কথা বলতেছে,,, 
- ভাইয়া তুমিও কাম সারাই পেলছো?  কি বলবো দুজনে বাড়িতে?  যদি দুজনকে বাড়ি থেকে বের করে দেই কি করবো?আরিয়ান অয়নকে উদ্দেশ্য করে বলল 
- আরিয়ান চুপ কর সিরিয়াস মুডে ফাইজলামি ভালো লাগছেনা আর একটা উল্টা পাল্টা বলবি কানের নিচে একটা মারবো 
- তোমার ফাইজলামি মনে হচ্ছে কেন আমিতো সিরিয়াস বলছি,,,, 
""""এই তোরা থামবি কি করছিস তোরা """"আকাশ বলে উঠলো,,, 
আচ্ছা অয়ন বল এখন ভাবিকে নিয়ে যাবি নাকি রেখে যাবি? 
- সালা তোর কি মনে হয় বিয়ে করছি বউ ছাড়া ঘুম আসেনা বলে এখন তুই বলছিস বউ নিয়ে যাব নাকি রেখে যাব বলবি কবে চাচা ডাক শুনবো তা না বলে কি বলিস,, অয়ন এর লাগাম ছাড়া কথায় আকাশ পানি নিয়ে এক ডোক পানি খেয়ে নিলো,,,,, 

লামিয়া অনেক্ষন শ্রাবণীর সাথে বসে চিলো মাহি কল দিছে কিন্তু শ্রাবণী কথা বলেনি,,,  মাহি অনেক্ষন ধরে চেষ্টা করছে কথা বলার জন্য কিন্তু পারেনি,,,,  

দরজার সামনে একটা পুরুষালি কন্ঠ শুনতে পেয়ে লামিয়া গুরে তাকালো,,  অয়ন কে দেখে লামিয়া রুম থেকে বেরিয়ে গেলো,,,  
শ্রাবণীর অবস্থা দেখে অয়ন এর বুকের ভিতর হু হু করে উঠলো,,, দির পায়ে হেটে শ্রাবণীর সামনে হাটু কেড়ে বসে পড়লো,,  কাপা কাপা শ্রাবণীর মুখ নিয়ে বলে উঠলো,,, 
- ডেইজি তুমি যে বললে ওই ছেলেটাকে ছাড়া থাকতে পারবেনা তেমন যে আমিও তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না,  তাইতো এত নিষ্ঠুর হলাম আল্লাহ হইতো তোমাকে আমার জন্য সৃষ্টি করেছে তাইতো নিজের করে পেলাম,, শ্রাবণী ঝাড়া মেরে অয়ন এর হাত পেলে দিলো নিজের মুখ থেকে,,,  
- একদম আমার সামনে আসবেন না অসভ্য লোক ঘৃনা করি আমি আপনাকে,, আপনি আমার সব শেষ করে দিলেন,,, অয়ন এর বুকের উপর কিল ঘুসি মারতে মারতে বললো,,,, 
- কে বলেছে আমি সব শেষ করেছি আমি সব নতুন করে শুরু করতেছি ডেইজি 
- এইসব আজেবাজে নামে একদম আমাকে ডাকবেন না 
- ডাকবো যত ইচ্ছে তত ডাকবো দেখি কি করতে পারো তুমি,,,  ওকে আর কান্না করোনা চল এখন 
- কোথায়? 
- আমার বউ আমার সাথে যাবে 
- আপনি ভাবলেন কি করে আমি আপনার সাথে যাবো? আমিতো মানিনা আপনি আমার স্বামী,, আপনি কেউ নন আমার,,,  
- ছি ছি কি বলো বউ আল্লাহ নারাজ হয়ে যাবে সধ্য বিয়ে করা বউ স্বামীকে অস্বীকার করছে এমন বলেনা ডেইজি 
- এখন ছাইলেও তুমি আমার থেকে দূরে যেতে পারবেনা,,, উঠো আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে ওকে না উঠতে চাইলে সমুস্যা নাই কলে তুলে নিচ্ছি বউটাতো আমার,,,  শ্রাবণীর কষ্ট হচ্ছে,, বারবার এই লোকটা কেন বউ বউ করছে তার কথা বের হচ্ছে না মুখ দিয়ে,,, 

রিফাত কি যানে সে যে আর পাবেনা শ্রাবণীকে সে কি কষ্ট পাবে?  শুধু কষ্ট পাবেনা ভিষন রকমের কষ্ট পাবে,,
শ্রাবনী সাইন করার আগেও রিফাত কে সরন করেছে,, এই বুজি উনি আসবেন আর বিয়েটা হতে দিবেনা,, না কিন্তু এমন কিছু হইনি রিফাত আসলোনা ,,,, 

****** ফাইজার মা সহ সবাই অয়ন দের বাড়িতে আনন্দে পুরো বাড়ি মেতে উঠেছে,,,, হঠাৎ মাহিন চৌধুরী দরজার দিকে চোখ জেতেই দেখলো অয়ন আরিয়ান বাড়িতে ডুকছে অয়ন এর কলে অজ্ঞান  অবস্থায় একটা মেয়ে,,,, নিমিসেই বাড়ির সব আনন্দ গায়েব,,,,, 

চলবে,,,,ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,,,,

Loading spinner

Reply
Posts: 11
Topic starter
(@nur)
Joined: 5 months ago
পার্ট : ২০ 
 
 
★★★ অয়ন বাড়িতে পা রাখতেই সবাই গিরে দরছে,,, 
- এই মেয়েটা কে?  মাহিন চৌধুরী ছেলের উদ্দেশ্য বলল 
- তোমার বোউমা,, অয়ন এর সহজ সিকার উক্তিতে মাহিন চৌধুরীর মেজাজ চোড়ে গেলো,, 
উনি আর কিছু না ভেবে ঠাসস অয়ন এর বাম গালে মেরে দিলো একটা,, অয়ন জর্ন্ম থেকে এই সহ দুইটা থাপ্পড় খেয়েছে তার বাবা হাতে,,, পুরো বাড়ি নিস্তব্ধত হয়ে গেছে,,  
- ইয়ারকি পেয়েছো?  যাকে তাকে এনে বাড়ির বউ দাবি করবে তা আমি মেনে নিব,, ইয়ারকি না করে ঠিক করে বল কে এই মেয়ে?  নাজমা,,, 
- জি বলো 
- তোমার ছেলেকে ইয়ারকি বন্ধ করতে বলো 
অয়ন বলে উঠলো,, 
- আমি ইয়ারকি বা ফাইজলামি করছিনা আর তোমাদের সাথে ফাইজলামি করবো কেন? অয়ন উপরে যেতে নিলে ফাইজা সামনে গিয়ে দাড়ায় 
- কোথায় নিয়ে যাচ্ছো এই মেয়েকে নামাও তোমার কোল থেকে একটা রাস্তার মেয়ের কনো যোগ্যতা নেই  তোমার বউ হওয়ার 
- আর একটা বাজে কথা বলবে আমার থেকে খারাপ কেউ হবেনা,, 
- কি করবে মারবে,,, ?  
- আমার হাতে মার খাওয়ার যোগ্যতাও তোমার মত মেয়ের নেই,, সামনে থেকে সরো,,, 
বাড়ির সবাই নিস্তব্ধ হয়ে আছে কারো মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছেনা কি বলবে কারোতো বিশ্বাস হচ্ছেনা অয়ন এর মত একটা ছেলে এই কাজ করবে,,, নাজমা চৌধুরী আরিয়ান এর হাত দরে বলতে লাগলো 
- আরিয়ান তুমি বলো কে এই মেয়ে অয়ন কেন এ বা এই মেয়েকে বউ বলছে,,, আরিয়ান এর হাত পা কাপছে 
- বিশ্বাস কর বড় আম্মু আমি কিছু যানিনা তোমার ছেলেকে জিজ্ঞেস করো আমাকে ছেড়ে দাও সুধু এই টুকু যানি ভাইয়া ভাবিকে ভালোবাসে তার চেয়ে বেশি কিছু যানিনা,,, 
 নাজমা চৌধুরী আরিয়ান এর হাত ছেড়ে দিয়ে সোফায় বসে পড়লো,, 
অয়ন এতক্ষণ ফাইজার সাথে তর্ক করছিলো এখন ফাইজাকে পাশ কেটে নিজের রুমের দিকে যেতে লাগলো,,,  
শ্রাবণীর এখনো  জ্ঞান পিরেনি বেশি কান্নার ফলে  জ্ঞান  হারিয়ে পেলছে,,, অয়ন রুমে এসেই শ্রাবণীকে বেডে সুয়ে দিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেছে,,, 
নিচে ফাইজার মা আর ফাইজা কান্না কাটি সুরু করে দিছে,,,
ফাইজার মা আছিয়া রহমান,,, অয়ন এর বাবার সামনে গিয়ে বলতে লাগলো 
- এইসব কি হচ্ছে ভাই আপনার ছেলে কি করেছে এইটা আমার মেয়ের জিবনটা শেষ করে দিলো,,,,  আছিয়া বেগম এর কথা শুনে  রুপা চৌধুরী বলে উঠলো 
- আপা আপনার মেয়ের জিবন কই নষ্ট হলো শুধু বিয়ের কথা চলচিলো এইটুকুই,,, মাহিন চৌধুরী হাত তুলে রুপা চৌধুরীকে থামিয়ে দিলেন,,, আর কনো কথা নয় যে যার কাজে যাও আমি পরে দেখতেছি এইসব,,, 
আসিয়া রহমান আবার কথা বাড়াতে গেলে,, মাহিন চৌধুরী বললো 
- আপা এখন বাসায় জান পরে দেখতেছি সব সিনক্রিয়েট করবেনা হাতজোর করে বলছি,,, 
আসিয়া রহমান মেয়েকে নিয়ে বাসার দিকে রওনা দিলো,,,  

**** অয়ন ফ্রেশ হয়ে  এসে দেখলো শ্রাবণীর এখনো জ্ঞান পিরে নি,,  
- ডেইজি উঠো হেই উঠো,,  শ্রাবণী উঠছেনা দেখে কি করবে,,,  তার মাথায় একটা বুদ্ধি এলো সে কি করলো তার সুজ থেকে মুজো গুলো নিয়ে শ্রাবণীর নাকের সামনে দরলো, একটু পর শ্রাবণী কাশতে কাশতে উঠে পড়লো,, সে নিজের অবস্থান না বুঝে আবার সুয়ে পড়লো,, তার মনে হলো বিছানাটা বেশি নরম মনে হচ্ছে,, আবার উঠে বসলো নিজেকে অছেনাই জায়গাই দেখে চিৎকার করে উঠলো,,  অয়ন মুখ চেপে দরলো 
- কি করছো কি আমার মান সম্মান সব খেয়ে দিবে নাকি, সবাইতো আমাকে কন্ট্রোললেস ভাববে,,, 
অয়ন শ্রাবণীর মুখ ছেড়ে দিলো
- আমাকে কোথায় নিয়ে আসছেন?  
- কেন তোমার শশুর বাড়ি,,,  
- কিহ আপনার বাবা মা আপনাকে বাসায় ডুকতে দিছে 
- কেন দিবেনা আমি কি  করেছি আবার,,  
শ্রাবণী মনে মনে আওড়ালো পাগল এর পাল্লায় পড়লাম,,  
হঠাৎ রিফাত এর কথা মনে পড়তেই শ্রাবণীর মনে হলো কেউ তার বুকে পাহাড় তুলে  দরছে,,,  
সে আবার কান্না শুরু করে দিছে,,, 
- দূর কান্না করছো কেন তুমি আরো আনন্দ করবে নতুন জায়গাই আসছো, 
- আপনার কি আপনি কখনো আমার কষ্ট বুঝবেনা,,, আপনার কাছে একটা জিনিস চাইবো দিবেন 
- একটা কেন হাজারটা জিনিস চাও কি চাই তোমার বলে পেলো 
- আমিতো এখনো পবিএ তাইনা 
- হুম তো কি চাও অপবিত্র করে দিই 
- অসভ্য লোক চুপ করুন 
- আপনি আমাকে ডিবোর্স দিবেন,,  শ্রাবনীর কথা অয়নের বুকে কাটার মত বিদলো,,, অয়ন কন্ঠ খাদে নামিয়ে শ্রাবণীর মখ আলতো হাতে দরে বললো
- আমার মৃত্যু চাইও তবুও বিচ্ছেদ চাইও না ডেইজি 
- মরে জান আমার কি,, চাইনিতো আমি আপনাকে,,
অয়ন এর হাত শক্ত হয়ে আসলো শ্রাবণীর মুখ চেপে দরে বলতে লাগলো
- কেন আমি মরলে অন্য বেডা নিয়ে থাকবি,, কি ভাবছ আমি মরলে তোকে একা রেখে যাব নাহ তোকেও নিয়ে যাব আমার সাথে,,,  শ্রাবণীর মুখ চিড়ে মনে হচ্ছে এখনি দাত বেরিয়ে আসবে,,,  অয়ন শ্রাবণীকে ছেড়ে দিয়ে উঠে দাড়ালো,,,  শ্রাবণীর কান্না আরো বেড়ে গেছে,, কিন্তু তার মুখ থামেনি ,,,, 
- রিফাত ভাই হলে কখনো এমন বিহেব করতোনা আমার সাথে,,  অয়ন মেজাজ তির তির করে বেড়ে গেলো,,,সে দাবা মেরে শ্রাবণীর মুখ তার মুখের সামনে নিয়ে আসলো,,,  
- তুই পুরোটাই আমার তোর মুখে কারো নাম আমি সহ্য করবোনা,,  
এই বলে সে শ্রাবণীর উপর জাপিয়ে পড়লো,,, ছোট শরিরটা বার বার কেপে উঠছে,,,, অয়ন এর মত সুঠাম দেহি মানবকে সে নিজের থেকে সরাতে পারেনি,,,  অনেক্ষন পর সে নিজে থেকে সরে গেলো,, সে জানতো শ্রাবণী এখনো অনেক ছোট,, তার এইটা ঠিক হয়নি,,,  কি করতো সে তার বউ তার সামনে অন্য কাউকে চাই এইটা কিভাবে মেনে নিবে,,  
সে শ্রাবণীকে কলে তুলে নিয়ে নিজেই ওয়াশরুম এর দিকে হাটা দরলো,,,,  

চলবে,,,,,  ভুল হলে ক্ষমর দৃষ্টিতে দেখবেন

Loading spinner

Reply
Page 2 / 2
Share:

Loading spinner