Golpo :Ishq Ya Moha...
 
Notifications
Clear all

Golpo :Ishq Ya Mohabbat(By: Priynshi Chowdhury)


Posts: 39
Topic starter
(@priyanshi-chowdhury)
Joined: 5 months ago
সোয়াতের বারকোট শহরের বাতাসে আছে পাহাড়ী ঘ্রান আর নদীর কলতান। প্রকৃতি সেখানে অদ্ভুত প্রেমের বার্তা বহন করে চলে। সবুজ ঢেউ খেলানো উপত্যকা আর দূরে সাদা শিরা মতো হিমবাহের চূড়া চোখের পলকে হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। নদীর পানি চঞ্চলতা নিয়ে পাহাড়ের তলদেশে নেমে আসছে, আর তার কণার মাঝে সূর্যের আলো খেলে তুলছে স্বর্ণালি আলোর আঁচল। এখানে পাখির গান আর ঝর্ণার ধারায় এক অবিরাম সুর তৈরি করে। চারপাশের ছোট্ট গ্রামগুলো নীরব সাক্ষী এসব সৌন্দর্য্যের। 
 
সন্ধ্যা সাতটা। ঈদের আগের দিন চাঁদ রাতের উচ্ছ্বাসে বাড়ি গুঞ্জনে ভরেছে। রান্নাঘরে মিরা আর তার শাশুড়ী তাহেরা বেগম মিলে ব্যস্ত সবার জন্য রাতের খাবার সাজাতে। আর মিরা নিজের হাতের স্পেশাল মিষ্টি বানাচ্ছে পরিবারের সবার জন্য। যার ঘ্রাণে আলোর কুণ্ডলির মতো ঘর ভরে যাচ্ছে। তাহেরা বেগম ছেলের চিন্তায় একটু বিরক্ত মুখে মিরার দিকে বললেন,
“ সাব লোক আ চুকে হ্যা। মুস্তফা বেটা কাব আয়েগি?সাদি কারকে ভি উসকা বাত্তমিজ ওয়ালে হারকাতে নেহি বদলি!”
 
মুস্তফার নাম শুনেই দিশা ফেরে মিরার। ছেলেটার উপর বিকেল থেকে অভিমান জমিয়ে রেখেছে মিরা। হ্যাঁ, ইশতিয়াক মুস্তফার স্ত্রী সাফরিন মিরা। সে অতি ধৈর্যশীল এক মহিলা। সে মুস্তফার অগোছালো, এলোমেলো চলন-বলন ধৈর্য্যসহকারে সহ্য করে আসছে বিয়ের এতগুলো দিন ধরেও।আট মাসের বিবাহিত জীবনের প্রতিটি দিন যেন ধৈর্যের এক পরীক্ষা মিরার জন্য। অবশ্য অনেক ঝুর-ঝামেলা করে বিয়ে হয়েছে দুজনের। কারণ, মুস্তফার থেকে মিরা দেড় বছরের বড়। দুই পরিবার বয়সের ফারাক মানতে নারাজ হলেও মুস্তফার জোরে, অদম্য জেদে এই বিয়ে হয়েছে। এরপর মুস্তফা একরোখা ভালোবাসায় জয় করে মিরাকে পেয়েছে নিজের করে। 
 
এদিকে মিরা চুপচাপ হাতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাহেরা বেগমের উত্তরে খানিকটা হালকা অভিমান নিয়েই সে বলল,
"মুঝে নেহি পাতা, আম্মি। ওয়ো তো হামেশাই আপনি মারজি সে চালতা হ্যায়! মে কিয়া বলু?” 
 
তাহেরা বেগম মাথা দোলালেন। তার চোখে স্পষ্ট হতাশা ছেলের জন্য। মিরার দিকে তাকিয়ে মনে মনে প্রার্থনা করলেন, 'আল্লাহ আমার ছেলেটাকে একটু বোঝদার করুক। আর মিরাকে শান্তি দিক, ধৈর্য্য দিক।' এই ভেবে রান্নাঘর ছেড়ে বেরোলো তাহেরা বেগম। 
 
----------------
এরই মধ্যে মুস্তফা প্রবেশ করলো বাড়িতে। পরনে সাদা পাঞ্জাবি গোটানো হাতের কনুই অব্দি, আর কালো জিন্স প্যান্ট। বলিষ্ঠ শ্যামলা শরীরের মানুষকেও যে সাদা পাঞ্জাবিতে এত অপরুপ লাগতে পারে তা মুস্তফাকে না দেখলে বোঝা যেত না বোধহয়। পরিপাটি চুল এবং গোফ তার বিশেষত্ব। নিজেকে একটু বড় বড় দেখানোর প্রয়াস মাত্র। সে ছাব্বিশ বছরের হলেও চঞ্চল, অগোছালো একটি মানুষ। যদিও এখন তাকে গুছিয়ে রাখার একজন মানুষ জুটেছে, তার স্ত্রী সাফরিন মিরা। 
 
মুস্তফা ধীরে ধীরে ঘরের উঠোনে এসে সেখান থেকে ছোট্ট বাচ্চাদের কোলে তুলে ধরলো এক এক করে। তাদের কোলে করে চারপাশে ঘোরাতে লাগলো। বাচ্চারাও মুস্তফার সাথে মিশে খিলখিল করে হাসতে লাগলো খুনসুটিতে মজে। কিছুক্ষণ দুষ্টুমি করে, হাপিয়ে উঠে অস্থির শ্বাস ফেলেই মুস্তফা বাচ্চাটিকে কোলে রেখে ঘরে প্রবেশ করলো প্রতিদিনের ন্যায়। 
হাতের ব্যাগ সোফায় রাখলো, ঘরে চোখ বোলালো ধীরে। বউকে না পেয়ে মুস্তফা হালকা-ফুলকা তারাহুরো ভঙ্গিতে চলে গেলো রান্নাঘরে। কারণ জানে, যদি ঘরে না থাকে, বউ এখানেই মিলবে।
 
মুস্তফা দেখলো মিরা রান্না করছে লাল শাড়ির আঁচল কোমরে গুঁজে। ফর্সা কোমরটা উঁকি দিচ্ছে। তা দেখে মুচকি হেসে মুস্তফা এগিয়ে গিয়ে এক লাফে কেবিনেটে বসে পড়লো স্বভাবসিদ্ধ ভাবে। মিরা তাকে দেখেও অযথা নজর এড়ালো, একপ্রকার ইগনোর করলো বলা চলে। এরপর স্বাভাবিকভাবেই নিজের চঞ্চল হাতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে আগের মতো। মুস্তফা পা দুলিয়ে দুলিয়ে মিরাকে অবলোকন করতে লাগলো কাহিনি কি ঘটেছে বুঝতে। অবশেষে বুঝতে পারলো মিরা রেগে আছে। তাই কি ভেবে যেন দুষ্টু ভঙ্গিতে মাথা সামান্য ঝুঁকিয়ে আনলো মিরার দিকে। মিরা একটু পিছিয়ে গেলো ভরকে গিয়ে। মুস্তফা আলতো হেসে মিরার চেরির ন্যায় লাল টকটকে অধর জোড়ায় চোখ রেখে বলল,
“মুঝে ভুগ লাগি হ্যায়। কুছ খিলাও।”
 
মিরা ত্রস্ত চোখে তাকালো। মুস্তফার বেহায়া নজর এড়ায়নি মিরার চোখ। তা বুঝে মুস্তফা তাড়াহুড়ো করে বলল,
“মে তো খানেকা বাত কার রাহা হু! তুম নে কিয়া সোচা?”
 
মিরা দৃষ্টি সরিয়ে সেমাইয়ের বাটি এগিয়ে দিলো। মুস্তফা পা দুলিয়ে দুলিয়ে পুরোটা খেললো। এরই মধ্যে মিরার রান্নাও শেষ। যখন সে চলে যেতে চাইলো তখন মুস্তফা হাত টেনে ধরলো। মিরা ঘুরে তাকালো। ছাড়াতে চেষ্টা করলেও শক্তিতে না পেরে রেগে বলল,
“ইয়ে কেসি বাত্তামিজ! ছোড়ো মুঝে! হাত কিয়ু পাকড়া?”
 
মুস্তফা আবার লাফ দিয়ে কেবিনেট থেকে নামলো। মিরার এহেন তেলে জল পড়ার মতো ছিটছিটানো রাগ ভালো লাগছে না। তাই এক হাতে মিরার হাত দুটি পেছনে ঠেসে ধরে আরেক হাতে সরু লতানো কোমরখানা চেপে ধরে মুস্তফা। মিরার অযাচিত নড়ন-চড়ন একেবারে বন্ধ করে দিলো সে। তারপর ছোট ছোট চোখে তাকিয়ে বলল,
“তুম গুসসে মে হো! আব কিয়া কার দিয়া মেনে?”
 
মিরা হাত ছাড়াতে চাইলেও পারলো না। এত শক্ত করে ধরেছে ছেলেটা! তার ওপর কোমরও চেপে ধরেছে। তাই রাগ আরও তরতর করে বাড়লো। শেষমেষ রেগেই হিসহিসিয়ে বলল,
“ছোড়ো মুঝে! মে তুম সে বড়ী হু! থোড়া সা রেসপেক্ট তো দো!” 
 
মুস্তফা বাঁকা হেসে বলল,
"বড়ী হো কার কিয়া কার ডালা? ওকে, চালো মান ভি লিয়া, আব সালামি দো?"
 
মিরা এবার অবাক হলেও চুপ রইলো। মুস্তফার এহেন কথায় খুব একটা অবাক হলোও না অবশ্য, হওয়ার কথাও না। এদিকে তার কাছে বর্তমানে কোনো টাকা পয়সা নেই। তাই ধীর গলায় বলল,
“মেরে পাস কোয়ি পেসা নেহি হ্যায়।” 
 
মুস্তফা হাসলো। তার এমন উত্তরই প্রত্যাশিত ছিলো। এবার সুযোগ পেলো সে। তাই সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের গাল এগিয়ে দিয়ে বলল,
“পেসা কাব মাঙগা? ইহাপার সালামি দো!” 
 
আবারও চোখ বড় বড় করে চাইলো মিরা। তা দেখে মুস্তফা বলল,
“ইস তারাহ দেখনে সে কোয়ি ফায়েদা নেহি। সালামি নাহ মিলে তো মে নেহি জা রাহা!”
 
মিরা জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজালো সামান্য। তারপর একটু ইতস্তত করেই দু পায়ের উপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে টুপ করে ঠোঁট ছুইয়ে দিলো শ্যামলা গালটায়। তারপর মুস্তফার হাতের বাঁধন আলগা হতেই এক ছুটে পালিয়ে গেলো মিরা। আর এক মুহুর্ত এই ছেলের সামনে থাকা সম্ভব নয়, নাহলে জ্বালিয়ে মারবে নিশ্চিত। লজ্জা দিতে দিতে মেরেই ফেলবে! এদিকে মুস্তফা মিরার পালানো দেখে মিটিমিটি হাসলো। 
 
*********************
 
বেশ রাতের দিকে মিরা কাজ-ফাজ সেরে মুস্তফার কাছে আসার সুযোগ পেলো। মুস্তফাও বাসার মেহমানদের সঙ্গে ব্যস্ত ছিলো এতক্ষন। কথাবার্তা, আড্ডায়। মিরাও এটা সেটায় ব্যস্ত থাকায় হুট করে ঘরে যাওয়া সম্ভব হলো না। কিন্তু তাহেরা বেগম বুদ্ধি করে মিরাকে আগেভাগেই পাঠিয়ে দিয়েছে। অবশ্য এও ছেলের কথায়। বাকিটা সে সামলে নেবে।
 
মিরা ছাড়া পেয়ে নিরবে ঘরে প্রবেশ করলো। হাতখোপা করতে করতে চারপাশ অবলোকন করতে করতে দেখলো মুস্তফা বারান্দায় চেয়ারে বসে। আকাশের দিকে চোখ রয়েছে তার। তা দেখে মিরা গুটিগুটি পায়ে এগোতেই মুস্তফা তার দিকে তাকালো। মিরার উপস্থিতিতে মুস্তফা হঠাৎ একটানে মিরাকে নিজের কোলে বসালো। এতে মিরা কিছু বলল না। কারণ জানে, এ ছেলে শুনবে না এখন। নাহলে অবাধ্য হবেই হবে। রাতের এই মুহূর্তই তাদের জন্য নির্ধারিত সময়। মিরা অমনভাবে হেসে ফেললো। আলতো হাসি, যে হাসি হয়তো কোনো শব্দ ছাড়াই অনুভূতিতে ভেসে নিয়ে যেতে সক্ষম। মুস্তফার দিকে তাকিয়ে হালকা গলায় জিজ্ঞেস করলো,
“চাঁদ দেখ রাহি হো?”
 
মুস্তফা উত্তেজনায় বলল,
“উহু! মে তো আসলি চাঁদ কে লিয়ে ইন্তেজার কার রাহা হু!”
 
মিরা এবারেও অবাক হলো না এমন কথায়, শুধু বিনিময়ে আলতো হাসলো। রাগ পরেছে তার সন্ধ্যার পরে। মুস্তফার ছেলেমানুষী যেমন মিরার রাগ বাড়ায়, তেমনি রাগ কমিয়েও দেয়। মুস্তফা মিরার হাত ধরে রেখেছিলো এতক্ষণ। হঠাৎই হাতে চোখ পড়তে দেখে হাত খালি। মেহেদী লাগানো নেই। কিন্তু মুস্তফার জানামতে ঈদে তো মেয়েরা মেহেদী পরে অনেক ডিজাইন করে করে। তাই মিরার খালি হাত দেখে এক ভ্রু উচিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
"মেহেন্দি কাহা? লাগায়া নেহি কিয়্যু?"
 
মিরা নিজেও হাতের দিকে তাকিয়ে ধীরে উত্তর দিলো,
“ইতনে কামো মে ওয়াক্ত নেহি মিলা।”
 
মুস্তফা এবার চট করে উঠে দাঁড়ালো মিরাকে কোল থেকে নামিয়ে। হাতে করে নিয়ে এলো মেহেদির পুরো বাক্সটি ধরে। ড্রয়ার থেকে তুলে আনলো বাক্সটা, যা গতকাল মিরার জন্য রেখেছিলো। মিরা জানতো, কিন্তু ব্যস্ততার মধ্যে ভুলে গিয়েছিলো। তাই মুস্তফা এবার রয়েসয়ে নসে মিরার হাত আলতো করে ধরে বলল,
“আগার মে লাগা দুঙ তো চালেগা?” 
 
মিরা কিছুটা অবাক হয়ে চোখ বড় করে তাকালো,
"তুম কার পাওগে?"
 
মুস্তফা হালকা হাসি দিয়ে মেহেদির পিন খুলে এবার নিজের নাম লিখতে শুরু করলো মিরার হাতের তালুতে। সে তো আর ডিজাইন পারে না, পারলে তাও এঁকে দিতো। আপাতত নাম লেখানোটা বেশি জরুরি। মুস্তফা হাতের দিকে বেশ মনোযোগ দিয়ে বলল,
“নেহি, মে তো স্রিফ আপনা নাম তোমহারা হাত পার লিখুঙ্গা। হামারি শাদি কে বাদ ইয়ে পেহলা ঈদ হ্যা, মেহন্দি কে বিনা আচ্ছা নাহি লাগেগা।”
 
মিরার ঠোঁটে খেললো নরম এক হাসি। প্রতি মুহূর্তে এই ছেলেটা প্রমাণ করে দেয় যে মিরা কখনও ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি মুস্তফাকে বিয়ে করে। তার প্রতিটি কাজ, প্রতিটি যত্ন, প্রতিটি নীরব স্পর্শই প্রমাণ করে। যদিও ছেলেটার যত্ন, মমতা এবং ভালোবাসার গভীরতা অপরিমেয়। কিন্তু মিরা অনুভব করে, খুব বেশি করেই অনুভব করে। 
 
মুস্তফা নাম লেখা শেষে বেশ আগ্রহ নিয়ে বলল,
"লুক! কেসা হুয়া?"
 
মিরা তা দেখে ঠোঁটে হালকা হাসি দিয়ে বলল,
“হুম, বহুত খূবসুরত হুয়ি হ্যা।”
 
এবার মিরা উঠে হাত ধুয়ে এলো। বেশ গাঢ় হয়েছে রঙটা। লাল টকটকে। কি ভেবে যেন বারান্দায় ফিরে এসে নিচু হয়ে মুস্তফার দুই বাহুর মাঝে ঢুকে পরলো মিরা। এরপর মুস্তফার পিঠ জড়িয়ে ধরে শক্ত বুকটায় নিজের থুতনি রেখে তার দিকে তাকিয়ে মৃদু গলায় বলল,
“ঈদ মোবারক, মুস্তফা।”
 
মুস্তফাও মিরার একটা হাত সামনে এনে হাতের তালুতে বেশ আবেগ নিয়ে ঠোঁট ছোঁয়ালো। তারপর নিজেও বলল,
“ঈদ মোবারক, বিবিজান।”
 
মুস্তফার ঠোঁটের পরশে আবেশে চোখ বুজে নেয় মিরা। 
মুস্তফাও ফর্সা মেয়েলী মুখটার দিকে তাকিয়ে রইলো কিছুক্ষন। এরপর নিজের পেশিবহুল বাহু দিয়ে যতটা শক্ত করে ধরা যায় মিরাকে সেভাবেই জড়িয়ে রাখলো। মিরাও টু-শব্দটি না করে মিশে গেলো দৃঢ় বুকটায়। যতটা মেশা যায়। মুস্তফা হঠাৎই খেই হারিয়ে একবার করে ছুঁয়ে দিলো মিরার নরম ঠোঁট, গাল, গলা। আবার টুস করে বেশ সময় নিয়ে ছুঁলো কোমল টকটকে ওষ্ঠজোড়া। এরপর আবার ওভাবেই মিরাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রইলো বারান্দায় গ্রিলের সামনে। চাঁদ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মুস্তফার চোখ নিবদ্ধ মিরাতেই। অপলক, অনিমেষ। 
 
~~সমাপ্ত~~
 
 
লেখিকা:প্রিয়াংশি চৌধুরী
 
অনুগল্প
 
{  স্পেশাল অনুগল্প লিখেছিলাম পাকিস্তানি থিমে। বাংলা ভাষা আর হিন্দি মিক্সড আছে অবশ্য।আমি কোনো প্রফেশনাল লেখিকা নই তাই ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। হ্যাপি রিডিং আর এই অনুগল্পটি কেমন লেগেছে জানাবেন...🙆‍♀💖}
Loading spinner

Reply
Share:

Loading spinner