গল্প: ভালোবাসি বলেই (০২)

লেখিকা:নুসরাত জাহান তীব্রতা
পর্ব:০২

🚫 কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ 🚫

ইশমির কথা শুনে জিমি অসহায় মুখ করে সমস্ত কাহিনী খুলে বলে।সব শুনে ইশমি বলে ,
“ইয়া আল্লাহ। তুই প্রথম দিনেই এরকম একটা কান্ড ঘটালি।তার উপর আবার সরি না বলে ঝগড়া করেছিস। তুই কি চিনিস ছেলেটাকে?”

জিমি ভোঁতা মুখ করে বলে, “আমি কীভাবে চিনবো ? আজকেই তো প্রথম দেখলাম তাও একটা বাজে পরিস্থিতিতে “

ইশমি ভ্রু কুঁচকে বলে, “তাহলে তুই ঝগড়া করেছিস কেন ?নাকি অন্যকিছু? সামথিং সামথিং।”

ইশমির কথা শুনে জিমির মেজাজ বিগড়ে যায়।
–” কানের নিচে এমন একটা থাপ্পর দিমু যে বিটিভির মতো ঝিরঝির করবি। তখন তোর সামথিং সামথিং বের হবে।

— কি দোস্ত ? ব্যাপার কি আমি তো মজা করে বলেছি কিন্তু তুই এতো রেগে যাচ্ছিস কেন?

—  আচ্ছা তুই কি কখনো পাবনা গেছিলি?

ইশমি সন্দিহান হয়ে বলে, –” হুম একবার গেছিলাম ঘুরতে। কিন্তু হঠাৎ এই কথা জিজ্ঞেস করলি কেন?

ইশমির উত্তরে জিমি মনে মনে হেসে মুখটাকে দুঃখীভাবে ফুটিয়ে তুলে বলে ,
–” আমার ধারনাই তাহলে ঠিক। এই সত্যি করে বলেন আপনি কে? আমি জানি আপনি পাবনার এক পাগল। আমার ভোলাভালা সাদাসিধে বেস্ট ফ্রেন্ডকে কিডন্যাপ করে এখন আমার বেস্টু সেজে আসছেন। এজন্যই তো বলি ইশু তো এমন না। এই পাগলি তাড়াতাড়ি বল তুই কে ?

জিমির এইসব আজেবাজে যুক্তি শুনে ইশমির মাথা ঘুরার উপক্রম।সে নাহয় একটু মজা করতে চেয়েছিল তাই বলে তাকে ডাইরেক্ট পাবনার পাগলা বানিয়ে দিবো। ইশমি এক চিৎকার দিয়ে বললো,
“জিম্মিররর বাচ্চারেএএএএএএএ”

“সরি টু সে , আমার কোন বাচ্চা নেই ।তার চেয়ে বড় কথা আমি এখনো বিয়ে করিনি। তাহলে তুই আমার বাচ্চা কোথায় পেলি।”

এই কথা শুনে ইশমির রাগ সপ্তম আকাশে উঠে যায়।সে রেগে তার পায়ের জুতা খুলে যেই না জিমির দিকে ডিল দিবে তখনই জিমি এটা খেয়াল করে তাড়াতাড়ি নিচে বসে পড়ে ।আর জুতা গিয়ে কিয়ানের মাথার উপর পড়ে।যে কিনা মাএই এদিকে দিয়ে যাচ্ছিল।তার সাথে ছিল শ্রাবণ।যা দেখে ইশমির ভয়ে প্রাণ পাখি প্রায় উড়েই যায়।

হঠাৎ মাথায় কিছু পড়তেই কিয়ান হতভম্ব হয়ে যায়।মাথায় হাত দিয়ে বস্তুটাকে সামনে এনে দেখতে পায় একটা জুতা । যা দেখে রাগ তার সপ্তম আকাশে পৌঁছে যায়। কত বড় সাহস তার উপর …  এই কিয়ানের উপর জুতা ঢিল দেয়। যেখানে তাদের ভয়ে কেউ তাদের সাথে ঠিকভাবে দাঁড়িয়ে কথাই বলতে পারে না। সেখানে কোন বেয়াদব তাকে জুতা মারে। একবার সামনে পেলে ডাইরেক্ট খু*ন করে ফেলবে। কতবড় সাহস সেই ব্যাক্তির সেটা সে দেখতে চায়।

জিমি আর শ্রাবণ তো পারে না এই দৃশ্য দেখে হাসতে হাসতে মাঠের মধ্যে গড়াগড়ি খেতে। শ্রাবণ গম্ভীর প্রকৃতির।খুব বেশি হাসে না। কিন্তু আজকে এই দৃশ্য দেখে তার হাসি থামছেই না। বেচারা নিজেও এমন কিছু দেখার জন্য প্রস্তুত ছিল না। যতবার মনে পড়ছে কীভাবে উড়ে উড়ে জুতাটা কিয়ানের মাথার উপর এসে পরেছিল ততবার তার দম ফাটিয়ে হাসতে মন চাচ্ছে। এতো হাসার ফলে চোখের কর্নিশ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
শ্রাবণ দেখেছিল ইশমিকে জিমির দিকে জুতা ঢিল দিতে কিন্তু তা যে তার কিছু বুঝে ওঠার আগেই কিয়ানের মাথার উপর পড়বে তা সে ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারে নাই। এরকম দৃশ্য হলে তো ভিডিও করে রাখতো পরে হাসার জন্য। বিশেষ করে বাকিদের দেখানোর জন্য। ওরা কি একটা দৃশ্যই না মিস করলো ভাবতেই তাদের জন্য দুঃখ বোধ হলো।

ভার্সিটির অনেকেই তো এই দৃশ্য ভিডিও করছে আর হাসছে।হাসবে না যেভাবে জুতাটা কিয়ানের মাথার উপর বসে ছিল মনে হচ্ছিল যেন ক্যাপ পড়েছে।লাইক জুতা ক্যাপ।

ইশমি যখন দেখে তার ছুঁড়ে মা’রা জুতাটা ভার্সিটির ফেমাস ক্রাসের উপর গিয়ে পরেছে তখন ভয়ে ভয়ে আল্লাহকে স্মরণ করছে যেন এবারের মত বাঁচিয়ে দেয়।সব দোষ জিমির। কিয়ান যে রেগে গেছে তাকে কাচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলবে।  এই মুহূর্তে এখানে থাকা মানে নিজের জীবন স্বেচ্ছায় বলিদান করা। সে আর কিছু না ভেবে সোজা গেটের দিকে এক দৌড় দেয়। বেঁচে থাকা বড়ো কথা।কে কি ভাবছে সেটা এখন তার ভাবার সময় নেই। বেঁচে থাকলে বহুত ভাবতে পারবে। আপাতত নিজের জীবন বাঁচানো তার জন্য ফরজ কাজের মতো।
ইশমি যেভাবে দৌড়াচ্ছে যে কেউ দেখলে ভাববে তাকে পাগলা মহিষ তাড়া করেছে। কিছু ইশমি সেসব বেশি আমলে নিলো না। মানুষের কাজই হচ্ছে ভাবা। তাই বলে কি নিজের জীবনের ইতি ঘটাবে। কে চাইবে ভাই?

কিয়ান যখন ভাবছিল এই জুতা নিয়ে তখন তার ভাবনার মধ্যে দেখতে পায় ইশমি এক দৌড়ে চলে যাচ্ছে। বুঝতে বাকি রইল না কাজটা কার।সে যখন ইশমির পিছনে দৌড়ালো ততক্ষণে ইশমি চলে গেছে।  রে’ গে মেগে ফিরে আসে শ্রাবণের কাছে। ওই বেয়াদব মেয়েকে জুতা মা’রার শাস্তি সে দিবেই দিবে। এতো গুলো মানুষের সামনে তাকে অপমান করা সে কি এমনি এমনি ছেড়ে দিবে।
ভার্সিটির অনেকে তখনও ভিডিও করছে।কিয়ান একটা ধমক দেয় সবাইকে।

— এখানে কি কর্নসার্ট হচ্ছে। আপনাদের কি কোনো কাজ নেই।আর যারা যারা ভিডিও করেছেন ভালো মানুষের মতো ডিলেট করে দিয়েন। নয়তো কি হবে আশা করি বুঝতে পেরেছেন।”

কিয়ানের ধমক শুনে সবাই ভিডিও ডিলিট করে দেয় আর আস্তে আস্তে সবাই চলে যায়। নয়তো দেখা যাবে তারা নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে। ভার্সিটির দুইটা গ্রুপের সাথে কেউ লাগতে যায় না। তারমধ্যে একটা ইশানদের গ্রুপ।

শ্রাবণকে এখনো হাসতে দেখে মেজাজটা পারদের মতো ফুঁসে ওঠে। গিয়ে শ্রাবণকে একটা ধমক দেয়।
“হাবলার মতো হাসছিস কেন। এখন মুখটা বন্ধ কর শালা । নয়তো একটা আছাড় মেরে মুখ বন্ধ করবো ।”

কিয়ানের ধমক শুনে শ্রাবণ সহ জিমিও চুপ হয়ে যায়। নয়তো দেখা যাবে সব রাগ তাদের উপর ঢালছে।
কিয়ান এবার জিমির দিকে তাকায়।  কিছু বলতেই যাবে তার আগে দেখে জিমিও এক দৌড়ে হাওয়া।
কিয়ান হা করে জিমির যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে।কি হলো ব্যাপারটা? শ্রাবণ আবার হেসে দেয়।

_______

ইশমি বাসায় পৌঁছায় হাঁপাতে হাঁপাতে।কিয়ানের ভয়ে রাস্তা দিয়ে দৌড়ানোর সময় ভুলে একটা ঘুমিয়ে থাকা কুকুরের লেজে পাড়া দিয়ে ফেলেছিল ।যার ফলে কু’কুরটা তাকে আধা ঘন্টা দৌড় করিয়েছে ।  এমনিতেই সে মেয়ে মানুষ তারউপর কুকুরের দৌড়ানি। কিন্তু কিছু করার ছিল না। কু’কুরটা যেই ক্ষেপে ছিল ধরতে পারলে নির্ঘাত কামড়ে দিতো। দৌঁড়ানোর সময় সে কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে ব্যালেন্স রাখতে না পেরে কাঁদার মধ্যে পড়ে যায়। কাঁদা দিয়ে শরীরের অবস্থা বেহাল। চুলগুলো পাগলের মত হয়ে আছে। চোখে মুখে কাঁদা দিয়ে কালির মতো হয়ে আছে।পায়ে জুতা নাই। ওড়নার অবস্থাও কাঁদা দিয়ে বেহাল। দেখতে কোন অংশে পাগল থেকে কম লাগছে না। পুরো জামা কাঁদা দিয়ে ভরপুর তার।
রাস্তা দিয়ে আসার সময় মানুষ তাকে দেখে ভয় পেয়ে চিৎকার দিয়ে দূরে সরে গেছে। পাওয়াই কথা। যা অবস্থা তার তাতে তাকে পাগল ছাড়া সুস্থ মানুষ কেউ ভাববে না।

ইশমি বাসায় প্রবেশ করে দেখে তার মা সুফিয়া খাতুন সোফায় বসে টিভি দেখছে। হঠাৎ বেখেয়ালি তার দিকে নজর পরলে ভদ্রমহিলা ভয়ে চিৎকার দিয়ে সোফার উপরে উঠে যায়। ইশমির এরকম পাগল বেশ দেখে প্রচন্ড ভয় পেয়েছেন তিনি সেই সাথে মারাত্মক ভয়ও পেয়েছেন। ইশমির পুরো মুখ কাঁদায় ভরা। চেহারা ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে না। সুফিয়া খাতুন ভয়ে ভয়ে ইশমিকে পাগল ভেবে বলে,
— ” খা-খালা আপনে বাড়িতে কীভাবে ঢুকছেন? এখানে ভিক্ষা দেওয়া হয় না। ভিক্ষা নেওয়ার হলে পরে আসবেন। এখন যান।আর আপনাকে দেখে তো ইয়াং মনে হচ্ছে। তাহলে কাজ করে খেতে পারেন না। ভিক্ষা করেন কেন? “

ইশমি  আহাম্মক হয়ে তাকিয়ে থাকে। তার নিজের মা যে তাকে চিনতে পারবে না এটা সে আশা করে নি। তার অবস্থা এতটাই খারাপ নাকি যে তার মা তাকে চিনতে পারেনি? হতব্বিল নয়নে ইশমি বলে,
— “মা এইদিন ও আমার দেখা লাগলো। শেষমেষ তুমিও।”এই বলে তার নিজের রুমে যেতে নেয়।

সুফিয়া খাতুন  তেড়ে এসে বলেন,
–“এই মহিলা আপনার সাহস তো কম না আমার মেয়ের ভয়েস নকল করেন আবার বাড়িতে ঢুকতেছেন। দেখছোনি কার-বারটা আজকাল দেখি পাগলও বহুত চালাক? কেমনে আমাকে বোকা বানিয়ে চুরি করতে রুমের দিকে যাচ্ছে। আমি কি কিছু বুঝি না। সবাইকে বোকা বানানো গেলেও এই সুফিয়াকে বোকা বানানো যাবে না। যান যান বের হোন। আজকাল কত রকমের চোর যে বের হলো আল্লাহ খোদা।

ইশমি বলদ হয়ে কথা বলতেই ভুলে যায় । একবার চোর, একবার পাগল, আরেকবার ভিখারি। কোন পদবী পাওয়া বাকি আছে তার। এই দিনও তার দেখা লাগলো?
ইশমি আর কোন কথা না বলে রুমে চলে যায়।তার নিজের মাথা নিজেই ফাটাতে মনে চাচ্ছে। সুফিয়া খাতুন পিছনে থেকে ডেকেই চলেছে কিন্তু ইশমি পাত্তা দেয় না। পিছনে সুফিয়া খাতুনের হায় হুতাশ শোনা যাচ্ছে।

— এই রাস্তার পাগল আমার সবকিছু চুরি করে নিয়ে গেলো গো? তোমরা কে কোথায় আছো গো? ও ইশমি মা তুই কোথায়? দেখ এই পাগল তোর রুমে যাচ্ছে।

ইশমি রুমে এসে গোসল করে ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আপাতত তার একটু শান্তির প্রয়োজন। মাকে পড়ে বোঝানো যাবে ।তার শরীর আর ধকল নিতে পারছে না।

__

ইশমি চলে যাওয়ার পর জিমিও চলে আসে।একা একা ভালো লাগে না। প্রথমদিনই তাদের সাথে অত্যন্ত জঘন্য কাজ হলো।ইশ কি বিচ্ছিরি অবস্থা। তাদের দুজনের কপালে দুঃখ আছে। প্রথমদিন এতো মজা করতে বলেছিল কে?এখন কি হবে?

জিমি বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে হয়ে ইশমির নাম্বারে কল করে। একটা, দুটো, এরকম করতে করতে দশটা কল করে। কিন্তু ওপাশ থেকে কেউ কল ওঠায় না। বিরক্ত হয়ে জিমি নিচে চলে যায়।
নিচে যেতেই তার মা তাকে দুপুরের খাবার খাইয়ে দেয়। খাবার খেয়ে জিমি রুমে এসে ইশমিকে আবার কল করে কিন্তু কেউ ধরে না। বিরক্ত হয়ে ফোনটা ঢিল মে’রে ছুড়ে ফেলে।
জিমির এখন ক্লান্ত লাগছে তাই একটু ঘুমাতে যায় । ঘুমাতে গেলেও এখন তার ঘুম আসছে না। বারবার ওই লোকটার কথা মনে পড়ছে।আজব তো বারবার ওই ইংরেজের কথা মনে পড়ছে কেন। গোল্লায় যাক ওই লোক।এসব ভাবতে ভাবতে সেও ঘুমিয়ে পড়ে।

__

রাত ১১:৪৭

ছয় বন্ধু আড্ডা দিচ্ছে ইশানের ফ্রাম হাউসে। এখানে তারা সব বন্ধুরা প্রায়ই আড্ডা দেয় আর মজা করে।
আজকের কারণটা একটু ভিন্ন। শ্রাবণ ইশমির করা কান্ডের কথা সবাইকে বলেছে। কিভাবে জুতাটা সই সই কপালে লেগেছে। একদম মাথার উপর বসেছিল। সব শুনে সেই থেকে সবাই হাসতে হাসতে একেকজনের উপর গড়াগড়ি খাচ্ছে।

আর কিয়ান গোমড়া মুখ করে বসে আছে।তার কথা কেউ ভাবছে না।তার সব মান সম্মান শেষ করে দিছে ওই বেয়াদব মেয়ে। অথচ এরা হাসছে। সবগুলো বন্ধু নামের কলঙ্ক।
মনে মনে পণ করলো এর প্রতিশোধ তো সে নিবেই। ওই মেয়েকে সে এমনি এমনি ছাড়বে না।

হঠাৎ রিহান বলে ,”
— আচ্ছা ইশান তখন তুই ভার্সিটি থেকে না বলে চলে আসলি কেন?”

রিহানের কথায় সবাই হ্যাঁ সূচক সম্মতি জানায়। অর্থাৎ তারাও শুনতে চায়।

ইশান বলে,” আর বলিস না এক স্টুপিটের সাথে দেখা হয়েছে। মেজাজটাই বিগড়ে দিছে।”

কিয়ান উত্তেজিত হয়ে বলে, ” কি বলিস! কীভাবে?”

—  “আরে বাদ দে তো ফালতু কাহিনী।”

এরকম করে আরো কতক্ষন আড্ডা দিয়ে যে যার বাড়ি চলে যায়। সকালে আবার তাদের ভার্সিটি আছে। সামনে তাদের পরীক্ষা তাই মিস দেওয়া যাবে না।

_____

প্রায় এক সপ্তাহ পর আবার ভার্সিটি যাচ্ছে জিমি আর ইশমি। এতদিন তারা ভার্সিটিতে যায় নাই কারন ওই ঘটনার পর ইশমির জ্বর এসে গিয়েছিল। তাই আর জিমি একলা একলা যায় নি। জিমি প্রতিদিন নিয়ম করে ইশমির সাথে দেখা করতে যেতো। তাছাড়া ওইদিন ইশমির ব্যাগ সে-ই নিয়ে গেছিল।

কিয়ান ইশমির থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য প্রতিদিন চেক করতো ইশমি আসছে নাকি। কিন্তু প্রতিদিন শূন্য হাতে ফিরতে যেতো ।

দুই বান্ধবী ভয়ে ভয়ে ভার্সিটির গেট দিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। জিমি আর ইশমি ভয়ে আছে। ওইদিন যা কান্ড করেছিল। আজকে ধরতে পারলে রক্ষা নেই। কি হবে খোদাই জানে।
যখনই তারা গেট পার হয়ে সামনে যাবে ঠিক তখনই ..

চলবে………

সবাই রেসপন্স করবেন প্লিজ। কমেন্ট করে জানাবেন কেমন হয়েছে।

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x