গল্প: ‌ইশক এ মামনু (০৩)

Written by- Ibn Imtiaj

পর্ব:০৩

—————

মেয়ে হওয়ার কারণে সাদা একটা কাপড় দিয়ে আবৃত দেহটা । কিন্তু কেটে যাওয়া মুখ দেখেও চিনতে আমার একদম সমস্যা হয়নি। আমি নিজের ভেতরে রাগ চেপে রেখে তার দিকে বাঁকা চোখে তাকিয়ে বললাম, “তোর স্ত্রীর দেহ এখানে। আর তুই কিনা আমকে ডেকে এনেছিস ম্যাম মারা গেছে বলে?” নিজের স্ত্রীর প্রতি মৃত্যুর সময়টাতে অন্তত সদয় হতে পারতি মাইকেল?

আমার এমন কথা শুনে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুরো টিম একে অপরের দিকে চোখ চাওয়াচাওয়ি করতে শুরু করে। তাদের এমন চেহারা দেখে মনে হচ্ছিল যে আমি অনেক অদ্ভুত কিছু বলে ফেলেছি।
মাইকেল তখন আমার দিকে কিছুটা এগিয়ে এসে আমাকে নরম কণ্ঠে বলে, “আমি জানি তোর অবস্থা। সবাই জানে যে, তুই শুধু ম্যামকে পছন্দ করিস।” কিন্তু আমি জানি সব সত্য , তোর ব্যাপারে।

এবার এই কথা গুলো শুনে মেজাজ বিগড়ে গেল আমার। আমি একটু চেঁচিয়েই উঠলাম তার উপরে। মাইকেল, এখন জিনিসটা খুব বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে আসলে। তুই বার বার বুঝাতে চাইছিস যে ম্যাম মারা গেছে। তুই কি নিজেই উন্মাদ হয়ে গেছিস স্ত্রীকে হারিয়ে?

সবার সামনে আমাদের দুজনের কথার একটা গিট লেগে যায়। দ্বিধায় পড়ে যায় সবাই। আমার আর মাইকেলের কথা কোন মিল পাচ্ছেনা কেও তারা। পাল্টা কথা আসার আগে আমি জিজ্ঞেস করি, ম্যামের ফোন কোথায় দেখি আগে ?

মাইকেল এটা শোনার পর বেশ অনেকক্ষণ চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে। তবে প্রশ্ন শুনে বেশি দেরি করেনা। তার ইশারায় চোখের পলকেই নার্স হাজির হয় বেশ কয়েকটা সাদা স্বচ্ছ প্লাস্টিক ব্যাগ নিয়ে। সব কিছুই আছে এই ব্যগ গুলোর ভেতরে। একটা প্লাস্টিক ব্যাগের ভেতরে রক্তাক্ত পার্স। অন্য একটাতে ভাঙ্গা মোবাইল। আর একটাতে কাঁচ ভাঙ্গা ঘড়ি। আমার মাথা আবারও কিছুটা চক্কর কাটতে শুরু করল। রক্ত মাখা ছিল ব্যাগে কিছুটা। আমি সেখানেই দুর্বল হয়ে মাইকেলের ঘাড়ের উপরে হাত রেখে ভর দিয়ে ফেললাম। মনে হচ্ছিল যে, পুরো দুনিয়া আমাকে ঘিরে ধরেছে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে গেল আমার।

সাব্রিনা আমাকে এই অবস্থায় দেখে দৌড়ে পানি আনতে যায়। বাকিরা আমাকে নিয়ে ব্যস্ত। আমি তখন মাইকেলকে ফিসফিস কণ্ঠে বললাম,” আমি এখনও বিশ্বাস করিনা। এগুলো আমাকে নিয়ে যেতে দে। “

মাইকেল আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে,” কিন্তু আমি এটা পারব না যে ।” সব গুলো এখন কেস ফাইলের আয়ত্তে । ধারণা করা হচ্ছে এটা মার্ডার। আমার কাছে এই অনুরোধ করিসনা দয়া করে।

সাব্রিনা পানি নিয়ে আসতেই আমি পানি খেয়ে উঠে দাঁড়ালাম। মাইকেল তখন আমার দুই ঘাড়ে হাত রেখে বলে,” এখন কাজ শুরু হবে।”

আমি কোন কথা বললাম না। তার দিকে তাকিয়ে শুধু এটাই বললাম, আমি বিশ্বাস করিনা। বাকিটা তোর ইচ্ছে। আমি দ্বিধায় আছি এখনো।

কথাটা বলেই বেরিয়ে আসলাম। রওয়ানা হলাম ম্যামের বাসার দিকে। পৌছাতে পৌছাতে প্রায় সাড়ে দশটা বেজে গেছে। কিন্তু যখন ম্যামের বাসার সামনে আসলাম আমি, এসে দেখি এক অবাক করা দৃশ্য। ম্যাম জানালার পাশে বসে থেকে কারো প্রহর গুনছে , জানালার উপরে বসে। অনেক অবাক লেগেছে এটা আমার কাছে। এভাবে তিনি অপেক্ষায় বসে থাকবেন, তা আমি ভাবিনি।

উনি যখন আমার উপস্থিতি বুঝতে পারলেন, বসা থেকে উঠে জানালার উপরে হাত ভর দিয়ে আমার দিকে মিষ্টি হাঁসি মাখা মুখ নিয়ে তাকালেন। হাতের ইশারায় বোঝালেন, জলদি এসো?
আগের বারের মত আবারও দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই দরজাটা নিজে থেকেই লক হয়ে যায়। দরজাটা আধুনিক না। তবুও এমন ভাবে লক হয়ে যাওয়াটা কেমন যেন। সিঁড়ি তে পড়ে থাকা ফুল গুলো এখনও তাজা হয়ে আছে। কয়েক সিঁড়ি উঠতেই ম্যাম এসে সিঁড়ির উপরে দাঁড়ায়। একটু অভিমানী কণ্ঠে বলে, “এতো দেরি লাগলো আসতে ? কতক্ষন সময় ধরে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি জানো তুমি?”

কথা গুলো শুনে সব কিছু অবাক লাগলেও, আমার না হাসতে ইচ্ছে করছে , না কথা বলতে। কিন্তু আজকের দিনটা হয়ত মনের আর ইচ্ছের বিরুদ্ধে। আমি সিঁড়ি দিয়ে উঠে উনার সামনে গিয়ে বললাম, “কাজ শেষ করতে একটু দেরি হয়ে গেছে। ঘুম আসছে নিশ্চয় আপনার?

এতো তাড়াতাড়ি আমার ঘুম আসেনা। কত গল্প করতে ইচ্ছে করছে জানো তুমি? কিন্তু তুমিই তো নেই।

আমার মুখে কোনো হাসি নেই। একদম স্বাভাবিক হয়ে আছি আমি। আমি ম্যামের হাতে ধরে রুমের ভেতরে ঢুকতে ঢুকতেই আগের মত আবারও শুকনো কন্ঠে জিগেস করলাম, “গল্প করার জন্য আজকে আমাকে পছন্দ হল কেন? এর আগে কত দুষ্টামি আর কত কিছু করেছি আপানার সাথে। তখন তো একবারের জন্যও ডাকেননি। হয়ত বেয়াদব ভাবতেন। বা পছন্দ করতেন না।

তিনি ঠোঁট কামড়ে চিকন কন্ঠে বললেন,” তুমি কি আজকের দিনে প্রশ্ন ছাড়া আর কিছুই করতে পারছনা?”

কৌতূহলের কথাও জিজ্ঞেস করতে পারবনা?

না দরকার নেই এখন এসব জানার। পরে জানা যাবে। তোমার খিদে পায়নি?

নাহ, সব খিদে হারিয়ে গেছে আজ।

আচ্ছা আমি রান্না ঘরে যাচ্ছি। তোমার জন্য আজ নিজ হাতে রান্না করার দারুন শখ চেপেছে। পুরন করার দরকার। আর তুমি যেহেতু মেডিকেল থেকে এসেছ। ফ্রেশ হয়ে তারপরে রান্না ঘরে আসবে।

আমি ডাইনিং রুমে এসে তাঁর হাত ছেড়ে দিলাম। তার মুখের দিকে ঘুরে আচমকা প্রশ্ন ছুড়ে দিলাম ,”আপনার ফোনটা কোথায়?”

এই প্রশ্নটা তাঁকে কেমন যেন থতমত করে দিল। হালকা শক্ত হয়ে তিনি হাতের ইশারা করে বলেন,” কেন? তুমি কি করবে? ওই ঘরে আছে আরকি।”

দেখব। যেহেতু ভেঙ্গে গেছে বললেন, দেখি কিছু করতে পারি কিনা।

কিছু করতে পারবেনা হয়ত। ওই ঘরের টেবিলের উপরে আছে গিয়ে দেখো। ওহ হ্যাঁ, বাথরুমও আছে ঘরে। এক ঘরে দুই কাজ করে আসো। আমি অপক্ষা করলাম তোমার ঘরে। সরি তোমার জন্য, রান্না ঘরে।

এলোমেলো বাক্য শেষে ম্যাম চলে যাওয়ার পরে আমি সেই ঘরে গেলাম। ভেবেছিলাম ব্যাতিক্রম কিছু দেখব। মাইকেল কে ডেকে এনে দেখাবো, “দেখ শয়তান।” এখানে কোন প্রমান নেই। ম্যাম জীবিত। পাগলামি বন্ধ কর। হুশে ফিরে আয়। তোর স্ত্রী সে। বরং তুই উন্মাদ হয়ে গিয়েছিস। আমি তোকে সিম্প্যাথি দিতাম। কিন্তু তুই আমার মেজাজ খারাপ করে দিয়েছিস।

তবে আরো কাছে যাওয়ার পরে মনে হল, মাইকেল জিতে যাবে হয়ত এই দিক দিয়ে। এখন আমি অনেক শান্ত হয়ে আছি । অবাক হচ্ছি না। চোখ গুলোও বড় বড় করছিনা। কারণ আমার সামনে সেই জিনিস গুলোই পরে আছে, যেগুলো মেডিকেলে প্লাস্টিক ব্যাগের ভেতরে দেখে এসেছি। এটা ঠিক সেই ফোন। যেটা আমি দেখে এসেছি। ঠিক একই ভাবে ভাঙ্গা এটা। সেই ঘড়ি। কিন্তু ব্যাগে রক্ত নেই। ধীরে ধীরে ব্যাগ টা হাতে নিয়ে দেখলাম আরো সুক্ষ্ম ভাবে।
না, ব্যাগে রক্ত লেগেছিল। হয়ত ম্যাম এটা মুছে দিয়েছে। খুব সুক্ষ ভাবে দেখলে এটা বুঝা যাচ্ছে। হালকা দাগ আছে।

আর কিছুই ভাবতে ইচ্ছে করছেনা এখন। পাশের একটা আলনা থেকে সাদা তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে গেলাম।
বাথরুমের দরজা লাগিয়ে লম্বা একটা নিঃশ্বাস ফেলে যখন বেসিনের দিকে ঝুঁকে মুখ ধুতে যাব, ঠিক তখন দেখি যে, হালকা কিছু রক্তের দাগ। কাঁচা রক্ত। এমন না যে অনেক সময় আগের। আমি আর সেখানে মুখে পানি দিলাম না। এটা নিয়ে অন্তত প্রশ্ন করতে হবে ম্যামকে।

পাশের ট্যাঁপ থেকে পানি নিয়ে ফ্রেশ হয়ে বের হলাম। এখন মনে হচ্ছে মাথা টা কিছু হালকা হয়েছে। তবে একটা কারণ এখনও বাকি। যদি ধরেও নি যে ম্যাম মারা গেছে, তাহলে এই মহিলা কে ?


রান্না ঘরের দরজায় গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে দেখি ম্যাম খুব মনোযোগ দিয়ে পেঁয়াজ কাটছে। পেঁয়াজের কুঁচি দেখে বলতেই হয় যে, এটা অনেক দক্ষ হাত। আমার দিকে না তাকিয়েই উনি তখন জিজ্ঞেস করে, “যাওয়ার আগে তুমি বোধহয় কিছু ইঙ্গিত দিয়েছিলে। বিরক্ত করবে নাকি কি যেন?”

আমি কন্ঠ নামিয়ে উত্তরে বললাম,” একটু ক্লান্ত লাগছে।” আচ্ছা বেসিনে দেখলাম কিছুটা রক্ত লেগে আছে। কিছু হয়েছিল নাকি আপনার?

এই প্রশ্ন শুনেই কিছুটা নুইয়ে পড়লেন তিনি। পেঁয়াজ কাটা থামিয়ে দিলেন। শেষমেশ এমন অবস্থা হল যে, নিজের শরীরটাই ছেড়ে দিলেন তিনি ধীরে ধীরে। আমি এটা দেখেই উনাকে জলদি গিয়ে ধরি। চোখ বন্ধ হয়ে আসছে তাঁর। তিনি তখন আমার বাহু ধরে বলেন,” আমার এমনটা সকালেও হয়েছিল গাড়ির ভেতরে রেনাস।” পরে দেখি যে আমি রাস্তার পাশে গাড়ি পার্ক করে দাঁড়িয়ে আছি। আর পেছনে মানুষের প্রচণ্ড ভিড়। আমি বেশী সময় সেখানে থাকিনি। গাড়ি ছুটিয়ে বাড়িতে আসি‌। বাসায় আসতেই দেখি নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। সেটাই ধুয়েছিলাম। মাথা ঘুরছিল বলে হয়ত ভাল ভাবে পরিস্কার করতে পারিনি।

আমি মাথায় হাত বুলিয়ে নরম কন্ঠ বললাম,” এখন আর কিছু করতে হবেনা আপনাকে। চলেন রুমে।”

তিনি আমার গালে হাত বুলিয়ে বলেন,” না ক্যাট আমার। একটু ধরে থাকো আমায় এভাবে । পেঁয়াজ টা অন্তত কেটে নিই। তুমি এখনও কিছুই বলনি কি খাবে তুমি ? তোমার জন্য রান্না করব আমি।

ম্যামকে আসতে করে দাঁড় করিয়ে দিলাম। এছাড়া আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে কিছুই বলতে পারছি না।
ম্যাম তখন শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে বলেন,” তুমি এখন অন্তত পেছন থেকে আমাকে ধরে রাখতে পারো।

আমি এটা শোনার পরে পেছন থেকে তাঁকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। ধীরে ধীরে মুখটা নিয়ে আসলাম চুল সরিয়ে তাঁর কাঁধের উপরে। মনকে তখন বললাম, এখন অন্তত সব ঝেরে ফেলে সামনের দিকে সময় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাক। কিছু একটা পরে দেখা যাবে।

আমি কানের কাছে ফিসফিস কণ্ঠে বললাম, “পেঁয়াজ অনেক কেটে ফেলেছেন। এখন কি ঘরে যাবেন ?

তিনি মাথা ঝাঁকিয়ে উত্তরে বললেন,” উহু, না। কি খাবে সেটা বলো। আর যদি আমাকে বিরক্ত করতে গিয়ে নিজেরি বিরক্ত লাগে , তবে তুমি ঘরছ গিয়ে বসতে পারো।

আমি ঘাড়ে ঠোঁট চেপে একটা চুমু দিয়ে বললাম, “ এখন যাবনা। আমি আছি এখানেই।”

বেশ অনেকক্ষণ পরে কপালের ঘাম মুছে আমাকে বলে, “এখন ছেড়ে দিয়ে পাশে থাকো। বেশি বিরক্ত করলে আর রান্না করতে পারবোনা। আর আমি কাফতান পরিনা। তুমি আসবে বলে আজকে পরেছি। তাই একটু বিরক্ত লাগছে। ভারি একটা জামা। রান্না করতে গিয়ে এটা এখন নষ্ট হয়ে যাবে। সমস্যা নেই। আরও আছে। মায়ের কাফতান সেগুলো। কিন্তু পরিয়ে দিবে তুমি। কীভাবে পরিয়ে দিবে সেটা আমি জানিনা। মা মারাকেশিয়ান হওয়ার কারণে এই কাফতানটার ব্যপারেই জেনেছি শুধু।

কোনো ভাবে ছাড়তে ইচ্ছে করছিল না ম্যামকে। তবুও ছেড়ে দিয়ে পাশে দাঁড়ালাম।


আমার পছন্দের ডিম ভুনা করেছে সে। স্বাদের কোন তুলনায় হয়না। যদি ধরেও নিই যে, সে মারা গেছে। তাহলে হয়ত একটা মৃত মানুষের হাতের রান্না খেলাম। তাকে কি বলা যায় তাও জানিনা। পেত্নি বা ডাইনি বললেও তাকে গালি দেওয়া হয়ে যাবে। সেটা বলতেও মন চাইছেনা।

রাতের খাবার শেষে দুজনে ঘরের সোফায় বসে আছি মুখমুখি করে। ম্যাম তখন কাফতানের আঁচল টেনে নাকে নিয়ে বলে, “এটা আর পরে থাকা যাবেনা। কেমন যেন মশলার গন্ধ হয়ে গেছে। ঘেমেও গেছি। শুননা, আলমারি খুল্লেই ধোয়া কাফতান পাবে। একটু নিয়ে আসবে ? তুমিতো পরিয়ে দিবে। এটাও করো না হয়।

আমি ঘাড় হালকা বাঁকিয়ে তাকালাম তার দিকে। বাঁকা কণ্ঠে বললাম, আপনি ঘামলে আমার বেশী ভাল লাগে। এটা আমি এখন বুঝতে পেরেছি । সত্যি অনেক সুন্দর লাগছে। বলা যায় খোদার এক অন্যরকম কারুকাজ আপনি।

তিনি আমার হাঁটুতে খোঁচা মেরে বললেন,” কিন্তু আমার অসহ্য লাগছে। যাও না দয়া করে?”

আমি হাসতে হাসতে পাশের রুমে চলে এলাম। আমি যখন রুমের ভেতরে ঢুকতে যাবো, এমন সময় দেখি যে, ম্যাম লালচে রঙের নাইটি পরে বাথরুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকছে। এইটা দেখে আমার মাথা ঘেমে উঠে চরম ভাবে। শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে যাই আমি। অথচ সে মাত্র কিছুক্ষণ মুহূর্ত আগে, সেই ঘরে গা ছেড়ে দিয়ে বসেছিল।

চলবে……

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments