লেখনীতে:আইরা নূর
‼️কার্টেসি ব্যতীত কপি করা নিষিদ্ধ‼️
সাইনা:- প্লিজ আমার সাথে এমন কিছু করো না নির। আমি তোমার পায়ে পড়ছি প্লিজ।। (ছলছল নয়নে)
সায়ের আবারো বাঁকা হেসে সাইনার দিকে এগিয়ে আসতে শুরু করে, সায়ের কে এগোতে দেখে সাইনা ও পিছিয়ে যাচ্ছে বার বার। সায়ের, সাইনার একদম কাছে এসে বলে,
সায়ের:- 𝐘𝐨𝐮’𝐫𝐞 𝐭𝐨𝐨 𝐦𝐮𝐜𝐡 𝐥𝐚𝐭𝐞. এখন আর আমি তোমার কথা শুনবো না। তোমাকে আমি অনেক ভালো করে বুঝিয়েছি কিন্তু তখন তুমি আমার কথা কে আমলেই নাও নি। যার ফল এখন ভোগ করবে তুমি।
বলেই সায়ের, সাইনার কা’টা হাত চেপে ধরে। সাইনা এবার আর কোনো উপায় না পেয়ে নিজের হাতের মাধ্যমে সায়ের কে থামিয়ে দেয় আর বলে,
সাইনা:- আমি রাজি। আমি তোমার শর্তে রাজি আছি নির।
এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সায়ের কে বিয়ে করতে রাজি হওয়া ছাড়া সাইনার কাছে আর কোনো উপায় ছিল না। তার কাছে এই সম্মান ছাড়া আর কী বা আছে। এটাই তো তার শেষ সম্বল। আর সেই শেষ সম্বল ও যদি সে হারিয়ে ফেলে তাহলে তো তার সামনে ম’রে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না। তাই যতদিন সে বেঁচে আছে এই সম্মান টুকুর অযত্ন কিভাবে করবে..?? সায়ের একবার এদিক ওদিক মাথা হেলিয়ে একটা ডেভিল স্মাইল দিয়ে বলে,
সায়ের:- এখন তো আর সময় বা সুযোগ কোনোটাই তোমার হাতে নেই সাইনা। সব তো তুমি নিজের হাতেই শেষ করে দিয়েছো। এখন তুমি রাজি হলেই বা কি আর না হলেই বা কি।
সাইনা ভয় ভয় কন্ঠে বলে,
সাইনা:- নির কেনো এমনটা করছো আমার সাথে..?? আমি তো এই বিয়েতে রাজি হয়েছি।
সায়ের, সাইনার কাছ থেকে সরে এসে কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে এরপর সাইনার উদ্দেশ্যে রাশ ভারী কন্ঠে বলে,
সায়ের:- বাহ্ 𝐠𝐨𝐨𝐝 𝐠𝐢𝐫𝐥. একদম বুদ্ধিমানের মতো কাজ করেছো তুমি। আজকে যদি তুমি বিয়েতে রাজি না হতে তাহলে তোমার পরণের এই লাল টুকটুকে বেনারসি টা না তাজা র’ক্তে ভিজে উঠতো। তোমাকে আমি মা’র’তা’ম না। তবে তোমার হাল আমি এতটা খারাপ করতাম যে কাউ কে নিজের এই মুখ দেখানোর সাহস পর্যন্ত পেতে না।
সাইনার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে। সাইনা চোখের পানি মুছে সায়েরের উদ্দেশ্যে বলে,
সাইনা:- নির, তুমি তো এমন ছিলে না.. তাহলে তোমার এই পরিবর্তনের কারণ কী..?? কেনো আমাকে নিজের কাছে বন্দী রাখতে চাইছো। ছেড়ে দাও না, কেনো তুমি বুঝতে পারছো না যে আমার তোমার সাথে থাকতে একদমই ভালো লাগছে না। তবু ও কেনো আমার সাথে জোর জবরদস্তি করছো..??
সাইনার শেষের কথা শুনে সায়েরের কপালের রগ গুলো ফুলে উঠে। সে হঠাৎই সাইনার চোয়াল শক্ত করে চে’পে ধরে আর হিংস্র কন্ঠে বলে,
সায়ের:- কেনো করছি এইসব..?? কেনো আমার এই পরিবর্তন..?? এই তুই জানিস না কেনো আজকে আমার এই পরিবর্তন। কেনো আজকে আমি এতটা খারাপ হয়েছি। তোর তো খুব ভালো করেই জানার কথা তাই না। তোর জন্যই তো আমি সব হারিয়েছি। আমি তো একটা বাজে ছেলে। তোর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তোকে বাজে প্রস্তাব দিয়েছি, তাইনা। সুযোগের সৎ ব্যবহার করতে চেয়েছি আমি।
সাইনা, সায়েরের থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য মোচড়ামুচড়ি করছে। কিন্তু সায়ের তাকে ছাড়ছে না। সাইনা অনেক কষ্টে বলে,
সাইনা:- নির আমাকে ছাড়ো, লাগছে আমার, ছাড়ো।
সায়ের:- লাগুক, আরো বেশি করে লাগুক তোর। আমি তো চাই তোর লাগুক। লাগার জন্যই তো এইভাবে ধরেছি।
তখনই দরজায় টোকা পড়ে। সায়ের, সাইনা কে ছেড়ে দিয়ে দরজার দিকে তাকায়। লোকগুলো আবারো দরজায় টোকা মা’রে। সায়ের এবার এগিয়ে যায় দরজার দিকে আর দরজা খোলে। দুইজন লোক রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের মধ্যে একজন সায়েরের উদ্দেশ্যে বলে উঠে,
—কাজী সাহেব বেশিক্ষণ এখানে থাকবেন না। আপনি যদি বিয়েটা করতে চান তাহলে তাড়াতাড়ি আসুন।
সায়ের:- হুম।
বলেই সায়ের রুমে ঢুকে সাইনার হাত ধরে আবারো তাকে টেনে হিঁচড়ে রূম থেকে বের করে বাইরে নিয়ে যায়। সাইনা কে একটা চেয়ারে বসিয়ে তার সামনে পেপার আর পেন দিয়ে সায়ের সেখানে সাইন করতে বলে। সাইনা কাঁপা কাঁপা হাতে পেপারে সাইন করে দেয়।
তারপর তারা তিন কবুল বলার মাধ্যমে ধর্মীয় এবং আইনত ভাবে স্বামী স্ত্রী হয়ে যায়। সায়ের আবারো সাইনা কে টানতে টানতে গাড়িতে বসাই আর গাড়ি স্টার্ট দিতে শুরু করে, গন্তব্য এখন সায়েরের ফ্ল্যাট। নিজের অজান্তেই সাইনার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে।
আজকের এই দিনটা তার জন্য সুন্দর হতে পারতো। যদি তার বাবা মা বেঁচে থাকতেন, তার জীবনটা যদি অল্প সময়ের জন্য না হতো তাহলে আজকে ধুমধাম করে সে সায়েরের নামে কবুল বলতো।
সায়ের ও তো তাকে কম ভালোবাসতো না। কিন্তু তার করা কাজের জন্যই তো ছেলেটা তাকে এইভাবে আ’ঘা’ত করছে। তার জন্যই তো সেই আগের সহজ সরল নির বদলে গিয়েছে।
,,,,,,,
সাইনা:- আমাকে কেনো বিয়ে করলে নির..?? এটা জানার পর ও যে আমি ইরাজ কে ভালোবাসি।
ইরাজ কে ভালোবাসার কথাটা বলতে গিয়ে ও সাইনার বুক কাঁপছে। আর কত মিথ্যা যে সায়ের কে তার বলতে হবে সেটা কেবল মাত্র আল্লাহ্ ই জানেন।
সায়ের কেবলি সোফায় বসেছে আর তখনই সাইনা তাকে এই প্রশ্ন করে বসে। তবে সাইনার শেষের কথাটা সায়ের ঠিক মতো হজম করতে পারেনি। সাইনা আবারো তার সামনে ইরাজের নাম নিচ্ছে। সায়ের নিজের রাগ কে কন্ট্রোলে আনার যথেষ্ঠ চেষ্টা করছে।
সায়ের নিজের ঠোঁট দুইটা কামড়ে হাসতে হাসতে সোফা থেকে উঠে সাইনার কাছে আসে আর ওকে আচমকা দোয়ালের সাথে পিন করে বলে,
সায়ের:- প্র’তি’শো’ধ, প্র’তি’শো’ধ নিতে বিয়ে করেছি তোমাকে আমি।
সাইনা জিজ্ঞাসু কন্ঠে বলে,
সাইনা:- মানে, কিসের প্র’তি’শো’ধ নিতে বিয়ে করেছো তুমি আমায়..??
সায়ের:- আরে এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে। তোমার জন্য আমার লাইফটা হেল হয়ে গিয়েছে। তোমার জন্য আমার বাবা মাকে আমি হারিয়েছি, আমার ক্যারিয়ার হারিয়েছি। তোমাকে তো আমি এত সহজে ছাড়বো না।
[সাইনা আর সায়েরের মধ্যে আগে কি সম্পর্ক ছিলো তা আপনারা গল্পের মধ্যেই জানতে পারবেন]
সাইনা, সায়েরের কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। কারণ তার জানা মতে সায়েরের বাবা মা তো বেঁচে আছেন। তাহলে সায়ের কেনো বার বার বলছে যে তার বাবা মা কে সে সাইনার জন্যই হারিয়েছে।
সাইনার ভাবনার মাঝেই সায়ের বলে উঠে,
সায়ের:- মনে আছে তোর সেইদিনের কথা যেইদিন তুই নির্দয়ের মতো আমাকে ঠকিয়ে চলে গিয়েছিলি। শুধু আমাকে ঠকালে হয়তো কখনোই আর তোর মতো 𝐮𝐬𝐞𝐥𝐞𝐬𝐬 মেয়ের ছায়া ও মা’ড়া’তা’ম না। কিন্তু তুই তো শুধু আমাকে ঠকাস নি সাথে সাথে আমার আব্বু আর আম্মু কে চিরো জীবনের মতো কেড়ে নিয়েছিস আমার থেকে। ওদের কে খু’ন করেছিস তুই। কেনো খু’ন করলি ওদেরকে..? বল কেনো, ওরা তো তোকে মেয়ের মতোই ভালোবাসতো। ওদের কে খু’ন করার সময় তোর হাত একটু ও কাঁপে নি..?? বল এখন চুপ করে আছিস কেনো..?? উত্তর দে আমার প্রশ্নের।
সাইনার ভেতরে এখন গিলটি ফিল হতে লাগে। সাইনা মাথা নিচু করে আছে। সাইনা কে মাথা নিচু করে থাকতে দেখে সায়ের চিৎকার করে বলে উঠে,
সায়ের:- কি হলো চুপ করে আছিস কেনো..?? কথা কানে যাচ্ছে না নাকি..?? উত্তর দিতে বললাম তো। বল কেনো মা’র’লি ওদের কে, কেনো কেনো কেনো..??
সাইনা এবার ও কিছু বলে না। সে এখনো চুপ করে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তার মনের ভেতর যে কি চলছে সেটা কেবল সেই জানে। সাইনা কে কিছু বলতে না দেখে সায়ের আরো বেশি রেগে যায়। সে নিজের রাগ কন্ট্রোল করতে না পেরে মেয়ে টাকে জোরে ধা’ক্কা দিয়ে ফেলে দেয় আর দাঁতে দাঁত চেপে বলে,
সায়ের:- যাও অনেক দূর থেকে সারা রাত গাড়ি চালিয়ে তোমাকে নিয়ে এসেছি আবার এত খাটাখাটনি করেছি বিয়ে করার জন্য। তাই এক্ষণই গিয়ে রান্না করো। আর হ্যাঁ ১০ মিনিটের মধ্যে আমার জন্য বিরিয়ানি রান্না করবে নাহলে আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না।
সায়ের এতো জোরে ধাক্কা মা’রা’ই সাইনা তাল সামলাতে না পেরে কাচের সেন্টার টেবিলের পাশে গিয়ে পড়ে। যার ফলে তার কপাল বেশ খানিকটা কে’টে ও যায়। সাইনা কপালে হাত রাখতেই বুঝতে পারে যে তার কপাল কে’টে র’ক্ত পড়ছে। সাইনা শাড়ির আঁচল দিয়ে র’ক্ত পড়া কোনো রকমে আটকায়। হঠাৎই সায়ের গর্জে উঠে।
সায়ের:- এই মেয়ে কথা কান যায়না তোর..?? রান্না করতে বললাম তো তোকে। এখানে বসে বসে কি করছিস তুই..? তাড়াতাড়ি যা আমার ক্ষিদে পেয়েছে। ১০ মিনিটের মধ্যে বিরিয়ানি রান্না করে আনবি যা।
সায়েরের কথার পিঠে সাইনা বলে,
সাইনা:- মানে টা কি..!! ১০ মিনিটে কিভাবে বিরিয়ানি রান্না করবো আমি..??
সায়ের:- সেটা তো আমার দেখার বিষয় নয়। তোমাকে যখন বলেছি ১০ মিনিটে বিরিয়ানি রান্না করবে তখন করবে আমি কিছু শুনতে চাই না।
সাইনা এবার বিরক্ত হয়ে বেশ কড়া গলায় বলে,
সাইনা:- আমি পারবো না।
সায়ের কেবলই নিজের রাগ কে নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ওমনি সাইনার এই কথা শুনে সায়েরের রাগ পা থেকে মাথায় চড়ে যায়। সে সাইনার কাছে এসে তার ক্ষ’ত বি’ক্ষ’ত হাত টা আবারো চেপে ধরে আর রাগি কণ্ঠে বলে,
সায়ের:- আমি বললাম না যে তুই ১০ মিনিটের মধ্যে আমার জন্য বিরিয়ানি রান্না করবি মানে করবিই। আমি কিচ্ছু শুনতে চাই না। যা এক্ষণই যা।
সাইনা দাঁতে দাঁত চেপে কাঁপা কাঁপা গলায় বলে,
সাইনা:- আমি পারবো না। আমার খুব মাথায় ব্যা’থা করছে। আমি,,,,,
আর বলতে পারলো না তার আগেই সায়ের সাইনা কে খুব জোরে একটা থা’প্প’র মা’রে। থা’প্প’ড় মা’রা’র ফলে সাইনার ঠোঁটের কোণ থেকে র’ক্ত পড়তে শুরু করে। সায়ের উঁচু গলায় বলে,
সায়ের:- এই মেয়ে তুই কি কানে শুনতে পাস না..?? কত বার একি কথা বলা লাগে তোকে..? বললাম না যে তুইই বিরিয়ানি রান্না করবি আমার জন্য আর তাও ১০ মিনিটের মধ্যেই।
সাইনা গালে হাত দিয়ে সায়েরের দিকে ছল ছল নয়নে তাকাই। সাইনা আর বসে থাকে না। শরীরের এই অবস্থা নিয়েই সে রান্না ঘরে ঢুকে পড়ে। এখন সাইনার মাথায় আসছে না যে সে এই ১০ মিনিটের মধ্যে কিভাবে বিরিয়ানি রান্না করবে। সাইনা আর বেশি না ভেবে কিছু সবজি আর ডিম দিয়ে একটা মিক্সড ফ্রাইড রাইস বানাই।
রান্না শেষ হতেই সাইনা সায়েরের সামনে খাবার পরিবেশন করে। খাবার দিয়ে খুব সুন্দর গন্ধ আসছে। সাইনা কায়দা করে মিক্সড ফ্রাইড রাইসে হালকা একটু বিরিয়ানি মসলা দিয়েছে এতে বিরিয়ানি বিরিয়ানি গন্ধ বের হচ্ছে মিক্সড ফ্রাইড রাইস থেকে। সায়ের প্লেটের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে এরপর গম্ভীর স্বরে বলে,
সায়ের:- ১০ মিনিটে কিভাবে বিরিয়ানি রান্না করলে..?? তুমি না একটু আগেই বললে যে ১০ মিনিটে নাকি বিরিয়ানি রান্না করা যায় না।
সাইনা আমতা আমতা করে বলে,
সাইনা:- সে করেছি কোনো ভাবে। তোমার খাওয়ার হলে খাও নাহলে আমি গেলাম।
সায়ের:- এই দাঁড়াও বিরিয়ানিতে মাংস কোথায়…?? এখানে তো শুধু সবজি আর ডিম আছে।
সাইনা:- এটা হলো সবজি আর ডিম দিয়ে তৈরি বিরিয়ানি। খেয়ে দেখ অনেক ভালো লাগবে।
সাইনার কথা শুনে রাগের চোটে খাবারের প্লেটটা ছুঁড়ে মা’রে সা’য়ে’র। এরপর চেয়ার ছেড়ে উঠে সাইনার গলা চে’পে ধরে আর বলে,
সায়ের:- তোমাকে না আমি বিরিয়ানি রান্না করতে বলেছিলাম আর তুমি এইসব কি রান্না করেছ। আমাকে কি তোমার ছাগল মনে হয় যে এইসব ঘাসপাতা দিয়ে যা নয় তাই বানিয়ে বলবে যে এইটা বিরিয়ানি আর আমিও খেয়ে নেবো। তোমার সাহস দেখে আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি।
সাইনার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাই সে সায়েরের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য ছটফট করছে। সাইনার তো রীতিমত কাশি উঠে গিয়েছে। সাইনা অনেক ক’ষ্টে কাঁপা কাঁপা গলায় বলে,
সাইনা:- আ~আমাকে ছাড়ো নির, আ~আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। ছাড়ো আমাকে। পা’গ’ল হয়ে গেলে নাকি তুমি..?? কখন থেকেই যা নয় তা করছো আমার সাথে।
সায়ের কিচ্ছু বলে না বরং সাইনার গলায় হাতের চাপ আরো বাড়তে শুরু করে। এবার সাইনা আর সহ্য করতে পারে না। সে রীতিমতো সায়েরের হাতে নখের আঁ’চ’ড় বসাচ্ছে।
~চলবে~