গল্প: হৃদয়ের আশ্রয় ...
 
Notifications
Clear all

গল্প: হৃদয়ের আশ্রয় (Writer: Nusrat putul)

Page 2 / 2

Posts: 18
Topic starter
(@nusrat-putul)
Joined: 5 months ago
পর্ব–১৫

আমি যখন ভয়ে  ঢোক গিলছিলাম, ফুফু আস্তে করে সরে গিয়ে আমার জন্য ভাত নিয়ে এলো।
টেবিলে প্লেটটা রেখে বলল,

 -এখানে খাবার রাখা আছে, খেয়ে ঘুমিয়ে পড়।

আমি এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলাম।
তারপর আর কিছু না ভেবে খাবার খেতে বসে পড়লাম। পেটে প্রচণ্ড ক্ষুধা, এতো কিছু ভাবার সময় কই? আমি যে সারা দিনের অনাহারী।
খেতে খেতে লক্ষ্য করলাম, খুব দ্রুত লোকমা মুখে দিচ্ছি।
হঠাৎ মনে পড়ল
মা থাকতে কত বলেও আমাকে এভাবে তাড়াতাড়ি খাওয়াতে পারত না।
ক্ষণিকের জন্য মনে একটা প্রশ্ন জাগল

-বড় হতে কি বয়স বাড়তে হয়?
নাকি মায়ের অনুপস্থিতিই একটা বাচ্চাকে হঠাৎ বড় করে দেয়, মানিয়ে নিতে শেখায়?
তবে কি মায়ের আদরের আঁচলে ঢাকা থাকে বলেই বাচ্চাদের ম্যাচিউর হতে এত সময় লাগে?  মা হীন বাচৃচারা চোখের পলকে বেড়ে ওঠে 

পরমুহূর্তেই আবার খাবারে মন দিলাম।
পরদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি, ফুফুরা চলে গেছে।
কেন জানি সেদিন ঝুমুরের প্রতি একটু অভিমান জমেছিল। মনে মনে শপথ করেছিলাম 
ওর সঙ্গে আর কোনো কথা নেই।

_________

চেয়ারে বসে আছে হাসনা।
তার হাঁটুর উপর মাথা রেখে অনেকক্ষণ ধরে মেঝেতে বসে আছে তনিমা।
অবশেষে বিনয়ী সুরে বলল

-আম্মাকে একটু বুঝাও না, মামিমনি। আমিও নাদিমকে ভালোবাসি। ও তো খারাপ ছেলে না, ভালো চাকরিও করে। তুমি একটু বুঝাও না…
হাসনা বেগম পরম আদরে তনিমার চুলে বিলি কাটছিলেন।
বিলি কাটতে কাটতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন

-তোর মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে সুপারিশ করার মতো সাহস আমার নেই রে মা।
সে কখনোই রাজি হবে না। উল্টো ঝামেলা করবে, চিল্লাচিল্লি করে সারা বাড়ি মাথায় তুলবে…

তনিমার মুখটা ছোট হয়ে এল। চোখ ছলছল করছে।

-তাহলে কি আর কোনো উপায় নেই, মামিমনি?

-যে সংসারে তার নিজের ঠাঁই হয়নি, সে পরিবারে নিজের মেয়েকে পাঠাবে?
তা সে কখনোই চাইবে না।
জানিস তো
চুন খেয়ে মুখ পুড়লে দই দেখলেও তো ভয় লাগে।

তনিমা আর কিছু ভাবতে পারল না। কান্নারত অবস্থায় ছুটে চলে গেল মামির ঘরে।
নিজের বলে আলাদা কোনো ঘর নেই তার। সে মায়ের সাথেই ঘুমায়।
কিন্তু সেই ঘরে যেতে ইচ্ছে করে না। মা সারাদিনই বকবক করেন। দেখলেই কোনো না কোনো বিষয়ে কথা শোনাবেন।
তাই বেশিরভাগ সময় মামির ঘরেই কাটায় তনিমা।
মামি মায়ের মতো বকাঝকা করেন না। নাম ধরেও ডাকেন না, 
আদর করে মা ছাড়া কিছুই বলেন না।
তবে এর জন্য আবার মায়ের কাছে এক দফা বকা খেতে হয়।
মায়ের ঘরে গেলেই বলবেন

— কেন আসলি? এখানে তোর কী আছে? প্রয়োজন ছাড়া এ ঘরে আসবি না। আমি কে তের?  তোর মা তো ঐটা
সারাদিন থাকার জন্য তো একটা ঘর পেয়েছিস। রাত হলেই আবার এখানে কেন আসিস? কী দরকার?
যা, এখন মামির আঁচলের নিচেই থাক।
তনিমা তখন কিছু বলে না।
চুপচাপ কান চেপে ঘুমিয়ে পড়ে। অভ্যাস হয়ে গেছে।

*
অনেকক্ষণ কান্না করার পর তনিমা মামির ফোন থেকে নাদিমকে কল করল।
নাদিম তখন অফিসের ফাইলে মুখ গুঁজে কাজ করছিল। কল আসতে দেখে সব ব্যস্ততা ফেলে রিসিভ করল।
— হ্যালো?
তনিমা কোনো কথা বলছে না। তার মন ভার।
নাদিমের বুঝতে বাকি রইল না।
মায়া মাখা কণ্ঠে ডাকল—
— তনি পাখি, কী হয়েছে?

তনিমা চুপ। আবার ফুপিয়ে কান্না আসছে

— এই তনি, একদম কাঁদবি না। কী হয়েছে বল আমায়।

— মামিমনি বলেছে, মা’কে রাজি করাতে পারবে না। এখন কী করব?
নাদিম হালকা হাসল।

— এই জন্য কাঁ*দছিস? বোকা মেয়ে. কাঁদিস না। রাতে আসছি আমি, কাজ শেষ করে।
তোর বর কি তোকে বলেনি এসব নিয়ে চিন্তা না করতে?
আমি বললাম না
সব ঠিক করে দেব।
মামি নিজেই তোকে আমার হাতে তুলে দেবে। আর কয়টা দিন শুধু…
— আচ্ছা…
— ঠিক আছে পাখি, এখন রাখছি। অনেক কাজ পড়ে আছে।

__________

অতীত
নতুন মা নিখোঁজ হলেন নির্বাচনের মাত্র দশ দিন আগে।
একদিকে ফুফার নির্বাচন, অন্যদিকে নতুন মাকে খোঁজাখুঁজি
সব মিলিয়ে পুরো পরিবারে হুলুস্থুল অবস্থা।
নতুন মায়ের সাথে বাবার মাত্র কয়েক মাসের সংসার।
সেটা ছেড়েই পালিয়ে গেলেন নতুন মা ।

যে বাসা থেকে তাকে বিয়ে করে আনা হয়েছিল, সেখানে খোঁজ নিয়েও বাবা ব্যর্থ হলেন।
জানতে পারলেন

নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন আগেই তার মা বাসা ছেড়ে চলে গেছেন।
নতুন মা আর তার মা ভাড়া বাসায় থাকতেন।
তার মা অসুস্থ ছিলেন, তাই তিনি কয়েকটা বাচ্চাকে টিউশনি করাতেন, যেমন আমাকেও।
কিন্তু বাবার সঙ্গে বিয়ের পর থেকে সব খরচ বাবাই চালাতেন।
তাহলে হঠাৎ করে সেই মহিলা একা একা বাসা ছাড়লেন কেন?

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়,
তিনি নাকি নিজে কিছুই করেননি।
দুজন পুরুষ এসে সব মালামাল গাড়িতে তুলে দেয়, তারপর তাকেও বাসে উঠিয়ে দেয়।
আরও আশ্চর্যের ব্যাপার
এই বিষয়ে নতুন মা বাবাকে কিছুই জানাননি।
এমনকি তিনি নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
ব্যাপারটা মোটেও কাকতালীয় নয়।
প্রথমে সবাই ভেবেছিল, হয়তো নতুন মা কোনো বিপদে পড়েছেন।
কিন্তু যখন জানা গেল তার মা দুই দিন আগেই বাসা ছেড়ে গেছে, তখন আর কারও বুঝতে বাকি রইল না

-সবই ছিল নতুন মায়ের পূর্বপরিকল্পিত কাজ।
বাবা হতাশ হয়ে ঘরে পড়ে রইলেন।
কী করবেন, কোন দিক যাবেন
কিছুই বুঝতে পারছিলেন না।
কারণ শুধু নতুন মা নিখোঁজ নন,
তার সঙ্গে বাবার অফিসের পাঁচ লক্ষ টাকাও আলমারি থেকে উধাও।
এমন সময়ে ফুফুরাও আসেনি।
ছোট ফুফুর অজুহাত

"ফুফা নির্বাচন প্রার্থী। বাড়িতে সারাদিন কাজ, শত মানুষের আসা–যাওয়া। তাই তার পক্ষে আসা সম্ভব নয়।
বাবা প্রায় পা"গলের মতো হয়ে গেলেন।
শেষমেশ সিদ্ধান্ত নিলেন
" চট্টগ্রাম যাবেন।
নতুন মা বলেছিলেন, চট্টগ্রামই তাদের জন্মস্থান।
সেখানে গিয়ে শেষবারের মতো খুঁজে দেখবেন।
হয়তো সেখানেই তাকে পাওয়া যেতে পারে।

 

চলবে ইনশাআল্লাহ…

Loading spinner

Reply
Posts: 18
Topic starter
(@nusrat-putul)
Joined: 5 months ago
পর্ব–১৬

হতাশার দীর্ঘশ্বাস ফেলে ঘরে প্রবেশ করলেন বাবা। মুখটা ভীষণ মলিন।
চট্টগ্রাম গিয়েও বিশেষ কোনো লাভ হয়নি। নতুন মায়ের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
সেখানকার লোকজন জানিয়েছে, নতুন মায়ের মা ছিলেন একজন নর্ত*কী। তার বাবার কোনো ঠিকানা কেউ জানে না। মা-মেয়ে দুজন একাই থাকতেন সেখানে একটা বাড়িতে ।

কিন্তু মেয়েটি বড় হতে শুরু করলে লোকজন নানান কথা বলতে থাকে। মায়ের বদনামের ছাপ মেয়ের গায়েও লাগতে শুরু করে।
তারপর কয়েক বছর আগে তারা সেখানকার বাড়িটা বিক্রি করে কোথায় যেন চলে যায়
কেউ জানে না। এরপর আর কখনো সেই জায়গায় তাদের দেখা যায়নি।
___

বাবা দুই দিন ধরে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করছেন না। এতগুলো টাকা, অফিসে তিনি কী জবাব দেবেন?
শুধু টাকা নিয়েই যায়নি সে। জমির অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আর কয়েক লক্ষ টাকার গহনাও নিয়ে গেছে।
টাকার গরমিলের কারণে শেষ পর্যন্ত বাবার চাকরিটাও চলে গেল। 
বাবা যেন পথের ভিখারিতে পরিণত হতে বসেছেন।
এর মধ্যে ছোট ফুফুও আসেননি। আগামীকাল নির্বাচন
সম্ভবত সে কারণেই আসেননি।
নির্বাচনে ফুফার বেশ নামডাক ছিল। সবার মুখে মুখে তার নাম। সবাই ধরে নিয়েছিল বিপুল ভোটে জয়ী হবেন ফুফা।
কিন্তু ফলাফল আশানুরূপ হলো না। সম্পূর্ণ উল্টো হলো সবকিছু।
এত টাকা খরচ করে নির্বাচন করলেন, অথচ ফল হলো এমন,,

সবাই যেন মাথায় হাত দিয়ে বসে রইল।
এই ধাক্কা সহ্য করতে না পেরে ফুফু স্ট্রোক করলেন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হলো।
ডাক্তার জানালেন, তাকে আইসিইউতে রাখতে হবে। রোগীর অবস্থা বেশ গুরুতর। চিকিৎসার জন্য কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হবে।
ফুফা সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি এসব খরচ বহন করতে পারবেন না।
দাদির কান্নাকাটিতে শেষ পর্যন্ত বাবা বাধ্য হলেন নিজের জমি বিক্রি করে ফুফুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে।
বাবার জমি বিক্রির টাকাতেই সুস্থ হয়ে উঠলেন ফুফু।
আর বাবা চাকরি হারিয়ে ছন্নছাড়া মানুষের মতো ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। যা সামান্য জমিজমা ছিল, তাতেই চাষাবাদ করে কোনো মতে সংসার চালাতে লাগলেন।
রাতের পর দিন, দিনের পর রাত—এইভাবেই কেটে গেল আমাদের জীবনের অনেকগুলো বছর।

_________

বর্তমান,,,,,

নাদিম ভাইয়ের সঙ্গে কথা শেষ করে পেছনে ফিরে দেখি, ঝুমুর এখনো দাঁড়িয়ে আছে। হাতে পায়েশের বাটি।
আমি ঠান্ডা গলায় বললাম,
— আমি পায়েশ খাব না। নিয়ে যাও এটা।
ঝুমুরের চোখ ছলছল করছে। সে কিছু বলতে চাইছিল, কিন্তু আমি আর কিছু না বলে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লাম।
এখন কাঁদবে ঝুমুর।
কাঁদুক। তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
তবে তার কান্না আমি বসে বসে দেখতে পারব না—তাই চলে এলাম।
কাল থেকেই আবার অফিসে যোগ দেব। এখন আমি আমার স্বপ্নের পুলিশ অফিসার।
আগে ভাবতাম, পুলিশ হলেই আশেপাশের সব অপরাধীর শাস্তি দিতে পারব। কিন্তু পুলিশ হওয়ার পর বুঝলাম—সাক্ষী-প্রমাণ ছাড়া এত বছর আগের অন্যায়ের বিচার করা যায় না।
এই কারণে ইদানীং চাকরিটা ভালো লাগে না আমার।
তবুও করতে হবে। এই চাকরির টাকাতেই তো এখন সংসার চলে। বাবা তো আর কোনো কাজ করেন না। জায়গাজমি যা ছিল, কয়েক বছরের মধ্যেই সব বিক্রি হয়ে গেছে।
অফিসে ঢুকতেই রিশা আড়চোখে আমার দিকে তাকাল। আমি দেখেও না দেখার ভান করলাম।
কোয়ার্টারের জন্য আবেদন করতে হবে। হয়ে গেলে ঝুমুরকে এখানেই নিয়ে আসব।
যদিও তাকে আনার কোনো তাড়া আমার নেই। তবুও একা একা বাড়িতে কী করবে সে? তাছাড়া বিয়ের কথা শোনার পর থেকেই এখানে সবাই আবেদন করতে বলছে।
কাজ শেষে রাস্তা নামতেই রিশা অভিমানী মুখে বলেই ফেলল—
— বিয়েটা শেষ পর্যন্ত করেই এলেন, স্যার?
আমি নির্বিকার গলায় বললাম—
— না করে আসার কথা দিয়েছিলাম নাকি তোমাকে?
কথাটা শুনে বেশ আঘাত পেল রিশা। বুঝতে পারলাম। কিন্তু আমার ভেতরে কোনো অনুতাপ নেই।
রিশা চুপ করে থেকে আবার বলল—
— আপনাকে পছন্দ করতাম আমি। ভেবেছিলাম...
আমি তার কথা শেষ করতে দিলাম না।
— আর ভাবো না। আমি তোমাকে পছন্দ করি না। এমনকি ঝুমুরকেও না। তবে ঝুমুর আমাকে ছোটবেলা থেকেই পছন্দ করত। সেই হিসেবেই তাকে বিয়ে করা।
আমার কথা শুনে রিশার মুখে হঠাৎ এক ঝলক হাসি ফুটে উঠল।
কিন্তু কেন—তা বুঝতে পারলাম না।
আমার ভাবনার মাঝেই সে আবার প্রশ্ন করল—
— সত্যি? তাকে পছন্দ না আপনার?
তারপর ‘ওয়াও’ বলে নাচতে নাচতে চলে গেল।
আমি বাঁকা হেসে ফেললাম।
আমার বলা মিথ্যা কথাটা রিশা সত্যি বলে বিশ্বাস করেছে। ঝুমুরকে বিয়ে করার কারণ—সে আমাকে পছন্দ করে, ফুফু চায়—এসব কিছুই নয়।
বরং তাকে বিয়ে করার পেছনে আমার রয়েছে এক বড় পরিকল্পনা।
যার সূচনা করেছি তাকে ‘কবুল’ বলার মধ্য দিয়ে।
আর তাকে কোয়ার্টারে নিয়ে আসার মাধ্যমে শুরু হবে সেই পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ।
বাঁকা হাসি মুখে নিয়ে গন্তব্যের দিকে পা বাড়ালাম।
নাদিম ভাই আমাকে একটা কাজ দিয়েছিলেন। সেটাই কীভাবে করব—সেই চিন্তায় ডুবে আছি।
রাত হলে ঘুম আসে না। মায়ের মুখটা ভেসে ওঠে চোখের সামনে।
এমন নয় যে আমি মায়ের সঙ্গে দেখা করি না। করি। এখনো মাসে একবার করে মায়ের কাছে যাই।
তনিমার হাতে লুকিয়ে কিছু টাকা গুঁজে দিয়েও আসি।
তবুও কষ্ট হয়।
নিজের চোখের সামনে মায়ের সংসারটা ভেঙে যেতে দেখেছি আমি।
আমার মমতাময়ী মা-টাকে ভেতর থেকে শেষ হয়ে যেতে দেখেছি।
এখনকার মা আর বিশ বছর আগের মায়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।
আগে মা জোরে কথা বলতেন না। তার সঙ্গে অন্যায় হলেও মুখ ফুটে একটা কথাও বলতেন না।
আর এখন—কারণ ছাড়াই খিটখিট করেন।
রুমে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতেই হঠাৎ ফোনটা জোরে বেজে উঠল।
ফোনের স্ক্রিনের দিকে একবার তাকিয়ে সেটাকে উল্টে রেখে দিলাম।
তবুও থেমে থেমে বাজতেই থাকল ফোন।
আমি শুধু রিংটোন গুনছি—কয়বার বাজে।
এর মধ্যেই তেরো বার কল এসেছে।

চলবে ইনশাআল্লাহ...
 

Loading spinner

Reply
Page 2 / 2
Share:

Loading spinner