গল্প: চিরচেনা অচেনা (০১)

~”কতবার বলেছি মা তোকে, এভাবে বাবার মুখের উপর জবাব দিতে নেই, বাবার দীর্ঘশ্বাস পড়বে তোর উপর!”

মা রাহনুমা বিবির কণ্ঠে একরাশ উদ্বেগ আর মিনতি। তিনি ধীরলয়ে এগিয়ে এসে মেয়ের মাথায় স্নেহের পরশ বুলিয়ে দিতে চাইলেন। কিন্তু আতিকা পাথরের মতো অনড়। তার চোখেমুখে কোনো অনুশোচনা নেই। কে শোনে কার কথা! তার মেয়ে প্রতিবারই বাবার সামনে গেলে এক অমায়িক আচরণ করে। বাল্যকালের বাবার দেওয়া এক তিক্ততা যেন তার সমস্ত আনন্দ গ্রাস করে নেয়। বাবা নামটাই যেন তার কাছে একরাশ বিরক্তির কারণ।

রাহনুমা বিবির করুণ আর্তি শুনে আতিকা তার চোখের দৃষ্টি তপ্ত করে জানাল,
~”তোমার মহামান্য স্বামীকে বলে রেখ আম্মু, পিতৃ স্নেহের শূন্যতা পৃথিবীর কোন কিছু দিয়ে পূরণ করা যায় না, ওনার রক্ত আমার শরীরেও বইছে, তাই ওপরওয়ালা আমার তেজটা ও ওনার থেকে কপি টু পেস্ট করে দিয়েছেন। যেদিন আমার আব্বুর দায়িত্ব পালন করতে পারবে, সেদিন যেন তিনি আমার কাছ থেকে সম্মান আশা করেন, নতুবা উনার দীর্ঘশ্বাস আমার কাছে কোন ম্যাটারই করে না।”

একটানা কথাগুলো বলে গটগট করে বেরিয়ে গেল আতিকা। তার মা অপলক দৃষ্টিতে মেয়ের যাওয়ার দিকে চেয়ে রইলেন। আতিকা যদি একবার পিছন ফিরে তাকাতো, তবে দেখতে পেত, নিজেরই স্বামী-সন্তান এর বিরোধ দেখতে দেখতে তিনি মনে ঠিক কতটা আঘাত পেয়ে চলেছেন! সেই ক্ষত দেখার মতো ফুরসত আতিকার নেই।

“আয়রাতুল সিদ্দিক আতিকা”—সিদ্দিক বংশের বড় নাতনি। শ্বেত কুন্দফুলের মতো উজ্জ্বল তার গায়ের রং, দুচোখে যেন এক গভীর মায়া মাখানো, যাকে বলে সুধাক্ষী। তবে সেই আঁখিতে সহজে কোমলতা দেখা যায় না, বরং এক অদৃশ্য আড়াল থাকে সবসময়। উচ্চতাও মাঝারী সাইজের থেকে খানিকটা বেশি। বর্তমানে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সে। ভার্সিটিতে পড়ার পাশাপাশি সে টিউশনিও করে, যাতে কারো কাছে হাত পাততে না হয়। নিজের প্রয়োজন মেটানোর জন্য কারো ওপর নির্ভর করা তার ধাতে নেই; আত্মমর্যাদাবোধ আতিকার বড্ড প্রখর।

দাদা “রহমান সিদ্দিক”, সিদ্দিক বংশের মূল শিকড়। অঢেল সম্পদের মালিক তিনি। বড়লোকদের জীবন নিয়ে সমাজে একটা প্রচলিত কথা আছে। তাদের মনে শান্তি থাকে কম; হয় উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য নয় অমানবিকতার জন্য। অথচ রহমান সিদ্দিকের মধ্যে এর কোনোটাই নেই। তবুও যেন তার পরিবারে শান্তির সুবাতাস বইছে না। স্বীয় অর্ধাঙ্গিনী, তিন ছেলে আর তাদের সন্তানদের নিয়ে বিশাল এই রাজপ্রাসাদ সম ঘর। শখ করে বাড়ির নাম দিয়েছিলেন “সিদ্দিক নীড়”। যৌবনে শিক্ষকতা করলেও তিনি এখন নিজের ছেলেদের গড়ে তোলা বিশাল বড় পারিবারিক ব্যবসায় মনোনয়ন করেছেন।

সিদ্দিক পরিবার সমাজে বেশ সম্মানিত এবং প্রতিষ্ঠিত। বাইরের চাকচিক্য চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার মতো হলেও ভেতরের সম্পর্কগুলো ছিল বিষিয়ে যাওয়া। পরিবারের বড় সদস্যরা সবসময় নিজেদের মধ্যে এক প্রকার শাসকত্মক মনোভাব পোষণ করতেন। একে অপরের প্রতি সেই প্রগাঢ় আবেগ বা ভালোবাসার টান ছিল বড্ড ফিকে। এর বড় কারণ সিদ্দিক বংশের পুরনো মূল্যবোধ। যেখানে রক্তের সম্পর্ককে বড় করে দেখা হলেও সেই সম্পর্কের মাঝে আসল ভালোবাসা বা সহানুভূতির কোনো জায়গা রাখা হতো না।

এই তো কিছুক্ষণ আগের ঘটনা, সিদ্দিক বাড়ির বড় সন্তান “সাইফুদ্দিন সিদ্দিক” ড্রয়িং রুমে বসে রণক্ষেত্র তৈরি করেছিলেন। আতিকার বাইরে টিউশনি করানো তার সম্মানে লেগেছে। কিন্তু আতিকার পরিষ্কার কথা, সে তার বাবার কোনো কথাই শুনবে না। স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য যা করতে হয়, আতিকা তা-ই করবে। জন্ম পরিচয় তার কাছে কোনো ব্যাপার না। যেখানে বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে নিজেরই জন্মদাতা পিতার কাছ থেকে সে কেবল অবজ্ঞাই সয়ে আসছে, সেখানে সম্মান দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। বাবা-মেয়ের এমন বাকযুদ্ধ সিদ্দিক নীড়ে প্রায়শই দেখা যায়, তাই অন্য সদস্যরাও অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আতিকার জেদের কাছে সবাই এখন মৌন।

<><><><><><><><><>

সকালের হালকা মিষ্টি রোদ গায়ে মেখে আতিকা ভার্সিটির ক্যাম্পাসে ঢুকছিল। টিউশনি শেষ করে ক্লান্ত থাকলেও তার চলাফেরায় ছিল এক অমায়িক দৃঢ়তা। সে এখন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী, ধীরে ধীরে ক্যাম্পাসের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে। ক্লাস শুরু হবার আগে লাইব্রেরির কিছু কাজ সারতে সে হেঁটে যাচ্ছিল ডিপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের দিকে।

হঠাৎ আতিকা ভার্সিটিতে ঢুকতেই এক বিশ্রী দৃশ্যে থমকে দাঁড়াল। চোখে পড়ল, কয়েকজন সিনিয়র ভাই মিলে একটি ছেলেকে নির্মমভাবে মারধর করছে। ছেলেটি যন্ত্রণায় কুকড়ে গেলেও তারা থামছে না। আতিকার ভেতরকার প্রতিবাদী সত্তা জেগে উঠল। মুহূর্তের জন্যও না ভেবে সে দ্রুত পায়ে হেঁটে ভিড় ঠেলে সরাসরি সেই ছেলেগুলোর সামনে গিয়ে দাঁড়াল।

~”থামুন! কেন মারছেন ওনাকে?”—আতিকার গলা সাহসে কাঁপছিল, কিন্তু চোখে ছিল দৃঢ়তার প্রখর।

ছেলেগুলো ওর কথা শুনেও থামল না, বরং পরিস্থিতির গুরুত্ব কমিয়ে দিয়ে আতিকাকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলতে শুরু করল।
~”এই যে আগুন সুন্দরী, এসবের মধ্যে ঢুকে কোনো লাভ নেই। সিনিয়র ভাইদের কাছ থেকে র‍্যাগিং খাওয়ার শখ হয়েছে বুঝি?”

ছেলেগুলোর একজন টিটকারির সুরে হাসতে হাসতে বলে উঠল। এই অসভ্যতা সহ্য করার পাত্রী আতিকা নয়। রাগে ফেটে পড়ে সে বিদ্যুৎ গতিতে সপাটে ছেলেটার গালে একটা কড়া থাপ্পড় বসিয়ে দিল। পুরো ক্যাম্পাস যেন মুহূর্তের মধ্যেই স্তব্ধ হয়ে গেল!

ঠিক তখনই, পেছন থেকে গম্ভীর পদক্ষেপে এগিয়ে এল এক অপরিচিত যুবক। লম্বা, সুঠাম দেহ, আর চেহারায় এক অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস। আতিকা ঘুরে তাকিয়ে দেখল, নীল শার্ট পরা সেই ছেলেটির উপস্থিতি ক্যাম্পাসের সকালের আলোয় যেন আলাদা এক দ্যুতি ছড়াচ্ছে।
সে আর কেউ নয়— “ইখতিয়ার শিহাব”। চতুর্থ বর্ষের স্টার সিনিয়র, যাকে নিয়ে ক্যাম্পাসের মেয়েদের কল্পনার শেষ নেই। একইসাথে সে প্রিন্সিপাল স্যারের ছেলে।

প্রথম দেখাতেই আতিকার এই অভাবনীয় সাহস শিহাবের নজর কেড়ে নিলেও সে তা প্রকাশ করল না। নিজের অজানা মুগ্ধতা চাপা দিয়ে কঠিন গলায় প্রশ্ন করল,
~”সিনিয়রের গালে থাপ্পড় মারার সাহস কোত্থেকে পাও, জুনিয়র?”

আতিকা কিছুক্ষণ থমকে থেকে ওর চোখের দিকে স্থির হয়ে তাকিয়ে রইল। তারপর বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে দৃঢ় স্বরে জবাব দিল,
~”আর ওনারা যে একজনকে মারতে মারতে আধমরা করছেন, সেটার কী হবে? সেটার জন্য সাহস লাগে না?”

শিহাবের ব্যক্তিত্বের সামনে সবাই যখন মাথা নিচু করে থাকে, তখন এই মেয়ের এমন সোজাসাপ্টা উত্তরে চারপাশ আরও নিস্তব্ধ হয়ে গেল। কেউ কিছু বলার সাহস পেল না। আতিকা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রইল, যেন সে কোনো অন্যায়ের কাছে হার মানবে না। আতিকার চোখে তখন প্রতিবাদের আগুন।

শিহাবকে দেখে ওই ছেলেগুলো একটু সরে গেল, কারণ সবাই জানত শিহাবের কথার গুরুত্ব এই ক্যাম্পাসে কতটা। শিহাব মাটির ওপর পড়ে থাকা ছেলেটিকে সযত্নে তুলতে তুলতে বন্ধুদের উদ্দেশ্যে কড়া গলায় বলল,
~”আরেকবার এমন করলে ডাইরেক্ট ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশনে পড়বি। এখন যা গিয়ে স্যারকে রিপোর্ট কর।”

পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার পর শিহাব আতিকার দিকে ফিরে একটু ঝুকে দাঁড়াল। বেশ ঠান্ডা গলায় বলল,
~”তুমি জানোও না ঘটনা কী, তবুও এসে থাপ্পড় মেরেছো? ভাবছো, সবাই তোমার কথায় হাঁটবে?”

আতিকা ভুরু কুঁচকে আগের মতোই গম্ভীর স্বরে জবাব দিল,
~”আমি যা দেখেছি, তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি। অন্যায় দেখেও চুপ থাকার শিক্ষা পাইনি।”

শিহাবের ঠোঁটের কোণে এবার এক চিলতে হাসির রেখা ফুটে উঠল। এক অদ্ভুত মুগ্ধতা তার চোখে খেলে গেল, যা আগে কেউ কখনো দেখেনি। সে মৃদু স্বরে বলল,
~”ভালো সাহস তোমার। কিন্তু সাহসের সঙ্গে বুদ্ধিটাও দরকার।

ক্ষণিক থেমে শিহাব ভাই আবারো বললো,
~”তবে তুমি ঠিক করেছো, কিন্তু একা ঝাঁপিয়ে পড়া সবসময় ঠিক হয় না। বুঝেশুনে দাঁড়াতে হয়।”

শিহাবের গলার স্বর এবার কিছুটা নরম শোনাল। আতিকা আরও কিছু বলতে চাইল, কিন্তু তার আগেই মার খাওয়া ছেলেটি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সামনে এগিয়ে এল। তার চোখ ভেজা, কণ্ঠে কৃতজ্ঞতার ছাপ।
~”তোমাকে অনেক ধন্যবাদ, আমি কিছু করিনি। ওরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মারছিল। বলছিল, আমি নাকি নকল করেছি। অথচ আমি নির্দোষ! কাউকে বোঝানোর সুযোগও পাইনি। তুমি না এলে…আজ হয়তো আমার সম্মানটাই মাটিতে মিশে যেত।”—ছেলেটি কথা বলতে বলতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ল।

ছেলেটার আকুতি শুনে আতিকার বুকের ভেতরটা কষ্টে মোচড় দিয়ে উঠল। সে সামান্য এগিয়ে গিয়ে সহমর্মিতার সুরে বলল,
~”নিজেকে শক্ত রাখুন ভাই। সত্য কখনো চাপা থাকে না।”

ছেলেটি মাথা নুইয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চলে গেল। আর শিহাব? সে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল আতিকার মুখের দিকে। শরতের সকালের নরম রোদ আতিকার চোখে-মুখে পড়ে তাকে যেন আরও মায়াবী করে তুলেছে। শিহাবের মতো দাপুটে আর আত্মবিশ্বাসী তরুণ, যে কি না পুরো ক্যাম্পাসের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু, সে-ও আজ এই জুনিয়র মেয়েটির তেজ দেখে মনে মনে হার মানল। এক অদ্ভুত ভালো লাগার আবেশ ছড়িয়ে পড়ল শিহাবের পুরো অস্তিত্বে।

সে আতিকার চোখের মণির দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত মুগ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন করল,
~”তোমার নাম কী? নীলাঞ্জনা?”
আতিকা কিছুক্ষণ স্থির হয়ে তাকিয়ে থেকে সংক্ষিপ্ত উত্তর দিল,
~”আয়রাতুল সিদ্দিক আতিকা।”

শিহাবের ঠোঁটে তখন এক ভুবনজয়ী হাসি। আতিকার নামটা যেন সে মনে মনে কয়েকবার আওড়াল। তারপর কিছুটা চপল স্বরে বলল,
~”আতিকা…হুম। ঠিক আছে। তোমাকে আজ থেকে আমি ডাকবো ‘আতিক্কা পিঠা’।”

আতিকা বিস্ময়ে ভুরু কুঁচকে তাকাল,
~”এটা আবার কী ধরনের নাম?”
শিহাব যেন এই মুহূর্তটা দারুণ উপভোগ করছিল। সে তার ব্যক্তিত্বের গাম্ভীর্য সরিয়ে এক চিলতে দুষ্টুমি মেশানো স্বরে ব্যাখ্যা দিল—
~”তুমি জানো না? আমাদের চট্টগ্রামের গ্রামের ঐতিহ্য—চাউল, নারকেল আর চিনির মিশ্রণে ভাপে বানানো মিষ্টি ‘আতিক্কা পিঠা’। এর বাইরের আবরণটা বেশ শক্ত, কিন্তু ভেতরে থাকে অকৃত্রিম মিষ্টির স্বাদ। তুমি ঠিক সেরকম—বাইরে বড্ড রাগী আর কঠিন এক আবরণ ধরে রেখেছো, কিন্তু ভেতরে তোমার মনটা অনেক নরম আর মিষ্টি। তাই তুমি আজ থেকে আমার ‘আতিক্কা পিঠা’।”

আতিকা এবার সত্যিই রাগে লাল হয়ে গেল। এই প্রথম কেউ তাকে নিয়ে এমন রসিকতা করার সাহস দেখালো। মেজাজ সপ্তমে তুলে বলল,
~”আপনার কি মাথা ঠিক আছে?”

শিহাব একটুও না ঘাবড়ে, বরং এক হাত পকেটে ঢুকিয়ে হাসল। তার সেই হাসিতে যেন মুক্তো ঝরছিল। সে কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল,
~”এখন থেকে এই ক্যাম্পাসে তুমি ‘আতিক্কা পিঠা’ নামেই রাজত্ব করবে, জুনিয়র!”

আতিকা আর এক মুহূর্ত সেখানে দাঁড়াল না। অপমানে আর চরম বিরক্তি নিয়ে গটগট করে দ্রুত পায়ে হাঁটা দিল। কিন্তু পেছন থেকে শিহাবের সেই উদাত্ত আর মোহনীয় কণ্ঠস্বর বাতাসের হিল্লোলে ভেসে এল—
~”আতিক্কা পিঠা! আমাদের আবার দেখা হবে।”

আতিকা একবারও পেছন ফিরে দেখল না। কিন্তু শিহাব? সে একদৃষ্টিতে আতিকার চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখে তখন উপচে পড়া মুগ্ধতা আর ঠোঁটে লেগে থাকা প্রশান্তির হাসি। ক্যাম্পাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় ছেলেটা আজ এক সাধারণ কিন্তু অসাধারণ জুনিয়র মেয়ের প্রেমে পড়ার প্রথম ধাপটা অজান্তেই পেরিয়ে গেল। শরতের সেই সকালে আতিকার তেজ আর শিহাবের মুগ্ধতা মিলে এক নতুন গল্পের সূচনা করল।

 

চলবে ইনশাআল্লাহ…

পর্ব:০১

ক্যাটাগরি:ভার্সিটি এবং যৌথ পরিবার

লেখনীতে:মিফতাহুল জান্নাত জেমিম

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x