বাসর ঘরে সাড়ে চৌদ্দ হাত ঘোমটা টেনে বসে আছে পনেরো বছর বয়সী ল্যাদা হাসিনা। আজ তার বিয়ে হয়ে গিয়েছে বত্রিশ বছরের তাগড়া, ইয়াং,ড্যাশিং, হ্যান্ডসাম শহরের কোটিপতি আদ্দিয়ান বৈহিয়াজ। যার ধমকে পৃথিবী সহ মঙ্গল, শনি, রবি সব গ্রহ থরথরিয়ে কাঁপে। আদ্দিয়ানের এক ইশারায় দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলে। এসব মনে করেই কাঁপতে কাঁপতে কয়েক হাজার বার মরে আবার জীবিত হয়েছে হাসিনা। আজ সকালেই মায়ের হাতে এক লিটার ফিডার খেয়েছে আর সন্ধ্যাতেই বিয়ে হয়ে গেল। এটা পনেরো বছর বয়সী হাসিনার মেনে নিতেই ফুসফুস ফুস হয়ে যাচ্ছে।
হঠাৎ দরজা খোলার আওয়াজে হাসিনার লিভার ধ্বক করে উঠে। দরজার সিটকিনি আটকে সন্তর্পণে পিছু ফিরলো কোটিপতী, হ্যান্ডুবতী আদ্দিয়ান বৈহিয়াজ। হাসিনার কিডনি ধুকপুক করে উঠে। ধবধবে মুলার মতো গায়ের রঙ, লম্বায় প্রায় নয় ফুট দশ ইঞ্চি, সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো ওর হলুদ রঙা চোখের মণিটি। এতক্ষণে ভয়ে মরে থাকা হাসিনা নিমিষেই জীবিত হয়ে উঠলো। ছেলে মানুষও বুঝি এত সুন্দর হয়? লজ্জায় ওর মাথা তিরতিরিয়ে কাঁপছে। এই বয়সী ল্যাদারা আবার ফিডার খেলেও স্বামী চিনে ভাল।ওর অনেক ল্যাদা বান্ধবীর তিন চারটে করে বয়ফ্রেন্ড আছে। আদ্দিয়ান বৈহিয়াজ পাঞ্জাবির বোতাম খুলতে খুলতে এগোলো। এতেই হাসিনার অন্তরাত্মা কেঁপে উঠে। আদ্দিয়ান তা দেখেে ঠোঁট বেঁকিয়ে হেসে হাস্কি স্বরে বললো,
“আজ তুমি শেষ হাসিনা।”
চলবে?
গল্পঃ ল্যাদা বউ
লেখকঃ আফসানা শোভা