Story:Snigdhokothar Premopakan (05)

কলমেঃআফসানা শোভা

[ এই গল্পের কোন থিম,প্লট কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ⛔]

– স্নিগ্ধতা সোনা।

হঠাৎ করে কেউ পেছন থেকে রুদ্ধশ্বাসে ডেকে উঠে। স্নিগ্ধ বরফের মতো জমে যায় নামটা শুনে। কারণ এই নামটার সাথে ওর জীবনের একটা উল্লেখযোগ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। শাড়ি পরিহিত একজন যুবতী নারী তটস্থ পায়ে ছুটে আসে। স্নিগ্ধতাকে নিজের দিকে ফিরিয়ে সারা শরীরে হাত বুলিয়ে রুদ্ধশ্বাসে বলে উঠে,

– আম্মু কি হয়েছে? পড়লে কিভাবে? বেশি ব্যথা পেয়েছ মা?

স্নিগ্ধ বুঝলো রমনীটি বাচ্চাটার মা। তাই ইতস্ততভাবে বললো,

– ক্ষমা করবেন মিস। আসলে আমার ভাগ্নের কারের সাথে ওর কারটা ধাক্কা লেগে ও পড়ে গিয়েছিল।

ফারহা একপলক অপরাধী ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা সায়ানকে দেখল। ফারহার চোখ পড়তেই সায়ান নিচু স্বরে বললো,

– আই এম রিয়্যেলি ভেরী স্যরি আন্টি। আমি স্নিগ্ধতাকে দেখতে পারিনি।

– ইটস ওকে বাচ্চা। এটা জাস্ট একটা দূর্ঘটনা। স্নিগ্ধতা এসো আম্মু।

স্নিগ্ধতা তখনো ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে। স্নিগ্ধর এত মায়া লাগল। ও হঠাৎ বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে উঠে দাঁড়ালো। ফারহার উদ্দেশ্য নম্র স্বরে বললো,

– কিছু মনে না করলে আমি বাচ্চাটাকে কিছু উপহার দিতে চাই।

ফারহা মুখ খুলে মানা করবে এর আগেই স্নিগ্ধ খানিক অনুনয় ভরা কন্ঠে বললো,

– প্লিজ মানা করবেন না। বাচ্চা মানুষইতো।

ফারহা আর মানা করলোনা। পিছু নিল স্নিগ্ধর। স্নিগ্ধ পার্কে থাকা একটা খেলনার স্টলের সামনে এসে মৃদু হেসে বললো,

– বেবি কোনটা নেবেন?

স্টলের হরেক রকম টয়েস দেখে স্নিগ্ধতার চোখ চকচক করে উঠে। স্নিগ্ধর বলতে দেরী ব্যতিব্যস্ত হয়ে স্নিগ্ধর কোল থেকে ঝাপ দিয়ে একটা বড়সড় সফট টেডি দু’হাতে খামচে ধরে। টেডিটা সাইজে স্নিগ্ধতার দ্বিগুণ। এতবড় টেডি স্নিগ্ধর কোলে থেকে ধরে রাখতে বেচারী স্নিগ্ধতাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল। স্নিগ্ধ মুচকি হেসে একহাতে ওকে সাপোর্ট দেয়।

– আর কিছু নেবে বেবি?

স্নিগ্ধতা চোখ ঘুরিয়ে ফারহার মুখে চায়। ফারহা ইশারায় মানা করে। স্নিগ্ধ বুঝে স্নিগ্ধতার মুখটা ঘুরিয়ে দেয়।

– তুমি এইদিকে দেখ। ওইদিকে দেখতে হবেনা। বলো আর কি কি নেবে? তোমার যা পছন্দ হয় নাও।

স্নিগ্ধতাকে আর পায় কে। হাত দিয়ে এটা ওটা দেখিয়ে দিচ্ছে আর দোকানদার প্যাকেট ভরছে। টয়েস কেনা শেষ হলে স্নিগ্ধতা স্নিগ্ধর কানে কানে ফিসফিস করে বললো,

– এতটা লিপিসটিক কিনে তাওনা ভালু আনতেল।

বাচ্চাটা তার সহজাত আদো গলায় কি বললো সব স্নিগ্ধর মাথার উপর দিয়ে গেল। কপাল কুঁচকে বোকা বোকা চোখে স্নিগ্ধতার গোলগাল আদুরে মুখটায় তাকাল। অবোধের ন্যায় শুধাল,

– কি বললে মামুণি বুঝিনি?

স্নিগ্ধতা ফের ফিসফিস করে বললো,

– বলতি এতটা লিপিসটিক কিনে দিতে।

তারপর হাত দিয়ে পাশের একটা কসমেটিক স্টল দেখাল। স্নিগ্ধ এইবার বুঝল ও হয়তো কসমেটিকস কেনার কথা বলছে। টয়েজের প্যাকেটগুলো ফারহার হাতে দিয়ে ও স্নিগ্ধতাকে পাশের দোকানে গেল। ফারহা বললো,

– এখানে কেন নিয়ে এসেছেন?

– স্নিগ্ধতা কি যেন কিনবে বললো। কি নেবে বেবি ওনাকে বলো।

– এতটা লিপিসটিক দিন।

স্নিগ্ধ আর দোকানদার উভয়েই হেসে দিল। স্নিগ্ধ হাসতে হাসতে শুধালো,

– ও কি বলেছে বুঝতে পারছেন?

দোকানদার স্মিত হেসে বললো,

– জি ভাই। ও লিপস্টিক কেনার কথা বলছে। আপনার মেয়ে নাকি। ভীষণ কিউট।

স্নিগ্ধ মৃদু হেসে দুপাশে মাথা নাড়াল। দোকানদার ফিচেল হেসে বললো,

– ওহ, খানিকটা আপনার মতো দেখতে,তাই ভাবলাম আপনার মেয়ে।

দোকানদার কথায় স্নিগ্ধ এত গা দিলনা।
কিন্তু দোকানদারের কথায় ফারহা চকিতে  স্নিগ্ধর মুখে তাকাল। হঠাৎ ও আবিষ্কার করলো আশ্চর্যজনক ভাবে এই লোকটার সাথে স্নিগ্ধতার চেহারার অদ্ভুত মিল। বিশেষ করে স্নিগ্ধতার কালচে বাদামী চোখদুটোর ন্যায় লোকটার চোখ দুটিও। পরক্ষণেই ভাবল এটা তার চোখের ভুল। সামান্য মিল থাকতেই পারে।

কেনাকাটা শেষ করে স্নিগ্ধ দুটো আইসক্রিম কিনে দিল বাচ্চাদের সাথে স্নিগ্ধতাকে অনেকগুলো চকলেট কিনে দিল। ফারহাকে কফির অফার করলে ও নাকচ করে দিল। এখানে আর কয়েক মূহুর্ত থাকলে এই ডাকাত রাণী লোকটাকে আজ ফকির বানিয়ে ছাড়বে। তাই যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব ভালো ভালোয় এখান থেকে কেটে পড়াই মঙ্গল। এমনিতেই এতগুলো খেলনা দেখে কথা ওর পিণ্ডি চটকাবে।

যাওয়ার সময় স্নিগ্ধতার গালে দুটো চুমু খেল স্নিগ্ধ। এই বাচ্চাটার মধ্যে এত মায়া। স্নিগ্ধতা নিজেও স্নিগ্ধর খসখসে দাঁড়ি যুক্ত গালে টকাস টকাস করে কয়েকটা চুমু খেল। স্নিগ্ধ বদ্ধনেত্রে শুষে নিল আদরটুকু। স্নিগ্ধতা চুমু খেতে খেতে আদো স্বরে কয়েকবার বললো,

– টেংকিউ ভালু আনতেল টেংকিউ।

স্নিগ্ধ এবার বুঝলো ওকে থ্যাংকস জানানো হয়েছে।
ও মুচকি হেসে স্বস্নেহে পুনরায় মেয়েটিকে দুটো চুমু খেল।

ফারহা ওদের থেকে বিদায় স্নিগ্ধতাকে কোলে নিয়ে হাঁটা দিল। ওইদিকে কথা আর ফাইয়াজ একা একা কি করছে কে জানে। স্নিগ্ধ স্থির দৃষ্টিতে ওদের গমনপথ চেয়ে রইল। যেতে যেতে স্নিগ্ধতা হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে স্নিগ্ধকে টা টা দিল। স্নিগ্ধ মুচকি হেসে নিজেও হাত উঠিয়ে বায় দিল। স্নিগ্ধতার চোখের আড়াল হতেই স্নিগ্ধ র মুখে আঁধার নেমে আসে। বুকটায় কিসের কষ্ট যেন খচখচ করে।

হাঁটতে হাঁটতে ফারহার মনে পড়ল স্নিগ্ধর নামটাই জিজ্ঞেস করা হয়নি। আপনমনে বিড়বিড় করে বললো,

– যাহ বাবা লোকটার নামটাই তো জানা হলোনা।

*

– খালামনি। চলো এবার ওই রাইডটাতে উঠি।

ফাইয়াজের দৃষ্টি অনুসরণ করে কথা তাকাতেই মাথা চক্কর দিল। ও চরকি চড়তে পারেনা। উঠলেই মাথা ঘোরায়।

– বাবা। অন্য কোন রাইড পছন্দ করো। এখানে চড়লে খালামনির মাথা ঘোরায়। আর তোমাকে একা চড়তেও দিতে পারবনা।

– আচ্ছা তুমিও দেখ খালামনি কোনটায় উঠবে।

কথা চারপাশে তাকিয়ে একটা যুতসই রাইডার খুঁজছিল। ওদিকে মেয়েটা আর ফারহা কোথায় হারালো কে জানে? অন্যমনস্ক হয়ে  হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ এক পথচারীর সাথে ধাক্কা খেল। ঘটনার  আকস্মিকতায় পথচারী ও কথা দু’জনেই ছিটকে দু’পা পিছিয়ে গেল।  কথা তড়িঘড়ি করে বলতে নিল,

– দুঃখীত, আমি দেখ……

নারীটি সামনে ফিরে তাকাতেই কথা নিজের জায়গায় জমে বরফখন্ডে পরিণত হলো। ও সামনে যা দেখছে তা কি সত্যি নাকি চোখের ভ্রম।  একই অবস্থা বিপরীত পাশের জনেরও। সিমরান কয়েক সেকেন্ড  হতবিহ্বল হয়ে সামনে তাকিয়ে রইল। বিস্ময়ে মুখ দিয়ে একটা শব্দও বের হলোনা।

এতগুলো বছর বাদে প্রিয় বন্ধুটিকে চোখের সামনে দেখে কথার দৃষ্টি ঘোলাটে হয়ে গেল। ঘন ঘন পলক ঝাপটাতেই দুফোঁটা অশ্রু গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ল। ধরা গলায় ডাকল,

– সিমু!

সিমরানের মাথায় বোধহয় আকাশ ভেঙে পড়েছে কথাকে দেখে। যার জন্য  আজ সে সর্বহারা, তাকে নিজের সামনে দেখে রাগে, ঘৃণায় স্তব্ধ হয়ে গেল। তার মুখে নিজের নামটা শুনে মাথায় আগুন জ্বলে উঠল। হঠাৎ পুরনো ভয় সিমরানকে ঝেঁকে ধরলো। এই কালনাগিনী কি আবার ওদের জীবনটা এলোমেলো করতে চলে এসেছে? ভয়ে, উত্তেজনায় সিমরান চারদিকে এলোমেলো দৃষ্টিতে তাকায়। হঠাৎ কথাকে অবাক করে দিয়ে  উদভ্রান্তের মতো দৌঁড়ে চলে গেল।
কথা সেদিকে অনাহুতর ন্যায় ছলছল চোখে তাকিয়ে থাকে।

– কিরে তোরা এখানে এমন মূর্তির মতন দাঁড়িয়ে আছিস কেন?

কথার পিলে চমকে উঠে। ব্যস্ত হাতে চোখ উপচে আসা নোনাজল মুছে নেয়। স্বাভাবিক ভঙ্গিতে পেছনে ফিরতেই চক্ষু ছানাবড়া হয়ে যায়। ফারহার কোলে চড়ে
একটা টেডি হাতে স্নিগ্ধতা ভ্যাটকিয়ে তাকিয়ে আছে। ফারহার আরেক হাতে কয়েকটা শপিং ব্যাগ। কথা বিস্ময় হজম করে শুধাল,

– এসব কি ফারহা?

ফারহা আমতা আমতা করে সব খুলে বললো। সব শুনে কথা ভীষণ রেগে গেল। এই মেয়েকে নিয়ে ও কোথায় যাবে? কথার এত রাগ হলো মেয়ের উপর। খানিকটা ধমকে উঠল হাসিখুশি বেশে থাকা স্নিগ্ধতাকে,

– স্নিগ্ধতা তুমি দিনদিন ব্যাড গার্ল হয়ে যাচ্ছ। এসব কি? একজন অপরিচিত মানুষ থেকে মানুষ এতগুলো গিফট নেয়?

মায়ের বকুনি খেয়ে স্নিগ্ধতার ঠোঁটদ্বয় কেঁপে উঠে। কান্নার প্রস্তুতি নেবে এমন সময় ফারহা বলে উঠে,

– আহ কথা থাকনা। বাচ্চা মানুষ। আর লোকটা ভীষণ অমায়িক ছিলেন জানিস। আমি কত মানা করলাম। কিন্তু তিনি আমাদের স্নিগ্ধু বেবিকে কিছু গিফট করবেনই।

– তাও একজন অপরিচিত মানুষের এতগুলো টাকা নষ্ট করল এই বজ্জাত মেয়েটা।

স্নিগ্ধতা এবার ঠোঁট ভেঙে কেঁদে দিল। ফুপিয়ে ফুপিয়ে বললো,

– টুমি কুব কুব পঁচা মাম্মা। টুমি আমাকে কিচ্চু কিনে তাওনা। আমি ভালু আনতেলের কাছে বলে দেব টুমি আমাকে বকে দিয়েছ।

কথা ওকে নিজের কোলে নিতে নিতে ভ্রু কুঁচকে প্রহসনের সুরে বললো,

– এমনভাবে বলছ মনে হচ্ছে তোমার ওই ভালো আঙ্কেলের সাথে আবার দেখা হবে তোমার ।

ফারহা হাসতে হাসতে বললো,

– হতেও পারে কথা। ডেসনিটি বলতেও কিছু এক্সিস্ট করে।

*

– ভাইয়া চলো আর ঘুরতে হবেনা।

স্নিগ্ধ ললাটে গুটিকয়েক ভাঁজ ফেলে বললো,

– এত জলদি চলে যাবি মানে? এখনো আধঘন্টা ও হয়নি।

সিমরান চারদিকে ভীত দৃষ্টি বোলায়। স্নিগ্ধ বোনের অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া দেখে ভ্রু কুঁচকে বললো,

– সিমু আর ইউ ওকে? তোর কি শরীর খারাপ করছে?

সিমরান যেন পেয়ে গেল নিজের অযুহাত।

– হ্যাঁ ভাইয়া। মাইগ্রেন টা আবার চেপে ধরেছে। এত শব্দ আর ভীড় নিতে পারছিনা। প্লিজ বাসায় চলো।

স্নিগ্ধ উদ্বিগ্ন চিত্তে বললো,

– হ্যাঁ হ্যাঁ, দাঁড়া আমি সায়ানকে নিয়ে আসছি।

.

গাড়ির হর্ণ কানে আসতেই সৌমি শাহরিয়ার ঘড়ির দিকে তাকালেন। এত তাড়াতাড়ি তো ওরা ফিরে আসার কথা না। তাহলে কে আসলো? তসবিহ হাতে তিনি কক্ষ থেকে বের হলেন। লিভিং রুমে পা রাখতেই কলিং বেলের আওয়াজ পেলেন। একজন সার্ভেন্ট ছুটে এসে বিশালাকার কাঠের দরজাটা খুলে দিল। হাতে খেলনা বোঝাই করা ফাইয়াজ নানুকে দেখেই দৌঁড়ে আসে,

– নানুমনি দেখ মামু আমাকে কতগুলো টয় কার কিনে দিয়েছে।

ততক্ষণে পেছন পেছন সিমরান আর স্নিগ্ধও এসে ঢুকেছে। ওদের দেখে সৌমি শাহরিয়ার অবাক গলায় শুধালেন,

– তোরা এত তাড়াতাড়ি চলে আসলি? বলেছিলি না রাতে আসবি?

– মা সিমুর মাথা ব্যথা করছিল। তাই এমারজেন্সি চলে আসতে হয়েছে।

সৌমি শাহরিয়ার উদ্বিগ্ন চোখে মেয়ের দিকে তাকালেন। সিমরানের মুখটা সত্যিই অসুস্থ দেখাচ্ছে। তিনি এগিয়ে এসে মেয়র গায়ে, মাথায় হাত হাত বু্লিয়ে বললেন,

– আয় মা। ঘরে আয়। ঔষধ খেয়ে রেস্ট নিবি। টুম্পা আদা দিয়ে কড়া করে এককাপ চা সিমরানের রুমে নিয়ে আয় তাড়াতাড়ি।

সিমরান নিজের রুমে শুয়ে আছে। আসার পর থেকে একটা শব্দ ও উচ্চারণ করছেনা। সৌমি শাহরিয়ার মেয়ের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া ভালোভাবেই খেয়াল করলেন। চিন্তিত বদনে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন,

– মা কমেছে একটু?

সিমরান মায়ের প্রশ্নের উত্তর দিলনা। রুমের সাদা সিলিংয়ের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে হঠাৎ হিম ধরা গলায় বলে উঠে,

– মা ওই কালনাগিনীটা আবার  চলে এসেছে।

দৈবাৎ সৌমি শাহরিয়ারের হাত থেমে গেল। বজ্রাহতের ন্যায় থমকে শুধালেন,

– কি বললি?

সিমরান ওনার কোলে মাথা গুঁজে ধরা গলায় বিরবিরিয়ে বললো,

– মা ও আবার আমাদের জীবন অন্ধকার করে দেবে। সব কেড়ে নিবে। আমার মায়া..মায়ান,আমার..

এই বলে সিমরান হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দিল। সৌমি শাহরিয়ার সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে বসে রইলেন। মুখ ফুটে উচ্চারণ করতে পারলেন না কিছুই।

চলমান…..

0 0 votes
Article Rating
Loading spinner
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x