Golpo:Prem Samadhi (03)

লেখিকা:আরিফা বিনতে মায়া

পর্ব:০৩

দুপুর ১টা বাজে, শিকদার বাড়িতে বেশ দুমদাম লেগেছে। চারদিকে চিৎকার চেচামেচি।
আত্মীয় স্বজনে ভরপুর।
বাড়িতে সব অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে গেছে, মেহেদী, হলুদ তাড়াতাড়ি করে অনুষ্ঠান করে ফেলেছে বেগম হাফসা শিকদার।
কিন্তু অথচ এইসব কিছুই জানে না শাহজাদী!”

মাএ বাড়ি ফিরে এসে দেখে এই অবস্থা, সবেমাএ সিড়ির উপর দিয়ে উঠতে গেলে।
কিছু কথা শুনতে পায় নিজের শাশুড়ীর মুখে।

— আর বলবে না আপা, কি কপালে একটা মেয়ে জুটলো। বছর শেষ হলো অথচ এখন বাচ্চার মুখ দেখাতে পারলো না।
তাই ছেলেকে দ্বিতীয় বিয়ে করাচ্ছি। যেন আমার নাতীর চানখানা মুখ দেখতে পাই। “

— অপর জন উওর বলে ”
“ঠিক করেছেন! সৌন্দর্য থাকলে হয় , গুনবতি রূপবতী দিয়ে কি আর মাছ হয়।
খাটি হিরা এনে নিজের শশুর বাড়ির মন জয় করতে হয়। না হলে আর কপাল পুরে সব শেষ।
যা করছ অনেক খুশি। “

— তা আর বলতে, আমি আমার ছোট্ট বউমাকে রাজরানী করবো। সময় হলে ওই চাকরানীকে নিজের জায়গা বুঝিয়ে দিবো।
” আচ্চা এখন উঠি, একটু পরে মেয়ের বাড়ির লোকেরা চলে আসবে তানিয়া কে নিয়ে।
কত কাজ। “

এই সব শুনে “শাহজাদী কোন রকম নিজের রুমে চলে গেলো। আর দরজা আটকিয়ে খাটের উপর বসল, আর ডান বরাবর আয়নার দিকে তাকিয়ে রইল। কিছু সময় যেই মানুষগুলো সাথে দেখা করে আসলো তাদের কথা ভাবলো।”
“আসলেই এই কাজ করলে নিজের নতুন জীবনের মোড় খুড়বে, নাকি এদের দেওয়া চাকরানী হওয়াই কপালে জুটবে।”
ওইরকমই বসে রইল। ”
————————————★
সন্ধ্যার ঠিক আগমুহূর্তে শিকদার বাড়ির সেই অভিজাত বাগানটা ধীরে ধীরে আলোর মঞ্চ হয়ে উঠল। দিনের আলো বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গাছের ডালে ডালে ঝুলে থাকা ফেয়ারি লাইটগুলো জ্বলে উঠল, যেন অসংখ্য জোনাকি একসাথে আলো ছড়াচ্ছে। সবুজ ঘাসের উপর সাদা কাপড় পাতা পথ, দু’পাশে ফুলের টব আর কাচের লণ্ঠন—প্রতিটা পদক্ষেপেই ছড়িয়ে পড়ছে সাজানো সৌন্দর্যের এক প্রতিভা।

বাগানের মাঝখানে তৈরি করা বিয়ের মঞ্চটা ছিল চোখ জুড়ানো। সাদা আর হালকা গোলাপি পর্দা বাতাসে দুলছে, উপরে ঝাড়বাতির নরম আলো, চারপাশে তাজা ফুলের কারুকাজ—সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল কোনো রাজকীয় স্বপ্নের অংশ। ফুলের সুবাসে ভরা বাতাসে ভেসে আসছে শানাইয়ের সুর, যা পুরো সন্ধ্যাকে আরও আবেগী করে তুলেছে।
অতিথিরা আসছেন ধীরে ধীরে, কারও মুখে বিস্ময়ের হাসি, কারও চোখে প্রশান্তি। দামি পোশাকের ঝলকানি, নরম হাসি আর আন্তরিক কোলাহলে বাগানটা যেন প্রাণ ফিরে পেল। এক পাশে সাজানো খাবারের টেবিল—আলোয় ঝলমল কাচের বাসন, মসলার গন্ধ আর মিষ্টির রঙিন সাজ—সবকিছু মিলিয়ে সন্ধ্যাটা হয়ে উঠল পরিপূর্ণ।
আস্তে আস্তে পুরো বাগানে খুশির আমেজ ভড়ে উঠল।
হাফসা শিকদার তো নিজের ছেলেকে বর সাজাতে ব্যস্ত, নিজের হাতে কালোর মধ্যে ক্রিম কালারে শেরয়ানী আর পাগড়ী পড়িয়ে দিল।
আর ছেলের কপালে ভালোবাসার পরশ একে দিয়ে নিজের হাতে নিয়ে বাগানে বিয়ের স্টেজে বসিয়ে দিল।
আর গেটের সামনে দাড়িয়ে অপেক্ষা করছে মেয়ের বাড়ির জন্য।
তিনি আজ ভিষণ খুশি,সবাইকে বোকা বানিয়ে নিজের ছেলে বুরূজ কে বিয়ে করাচ্ছে।
তবে এই খুশি বেশি সময় থাকবে কিনা সন্দেহ! ”
—————————–☘️
রুমের ভিতর চুপ করে বসে আছে শাহজাদী, আর ভাবছে কি যেন?
কিন্তু তখনই ফোনে কল আসলো, আর হাতে ফোন নিয়ে ধরল, যার শুনলো তাতে সেই মনে হয় সব থেকে বেশি খুশি?
তাই আর দেরি না করে কানের থেকে ফোনটা নামিয়ে সোজা নিজের আলমারি থেকে সব জামা কাপড় নিয়ে ব্যাগে ঢুকানো শুরু করলো। ”
তার মধ্যে একটি সাদার মধ্যে কালো থ্রি-পিজ আর সাদা হিজাব নিয়ে ওয়াশরুমে ডুকে পড়ল।
হয়তো নিজেকে পরিপাটি করতে ব্যস্ত।
তবে কি করতে যাচ্ছে তাই অজানাই রয়েগেল।

★ এদিকে বাগানে বেশ ধুমধামে আতসবাজি ফাটানো শুরু হয়ে গেছে, চারদিকে আনন্দ উৎসবে পরিপূর্ণ।
কিছুক্ষণ আগে কনের বাড়ির লোকজন চলে এসে ছে, তাই তাদের কে স্বাগতম জানানোর জন্য গোলাপের বর্ষণ করালো হাফসা শিকদার।
হাফসা শিকদার নিজ হাতে তার প্রিয় বউমাকে বরণ করে বলল”
— স্বাগতম আমার ছোট বউমা, আমার ঘরে আলো জ্বলক নিয়ে আসার জন্য স্বাগতম।”
এসো…. তোমাকে আমার ছেলের কাছে নিয়ে যাই এরপরে তো আসল কাজ শুরু হবে।”

এই বলে নিজের উপর হাত রেখে তানিয়া কে নিয়ে যায়। আর বিয়ের স্টেজে নিজের ছেলে নাহিদ বুরূজ শিকদারের পাশে বসিয়ে দিল।
নাহিদ তানিয়ার দিকে তাকিয়ে একবার পরখ করে অতঃপর কানে কানে বলল”
— অবশেষে তুমি আমার হলে তান্নু, আমার অপেক্ষার প্রহর যে শেষ হবে আজ। আর কেউ পারবে না তোমাকে আমার থেকে আলাদা করতে।”
তার পরিবর্তে তানিয়া মুচকি হাসি দিল।”

তখন কাজি সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করলো।
পিতা সাদ্দাম শিকদার, মাতা হাফসা শিকদার
তাদের একমাএ ছেলে নাহিদ বুরূজ শিকদারকে ১০” লক্ষ ৫০হাজার দেন মহর ধার্য করিয়া মোসাঃ তানিয়া মিএ আপনি কি নাহিদ বরূজ কে বিবাহ করতে রাজি আছেন?
যদি রাজি থাকেন তাহলে বলুন মা কবুল’

তখনই তানিয়া নিরদ্বিধায় বলে ফেলল”
তিন কবুল ”
সেই একইভাবে নাহির বুরূজ কে জিগ্যেস করলে নিরদ্বিধায় কবুল বলে দিল।”
তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়ে গেল।”
আনন্দের চারদিকে মুখরিত হয়ে গেল। হাফসা শিকদার তো তার ছেলে ও ছেলের বউকে টাকা দিয়ে নজর উঠিয়ে সেইটা আকাশে ছুড়ে মারল।”
আর খুশিতে আনন্দে পুরো বিয়ে বাড়ি মুখরিত হলো।”

ঠিক অপরদিকে শাহজাদী নিজেকে পরিপাটি করে আয়নার সামনে দাড়িয়ে একবার নিজেকে দেখল! মুচকি হাসি দিয়ে হাতের ব্যাগটা নিয়ে বাগানে যাওয়ার জন্য রুম থেকে বের হবে।
বের হওয়ার সময় আবার নিজের রুমটিকে পরখ করে বলল”
— আজকের পর থেকে কেউ আর এই রুমে নিজেকে বদ্দ করে কষ্ট পাবে না।না পাবে যন্ত্রণা।
হয়তো কেউ অনেক মনে করবে। তবে আমি আর থাকবো না, আর পাবো কারোর সঙ্গী হয়ে।
বিদায়!

এই বলে ধীরে ধীরে রুম থেকে বাহিরে বেরিয়ে গেলো। আর সোজা শিকদার বাড়ির বাগানে চলে গেলো। ওখানে গিয়ে দেখলো আনন্দ মজাই সবাই ব্যস্ত। আর এটাও দেখলো নিজের নিষ্ঠুর স্বামী কিভাবে অন্য মেয়ের হাত ধরে বসে আছে।
না না… ভুল বললাম সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী। “

সময় নষ্ট না করে সোজা বাগানের স্টেজের সামনে চলে গেলো।
তখনই হাফসা শিকদার বিষয় টা দেখলো আর বাকিরা তো।
তখন তানিয়ার সাথে কথা বলতে বলতে নাহিদের নজর পড়ল শাহজাদীর উপর।
তখনই নাহিদ রাগে জীদ্দে কিছু বলতে নিবে।
তখনই শাহজাদীর মুখ থেকে স্পষ্ট বের হলো”

— “নাহিদ বুরূজ শিকদার তালাক দিন আমায়।

এই একটা কথাই পুরো বিয়ে বাড়ির কে শান্ত বাড়িতে পরিণত করলো।
আর একে অপরেরা কানাঘুসি শুরু করলো।
তখনই নাহিদ আবার শাহজাদী কে প্রশ্ন করলো?

— কি বললে?আবার বলতো।”

— কেন কানে কথা যায় না।আমায় তালাক দিন নাহিদ বুরূদ শিকদার ” আমার এই মুহূর্তে তালাক চাই।
কারন আমরা এই মুহূর্তে এই নাটকীয় সংসার ভাঙতে চাই। চাই না এই খেলার মধ্যে থাকতে।
চাই না এই মিথ্যে নাটকে।”

তখনই হাফসা শিকদার বলার শুরু করল”
— কি বলছ এইসব, শাহজাদী আমার প্রিয় বউমা ঘরে চলো। তোমার সব কথা শুনবো।
এখন তো বিয়ে বাড়িতে মেহমান।
এসো….

তখনই শাহজাদী নিজের হাত দিয়ে থামিয়ে বলল”
— আর কত নাটক করবেন বেগম হাফসা শিকদার। নাটক করতে করতে অলরেডি তার দোকান খুলে বসেছেন। আপনি কি ভাবেন আমি ছোট বাচ্চা, ফিটার দিলে থেমে যাবো। “

আরে আপনার নাটক দেখতে দেখতে চোখ দুটো অন্ধে পরিণত হয়েছে। উপরে যতটা সবাইকে মিষ্টি দেখান তার থেকে আপনি বিষাক্ত সাপ কতটা, তা আমার জানা আছে।”

— এসব কি বলছ বউমা, আমি কি করেছি।
আর তোমাদের জন্য আমি কতটা চিন্তা করি।আর আমি আমার ছেলের সব সময় ভালো চাই।
” নেক নেকা কান্নার ভান করে কথা গুলো বলল”

— আরে কত ভালো চান তা আমি জানি। তাই বলছি আপনার ছেলেকে বলুন আমায় তালাক দিতে। না হলে আপনি যে কত নিচ আর আপনার ছেলে কি তা সবার কাছে প্রকাশ করে দিতে বাধ্য হবো। তালাক দিতে বলুন, এখনি, এই মুহূর্তে, জলদি তালাক দিতে বলুন…..

তখনই বুরূজ নিজের আর মায়ের নামে এমন কথা শুনতে না পেরে
জোরে বলল”
….তালাক,

তখনই পুরো বিয়ে বাড়ির আর শান্তরূপিতে পরিণত হলো।
আর শাহজাদী আরো সামনে এগিয়ে বলল”
—কি বললেন…. আবার বলুন, শুনতে পাইনি!

— তালাক দিলাম… নিজের সজ্ঞানে সস্পষ্টে তালাক দিলাম। ”
এই মিথ্যাের সম্পর্ক থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তালাক দিলাম।”
এক তালাক, দুই তালাক, বায়ান তালাক।”

এই শব্দগুলো শোনার সাথে সাথে শাহজাদীর চোখের থেকে এক ফোটা অশ্রু গড়ে পড়লো।”
তবুও নিজেকে শক্ত রেখে দূর্বল পরিণত না করে বলল”
— ধন্যবাদ নাহিদ বুরূজ শিকদার, এই মিথ্যে সম্পর্ক থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। “

— কিসের মিথ্যে সম্পর্ক, তোরি তো আমার বুরূজের হওয়ার কোন যোগ্যতা নেই।
এখন বুঝবি কি জিনিস হারিয়েছিস। সারা জীবন এই কলঙ্ক মাথায় নিয়ে এই সমাজে ঘুরবি।
তখন দেখবি কত মজায় কত যন্ত্রণা। ”
“হাফসা বেগম কথাগুলো বলল”

শাহজাদী হাফসা শিকদারের কথা পাল্টা জবাব দিলো”
— জানি না আমি যন্ত্রণায় মরি নাকি কলঙ্ক নিয়ে ঘুরি। তবে এতোটুকু খুশি যে, মহান আল্লাহ আমাকে এই যন্ত্রণা নামক জাহান্নাম থেকে হেফাজত করেছে।
তবে আমার কপালে এর থেকে যদি উওম কিছু রাখে তাহলে ভালো আর না হলে আমি শাহজাদী সেহরিশ সিকান্দার সারাজীবন একাই কাটিয়ে দিতে জানি।”
তবুও আপনার মতো দর্জাল শাশুড়ি যেন কোন মেয়ের কপালে না পড়ুক।”

এই বলে নিজের ওড়নার আচলে সংসারে চাবির গিট্টু খুলে, সেই চাবি নিজের হাতে তুলে তানিয়ার সামনে গিয়ে বলল”
—মিসেস নাহিদ বুরূজ শিকদার এই হলো আপনার সংসারে চাবি। যেইটা আমার হাতে অনেকবছর ধরে ছিল। আজ থেকে এই চাবির ওজন সামলানোর দায়িত্ব তোমার।

এই বলে চাবিটা নিজের হাতে তানিয়ার ওড়নায় বেধে দিলো আর সেই ওড়নার আচলটা তানিয়ার হাতের উপর তুলে ধরে বলল”
— আজকে থেকে তোমার এই চাবি এই সংসার আর স্বামী সব… সব তোমার সামলানোর দায়িত্ব।
আর আমার আর কোন দায়িত্ব নেই।
কারন আমার সব কিছু থেকে ছুটি। “

তবে যাওয়ার আগে একটা কথা বলতে চাই।
“যাকে নিজের সব ভালোবাসা আর যাদের আপন ভাবছ না, একদিন ঠিক বুঝবে কোন জাহান্নাম কে নিজের আপন ভেবে ভুল করেছো।”

এই বলে তানিয়ার সামনে থেকে সরে গিয়ে মাটিতে পড়ে থাকা ব্যাগ উঠিয়ে যখনই হাটা দিবে তখনই বুরূজ শিকদার একটা কথা বলল”
— চলে যাচ্ছ যাও, তবে যাওয়ার আগে একটা কথা মনে রাখবে। আমি যেমন তোমাকে বিয়ে করেছি, তেমনই মুক্তি দিয়েছি। তবে এরপরে কিভাবে কাটাবে সেইটা সম্পূর্ণ তোমার লাইভ।
তবে যেইটা করলে না আজকে, আমার মান সম্মান সবার সামনে সব কিছু শেষ করে দিলে।
একদিন তুমি হারে হারে পস্তাবে কি হারিয়েছো।
তখন এই নাহিদ বুরূজ শিকদার কে ডাকলে আর পাবে না তুমি শাহজাদী সেহরিশ সিকান্দার।”

শাহজাদী সহ্য করতে না পেরে পিছন ফিরে অভাবেই থেকেই বলল”
— আমি পস্তাবো…. হাসালেন নাহিদ শিকদার।
আমি শাহজাদী সিকান্দার যখন যেই সিদ্ধান্ত নেই, তা সব সময় সঠিকে পরিণত হয়।কখনো আফসোস করি নি।”
আরে উল্টো আপনি পস্তাবেন যখন আমি অন্য কারোর বউ বা অন্য কারোর সহধর্মিনী।
তখন এমন আফসোস করবেন যে, হাজারটা পাপ করেও পাবেন না আমাকে।”
কথাটা আজেকের তারিখ দিয়ে লিখে রাখুন। ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।”

এই বলে সোজা শিকদার বাড়ির গেটের কাছে চলে গেলেন।আর তখন হাফসা শিকদার ঘোটা বাড়ির বাগানে সকলের সামনে চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে বলে”
— আরে মুখপুরি, আমিও দেখবো তোকে কোন রাজ পুএ এসে বিয়ে করে। যদি সত্যি তোকে কোন উচ্চ বাড়ির ছেলে এসে নিয়ে যায়, তাহলে সেদিন আমি সেই বাড়ির সামনে নাকটানা দিবো এই বলে রাখলাম।”

শাহজাদী আর কিছু না বলে, না উওর দিয়ে সোজা নিজের অপেক্ষা করা গাড়ীতে উঠে পড়ে।
আর শেষ করে দিয়ে যায় নিজের পুরানো অতীতের অধ্যায়। যেই অধ্যায় ছিল অসংখ্য কষ্ট অসংখ্য যন্ত্রণা।

তবে অনেক ভাবতে পারে এই কেমন ঘটনা বিয়ে বাড়িতে নিজের বিবাহের দ্বীন স্ত্রী কে তালাক দিলো আরও সজ্ঞানে। তাও আবার নিজের স্ত্রী চেয়েছে বলে। হয়তো ইতিহাসে এই প্রথম কোন ঘটনা ঘটলো বিয়ে বাড়িতে নিজের প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিলো নিজের দ্বিতীয় বিবাহ হওয়ার পর।
তবে দেখা যাক সামনে কোন নতুন অধ্যায় শুরু হয়,যেখানে কি নতুন ভালোবাসার আগমণ নাকি রক্তের নতুন খেলা আরম্ভ শুরু হব সেইটাই দেখার পালা……

চলবে…..

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x