Story:Snigdhokothar Premopakan(08)

কলমেঃআফসানা শোভা

পর্ব:০৮

 

[ ভাল লাগলে শেয়ার করে দেবেন।❤️]

– কি নেবে আম্মু?

নাহিদের কোলে থাকা স্নিগ্ধতা এতক্ষণ ঘাপটি মেরে ছিল। নাহিদের কথায় ঘাড় থেকে মুখ তুলে চারপাশে চকচকে চোখে তাকাল। বাচ্চাটার ফর্সা মুখটা ফুলে ঢোল হয়ে আছে। সিক্ত চোখের পাপড়ি, ফোলা চোখ, লালচে নাকের ডগা আর রক্তিম ঠোঁট দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেকক্ষণ কেঁদেছে বাচ্চাটা।

ঘটনা হচ্ছে আজ খেলতে খেলতে অসাবধানতায় ফাইয়াজের প্রিয় ব্লু-কারটির একটা চাকা ভেঙে ফেলেছিল স্নিগ্ধতা। ভয়ে,আতঙ্কে বাচ্চাটা নিজেই হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দিয়েছিল। ফারহা হাজার চেষ্টা করেও কান্না দমাতে পারেনি ওর। ফাইয়াজ নিজের কারের শোক ভুলে এটা সেটা বলে স্নিগ্ধতার কান্না বন্ধের কাজে লেগে পড়ে। কিন্তু কিছুতেই স্নিগ্ধতাকে থামানো যাচ্ছিল না। উপায় না পেয়ে ফারহা কথাকে ফোন দেয়। কিন্তু কথাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। ওর কান্না দেখে নাহিদ অফিসের জন্যে রেডি হয়েও আর বের হয়নি। বাইক নিয়ে স্নিগ্ধতা আর ফাইয়াজকে নিয়ে বের হয়ে গিয়েছে বাসা থেকে। ওরা আপাতত একটা খেলনার স্টলে অবস্থান করছে।

– কি হলো আম্মু? বলো কোনটা নেবে? ডল নেবে?

স্নিগ্ধতা নাক টেনে ফাইয়াজের দিকে তাকাল। ওর হাতে ভেঙে যাওয়া কারটার মতো হুবহু ডিজাইনের আরেকটা কার। কারটা দেখে বাচ্চাটা এতক্ষণ পর একটু হাসল। ওর ঠোঁটের কোণে ওই এক চিলতে নিষ্পাপ হাসি দেখে নাহিদ ভারমুক্ত হলো। স্নিগ্ধতার প্রতি ওর বিশেষ দূর্বলতা। ওর চোখের পানি সহ্য করতে পারেনা নাহিদ। হবেনা? ওর জন্ম থেকে এই পর্যন্ত বাচ্চাটা ওর হাতের উপরেই তো একটু একটু করে বড় হচ্ছে। ফাইয়াজের মতো স্নিগ্ধতাকে ও নিজের আরেকটা সন্তান মনে করে। ও বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে, নিজের সন্তানের চেয়ে কোনদিন ও স্নিগ্ধতাকে ভিন্ন চোখে দেখেনি।
নাহিদের মনে পড়ে আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগের একটি বর্ষমুখর সন্ধ্যার মুহূর্ত। যেদিন ডাক্তারটা সাদা তোয়ালেতে মুড়িয়ে একটা ফুটফুটে নবজাতক কন্যা ওর আর ফারহার হাতে সন্তর্পণে তুলে দিয়েছিল।

– আরে নাহিদ ভাইয়া না?

সৃষ্ট শব্দে ভাবনার অতল থেকে ছিটকে বাস্তবে ফেরে নাহিদ। পিছু ফিরে তাকায় শব্দের উৎস খোঁজার নিমিত্তে। দেখে একটা বাঙ্গী রঙা ঢাকাইয়া মসলিন শাড়ি পরিহিতা যুবতী মেয়ে শপের এক কোণায় দাড়িয়ে আছে। মেয়েটার হাতের মুঠোয় একটা গুলুমুলু আদলের বাচ্চা ছেলের হাত। আপাদমস্তক আভিজাত্যে মোড়ানো নারীটিকে নাহিদের নিকট খানিক পরিচিত ঠেকল। নাহিদের কৌতুহল দমাতেই বোধহয় মেয়েটা হাস্যমুখে এগিয়ে আসল। ঈষৎ হেসে বললো,

– চিনতে পারোনি তাইনা?

নাহিদ ঘোরের মাঝেই মাথা নাড়াল। পরক্ষণেই মেয়েটাকে ভাল করে পরখ করতেই নাহিদের ললাটের গুটিকয়েক ভাঁজ মিলিয়ে গেল। সহসা হইহই করে চপল গলায় শুধাল,

– সিমি না?

সিমরান ঠোঁট এলিয়ে হেসে উপরনিচ মাথা নাড়াল। প্রায় দশ বছরের ব্যবধানে আমূলে বদলে যাওয়া সিমরানকে চিনতে নাহিদের একটু বেগ পোহাতে হলো। এতগুলো বছরের ব্যবধানে সেই কিশোরী আদলের মেয়েটা আজ পূর্ণ যুবতী, না চেনাটাই স্বাভাবিক। নাহিদ কিঞ্চিৎ বিস্ময় নিয়ে বললো,

– সেই যে খুলনা ছাড়লি! আর তো ফিরলি না তোরা।

সিমরান বিপরীতে মৃদু হাসল। নাহিদ প্রশ্ন করে,

– চাচি আম্মা আর চাচা কেমন আছেন?

সিমরান মলিন হেসে বলে,

– বাবা গত হয়েছেন আজ প্রায় ছয় বছর ভাইয়া।

নাহিদ থমকে গেল। পরমুহূর্তে মলিন কন্ঠে বলে,

– স্যরি সিমি। এত কিছু হয়ে গেল এই কয়টা বছরে!

নাহিদের বিমর্ষ কন্ঠ। সিমরান কাষ্ঠ হাসে। নাহিদ সিমরানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটাকে উদ্দেশ্য করে বললো,

– এই বাচ্চাটা কে?

– ওর নাম সায়ান। আমার ছেলে।

– মাশাল্লাহ। ও আমার ছেলে ফাইয়াজ।

নাহিদ নিজের ছেলেকে দেখিয়ে বলে। সিমরান ফাইয়াজের মুখে হাত বুলিয়ে মৃদুস্বরে বলে,

– মাশাল্লাহ। একদম তোমার মতো দেখতে হয়েছে। এই কিউট বাচ্চাটা কে? তোমার মেয়ে?

নাহিদ স্মিত হেসে দুপাশে মাথা নাড়ায়।

– তাহলে?

– আমার এক বোনের মেয়ে। বলতে পারিস আমার নিজের মেয়ের চেয়েও বেশি ও আমার কাছে।

সিমরান মুচকি হেসে স্নিগ্ধতার টসটসে স্ট্রবেরির মতো লালাভ গালদুটো টেনে দিয়ে বলে,

– আপনি তো খুবই কিউট দেখতে বেইবি। একদম পুতুলের মতো। আপনার নামটা কি?

স্নিগ্ধতা চোখের পলক কয়েকবার ঝাপটে ফিনফিনে ঠোঁট দুটো নাড়িয়ে আস্তে করে বললো,

– আমাল নাম সিন্ততা।

সায়ান এতক্ষণ মুগ্ধ দৃষ্টিতে পুতুল পুতুল আদলের বাচ্চাটাকে দেখছিল। বাচ্চাটির নিজের নামের ভুলভাল উচ্চারণ শুনে ফিক করে হেসে দিল। ফাইয়াজ চোখ গরম করে তাকাল সায়ানের দিকে। সায়ানকে তার একটুও পছন্দ হয়নি। নাহিদ হেসে নামটা সঠিক করে বললো,

– ওর নাম স্নিগ্ধতা।

– খুব সুন্দর নামতো।

সিমরান বাচ্চাটাকে মুগ্ধ হয়ে দেখল। এত আদুরে দেখতে বাচ্চাটা। চেহারাটা কেন যেন ওর কাছে চেনা চেনা লাগছে। পরক্ষণেই নিজের ভাবনা ভুল ভেবে মাথা ঝেড়ে ফেলে হেসে বললো,

– বাবু কোলে আসবে?

সিমরান নিজের হাত বাড়িয়ে দিল। স্নিগ্ধতা গাঁইগুঁই না করেই লক্ষীমন্ত হয়ে সিমরানের কোলে ঝাপ দিল। সিমরান হেসে বাচ্চাটাকে বুকে জড়িয়ে নিল। ওর হঠাৎ অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো। কিন্তু সেটা কি তা উদঘাটন করতে ব্যর্থ হলো। এর মাঝেই নাহিদ শুধায়,

– স্নিগ্ধর কি খবর? বিয়েসাদী করেছে?

সিমরান মুহুর্তের জন্য থমকে গেল। এক লহমা চুপ থেকে সামান্য হাসার চেষ্টা করে বললো,

– না এখনো করেনি। মেয়ে দেখছি।

– তাই নাকি। সিমরান চল কোথাও গিয়ে বসে কথা বলি।

– আচ্ছা চলো।

আজ কথার অফিসে পৌঁছাতে একটু লেইট হয়ে গিয়েছে। কাল নির্ঘুম রাত্রি যাপনের কারণে ভোর রাতের দিকে গভীর ঘুমে তলিয়ে গিয়েছিল। সকালের সাতটার এলার্মেও সেই ঘুম ভাঙলোনা। অন্য সব দিনে তার মেয়ে কাঁকডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে ওর হাত-পা ধরে টেনে ওকেও ঘুম থেকে জাগিয়ে ছাড়ে। কিন্তু কাল তার আর্লি রাইজার কন্যাও ভুঁস ভুঁস করে হাত পা ছেড়ে ঘুমিয়েছে। ফলস্বরূপ এখন অলরেডি সকাল সাড়ে দশটা। লিফটে চড়ে ছয়তলার বাটন প্রেস করে কথা গলার ওরনা টেনে কপালের ঘাম মুছে। গরমের চেয়েও নার্ভাসনেসে ও দরদরিয়ে ঘামছে৷ এমনিতেই চাকরিটাতে জয়েন করার পর থেকেই ও ভেতরে ভেতরে স্বস্তি পাচ্ছেনা। সারাক্ষণ একটা অবর্ণনীয় কষ্টে বুকটা ভার হয়ে থাকে। বিশেষ করে ওই মানুষটাকে যখন চোখের সামনে দেখে তখন ইচ্ছে করে তার সামনে থেকে ছুটে পালিয়ে যেতে। কিন্তু উপায় নেই কোন। ভাগ্য জোরে এই ভাল বেতনের চাকরিটা পেয়ে গিয়েছে। নাহলে এই যাদুর শহরে এত ইজিলি চাকরি পাওয়া যেন সোনার হরিণ । কথার ভাবনার মাঝেই লিফটের দরজা খুলে যায়। শীততাপনিয়ন্ত্রিত পুরো রুমটায় তখন পিনপতন নীরবতা বিরাজমান। সবাই ব্যস্ত যে যার কাজে।
কথা তড়িঘড়ি করে নিজের ডেস্কে এগিয়ে যায়। ব্যগটা রেখে বসবে এমন সময় একজন পিয়ন এসে জানায়, বস তাকে জরুরী তলব করেছেন। কথা একটা শুকনো ঢোক গিলে। এই মুহুর্তে স্নিগ্ধকে ফেইস করতে হবে ভেবেই শীরদাঁড়া ঠান্ডা হয়ে গেল। কিন্তু বসে থাকলে চলবেনা এই ভেবে বুক ভরে শ্বাস টেনে দুরুদুরু বুকে কেবিনের ডোরটা নক করলো। ভেতর থেকে ভেসে আসলো সেই চিরচেনা রাশভারী গলা,

– কাম ইন।

কথা হাতের মুঠোয় ওরনার কাছা খামছে আনত মুখে ভেতরে ঢুকলো। কেবিনে ওর উপস্থিতি অনুভব করেও স্নিগ্ধ চোখ তুলে তাকাল না। ল্যাপটপে স্থির দৃষ্টি রেখে গমগমে স্বরে বলে উঠে,

– আপনার অফিস কয়টায়?

স্নিগ্ধর কন্ঠে আপনি ডাক শুনে কথা চমকে উঠে। তড়িৎ চোখ তুলে সরাসরি স্নিগ্ধর দিকে তাকায়। দেখে স্নিগ্ধ নির্বিকার ভাবে বসে। লম্বা আঙুলগুলো শব্দ তুলতে ব্যস্ত ল্যাপটপের কীবোর্ডে। কথা ঢোক গিলে লহু স্বরে বললো,

– দশটায়।

স্নিগ্ধ হাতের কাজ জারী রেখেই বললো,

– এখন ক’টা বাজে?

কথা ভীত নয়নে একপলক ঘড়ি দেখে। তুতলে বললো,

– দ..শটা পঁয়তাল্লিশ।

স্নিগ্ধ এবার সরাসরি কথার মুখপানে তাকাল। তাকাতেই একটা ধাক্কার মতো খেল ছেলেটা। হালকা গোলাপি রঙা ফুলহাতা কামিজে প্রসাধনী বিহীন লাবণ্যময়ী শুভ্র মুখটা স্নিগ্ধকে না চাইতেও বিমোহিত করে তুললো। অমনি স্থান-কাল ভুলে হা করে চেয়ে রইল ছেলেটা। মুগ্ধ দৃষ্টিযুগলের পলক অব্দি একটিবারের জন্যেও পড়লোনা। হঠাৎ কিছু মনে পড়তেই স্নিগ্ধর বুকে সূক্ষ ব্যাথা জাগলো। জোরপূর্বক কথার মুখ থেকে নিজের চোখের দৃষ্টি সরিয়ে থমথমে গলায় বললো,

– তাহলে এই সময়ে এসে কি অফিস ছুটি দিতে এসেছেন আপনি?

কথা মাথা আরো খানিকটা নিচু হয়ে যায়। অপরাধী গলায় বলে,

– আ’ম সো স্যরি স্যার। আর এমনটা হবেনা।

কথার কন্ঠে ‘স্যার’ শুনে স্নিগ্ধর বুকে মৃদু চিনচিনে ব্যাথা জাগলো। এই মেয়েটা ওকে সারাজীবন শুধু কষ্টই দিয়ে গেল। এত বছর পরে এসেও শান্তিতে থাকতে দিচ্ছেনা। ভালই তো ছিল এত বছর। স্নিগ্ধর জীবনে আবার হঠাৎ করে এসে ওর জীবনটা এলোমেলো করে দেওয়ার কি দরকার ছিল তার? এমনিতেই স্নিগ্ধ জ্বলে যাচ্ছে তার দহনে! সেকি সেটা জানেনা? নাকি স্নিগ্ধকে বারবার পোড়াতে আনন্দ পায় সে। কিন্তু স্নিগ্ধতো আর একা পুড়বেনা, তাকেও সাথে নিয়ে পুড়বে। তাকে প্রতিনিয়ত অনুভব করাবে দহনের যন্ত্রণা কাকে বলে? ঠিক কতটা যন্ত্রণা এই বুকে পুষে স্নিগ্ধ রোজ একটু একটু নিঃশেষ হয়।

হঠাৎ স্নিগ্ধ নিজের জায়গা থেকে উঠে দাঁড়ালো। কথা ভয়ে ভয়ে চোখ তুলে তাকাল। কিন্তু স্নিগ্ধকে চোখমুখ শক্ত করে নিজের দিকে এগিয়ে আসতে দেখে কথার কলিজা ছলকে উঠল। ভয়ার্ত নয়নে স্নিগ্ধর অগ্নিমূর্তি মুখে চেয়ে দু’কদম পিছিয়ে গেল। কথাকে পুরোপুরি স্তম্ভিত করে দিয়ে স্নিগ্ধ বড় বড় পা ফেলে একদম কথার সন্নিকটে চলে আসলো। নিজের শরীরের থেকে মাত্র দু’ইঞ্চিখানেক দূরে স্নিগ্ধকে অনুভব করে কথার দুনিয়া দুলে উঠলো। পুরনো অনুভূতি আর কষ্টগুলো বুক খামচে ধরল। ওকে সামান্য ধাতস্থ হওয়ার সুযোগটুকু না দিয়েই স্নিগ্ধ প্রচন্ড বেগে কথার ডান বাহু খামচে ধরল। অতর্কিতে কথা ব্যাথায় ‘আহ’ সূচক শব্দ করে উঠলো। কথার ভয়কে দ্বিগুণ করে দিয়ে স্নিগ্ধ হিসহিসিয়ে বললো,

– কেন এসেছ আবার?

কথা আঁতকে উঠে স্নিগ্ধর হাত থেকে নিজেকে ছাড়াতে চাইল। কিন্তু শক্ত-সামর্থ্যবান স্নিগ্ধকে সামান্যতম টলাতে পারলোনা। বরং ওর জোরাজোরিতে স্নিগ্ধ আরো থাবা মেরে ধরলো ওর নরম বাহুটা। কষ্টে, ভয়ে কথার চোখে জল জমলো। কান্না গুলো দলা পাকিয়ে আসলো কন্ঠনালির দোরগোড়ায়। বহু কষ্টে ভাঙা স্বরে কেবল দুটো শব্দ উচ্চারণ করতে পারলো,

– ছা..ড়ুন আমাকে।

স্নিগ্ধ হেঁচকা টানে ওকে নিজের আরো কাছে এনে দাঁতে দাঁত চেপে চাপা আওয়াজে বললো,

– ছেড়েই তো দিয়েছিলাম। ফিরে আসলে কেন?

কথা নিরুত্তর। এতক্ষণে চোখ উপচে পড়া অশ্রুর ফোয়ারা মসৃণ মোমঢালা গাল বেয়ে কলকলিয়ে বয়ে নামল। সহসা স্নিগ্ধ স্থির হয়ে গেল। কথার অশ্রুতে টইটম্বুর চোখজোড়া ওর হৃদয়ে আঘাত হানলো প্রবলভাবে। হঠাৎ সম্বিৎ ফিরলো এমন ভাবে কথার হাত ছেড়ে দিল। ছাড়া পেয়ে কথা হাতটা আঁকড়ে ফুপিয়ে উঠল। ওর কান্নাভেজা চোখ, তিরতির করে কম্পমান লালচে ঠোঁট দেখে স্নিগ্ধ ঢোক গিলে চোখ সরিয়ে নিল। বুকে অনুশোচনা জাগলো কথাকে এভাবে আঘাত করেছে বলে। কথা তখনো ফুপিয়ে কাঁদছে। স্নিগ্ধ হঠাৎ নিজের মাথার চুল খামচে ধরলো। হঠাৎ এমন একটা কাজ করলো যে কথার গোটা জগত-সংসার এক নিমিষেই কেঁপে উঠলো।

 

চলমান…..

 

0 0 votes
Article Rating
Loading spinner
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x