গল্প:অমৃত্যু তোকে চাই (০৮)

লেখিকা:রাহি চৌধুরী তোহা

পর্ব:০৮

 

 

বিকালের সোনালী আলোয় চারদিকে মুখরিত। আকাশটা বেশ সান্ত। চারিদিকে পাখির কিচির মিচির শব্দ।
রিক্তা মাএই গোসল করেছে। সাদা প্লাজুু আর সাদা টি শার্ট পড়েছে(ওড়না নেই সাথে) । সচারাচর রিক্তা টি শার্ট আর প্লাজু পড়ে বাড়িতে। যখন বাড়িতে বাহিরের কেউ না থাকে তখনই পড়ে।  চুল গুলো বিজা তাই ছেড়ে দিয়েছে। হাটু অবদ্ধি চুল দুইটা বেবি হেয়ার ক্লিপ দিয়ে রেখেছে।
ছুটে যায় বারান্দায়। বিকেলের আবহাওয়া উপভোগ করতে। তখনই নিচ থেকে সানজিদা আহামেদ চেচিয়ে বলে „“ রিক্তা দেখে যা কে আসছে?”

রিক্তা মনে করেছে রিয়া এসেছে তার জন্য এক গাল হেসে নিচে আসতে থাকে। সিড়ি দিয়ে হাসতে হাসতে নামছে। পায়ের নুপুরও তার সাথে হাসছে। চুল গুলোও তার খুশিতে দুলছে।

শিখা হেসে বলে „“আস্তে নাম পড়ে যাবি।”

শিখার কথা শুনে রিক্তা সেইদিকে তাকায়। শিখা শুভ এসেছে মাএই।
শুভকে দেখে রিক্তা অবাক হয়ে যায়। নিজের দিকে তাকিয়ে লজ্জায় দুই হাত দিয়ে ডাকতে চায় নিজের শরীর। উল্টো ঘুড়ে রুমের দিকে ছুটে যায়।

রিক্তা কান্ড দেখে শুভ মুচকি হাসে মনে মনে বলে „“পাগলি মেয়ে।”
শিখাও রিক্তার রুমের দিকে যায়।

শুভ গিয়ে সোফায় বসে মনিরা আহামেদ শুভকে সরবত এনে দিল। শুভর হাতে সরবত দিতে দিতে বলে„“কিছু মনে করো না ও এমনই।”

শুভ সরবত নিয়ে হাসি মুখে বলে „“ it’s ok মামি। bye the way রাহাদ কোথায়?”

সানজিদা আহামেদ সোফায় বসে বলে „“কে বলবে এই ছেলের কথা। কোথায় থাকে না থাকে সেটা কি বলে।”
তখন সৈয়দ আহামেদ আর সোহেল আহামেদ বাড়িতে আসে।
শুভ বসা থেকে উঠে সালাম দিল। সোহেল আহামেদ আর সৈয়দ আহামেদ সালামের উওর দিল।
সৈয়দ আহামেদ আর সোহেল আহামেদ শুভর পাশের সোফায় বসে। মনিরা আহামেদ তাদের সরবত দিল। তারাও সরবত নিল।
সৈয়দ আহামেদ হাতের ইশারায় শুভকে বসতে বলে। শুভও সোফায় বসে৷
সোহেল আহামেদ বলেন „“কেমন আছো?”

শুভ মোলায়ন কন্ঠে বলে „“ জ্বি আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আপনি কেমন আছেন মামা?”
“আলহামদুলিল্লাহ ভালো।”
সৈয়দ আহামেদ বলেন „“আপা আসলো না?”

শুভ নরম স্বরে বলে „“আম্মু আসতো।কিন্তু আব্বু বাসায় ফিরবে দেখে আসে নি।”
“তা ভাই কেমন আছে?”
” জ্বি আলহামদুলিল্লাহ ভালো।”

সোহেল আহামেদ প্রশ্ন করে „“তোমার হসপিটাল কেমন চলে?”

শুভ মালায়ন কন্ঠে বলে „“ভালোই। কাল আমার বান্ধবী আসবে আমেরিকা থেকে। ও আমাকে সাহায্য করতে আমার হসপিটালে কাজ করবে। আর আমরা এক সাথেই পড়াশোনা করেছি। তাই ও বাংলাদেশ এসে জব করবে।”
“তা তো ভালোই হবে তোমাও সাহায্য হবে।”

রিক্তা ড্রেস চেঞ্জ করে মিষ্টি রঙের থ্রি পড়ে মাথায় ওড়ানা দিয়ে নিচে আসে।সাথে শিখা। রিক্তাকে দেখে সোহেল আহামেদ হাসি মুখে বলে „“ওই যে আমার মা। এদিকে আসেন আম্মা”

রিক্তা  হাসি মুখে সোহেল আহামেদ আর সৈয়দ আহামেদের মাঝে গিয়ে বসে। শুভর মুখোমুখি।শিখা শুভর পাশে বসে।
সোহেল আহামেদ রিক্তার মাথায় হাত রেখে বলে „“আজ আম্মা কে খুশি খুশি লাগছে?”

রিক্তা ফুরফুরে আনন্দে বলে „“জ্বি বড় আব্বু। আজ রিয়া আপু আসছে বাসায়।”
“তার জন্যই এতো আনন্দ।”

হঠাৎ কলিং বেলের আওয়াজে সেদিকে   তাকায়।
রিতু দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে। দরজা খুলতেই দেখে রিয়া,হৃদয়, রিফাত।
রিতু খুশিতে চিৎকার দিয়ে বলে „”রিয়া আপু……….”

রিতুর খুশিতে চিৎকার শুনে রিক্তা ছুটে আসে। দৌড়ে গিয়ে রিয়াকে জরিয়ে দরে কান্না করে দেয়। আনন্দে চোখে জল চলে আসে। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে „“আপু…”

রিয়া হাসি মুখে জরিয়ে দরে বলে „“আমার পাগলি বোন। কান্না করছিস কেন?”

রিক্তা রিয়াকে ছেড়ে বলে „“আপু তোমাকে খুব মিস করেছি। জানো এই কয়েকটা দিন আমার কয়েকটা যুগের মতো লেগেছে।”

“আমিও তোকে মিস করেছি, মিস করেছি আমার বোনেদের পাগলামি, বোনেদের কথা।”

তারা ভিতরে ডুকে।
রিয়া হৃদয় ভিতরে ডুকেই সোহেল আহামেদকে সালাম করলো। সোহেল আহামেদ দুজনের মাথায় হাত রেখে বলে „“বেঁচে থেকো সারাজীবন এভাবে”

দুজনে উঠে দাড়ায়। হৃদয় মিষ্টি হেসে বলে „“দোয়া করবেন।”

দুজনে সৈয়দ আহামেদ কে সালাম করলো। সৈয়দ আহামেদও তাদের দোয়া করলো। সবাই সোফায় গিয়ে বসে।শুভ, হৃদয় এক সোফায় বসে,রিফাত রিয়া রিতু শিখা রিক্তা এখানে বসে, সৈয়দ আহামেদ সোহেল আহামেদ এখানে বসে। সবাই কথা বলছে।

মনিরা আহামেদ, সানজিদা আহমেদের বাহারি ধরনের নাস্তা নিয়ে আসে। সবাই অল্প খাচ্ছে আর কথা বলছে।

সৈয়দ আহামেদ রিয়াকে জিজ্ঞেস করলেন „“তা আম্মা কয় দিনের জন্য এসেছো?”

রিয়া হেসে বলে „“ভেবেছিলাম কাল সকালে চলে যাবো। কিন্তু এখানে সবাইকে দেখে যেতে ইচ্ছে করছে না।”

সোহেল আহামেদ হাসি মুখে বলেন„“তোমার যতো দিন ইচ্ছে ততদিন থাকতে পারো।”

রিয়া শুভর দিকে তাকিয়ে বলে „“কি রে তুই এখানে কেনো?”

শুভ মোলায়ন কন্ঠে বলে „“তোদের ছাড়া থাকতে ইচ্ছে করছিল না।”

শুভ মনে মনে বলে „“তোরা যদি বিয়ে করা বউকে রেখে দিস তাহলে বাড়িতে থাকবো কিভাবে?

হৃদয় শুভর কাধে হাত রেখে বলে „“ভালোই হয়েছে। আজ আমরা অনেক আনন্দ করবো।”
এই বলে চোখ টিপল।সেটা সবার আড়ালে।

শুভ নরম স্বরে বলে „“না ভাই। আমি আসছিলাম শিখাকে দিয়ে যেতে। এখন আমি চলে যাবো।”

সৈয়দ আহামেদ শুভর উদ্দেশ্যে বলে „“তা বললে হবে?আজ না হয় থেকে যাও।”

রিয়াও বলে„“হ্যাঁ শুভ থেকে যা আজ।”

সবার বলার পর রিক্তা নিচু কন্ঠে বলে „“আজ রাত টা থেকে যান শুভ ভাই।”

শুভ রিক্তার পানে তাকিয়ে মুচকি হাসলো। তার পর বলল „“ঠিকাছে।”

সৈয়দ আহামেদ সোহেল আহামেদ নিজেদের রুমের দিকে যেতে যেতে বলে „“ফ্রেশ হয়ে নেও সবাই।”
এই বলে তারা দুজন চলে যায়।

রিক্তা রিয়ার কানে ফিসফিস করে বলে „“আপু তোমাদের সাথে যেই ছেলেটা আসছে ওনি কে?”

রিয়া মিষ্টি হেসে বলে „“ওহ হচ্ছে আমার ছোট দেবর রিফাত। আর রিফাত।”
“জ্বি ভাবি।”
“ও হচ্ছে আমার আদরের বোন রিক্তা।”

রিফাত রিক্তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে „“হাই আমি রিফাত অনার্স ৩ য় ভর্ষে পড়ি।”

রিক্তা মিষ্টি হাসি দিয়ে রিফাতের হাতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বলে „“আমি রিক্তা অনার্স ২য় ভরষে পড়ি।”

ওই দিকে ফোন স্ক্রোল করছে ঠিকই কিন্তু ঈগল চোখে তাকিয়ে আছে রিক্তার দিকে শুভ। মনে হচ্ছে চোখ দিয়ে গিলে খাবে৷

রিয়া সেটা বুঝতে পরে মজা নেবার জন্য বলে „“কি যেন পুরছে। গন্ধ আসছে।”

রিক্তা আশে পাশে তাকিয়ে ভালো ভাবে দেখে বলে „“কি পুরছে আপু? কই আমি গন্ধ পাচ্ছি না তো?”
” হ্যাঁ আপু আমিও পাচ্ছি না তো।”

হৃদয় আশেপাশে তাকাতেই বলে „“কোথায় আমিও তো পাচ্ছি না।”

রিয়া হাসি চেপে রেখে বলে „“কার যেন মন পুরছে।”

রিক্তা কিনচিত ভ্রু কুঁচকে বলে „“তোমরা কি বলছো কিছুই বুঝি না। সব মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে।”

রিয়া রিক্তার মাথায় খাট্টা মেরে বলে „“ তোর বুঝা লাগবে না। উপরে যা।”

তখনই বাড়িতে রাহাদ আসে। সবাইকে হল রুমে বসা দেখে তার মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠে। সামনে এগিয়ে যেতে যেতে বলে „“ কি ব্যাপার সবাই একসঙ্গে?”

হৃদয় রাহাদের সাথে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করো„“ কখন আসলে আপু ভাইয়া? “
“এই মাএ। তুই কোথায় ছিলি?”

একটা প্যাকেট ট্রি টেবিলের উপর বলে„“বোনুর জন্য গিফট আনতে গিয়েছিলাম।”

সবার নজরে পরে নীল রঙের একটা প্যাকেট।
রাহাদ রিক্তাকে বলে „“দেখ বোনু পছন্দ হয়েছে কি না?”

রিক্তা প্যাকেটা হাতে নেয়। মুখে ফুটে উঠে হাসি।
“এটার ভিতর কি ভাইয়া? আর এটা আমার জন্য?”

রাহাদ মুচকি হেসে বলে „“ হ্যাঁ এটা তোর। খুলে দেখ।”

রিক্তা খুব যত্নে প্যাকেট খুলছে।প্যাকেট টা খুলতেই দেখে একটা ফোনের বক্স। আবেশেই রিক্তার হাত মুখে চলে যায়। খুশিতে চোখ চকচক করে উঠে।
বোনের খুশি দেখে রাহাদ রিয়া খুব খুশি হয়। রাহাদ বলল „“খুলে দেখ।”

রিক্তা ফোন টা অনবক্স করলো i pon 16। রিক্তা অবাক কন্ঠে বলে„“এটা কি সত্যি আমার?”
” হ্যাঁ এটা তোর? পছন্দ হয়েছে?”

রিক্তা চোখে পানি চলে আসে। মাথা নিচু করে ফুপিয়ে কেঁদে উঠে।
রাহাদ দূরত গিয়ে রিক্তার পায়ের কাছে হাঁটু ভেঙে নিচে বসে রিক্তার মাথায় হাত রেখে বলে „“আরে পাগলি কান্না করছিস কেনো?”

রিক্তা কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে„“তোমরা আমাকে এতো কেন ভালোবাসো ভাইয়া?”

রিয়া মুচকি হেসে বলে „“ তোর জন্য আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত বোন।”

রাহাদ দমক দিয়ে বলে „“কান্না থামা। ফোনটা চালু করে দেখ।”

রিক্তা কান্না থামিয়ে ফোন টা ওপেন করলো। কিছুক্ষণ দেখার পর বলে„“ভাইয়া এটাতে তো ফেচবুক,হোটসাফ,মেসেঞ্জার, এগুলো সব খোলা।”
“হুম জানি।”
“আচ্ছা তুমি টাকা পেলে কই?”
“শত্রু দিয়ে গেছে।”
শত্রু মানে ভূত। রিক্তা ভূতকে শত্রু বলেই সম্মদন করে।
রিক্তা শুকনো ঢোক গিলে বলে„“স..সত্যি?”

রাহাদ অট্টহাসিতে ফেটে পরে। ভুতের নাম নিতেই রিক্তার অবস্থা দেখার মতো।

সন্ধ্যার পর পর রিয়ার রুমে গল্পের আড্ডা বসে।
সবাই উপস্থিত আছে নেই শুধু রাহাদ,শুভ, হৃদয়।
তারা কোথায় যেন আছে।
রিক্তা রিয়াকে প্রশ্ন করে „“আপু তোমরা কয়দিনের জন্য আসছো?”
” দেখি কাল বা পরশু চলে যাবো।”

রিয়ার উওরে রিক্তার মুখটা মলিন হয়ে যায়।
রিয়া বিষয় টা বুঝতে পরে রিক্তার মাথায় হাত রেখে বলে „“বোনু তুই এখন ছোট না কম বেশি সবই বুছিস। মেয়েদের বিয়ের পর বাবার বাড়ি পর হয়ে যায় এবং তার স্থায়ী ঠিকানা হচ্ছে স্বামীর বাড়ি। সেটাই তাদের ঠিকানা।”

রিক্তা সাথে সাথে উওর দেয় „“কিন্তু তোমাকে তো আমরা পর করি নাই তাহলে?”

রিয়া মুচকি হেসে বলে „“তোকে সহজে বলি। আমার শাশুড়ী মা একটু অসুস্থ। আর রিফাতের টেস্ট পরিক্ষা আছে।”

রিক্তা ছোট করে বলে „“ওহ”

রিফাত হেসে বলে „“বিয়ান আমাদের সাথে চলেন আমাদের বাসায়।”

রিক্তা হেসে বলে „“আপনি থাকেন।”
“হ্যাঁ থাকতে পারি। জামাই হিসেবে।”

শিখা গম্ভীর কণ্ঠে বলে „“ছোট জামাই হিসেবে।”
“কারন?”

রিতু আফসোসের স্বরে বলে„“ ইসসস। আপনার জামাই হওয়া টা অপুরন রয়ে যাবে। রিক্তা আপু অন্য কাউকে পছন্দ করে। আর আমি বিয়ে করবো না।”

রিফাত ভ্রু কুঁচকে বলে „“কিহ…?”

শিখা বলল „“ হুম যা শুনেছেন তাই।”

তাদের গল্প অনেকক্ষণ যাবৎ চলছে।
তখনই নিচ থেকে সানজিদা আহামেদ উচ্চ স্বরে নিচ থেকে ডাকে „“কি রে রিয়া খেতে আয়। জামাই টা সেই কখন আসছে। তাকে নিয়ে খেতে আয়।”

রিয়া সকলের উদ্দেশ্য বলে „“চলো সবাই খেতে হবে।”

সবাই নিচে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে।
সবাই একে একে নিচে আসছে।
সবাই আহামেদ বাড়ির টেবিলে বসে।
মনিরা আহামেদ বলেন „“রাহাদ,জামাই, শুভ কই? ওরা আসছে না কেন?”
“ওহ ছোট আম্মু ভুলে গেছি।  সম্ভাবতো তারা ছাদে আছে।”

মনিরা আহামেদ মেয়েকে বলে„“রিক্তা তাদের ডেকে নিয়ে আয়।”

রিক্তা ভয়ে শুকনো ঢোক গিলে। রিক্তা রাতে ছাদে বা বাড়ির বাহিরে যায় না ভুতের ভয়ে রিক্তার ভাষায় বলতে গেলে ভুত হচ্ছে তার জন্মগত শত্রু।
রিক্তা ভয়ে ভয়ে ছাদের দিকে যাচ্ছে। এক পা দু পা করে ছাদের সিড়ি পার হচ্ছে আর তার ভিতরের ভয় জন্ম নিচ্ছে। ছাদের দরজার সামনে দাড়াতেই। রাহাদ হৃদয় নিচে নামছে। রিক্তার মুখে হাসি ফুটে উঠে।
রাহাদ রিক্তাকে ছাদের দরজার সামনে দাড়িয়ে থাকতে দেখে শুকনো ঢোক গিলে বলে „“বোনু তুই এখানে? কখন আসছিস?”

রিক্তা স্বাভাবিক কন্ঠে বলে „“ এইতো মাএ আসলাম। আম্মু তোমাদের খেতে ডাকছে।”

রাহাদ সস্তির নিশ্বাস ছেড়ে বিরবির করে বলে  „“ oh thank god। রিক্তা কিছু শুনেনি।”

রাহাদ যেতে যেতে  বলে „“ আচ্ছা আমরা নিচে যাই। শুভ ভাইয়া ছাদে তাকে ডেকে নিয়ে আস”

এই বলে রাহাদ নিচে চলে যায়। রিক্তা পা টিপে টিপে সামনে যেতে থাকে।

কিছুটা সামনে যেতেই রিক্তা থমকে দাড়িয়ে যায়

চলবে………

0 0 votes
Article Rating
Loading spinner
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x